বিনা ফুলে হয় কি মালা? প্রেমিক ছাড়া প্রেম। ছবি তোলা হয় না ভালো ঠিক না হলে ফ্রেম। দাঁত ছাড়া যায় কি হাসা? ফোকলা দাঁতের ফাকে? চাঁদ ছাড়া আকাশটাতে, অমাবস্যা থাকে। কলি ছাড়া হয়না কোন ফুল, ফল তো দূরের কথা। মাথা ছাড়া কিরে হবে, বলতো মাথা ব্যথা? সাগর ছাড়া ওঠেনা ঢেউ আকাশ ছাড়া চাঁদ। প্রেম পিরীতি [বিস্তারিত পরিপূরক]
ভিসা হয়ে যেতেই, বুকটা কেমন মুচড়ে গেল হঠাৎ। তোমায় ছেড়ে যেতে হবে বলে। এক লোকমা ভাত নামলো না গলা বেয়ে। ছেড়োনা হাত প্রিয়তমা ওগো, আরো বেশি শক্ত বাঁধনে বাঁধো। জীবনের প্রয়োজনে হয়তো এ দূরে যাওয়া। চোখের আড়াল হলেও, নয়তো সরে যাওয়া। অন্তরে ঠিক তুমি রবে সারা বেলা , প্রতিটা মুহুর্তে ,চিরবিরাজমান সবসময়।
এক সময় খুব ভাবতাম, তুমি ফিরে এলে কী কী হবে! কিভাবে সাজাবো আবার আমাদের জীবন। মান অভিমান পর্বে, কি কথা কব তোমার কথার পিঠে। অবহেলায় কত বসন্ত বয়ে গেল একা একা! কত জোড়ায় হলো মনের মিল। শুধু তুমি দেখলে না বলে, হিসাবের খাতা রয়ে গেল গড়মিল।
হিম ভেজা সব ফুল নরম গন্ধ ছড়িয়ে দেয়। যখন মেঘেরা অভিমান করে কুয়াশার আড়ালে লুকায়, বসন্তের প্রথম সকালে। কিছুকাল মান,অভিমান পর্ব শেষে, লুকোচুরি খেলার মতো সাঁঝবাতি নিভে গেছে, রৌদ্রালোকের ছায়ায়। ঝরছে টুপটাপ সববয়সী আমড়া ও মেহগনী পাতারা। বসন্তের আগমনী বার্তায় ফোটে শিমুল পলাশ। নববাসন্তী সাজে যুবকযুবতীরা যৌবনের আহ্বানে বাসন্তী আবরনে খোলস বদলে নেয়, সঙ্গী খোঁজার [বিস্তারিত এলো বসন্ত ,এলো ফাগুনের দিন]
শীত যাই যাই করেও যাচ্ছেনা,এরকম আবহাওয়াতে আমার বেশ লাগে। চর্তুদিকে আলো ছড়িয়ে প্রবল প্রতাপে সূর্য উঠে গেছে। আজ বসন্তের প্রথম দিন।আমি গুটিগুটি পায়ে খোলা ছাদে এসে দাড়ালাম।বাবা ফিরে গেছে বেশ কিছুক্ষণ হলো । সকালের ট্রেন ধরবার তাড়া ছিলো।মনটা আমার ভীষণ রকমের খারাপ।আমি কোনদিন বাবা মাকে ছাড়া কোথাও একলা একলা থাকিনি, এই আঠারো বছরের জীবনে। স্বাভাবিক [বিস্তারিত ভালোবাসার গল্পঃ নাম তার মধুরিমা]
এখন বেলা তিনটা বেজে দশ ।অপেক্ষার প্রহর গুলো সবসময় দীর্ঘ ও বিরক্তিকর হয়।কিন্তু আজ কেন জানি আমার একটুও বিরক্ত লাগছে না।নীলা বলেছিলো সে আড়াইটায় আসবে।সে কখনো দেরী করেনা অন্তত এর আগে কখনো তার বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ করার সুযোগ পাইনি। আধা ঘন্টা লেট ।আমি পার্কে বসে আছি তো আছি। একসময় এই পার্কে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় [বিস্তারিত ভালোবাসার গল্পঃ তুমি আমায় ডেকেছিলে অনেকদিনের পরে]
টিপটিপ ঝিরঝিরিয়ে বৃষ্টি হচ্ছে গত রাত থেকে।দীর্ঘ বর্ষার আলামত।অনবরত বৃষিটর ছোঁয়ায় সমস্ত চরাচর ভিজে একাকার।চিরচেনা প্রকৃতির এই হঠাৎ বদল মনে বেশ অন্যরকম দোলা দেয় । ভালো লাগে বর্ষার সদ্য স্নাত স্নিগ্ধ প্রকৃতি। ভালো লাগে আকাশ, খোলা মাঠ, জল টলমল পুকুর, ভেজা সবুজ ঘাস ও লতা পাতা। এই সময় প্রকৃতিকে বেশি করে ভালোবাসতে ইচ্ছে করে। মনের [বিস্তারিত এক বরষার দিনে হঠাৎ দেখা ইরাবতীর সাথে]
