ব্যাধি

বিকৃত কামতৃষ্ণা হতে সৃষ্ট
পাপাচার ,কামাতুর উষ্ণতার লোভে,
কাঠ,খড় পুড়িয়ে, অসহ্য তপ্ত হয় কতিপয় যুবক।
বিকারগ্রস্থ শরীরের তৃষ্ণা মেটাতে।
ফাঁদ পাতে  গলি ,পার্কে,নির্জন রাস্তায়,
পাবলিক টয়লেটে অথবা ছাত্রী হোষ্টেলে।

যে জনপদে যৌন শক্তি বর্ধক পানীয়,ট্যাবলেট
দেদার বিক্রি হয় মুড়ি মুড়কির মতো।
সেই সমাজে কোন রমনীই নিরাপদ নয়।
অসুস্থ চিন্তাধারা, বিকারগ্রস্ত মনমানসিকতা,
সামাজিক অবক্ষয়ের এক বিভৎস তৈলচিত্র।

নারীকে দলিত করার তীব্র ইচ্ছা,বেহিসেবী জীবনে,
পাওয়া না পাওয়ার হতাশা,ক্ষোভ থেকে জন্ম নেয় পাপ!
সেই পাপ ব্যাধি হতে সৃষ্ট কর্মকান্ডের নাম ধর্ষণ।

মোট পড়েছেনঃ ৬২৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. ঔষধ পরের কথা আগে বলুন নিজের রিপুকে দমন করবে কিভাবে? হাতের মুঠোয় যেখানে নারীপুরুষের বেলাল্লাপনা দেখা যায় সেখানে ঔষধতো ব্যাবসা মাত্র।

    ভালো লিখেছেন ভাই।

  2. অসুস্থ চিন্তাধারা, বিকারগ্রস্ত মনমানসিকতা,
    সামাজিক অবক্ষয়ের এক বিভৎস তৈলচিত্র।

    কবিতার সার কথা। খুব ভাল লাগল। কিছুই বলার এ দেশে যে ভাবে পারে সে সেভাবেই করে যাচ্ছে।ভবিষৎ অন্ধকার।

  3. “নারীকে দলিত করার তীব্র ইচ্ছা,বেহিসেবী জীবনে,
    পাওয়া না পাওয়ার হতাশা,ক্ষোভ থেকে জন্ম নেয় পাপ!
    সেই পাপ ব্যাধি হতে সৃষ্ট কর্মকান্ডের নাম ধর্ষণ। “

    ধর্ষণের ব্যাখ্যাটা যতার্থ হয়েছে।
    শুভ কামনা।

  4. যে জনপদে যৌন শক্তি বর্ধক পানীয়,ট্যাবলেট
    দেদার বিক্রি হয় মুড়ি মুড়কির মতো।
    সেই সমাজে কোন রমনীই নিরাপদ নয়।

    উন্নত বিশ্বে তথা পশ্চিমা সভ্য দেশগুলোতে রাস্তার মোড়ে অটো মেশিনে আরও সহজলভ্য এসব জিনিষ- ওরা কয়েন ঢেলে দিয়ে মেশিন থেকে সংগ্রহ করে, ফার্মেসিতে যেতে হয় না।
    তবে ওইসব দেশে যৌনতার ক্ষেত্র/চাহিদা জোড়পূর্বক ধর্ষন এর মত ভয়াবহ বা নিকৃষ্টতম হয় না।
    এসব ঔষধের সহজলভ্যতার ফলে অবাদ/অবৈধ যৌনাচার বৃদ্ধি পেলেও ধর্ষনের ক্ষেত্র দায়ি অসুস্থ মানষিকতা আর বিপরীত লিঙ্গের প্রতি সত্যিকার সুস্থ মানষিক মূল্যবোধ।

    তবে,
    অসুস্থ চিন্তাধারা, বিকারগ্রস্ত মনমানসিকতা,
    সামাজিক অবক্ষয়ের এক বিভৎস তৈলচিত্র।
    এই কথাটার সাথে পুরোপুরি একমত।

    শুভেচ্ছা রইলো।

মন্তব্য করুন