রিমি রুম্মান

একটি বৃদ্ধাশ্রম গড়ার স্বপ্ন দেখি__
সেখানে কারো আসবার প্রয়োজন না হোক
প্রতিনিয়ত সে কামনা করি__

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ১২ বছর ৭ মাস ২২ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ৩০১টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ৩০৩৮টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৫২৯৪টি

একান্ত কিছু কথা

রিমি রুম্মান ২ মার্চ ২০১৬, বুধবার, ০৯:১২:৫৯পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৮ মন্তব্য
"সুখের আকাশে বিষাদ রাত" বইটি বেরুলো যেদিন, সেদিন আমার বড় মামী আমাদের ছেড়ে চলে যান ধরা-ছোঁয়া'র বাইরে অন্য এক জগতে। ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন দীর্ঘদিন। শুনেছি, দীর্ঘ রোগ ভোগের পর প্রচণ্ড যন্ত্রণায় কাতর মানুষেরা জীবনের প্রতি, বেঁচে থাকবার প্রতি সমস্ত আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। কিন্তু আমার মামী সব যন্ত্রণা সয়েও তীব্রভাবে বেঁচে থাকতে চাইতেন। প্রতিটি ভোরে চোখ [ বিস্তারিত ]

জন্মের এই দিনে

রিমি রুম্মান ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, শনিবার, ১১:০৫:৫৪পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৪ মন্তব্য
প্রতিবার জন্মের এই দিনে এদেশে কোন না কোন বন্ধু চম্‌কে দেয়। চমৎকার এক ডিনারের আয়োজন করে দামী কোন রেস্তোরাঁয়। আলো-আঁধারির ঘোরলাগা এক পরিবেশ। রকমারি সুস্বাদু খাবার। শেষে রেস্তোরাঁয় কর্মরত ইউনিফর্ম পরিহিত'দের কেক এবং ক্যান্ডেল হাতে টেবিলের চারপাশে দাঁড়িয়ে "হ্যাপি বার্থডে" গান গাওয়া __ সবমিলে সে এক অসাধারন ভালোলাগা ময় পরিবেশ ! জানি, আমার প্রতি এটি [ বিস্তারিত ]

“সোনেলা” আমার খুঁজে পাওয়া ঠিকানা

রিমি রুম্মান ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, শুক্রবার, ১২:৫২:১০পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩১ মন্তব্য
লেখালেখি করছিলাম স্কুলে থাকাকালীন সময় থেকেই। তবে লুকিয়ে।কেননা, স্কুলের পড়াশুনার বাইরে কিছু লেখা কিংবা গল্পের বই পড়ার পিছনে সময় ব্যয় করাটাও যেন একটা অপরাধ ! তবে বাড়ির সকলেরই পত্রিকা পড়ায় দারুন ঝোঁক ছিল। বলা যায় একরকম নেশা। আমার মফঃস্বল শহরে ঢাকা থেকে পত্রিকা পৌঁছাতে এবং তা আমাদের হাত পর্যন্ত যেতে দুপুর গড়িয়ে যেতো। দুপুরের খাবার [ বিস্তারিত ]

বেঁকে যাওয়া পথের গল্প

রিমি রুম্মান ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, বুধবার, ০২:০৩:২৮অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২০ মন্তব্য
রোজ সকালে ছেলেকে স্কুলে দিয়ে যে পথে বাড়ি ফিরি, সে পথে পাশাপাশি আরেক মা-ও ফিরেন। কিছু দূর হেঁটে আমাদের পথ বেঁকে যায় দু'দিকে। এই বেঁকে যাওয়ার আগ অবধি আমাদের কথা হয়। খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দেন আমায়, কেমন করে খেলার ছলে বাচ্চাদের পড়ায় মনোযোগী হতে শেখাবো কিংবা ঘুমাতে যাবার আগে বই পড়ায় অভ্যস্ত করে তুলবো। [ বিস্তারিত ]

বারংবার মরে বেঁচে উঠা জীবন

রিমি রুম্মান ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, শুক্রবার, ১১:৪৫:৩০পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৮ মন্তব্য
ভর দুপুরের সুনসান নিরব সময়টাতে আচমকা কলিংবেল বেজে উঠলো। দরজা খুলতেই মধ্যবয়সী এক নারী সাথে তাঁর টিনএজ পুত্র, কিছু লাগেজ। বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। পাশের রুমের আঙ্কেলের স্ত্রী পুত্র তাঁরা। আমরা বাড়ির অন্য সদস্যরা বিস্মিত ! বলা নেই, কওয়া নেই। হুট করে এসে হাজির ! আঙ্কেলকে কর্মস্থলে ফোনে জানানো হল। তিনি এলেন এক আকাশ কালো মেঘ [ বিস্তারিত ]

