মেঘে ঢেকে যাচ্ছে আকাশ। যেখানে যেখানে ফাঁকা আছে, কালো মেঘের দল দ্রুতগতিতে ছুটে এসে সেসব ফাঁকা জায়গা পূরণ করে দিতে ভীষণই তৎপর। ছোট্ট ডিঙিতে বৈঠা হাতে দাঁড়িয়ে অবাক চোখে হামেদ তাকিয়েই আছে আকাশের দিকে। হঠাৎই দমকা হাওয়ার প্রবল ঘূর্ণি। রোগা শরীরে ঢিলেঢালা জামা আর পরনের লুঙ্গিখানা যেন উড়ে যাবে। টুকটুকে লাল গামছাটা ঘাড় ছেড়ে উড়াল… [বিস্তারিত]

রেহানা বীথি
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ বছর ৫ মাস ৬ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৭৬টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ২০৪১টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১০৩১টি
ঠিক এই মুহূর্তের কয়েকটি প্রার্থনা কি ঈশ্বর শুনতে পাচ্ছেন? ভীষণ নিষ্পাপ কিছু প্রার্থনা... শিশু হবো নিঃসঙ্গ ঘরের ওপরে নেমে আসা ধবধবে সাদা মেঘে হাত ডোবাবো এবং বেঁচে থাকবো আরও কিছুদিন। যখন প্রাণবায়ু বিষময়, আমরা মানবিকতা নিয়ে সন্দেহের শেষ সীমায়, তখন কি এমন প্রার্থনা হাস্যকর? তাহলে কি চাইবো? সর্বোচ্চ শাস্তির ঘোষণা? ঘোষণা এলেই কি আমরা নিমেষেই… [বিস্তারিত]
মনে হল কেউ ডাকছে, অথচ আমি এখন দীর্ঘ ঘুমে। তবুও শুনতে পেলাম, ডাকছে কেউ। কে ডাকছে? কে ডেকে ডেকে ভাঙাতে চাইছে নিরবচ্ছিন্ন অবসর? আমি তো ঘুমোতে চাই। বার বার আঘাতে পাইনি একটানা অবসর। পাইনি এমন করে ঘুমোনোর সুযোগ। তবে কেন...? বহুকাল ধরে পুরুষেরা ঘুমোতে দেয়নি আমাকে। আশা নিয়ে জেগে ছিলাম, সবকিছু মানুষের হবে। না নারীর… [বিস্তারিত]
একদিন কথা হবে খুচরো মন নিয়ে কথা হবে ঘটে যাওয়া ঘটন-অঘটন নিয়ে আজও টিকে থাকা অভুক্ত অনু-পরমানু কেমন করে বরফি রোদে ডানা মেলে হয়েছে ফড়িং সেসব কথা বলবো একদিন। একদিন কথা হবে অ-সুখী যুদ্ধ নিয়ে কথা হবে ছাতিম ফুলের কামুক পাপড়ি নিয়ে কোনও দূর বিচ্ছেদী বাগান থেকে এসে কেমন করে কুর্চি ফুলের উপোসী দেহে হয়েছিল… [বিস্তারিত]
জীবন্ত ক্যানভাস রেহানা বীথি গতকাল থেকে শুধু ঘুম, খাওয়া আর ওয়াশরুমের ব্যক্তিগত সময়টুকু বাদ দিয়ে লেগে রয়েছি একটানা। কিন্তু কাজ যেন একটুও এগোচ্ছে না। নিজের ওপর ভীষণ রাগ হচ্ছে। মাঝে মাঝেই খামচে ধরছি মাথার চুল, কপালে জমে থাকা বিন্দু বিন্দু ঘাম মুছে নিচ্ছি , বিরক্ত হয়ে চপেটাঘাত করছি নিজেরই গালে। রাগটা প্রশমিত হওয়া তো দূরের… [বিস্তারিত]
নয় নয় করে নয় বছরে পদার্পণ করলো সোনেলা। আমার উপস্থিতি কতদিনের? বছর পেরিয়েছি। ব্যস? না, ব্যস নয়। এই এক বছরে বেশ কিছু হাবিজাবি পোস্ট দিয়ে মাথা ধরিয়েছি সবার। তবে কারও মাথা ধরিয়ে যে ভালোবাসা পাওয়া যায়, তা সোনেলায় না এলে জানতেই পারতাম না। সেদিক থেকে দেখলে, কারও ভালোবাসা পেতে চাইলে আগে মাথাটা ধরিয়ে দাও, ব্যস...… [বিস্তারিত]
আচ্ছা, অনেকগুলো বছর পিছিয়ে গেলে কেমন হয়? পদ্মার ধারে ঢেউ গুনতে গুনতে একদিন যে সময়টায় চটপটি আর বাদাম খাওয়া চলতো রোজ, অন্তত সে সময় অব্দি পেছাতে পারলে বেশ হতো। সাথে কি একটি মুখ থাকতো কিংবা একাধিক ? দরকার নেই ও হিসেবের। ইচ্ছে হলেই ক্লাস শেষে চলে গেছি বড়কুঠি। বন্ধুর বাড়ি। তখন দুপুরের খাওয়ার সময়? তাতে… [বিস্তারিত]