অলক চলে যেতেই নীলার মাথায় অন্য এক চিন্তা বাসা বাধলো। বাক্সটা আকারে বেশ বড়।টুপ করে কোথাও লুকিয়ে ফেলবে সেই সুযোগ ও কম।বাসা ভর্তি লোকজন ,কম বেশি সবাই জানতে চাইবে কি আছে এতে? সে কী জবাব দেবে ,আর এতে কি আছে কে জানে বাবা। বেশ ভাবনায় ফেলল ব্যপারটা,একবার মনে হলো ছুড়ে ফেলে দেবে।যত্তসব ঝামেলা, তারপর মনের [বিস্তারিত নীলার ডায়েরী ৫]
এত দিনের বন্ধু অনিতা অথচ আজ মনে হচ্ছে সে হঠাৎ করে অনেকটা সে বদলে গেছে। এত তাড়াতাড়ি কিভাবে মানুষ বদলে যায়, তার আচরনগুলো বদরে যায় কে জানে? কথাগুলো অনিতা এভাবে না বললেই পারতো।নীলার মনটা বড্ড খারাপ লাগছে। সে আজ রীতিমত অপমানিত বোধ করেছে।কলেজ ছুটির পর অনেকটা পথ সে আজ ইচ্ছা করেই একা একা আসছে। প্রতিদিন [বিস্তারিত নীলার ডায়েরী ৪]
অনিতা আজ এতটাই রেগে গেছে যে সে নীলার সাথে পাশাপাশি হেটে কলেজে এলেও তার সাথে প্রয়োজন ছাড়া একটাও কথা বললো না।এতে নীলা বেশ কষ্ট পেলো। কিন্তু অন্যদিনও তো তার বিনা কারণে অনেক দেরী হয় কই অনিতা তো এরকম রেগে যায় না।আজ অনিতার রেগে যাওয়ার কারণটা সে কিছুতেই ধরতে পারছেনা। মনটার ভিতর একটা অদ্ভুদ খচখচানি বেশ [বিস্তারিত নীলার ডায়েরী-৩]
অনেকটা জায়গা জুড়ে খোলা মাঠ। এক পাশে পুকুর । পুকুরের পাশে বেশ বড় এক ফলের বাগান। তারমধ্যে একপাশে পুরানো আমলের দোতলা বাড়ি। বাড়িটি একটি যৌথ পরিবারের। নীলা সেই পরিবারেরই সদস্য। বাড়িতে ঢোকার মুখে সিং দরজা । দরজাটি বেশ কারুকাজ করা কিন্তু দীর্ঘ অযত্ন অবহেলায় রং উঠে মরিচা ধরে বিবর্ণ দশা। নীলা সেই মরিচা ধরা দরজায় [বিস্তারিত নীলার ডায়েরী ২]
প্রতিদিনের মতো আজও বেশ ভোরে ঘুম ভেঙে গেল নীলার , খুব সকালের সিগ্ধতা বরাবরই তাকে আকর্ষণ করে। সে প্রকৃতির এই একান্ত নিরিবিলি সময়টাকে উপভোগ করার জন্য প্রতি ভোরে সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পড়ে।পুব আকাশের লালচে আভা ,পাখীদের নীড় ছেড়ে ঝাঁক বেধে দুরে ছুটে চলা।অদ্ভুত শুনশান নিরব চারপাশে হঠাৎ দু এক পশলা পাখিদের মিষ্টি মধুর [বিস্তারিত নীলার ডায়েরী ১]
আকাশের লজ্জাহীন নগ্ন ক্যানভাসে, চলে আঁকি বুকি। প্রতি দুপুর রাত্রি ভোরে। মেঘমালা তুলি স্পর্শে ছুঁয়ে যায়, আর ফুটে ওঠে প্রতি মুহুর্তের নানা ব্যঞ্জণের প্রেমের বিমূর্ত চিত্র। তোমার আমার গভীর প্রেমের ছবি, পৃথিবী দেখে তো দেখুক। টুপটাপ ঝরে পড়ুক ফুলরাশি জলকণা সম……. হোক ঝড়, বজ্র সহ বৃষ্টি, মাতাল বাতাসে উত্তাল হোক পৃথিবী। , আমি চেয়ে থাকি [বিস্তারিত প্রেমচিত্র]
বসন্ত এসে গেছে, বাদাড়ে ফুটেছে ফুল। পাখীরা গাইছে গান মহা অনুরঁজনে, তোমায় কিন্তু দারুণ দেখাচ্ছে প্রিয়া! অঙ্গে জড়িয়েছো বাসন্তী রঙ শাড়ী। কপালে দিয়েছো টিপ, খোঁপায় পরেছো ফুল। আমি যদি ফুল হতাম তবে বেশ হতো। তোমার খোঁপায়,তোমার নিঃশ্বাসের খুব কাছাকাছি থাকতাম অহর্নিশ। কিম্বা তোমার কন্ঠের হতাম যদি অনুবর্তিতা, থাকতাম তোমার হৃদয়ের কাছাকাছি। আবার তোমার কপালের টিপ [বিস্তারিত বসন্ত এসে গেছে]
বনে বনে দোলে ফুল গায় পাখীরা, সখাগন ধরে হাত,নাচে সখীরা। বসন্ত বাতাস এতো বসন্ত বাতাস, ভালোবাসা প্রকৃতি করছে প্রকাশ। দিকেদিকে ফোটে ফুল পলাশ শিমুল, অলিগণ গায় গান প্রেমেতে আকুল। প্রেমের প্রকাশ এতো প্রেমের প্রকাশ, হেসে হেসে নেচে নেচে করছে বিকাশ। এত সুখে কচি পাতা হেসে কথা কয়, চির অমর হোক তবে সব পরিণয়। ভাবনা উদাস [বিস্তারিত বসন্ত বাহার]