কত কি-ই তো কথা ছিল

রিমি রুম্মান ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, বুধবার, ১১:৫৫:২৪পূর্বাহ্ন কবিতা ২৪ মন্তব্য
আমার প্রিয় যে উঠোনে তোমার আসবার কথা ছিল, সেখানে বড় কালো পাথরটিতে বসে রাতভর জ্যোৎস্না দেখবার স্বপ্ন ছিল গোলাপি কৃষ্ণচূড়ার নীচ দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে এতকালের জমানো গল্পগুলো শুনাবার কথা ছিল শুকনো ঝরা পাতার উপর দিয়ে পা মাড়িয়ে যেতে যেতে জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া বারোটি বসন্তের গল্প শুনবার কথা ছিল সে উঠোনে আজ এক হাঁটু [ বিস্তারিত ]

একরাশ শীর্ণ হাহাকার

রিমি রুম্মান ২৭ জানুয়ারি ২০১৬, বুধবার, ১২:২১:০৪অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৪ মন্তব্য
বাসার সামনের লনে যখন বুক পরিমান তুষার, ছেলে দু'টিকে নিয়ে খেলছিলাম, ছবি তুলছিলাম।ছেলেদের সাথে খেলার সময়টাতে বরাবরই আমি ওদের মতোই ছোট হয়ে যাই। জাম্প করে তুষারের উপর শুয়ে পড়া, একে অন্যকে হাত ভর্তি সাদা তুলার মত তুষার ছুঁড়ে মারা__ যেন তিন বন্ধুর খেলা ! খেলা শেষে ওদের বাসায় পাঠিয়ে শাবল হাতে পার্কিং স্পেসের দিকে যাই। [ বিস্তারিত ]

গ্রিলের ওপাশে এক্‌লা আকাশ

রিমি রুম্মান ২২ জানুয়ারি ২০১৬, শুক্রবার, ১১:৩১:৪৮পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি, গল্প ১৮ মন্তব্য
বছর জুড়ে অপেক্ষার প্রহর গুণে রাহেলা খাতুন। ডিসেম্বরে ছেলে মেয়েদের স্কুল ছুটি হলে বাবার বাড়ি বেড়াতে যাবেন। শৈশব কৈশোরের সেই গ্রাম। দুরন্ত বালিকার দিনভর ছুটোছুটি করা, পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়া, লবন মরিচ দিয়ে কাঁচা আম আর চাল্‌তা বানিয়ে খাওয়া গ্রাম ! কতকাল শ্বাস নেয়া হয়না জন্মস্থানের চেনা আলো-বাতাসে ! বছর শেষে দীর্ঘদিনের জমিয়ে রাখা স্বপ্ন'রা ভেঙ্গে [ বিস্তারিত ]

জীবন থেমে থাকে একদিন

রিমি রুম্মান ২০ জানুয়ারি ২০১৬, বুধবার, ১০:২৪:১৫পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ১৫ মন্তব্য
বন্ধন ===== পাঁচটি তারায় জ্বলজ্বলে আকাশ ছিল এইতো সেদিনও আচ্‌মকা খসে পড়ে দু'টো তারা অন্ধকারের জলে শুধু তিনটি তারা আজো ভেসে আছে সময়ের ভেলায় সেখানে আজ খণ্ড খণ্ড মেঘ, বেহিসেবি আবেগ। . নীল শোক ======= ডানা ছেঁড়া পাখি সেই থেকে উড়ে না আর সন্ধ্যার আকাশে তীব্র নীলাকাশের নিচে নীল শোকে ভেসে থাকে সে শুভ্র তুষারে [ বিস্তারিত ]

কি অদ্ভুত বৈপরীত্য

রিমি রুম্মান ৪ জানুয়ারি ২০১৬, সোমবার, ১২:১০:৫৪অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২১ মন্তব্য
"জন এফ কেনেডি" এয়ারপোর্ট। গিয়েছিলাম বন্ধুর বাবা-মা'কে বিদায় জানাতে। দু'মাস বেড়ানো শেষে তাঁরা ফিরে যাচ্ছেন দেশে। প্রিয়জনদের বিদায় জানিয়ে যাত্রীরা সিকিউরিটি চেকিং এরিয়ার দিকে যাচ্ছে একে একে। সমস্যা বাঁধলো বৃদ্ধা এক যাত্রীকে নিয়ে। ৬/৭ বছরের ছোট্ট মেয়েটিকে কিছুতেই দাদু'র কোল থেকে নামানো যাচ্ছিলো না। গলা জড়িয়ে প্যচিয়ে ধরে আছে। কাঁদছে। ও দা- দু যেওনা ... [ বিস্তারিত ]