#স্বপ্ন পর্ব ৬ ভোরে উঠেই মনটা ভার হয়ে গেল। মেঘলা আকাশ, ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। অন্যদিন হলে এই বৃষ্টি দেখে নেচে উঠতো মন, কিন্তু আজ, আজ তো...! এদিকে আমার কন্যাদের বাবা মুখে মিটিমিটি হাসি নিয়ে দেখছে আমাকে। গা জ্বলে গেল আমার। আমার মনের এই অবস্থা, আর সে কি-না মিটিমিটি হাসছে! চোখ পাকিয়ে বললাম, "হাসছো কেন?" আমার পাকানো… [বিস্তারিত]
এবছর বৈশাখ ছিল বর্ষার মতো। সূর্যের দেখা নেই দিনের পর দিন। যখন তখন অঝোরধারা। হিমেল পরিবেশে রোজা শুরু। চুলার পাশে দিনমান পার করলেও ঘেমে একাকার হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় ইফতারির আয়োজনে ছিল না কোনও ক্লান্তি। সন্ধ্যার পর যদি মেঘের গুড়ুম গাড়ুম- এর কারণে চলে গেছে বিদ্যুৎ, তো সেটা হয়েছে আমাদের কাছে বাড়তি পাওনা। লাইট, ফ্যান… [বিস্তারিত]
এইসব আবার কেমুন নাম? শিউলী-বীথি, সালাম-রুবা এগুলান কুনু নাম হইলো? নাম হইলো গিয়া আমার দুই পোলার! তা কী নাম তোমার ছেলেদের? ভ্যালা আর ফ্যালা। কন তো আম্মা, সুন্দর নাম না? মুচকি হেসে আম্মা বলেন, হ্যাঁ হ্যাঁ, খুব ভালো নাম তোমার ছেলেদের। কে রেখেছিল নামগুলো, তুমি না ছেলেদের বাপ? তাগো বাপেই রাখছিলো। বড় ভালা মানুষ আছিলো… [বিস্তারিত]
ছোটবেলার স্মৃতি, তাও আবার রোজার স্মৃতি, লিখতে গেলে ইতিহাস হয়ে যাবে। তবুও যদি না লিখি, জানবে কেমন করে সবাই? ছোটবেলার স্মৃতি জানানোতে যে ভালোলাগা কাজ করে, জানাতে গিয়ে মাঝে মাঝেই আবেগে ঝাপসা হয়ে যায় চোখ, সে স্মৃতি কেমন করে না লিখে থাকি? জানবো জানাবো, ভাগ নেবো আবেগের, তবেই না আমাদের রুদ্ধ আবেগ পেয়ে যাবে প্রজাপতির… [বিস্তারিত]
একজন নারীর তৈরি ভ্যাকসিন গ্রহণ করলেন আরেক নারী। গোটা বিশ্ব উন্মুখ হয়ে তাকিয়ে তাদের দিকে। যদি সফলতা আসে, রুখে দেয়া যাবে মহামারি। "যদি" নয়, আমরা নিঃশ্বাস আটকে আছি ভীষণ আশায়, সফলতা আসবেই। আসছে মে মাসে করোনা ছেড়ে যাবে বাংলাদেশ.... বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এই চরম মুহূর্তে এমন আশার বাণীই তো চাই। চাই বিশ্বাস করতে, মে মাসের কোনও… [বিস্তারিত]
জানালা খুলে উদাস হয়ে বসে আছে রূপু। বসে আছে সেই বিকেল থেকেই। গোধূলির রঙ ছড়িয়ে সূর্যটা ডুবে যাবে ভাব। পাখিদের তোড়জোড় নীড়ে ফেরার। কিন্তু কোথায় সে? ব্যস্ত পায়ে রোজ বিকেলেই তো হেঁটে আসে এপথ ধরে, কিন্তু গত দু'দিন কোনও খবরই নেই! কখনও কখনও হুটহাট ঢুকেও পড়ে রূপুদের বাড়িতে। মা, বাবা আর আপুর সাথে হৈচৈ করে… [বিস্তারিত]
এই থমকে যাওয়া সময়ে সব ভাবনা এলোমেলো উড়ছে যেন। একসময় মনে হতো, যদি একটানা দশদিন ছুটি পাওয়া যেত, মনের পেখম মেলে দিতাম। মেয়েদের বহুদিনের শখ, সবাই কত বেড়াতে যায় সাগরে নয় পাহাড়ে, আমরা কোথাও যাই না। ওদের সে শখ পূরণ করে দেবো। এখন ছুটি। দীর্ঘ দীর্ঘ ছুটি। কিন্তু এ ছুটি গৃহবাসী ছুটি। অনিশ্চিত এ দীর্ঘ… [বিস্তারিত]
সে প্রশ্নের কোনও উত্তর না দিয়েই হাতটা আরও শক্ত করে ধরে হাঁটতে থাকলো হন হন করে। ওর আচমকা গতিতে তাল হারিয়ে প্রায় পড়েই যাচ্ছিল সুরভী। জানে না কাঁদু নামের ছেলেটা তাকে কোথায় নিয়ে যাবে, তবু যেন এক আশ্চর্য নির্ভরতায় সেও শক্তহাতে ধরে আছে তার হাত। ছেলেটি কি তাকে ওর বাড়িতে নিয়ে যাবে? কে কে আছে… [বিস্তারিত]











