নাটাই সুতো নাটাই সুতো, আকাশ জুড়ে ঘুড়ি। শূন্যর বুকে নীলের মাঝে, রঙের ছড়াছড়ি। অলস দুপুর অঁচল জুড়ে, উড়ছে ঘুড়ির ঝাক। লেজগুলো নাড়ছে বেশ, একেবারে ঠিকঠাক। হরেক বাহার হরেক রকম, স্বতন্ত্র তাদের সাজ। বাক্স ঘুড়ি চিল ঘুড়ি, নানান কারুকাজ। বাতাস যখন উঠলো ছুটে, ঘুড়িরা ছুটলো ধায়। রঙবেরঙের ঘুড়ির সাজ, জাঁকাল দেখতে হয়। খোকা [বিস্তারিত ঘুড়ি]
চোখের জলে ভিজে গেল, মনের যত আবেগ। জোছনা রাশি ঢেকে দিলো, ইশান কোনের মেঘ। সেই মেঘ বরষাতে শুরু, যত সর্বনাশ। বজ্রের মাথায় আটকে গেল, অস্থির দীর্ঘশ্বাস। তখন থেকে শুরু হলো, কষ্টে ভরা জীবন। অসম প্রেমের পাঠশালাতে, অরণ্যে রোদন। অমানিশা এলো ধেয়ে, প্রকৃতির খেয়ালে। স্বপ্নগুলো আটকে গেলো, আবদ্ধ দেয়ালে। টুপটাপ খসে গেলো, যত খুশির ক্ষণ। তোমার [বিস্তারিত একাকী জীবন]
বিকৃত কামতৃষ্ণা হতে সৃষ্ট পাপাচার ,কামাতুর উষ্ণতার লোভে, কাঠ,খড় পুড়িয়ে, অসহ্য তপ্ত হয় কতিপয় যুবক। বিকারগ্রস্থ শরীরের তৃষ্ণা মেটাতে। ফাঁদ পাতে গলি ,পার্কে,নির্জন রাস্তায়, পাবলিক টয়লেটে অথবা ছাত্রী হোষ্টেলে। যে জনপদে যৌন শক্তি বর্ধক পানীয়,ট্যাবলেট দেদার বিক্রি হয় মুড়ি মুড়কির মতো। সেই সমাজে কোন রমনীই নিরাপদ নয়। অসুস্থ চিন্তাধারা, বিকারগ্রস্ত মনমানসিকতা, সামাজিক অবক্ষয়ের এক বিভৎস [বিস্তারিত ব্যাধি]
গোধুলীবেলার বসন্ত বাতাসে, পিপাসিত ওষ্ঠদ্বয়। নব প্রেমের অনুরাগে লোভাতুর দৃষ্টি মেলে দুর্ভেদ্যে। নয়নের কাজলখানি, তোমার রূপের কারুকাজ, আরো সুগভীর সাজিয়ে তোলে, ভালোবাসার শৈল্পিক ছোঁয়াতে। উত্তপ্ত নিশ্বাসে ক্ষণেক্ষণে বুকের ওঠাপড়া, অন্তরে বেধে যেন অসহ্য সুখের শায়ক। তীব্র অনুরণনে।নিঃশেষে বারেবার,শতবার। রক্তের রিনিঝিনি,উদ্দামতা,আরেক সপুষ্পক প্রেমরূপে ধরা দেয়। জাগতিক সুখ সম্ভোগে।
ফুলে ফুলে বনতল, সুবাসিত দিন। ছেড়া ছেড়া মেঘে ছাওয়া, আকাশটা নীল। রঙিন হাওয়ায় উড়ছে পালক, উড়ছে স্বপ্নগুলো। ফাগুন হাওয়ায় মনমাতাল, ভাবনা এলোমেলো। নিস্তব্ধ চরাচর, উদাস দুপুর। মেঘবালিকা হেঁটে চলে, পায়েতে নুপুর । অচিন পাখি গাইছে গান বাজছে হওয়ায় সুর । স্বপ্ন ছোঁয়া দিনটি আজ অপ্রতিম মধুর ।
তুমি চাইলে অনেক কিছু হতে পারতো আমাদের। কেন মুখ ফিরিয়ে ছিলে? আমি কি এতটাই অপাঙ্ক্তেয়। তোমার নীল যৌবন আমার হৃদয় হরণ করেছিলো, শুক্লা তিথির রাতে। আমি তো অর্গল খুলেই রেখেছিলাম। তুমি শুধু হাত বাড়ালেই হতো। সবইতো বরাবরই ছিলে এক নিঃশ্বাস পরিমান কাছে। তুমি কি জানো ? তোমার চুলের ঘ্রাণ পাবার লোভে, আমি তোমার পিছু পিছু [বিস্তারিত তুমি চাইলে অনেক কিছু হতে পারতো।]
যতবার তোমার সাথে দেখা হয়, মনেমনে ভাবি ,বলি, ”ভালোবাসি” । তোমার চোখে, তোমার ঠোঁটে, তোমার ওই রক্তিম দু’গালে, মনেহয় একটু আদর করি আর বলি কানেমুখে, ”ভালোবাসি” । তোমার মোহমায়ায় আমি এতটাই আবিষ্ট যে, দিকহারা নীহারিকার মতো, ছুটে যাবো যখন তখন তোমার কক্ষপথে। তখন আমায় সস্নেহে ধরবে তো ? দু’বাহু প্রসারিত করে? যদি ধরতে না পারো,তাতেও [বিস্তারিত ভালোবাসি]
