যদি কোনদিন তুমি আমায় ভুলে অচেনা আলোর পথ ধরে একলা হতে চাও। দেখবে সেদিন তুমি, সব পাতা ঝরে গেছে গাছে গাছে। পাখি সব আর গাইছে না গান। চাঁদ ভুলে গেছে জোছনা বিলাতে সব ফুল শুকিয়ে গেছে নিষিক্ত হবার আগেই । যেতে চাইলে তুমি যেতে পারো দুর বহু দূরে! তবু আমি রয়ে যাবো তোমার অবসরে। দেখো [বিস্তারিত বন্ধন]
প্রশ্ন ==== রাত নিশিথে বনের মাথায় জ্বলে জোনাকি। গুনে গুনে খোকন সোনা হয়রান একাকী । এমন সময় মা এলে মায়েরে সে শুধায় । জোনাক পোকা কেমন করে এতো আলো পায়? বায়না ===== মিটি মিটি তারা জ্বলে দূর আকাশের দেশে। কত তারা সেথায় থাকে ? খোকা জানতে চায় হেসে । মা হেসে কয় ,দূর পাগল তারা [বিস্তারিত কয়েকটি শিশুতোষ কবিতা]
প্রিয়তমা, তুমি কি ঘুমিয়ে পড়েছো? রতিক্লান্ত তোমায় খানিকটা ক্লান্ত দেখালেও, ম্রিয়মাণ মোটেও নও। তুমি আনমনে বাঁকা ঠোঁটে একটুকরো হাসি ধরে রেখেছো পরম নিশ্চিন্তে। চরম সুখের রেশ হিসেবে -তুমি ঘুমাও প্রিয়তমা, সব সুখ বুকে নিয়ে । আমি শুধু চেয়ে দেখি তোমার প্রিয় মুখ।
তোমার ঠোঁটের ফাকে তিনটা কথার ছবি আকতেই। তুমি আঁতকে উঠে আমায় ঠেলে ফেলে বললে, আমি ধর্ষিতা হতে চাইনা । আমি আহত চোখে বললাম ভালোবাসা ও নিগ্রহের মধ্যে পার্থক্য বলতে তুমি কি বোঝ? তুমি বললে ,আজকাল পুরুষেরা ভালোবাসেনা। ভালোবাসা আদায় করে নেয়। সুযোগ নেয় শারীরিক প্রয়োজনে। বিভিন্ন ঢংয়ে,বিভিন্ন মোড়কে। জেনে রাখো প্রেমহীন ভালোবাসাই ক্ষুদ্রতা।
বদলে গেছে সব। এই শহর রাস্তা ,পথ, ঘাট, বাড়ি! বদলে গেছে তোমার বাড়ির রাস্তা ও ঘর। বদলে গেছে তোমার বন্ধু ,প্রেমিক সব। শুধু বদলাতে পারিনি আমি নিজেকে। আমি সেই একই আছি! তুমি আমার নাম দিয়েছিরে বিনে পয়সার কবি, বলেছিলে আমি নাকি কথার ফুলঝুরি! কষ্ট পেয়েছিলাম তবু তোমার প্রতি ভালোবাসা বদলায়নি। কষ্টপেয়েছিলাম তবু নিজেকে বদলায়নি। তবে [বিস্তারিত ভালো থেকো প্রিয়তমা]
একদিন ভেবেছিলাম, সব ঠিক হয়ে যাবে। চলতে পথে শুধরে নেবো যত ভুল আমার। তুমিও আবার আগের মতো ভালোবাসবে আমায় সব ভুলে। কিন্তু এভাবে যে মোড় ঘুরিয়ে তুমি , চলার পথে হারিয়ে যাবে! অন্য কারো হাত ধরে , আলো নেভা জোনাকির মতো। কোনো একদিন। আমি এখনো বিশ্বাস করিনা । তুমি চাইলে নিজে থেকে ফিরে আসতে পারো [বিস্তারিত অপেক্ষা এবং প্রত্যাশা]
অনুষ্ণ অভিপ্রায় ========== রাত নিশিথে নির্লিপ্ত বা্তাস তোমার এলো চুলে যখন অবলম্বন খোঁজে আহ্লাদে। সেই মুহুর্তে স্বয়ং স্বকীয় পরশ্রীকাতরতা চোখে তোমায় কেবল ই দেখি! আর ভাবি, আমি নিজে পবন হলে বেশ হতো। তোমায় অনেক গুলো পাপ্পা দিতাম যখন তখন। তোমার হাসির আভাসে যখন চাঁদ ঝরে পড়ে জোছনা মাখা অনুষঙ্গে, ফুল , পাতা আর যাবতীয় অকৃত্রিম [বিস্তারিত অনুষ্ণ অভিপ্রায়]
বিবেকহীন জিহ্বা বড় বেশী খোঁজে সুস্বাদু মাংসের স্বাদ সাথে সস,তন্দুর, সালাদ ও অন্যান্য। হাজার মাইল বেয়ে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে উড়ে আসা অসহায় পাখিগুলো আসে এই চরাচরে একটু আশ্রয়ের খোঁজে। একটু উষ্ণতার লোভে। বাঁচার তাগিদে। আশ্রয়প্রার্থীর রক্ষক হয়ে ভক্ষক আমরা সুযোগসন্ধানী । পারিনি তোমাদের রক্ষা করতে , বরং করেছি উদোর পূর্তি নানা ব্যঞ্জনে । রকমারী সাজসজ্জায়। [বিস্তারিত অতিথি পাখি ও আমরা]
