ধুর শালা, শালা বেজন্মার দল, যত রাগ ওই ঘরগুলোর ওপর! সব মিশমার করে দিলো চোখের পলকে! নেশার পয়সাটাই মাটি। ভর সন্ধ্যেবেলায় নেশা করে গায়ে এমন জ্বালা ধরেছিল যে বলার না। এসে দেখি কিচ্ছু নেই? ঘর টর ভেঙে ফেলে তাড়িয়ে দিয়েছে সবাইকে! কাঁদু ঠিক বুঝতে পারলো না, লোকটা কি নেশার ঘোরে ভুল বকছে? কার ঘর ভাঙলো?… [বিস্তারিত]

রেহানা বীথি
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ বছর ৫ মাস ৫ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৭৬টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ২০৪১টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১০৩১টি
এই ঘটনার পর কয়েক দিন নিজেই যেন নিজের কাছে লজ্জিত হয়ে পড়েছিল কাঁদু। কেমন করে সে যেতে পারলো অমন একটা জায়গায়? রুস্তম যায় ঠিক আছে, তাই বলে তাকেও যেতে হবে? ছিঃ! এরপর কয়েকদিন অপরাধীর মতো মুখ করে এড়িয়ে যেতে লাগলো রুস্তমকে। কিন্তু কাজ হয়নি। বন্ধু বলতে একমাত্র রুস্তমই যা পাত্তা দেয় কাঁদুকে। আর সবাই তো… [বিস্তারিত]
আজ বিকেলে কাঁদু রোজকার মতই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। মা বলেছিল একটু গুড় আনিস তো ফেরার সময়, কাল পাকোন পিঠা বানাবো। বলেছিল বটে, হাতে একটা টাকাও দেয়নি। চারজন প্রাইমারীর বাচ্চাকে বাড়িতে গিয়ে পড়িয়ে যা পায়, সবটাই প্রায় দিয়ে দেয় মা'কে। নিজের বিড়ির খরচ সামলে কিছু কি থাকে পকেটে? গুড় কোত্থেকে কিনবে? বিভিন্ন জায়গায় চাকরির দরখাস্ত করতেও… [বিস্তারিত]
এক. শালা!!! এই ঠকঠকে ঠাণ্ডায় বিড়িটাও নিভে গেল। বিড়ি না নিভে সে নিজে নিভে গেলেই তো বেশ হতো। প্যান্টের পকেট থেকে দেশলাই বের করে ধরাতেও ইচ্ছে করছে না। যতদূর চোখ যায় শুধু ঘন আঁধার। কুয়াশায় সে আঁধার আরও বেশি জমাট ধরেছে। মাঠের ভেতরের ঝাঁকড়া গাছগুলোও যেন বিশাল বিশাল দৈত্যের মতো মিশকালো দেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে… [বিস্তারিত]
তিনদিন ধরে কথা বন্ধ। টুসি টুকটুক করে ঘুরে বেড়াচ্ছে ঘরময়, রান্নাবান্না করছে, ছোট্ট দু'কামরার বাড়িটি পরিপাটি করে গুছিয়ে রাখছে, আর অনিক তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে। না দেখে আর উপায় কী, কথা যে বন্ধ! আর এই কথা বন্ধের পিছনে কার দায় কতটা, সে এক অনুসন্ধানের বিষয় বটে! তিনদিন আগে, সন্ধ্যেবেলার ঠিক এ সময়টাতেই বেঁধে গেল গোল। আর… [বিস্তারিত]
অতঃপর সবুজাভ আলোর পথ ধরলাম। তার আগে ঘুরে বেড়িয়েছি শূন্য সাঁকোটার ওপারে। দেখেছি তখন অন্ধকার মাঠে আলোর বিরহ। বহুদিন শুধু রাত ছিল তখন। লক্ষ জোনাকি গুহার আঁধারে ঘুমিয়ে পড়েছিল আলোটুকু ঢেকে। আমরা থমকে গিয়েছিলাম যে যার বয়সে। ফুটে থাকা হাসনাহেনা সুবাসবিহীন, সময়ের ব্যবধানে হারিয়ে গিয়েছিল জোনাকি গুহাটিও। আলোবিরহী মাঠে অসহায় তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিজেদের ভাগ্যকেই… [বিস্তারিত]
২০১৪ সালের শুরুর দিকে হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়ি। অদ্ভুত এক অসুস্থতা। পেটে গোলমাল আর হালকা জ্বর। কোনও ভাবেই ঠিক হচ্ছে না। নানা ব্যস্ততায় রাজশাহী পর্যন্ত যেতে পারছি না ডাক্তার দেখাতে, বড় বোন যেহেতু ডাক্তার, ফোনে ফোনে তার কাছে ওষুধ নিই। কিন্তু পেটের গোলমাল আর ঠিক হয় না। ধীরে ধীরে খাওয়ার রুচি শূণ্যের কোঠায়। শরীর… [বিস্তারিত]