প্রিয় সোনেলা ব্লগ

রিমি রুম্মান ২ জানুয়ারি ২০১৬, শনিবার, ০২:৩৫:০৮অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৩ মন্তব্য
বিগত বছর আর নতুন বছর নিয়ে "সোনেলা"য় একটি লেখা দেয়ার কথা ছিল। "সোনেলা ব্লগ" আমার ভালোবাসার জায়গা। সকালে উঠেই লিখে দিবো, ভেবেছি। বছরের শেষ দিন। ভোরে ঘুম থেকে উঠেই দেখি ভাই, বোন দু'জনের মেসেজ___"রুমি মারা গেছে" ! পাড়ায় যে ২/৪ টি বাসায় যাতায়াতের অনুমতি ছিল আমাদের, রুমিদের বাসা তার একটি। ও বাসার সবাই আমাদের ভীষণ [ বিস্তারিত ]

আয় খুকু আয়

রিমি রুম্মান ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫, বৃহস্পতিবার, ১১:৫৯:১২পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩১ মন্তব্য
এক দুপুরে আমি দ্রুত পায়ে হেঁটে যাচ্ছি ছেলের স্কুলের দিকে। ছুটি হয়ে গেলে, আমায় না দেখলে ছোট্ট মানুষটির মন খারাপ হবে। আমার যে আগেভাগে স্কুল গেটে অধির আগ্রহে দাঁড়িয়ে থাকবার কথা। স্কুল গেটে গিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলি। একে একে অন্য শিশুদের সাথে রিয়াসাত বেরিয়ে আসে। জড়িয়ে ধরে। আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে হাঁটছিলাম। ঠিক সেই সময়ে ফোন [ বিস্তারিত ]
গত দু'সপ্তাহ যাবত তাঁরা আমার অতিথি। রাত পোহালেই ফিরে যাবেন দেশে। তাই সন্ধ্যাকালীন চা'য়ের সময়টাতে হাসি, আনন্দে গল্প হচ্ছিলো। পরিবেশ ধীরে ধীরে গুমোট হয়ে উঠছিলো। আমি নির্বিকার হয়ে শুনছিলাম। তরুণ বয়সে এই বিদেশ বিভূঁইয়ে এসে কতটা সংগ্রাম করে আজকের অবস্থানে এসেছেন, সেই সব গল্প। দেশে রেখে আসা স্ত্রী এবং আদরের ছোট্ট ছেলেটির গল্প। কেমন করে [ বিস্তারিত ]

থাকুক একান্ত আপন হয়ে

রিমি রুম্মান ৯ ডিসেম্বর ২০১৫, বুধবার, ০৯:২৮:২৬পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৫ মন্তব্য
মাসব্যপী আলোকোজ্জ্বল সাজে সজ্জিত নগরীর সমস্ত মানুষ যখন বড়দিনের উৎসব পালন করছিলো, ঠিক সেই সময়ে আমার বড় ছেলে রিয়াসাতের সহপাঠী মায়া'র পরিবারে ভয়াল এক অন্ধকার নেমে আসে। পাঁচ বছর আগের সেইদিনটি ছিল পঁচিশে ডিসেম্বর। দেশ থেকে খবর এলো মায়া'র বাবার অবস্থা ভীষণ খারাপ। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওদের দেশে যেতে হবে। সাত বছরের মায়া, এক বছর [ বিস্তারিত ]

তবুও বেঁচে থাকা

রিমি রুম্মান ২ ডিসেম্বর ২০১৫, বুধবার, ০৮:৫৭:১৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৭ মন্তব্য
ক্ষোভে উত্তেজনায় শায়লা বলে চললো__ "এভাবে সংসার হয় না। হতে পারে না। শেষ পর্যন্ত গায়ে হাত তুললো ? আমার বাবা-মা'ও কোনদিন গায়ে হাত তুলেনি। আমাকে ধাক্কা মেরে সিঁড়ি দিয়ে ফেলে দিলো। আমি তো মারাও যেতে পারতাম, পারতাম না ?" জিজ্ঞাসু দৃষ্টি আমার দিকে। আমি ধীর, স্থির কণ্ঠে বলি, "তুমি তাঁর মেজাজ খারাপ করেছিলে ?" শায়লার [ বিস্তারিত ]

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য