সেল ফোন ======== মধ্যরাতে তারার মেলা বসেছে আকাশে স্নিগ্ধ ফুল হয়ে ঝরে পড়ছে তোমার কপাল , ঠোঁট ,গাল ও চিবুক বেয়ে। তুমি আমি জোছনায় ভিজতে ভিজতে ভাবছি , এখন একান্ত হতে পারলে মন্দ হতো না। সেই মুহুর্তে বেজে উঠলো তোমার সেল ফোন । তুমি ব্যস্ত হয়ে উঠলে অন্যত্র, সহসা আহত হলো আমার হৃদয়। বিরক্তি কর। [বিস্তারিত সেল ফোন]
মধুরিমা, তোমার খোলা আকাশে আজকাল পারিজাত ফুলগুলো বড্ড বেশি রঙীন দেখায়। তোমার বাহান্ন তীর্থের শরীর আমায় অনর্থক রাত জাগায়। তোমার ওই নিটোল কোমর, বাঁকা ঠোঁট,চঞ্চল পটলচেরা চোখ, দীর্ঘ কেশ একহারা গড়ন,চলার ভঙ্গি, আমার হৃদয়ে কেবলি নিগম তুলে ধায়। আচ্ছা তুমি এরকম পাকাল মাছের মতো পিচ্ছিল কেন বলতে পারো? তুমি কি জানো? তোমার জন্য আমার এই [বিস্তারিত মধুরিমাঃ এ আমারই ব্যর্থতা ।]
অদক্ষ প্রেমক্রীড়াতে দক্ষতা অর্জনে ব্যর্থ, তোমার মতো করে! ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে তুমি আমায় কি তোমার পাণিপ্রার্থি হবার অনুমতি দেবেনা প্রিয়া? তোমায় ভেবে ভেবে যে আমার গুম্ফদেশে, শ্বেতবর্ণের আভা দেখা দিলো! তুমি কি আমায় একটু বিবেচনা করবেনা মনমানসী? আমি না হয় শিখে নেবো সব তুমি যা যা শেখাবে।
তোমার বিশুদ্ধ আগুনে আমি ঝাঁপ দিতে গিয়ে দেখি, তুমি অন্যের হাত ধরে, তার আবেগ, স্ফীতি এবং অনুভূতির প্রতি নিজেকে রক্ষিত করে চলে গেছো বহুদূর। বজ্রগর্ভ–অন্তরের গভীর থেকে উঠে আসা চিৎকার, সগৌরবে বলে ,এসো, জেগে উঠি সুপ্রাচীন কোলাহলে । মিনতি ,আর্তনাদ,আকুলতা। তুমি সাড়া দাও না। আমি কান্না লুকাই এখন অনাবৃত সরোবরে । দেখ দেখি দুঃখগুলো, কষ্টের [বিস্তারিত প্রণয় উষ্ণতার জন্য]
নিত্যদিনের মতো আজো মধুরিমা এসে দাড়ালো, ঝুল বারান্দায়। চুল শুকানোর বাহানায় হয়তো। সদ্য জলে ভেজা আদ্র্র মুখ, অলৌকিক মোহময়ী চঞ্চলতা ছুঁয়ে, তার রূপকে করেছে স্বর্গীয় আভাদীপ্ত। কারো কারো রূপে তীব্র টগবগে প্রানবন্ত ভাব থাকে, অহংকার থাকে আবার আদ্যাশক্তি ছুঁয়ে যায় অভিন্নতা। ঠিক তেমনি বর্ণাঢ্য মধুরিমা! আমি আড়ালে জানালার গ্রিল ঠোঁটে ধরে , চোখে দেখে নয়ন [বিস্তারিত মধুরিমাঃ তার তথাকথিত প্রেমিক ও আমি]
প্রমত্ত অলিকুল গুঞ্জরিছে কুঞ্জবনে। সৌহার্দ্যে অনবরত। সকল নবীন পাতা ফুল, থমকিয়া চমকিয়া দেখিছে তাহা, প্রকৃতিতে। নিলাজ দৃষ্টি লইয়া উন্নত চাহনিতে , অনুষ্ঠিত নানা মান অভিমান পর্ব সকল। জড়াইয়া লইবার বাসনায় বাসর সোহাগে, নিজস্ব জীবন চক্রের অর্ন্তভুক্তিতে ।
তোমাতে উতলা ঊরা প্রেমের বিরহে, আমার হৃদয়ের বাম অলিন্দ কামঠ কামড় আঘাতে….। অন্তঃকরণ সদাসর্বদা দিকভ্রান্ত হয়। দীর্ণ হৃদয় অবনীধামে যেন সদা আকুলীভুত। প্রেম সেতো দিব্য নাকি? কলিযুগে দুর্মদ ভ্রষ্ট! মদিরা আসক্ত হৃদয় তদবধি শুধু তোমার ই পানে ধায়।