বহুবার হাতবদল হয়েছে খেলাঘর কখনও তাদের, কখনও আমাদের। বিপন্নতা নিয়ে উদভ্রান্তের মতো তাকিয়ে দেখেছি গাছে গাছে ফুটে থাকা বকুল, ঝুমকোলতা আরও দেখেছি গাছভরা সজনেফুল। দেখেছি, অভিমানে কোনও এক সময় অন্য কোথাও ঘরবাঁধা চড়ুই পাখিটি হঠাৎ এসে ঘর বাঁধছে আমার ঘুলঘুলিতে ডাল কেটে ফেলা ছাদ ছুঁই ছুঁই মেহেদী গাছটি কখন কখন আবারও ছুঁয়ে ফেলেছে ছাদ। যতবারই… [বিস্তারিত]
সব বাহন শীতঘুমে মধ্যরাতে টমটমের ঘোড়ারাও ছুটিতে জরি দেয়া গাড়িটার পাশে ঠাঁই দাঁড়িয়েই নিদ্রায় মগ্ন হতে চায় ওরা। হঠাৎ বাঁশিতে ফুঁ দেয় পাহারাদার ছুটে চলি ফুঁ উপেক্ষা করেই হয়তো এটাই শেষ রাত আর যদি দেখা না হয় কারও সাথে। [বিস্তারিত]
দিনকয়েক আগে ব্লগে পোস্ট করার বিষয়ে একটি ঘোষণা এসেছে। যেকোনও পোস্টের সাথে ছবি যোগ করা বাধ্যতামূলক। সুন্দর উদ্যোগ। কিন্তু উদ্যোগ সুন্দর হলেই তো হল না , আমি যে দুনিয়ার আনাড়ি। ফেসবুকেও দেখি সবাই কত সুন্দর সুন্দর ছবি দিয়ে গল্প, কবিতা পোস্ট করে। সেটাও করিনি কোনদিন। যাইহোক , বাধ্যতামূলক যখন, ছবি দেয়ার চেষ্টা করা যেতেই পারে।… [বিস্তারিত]
একটা গল্প দিয়ে শুরু করি…... লিপি আর আবিদ, স্বামী-স্ত্রী। ভোরবেলায় উঠে আবিদ যায় মর্নিংওয়াকে আর লিপি রান্নাঘরে। সকালের নাস্তা আর দুপুরের রান্নার আয়োজন করতে করতে আবিদ ফিরে আসে মর্নিংওয়াক থেকে। যেদিন বাজার করার প্রয়োজন থাকে সেদিন ফেরার পথে বাজারটাও নিয়ে আসে। লিপি চা বানায়, মিয়া-বিবিতে বসে চা খায়। চা খাওয়া শেষে লিপি আবার ব্যস্ত হয়ে… [বিস্তারিত]
ওই হলুদ পথের ধারে একদিন হেঁটে যেত ময়ূরীর দল কানে তাদের সাগরপাড়ের ঝিনুকের দুল, ঝুঁটিতে ফুলের মুকুট। কে যেন চেয়েছিল একবার বলেছিল অপরূপ হতে চাই ঝিনুকের দুল দাও, ফুলের মুকুট দাও পরে নেবো কান আর ঝুঁটিতে। রোজ যেমন আমি চেয়ে চেয়ে দেখি তোমাদের দেখবে আমাকেও কেউ অমন। আমাদের আঙিনায় কৃত্রিম সব পুড়ে ছারখার বসন্তের রূপমাধুরী… [বিস্তারিত]
ছোটবেলায় খুব ছবি আঁকতাম। পেন্সিল দিয়ে যা ইচ্ছে তা-ই এঁকে এঁকে ভরে ফেলতাম খাতার পাতা। অর্থহীন সেসব ছবি। তারমধ্যে কোনোটা হয়তো সামান্য অর্থ প্রকাশ করে ফেলতো আমার অজান্তেই। খুশি হতেন আব্বা-আম্মা। তাঁরা এতোটাই খুশি হতেন যে, বাড়িতে আসা অতিথিদের সামনে গর্বভরে মেলে ধরতেন আমার অজান্তে অর্থ পাওয়া ছবিগুলোর পাতা। অতিথিরা স্নেহপরবশ হয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে… [বিস্তারিত]
কুদরত খাঁ'র নারীঘটিত বিষয়সমূহ __________________________ দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পর একটা পেয়ারার অর্ধেকটা কেটে নিয়ে কামড় বসিয়েছিল কুদরত খাঁ। ওতেই কেল্লাফতে! সমুখের যে কয়খানা দাঁত, হাসলে যেগুলো না চাইতেও বেরিয়ে পড়ে ওষ্ঠ ভেদ করে, সেগুলোর একটা নড়ে গেলো। বড় চিন্তার বিষয়! তবে কি সে বুড়ো হতে চলেছে? না না, এ হতেই পারে না। যদিও আয়নার সামনে… [বিস্তারিত]
পৌঁছে যেতে হবে দুপুর একটার মধ্যেই, এই লক্ষ্য সামনে নিয়ে বেরোলাম ঢাকার উত্তরা থেকে। যানজট পেরিয়ে সময়মতো পৌঁছাতে পারবো তো? মনে ভয় ছিল। নাহ্, অপছন্দের শহর ঢাকা সেদিন আমাকে নিরাশ করেনি। নির্ধারিত সময়ে পৌঁছে গেলাম আমাদের মিলনমেলায়। পৌঁছেই পেয়ে গেলাম সুপায়ন বড়ুয়া দাদা এবং মাহবুবুল আলম ভাইকে। আমরা মিয়া-বিবি তাঁদের সাথে কুশল বিনিময় করে বসে… [বিস্তারিত]