সজনে গাছের মগডালে, একটি হলুদ পাখি। নাম জানিনা তাইতো তারে, হলদে পাখি ডাকি। হলদে পাখি, হলদে পাখি, কোথায় তোমার বাড়ি? বাড়ি তো নাই ,এদেশ ওদেশ করি ঘোরাঘুরি। বেশতো ভালো মজার জীবন, অবাধ মুক্ত স্বাধীন। গান গেয়ে যাও,ঘুরে বেড়াও, নাচো তা ধিন ধিন। আমি তো ভাই নিয়ম জালে পড়ে গেছি বাধা। মানব জীবন বড়ই [বিস্তারিত হলদে পাখি]
বাবা টিয়া গাইছে গান, আমড়া গাছের ডালে। ছানাগুলো আশ্রয়ে, মায়ের বুকের তলে। রীনা বসে বীনা বাজায়, মীনা গায় গান। দীনা বলে পুষবো পাখি, একটা ধরে আন। মা শুনে কয় বনের পাখি, বনেতে মানায়। বন্দী পাখি হয় যে দুঃখী, উচিত কাজ নয়। দীনা বলে ঠিক তবে তাই বাঁচুক ওরা ওদের মত করে । মুক্ত স্বাধীন কাটাক [বিস্তারিত পাখির স্বাধীনতা]
তিড়িং বিড়িং খোকন নাচে, হরেক তার বায়না। দিতে হবে কিনে তাকে, জাদুকরী আয়না। ভেবে ভেবে মা যে তার, হলো কুপোকাৎ। বাবা বলে দেবো দেবো, পোহাক আগে রাত। রাত নিশিথে খোকন সোনা, ঘুমে স্বপ্ন দেখে। তেপান্তরের মাঠে এক বক রাক্ষসী থাকে। সকাল হতেই বায়না জুড়ে, মা কিনে দাও ঘোড়া। রাজকুমারী বন্দী এখন, নেইকো সাহারা। মাতো পড়লো [বিস্তারিত বায়না]
গভীর রাতে জলপরীরা উড়ছে আকাশ জুড়ে। জোছনারাশি খেলা করে, তাদের চারিধারে। ফুলকলিদের ফোটার সুখে, খুকু গাইছে গান। পাখপাখালি সেই সুরেতে, ধরলো ঐক্যতান। নদীর কুলে ঢেউ খেলে যায়, কুলে ভেড়ে তরী। রাজার কুমার বসে তাতে, দেখতে মানায় ভারি। কি চায় কুমার কে জানে হায়! কিসের তরে প্রবেশ। ছোট্ট খুকু গান থামিয়ে, চিন্তিত হলো বেশ। রাজকুমার বলল [বিস্তারিত লাজবতী]
খোলা আকাশের নিচে, ছেড়া চটের বিছানায়, শুয়ে আছে একটি মানব সন্তান! চরম নিরুপায়। বাইরে তখন শীতের দাবানল। একটু উষ্ণতার খোঁজে, দুটো কুকুর শুয়ে আছে তাকে চেপে ধরে। অসহায়ত্ব যে তাদের এক জায়গাতে সাদৃশ্য। রাত জেগে হিমকুয়াশা ও শীত। গভীর ফিসফিসানিতে করে প্রেমালাপ। মাখামাখি। উষ্ণতা যাদের একটুকুও পছন্দ নয়। কষ্টের তীব্রতায় এপাশ ওপাশ করার শেষে, প্রতীক্ষিত [বিস্তারিত নির্লিপ্ততা]
চাঁদ ডুবেছে সেই কারণে, খুকীর হলো মান। খোকা দেখো দিনের আলোয়, গাইছে সুখের গান। রাত নিশিথে ফুল ঝরেছে, গন্ধ গেছে টুটে। ফের ঠিকই দিনের আলোয়, নতুন ফুলেরা ফোটে। খেয়াল এমন ই, খুশী এমন ই, হরেক গল্প বলা। ভাঙাগড়ার মধ্যে দিয়ে ই প্রকৃতির ছুটে চলা।
চড়ুই পাখি বউ সেজেছে, ঘোমটা দিলো মাথায়। টুনটুনিটা তাই না দেখে নাচছে পাতায় পাতায়। শ্যামা বলে, গয়না আনো । ময়না বলে, বর এলো কই? শালিক বলে, পোলাও খাবো, সাথে চাই টক মিঠা দই । প্যাঁচা বলে চল রে ভাই, এই আনন্দে গান সবে গাই। ছন্দে ছন্দে দুলি আনন্দে, সুরে সুরে সুর মিলাই । পাঁজি কাকটা [বিস্তারিত বিয়ের আসর]
তব ধোপদস্ত চুম্বনে, মদীয় অম্ভোধি পয়স্বিনীতে জলোচ্ছাস বয়ে গেল অতর্কিতে। মেঘহীন বর্ষণে ভিজে গেল মাঠ প্রান্তর। নতুন জলপ্লাবনে অচিরেই জেগে উঠলো সেথায় ঘাস, দূর্বা ও অন্যান্য প্রাণের অনুরণন। এভাবে তুমি তোমার জাদুকরী ক্ষমতা প্রয়োগ করো অকসর প্রিয়তমা । আমি চিরকাল তোমার প্রেমে, নিষিক্ত হয়ে বিকশিত হতে চাই। অনুভবে ,আহ্লাদে, ভালোবাসাতে।