বিবেকহীন জিহ্বা বড় বেশী খোঁজে
সুস্বাদু মাংসের স্বাদ
সাথে সস,তন্দুর, সালাদ ও অন্যান্য।
হাজার মাইল বেয়ে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে উড়ে আসা
অসহায় পাখিগুলো আসে এই চরাচরে
একটু আশ্রয়ের খোঁজে।
একটু উষ্ণতার লোভে।
বাঁচার তাগিদে।
আশ্রয়প্রার্থীর রক্ষক হয়ে ভক্ষক আমরা সুযোগসন্ধানী ।
পারিনি তোমাদের রক্ষা করতে ,
বরং করেছি উদোর পূর্তি
নানা ব্যঞ্জনে ।
রকমারী সাজসজ্জায়।
চরম নির্লজ্জতায় বেহায়াপনার দৃষ্টান্ত হিসাবে
তার ছবি পোষ্ট করছি ফেসবুক আর টুইটারে।
যা মানুষ হিসাবে চরম লজ্জার ও
বিবেকবোধ সম্পন্ন মানুষ হিসেবে চূড়ান্ত বিবেকহীনতার পরিচয় ।
মোট পড়েছেনঃ ৯১৪জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
আমরা রক্ষক, আমরাই ভক্ষক! আমাদের চারিত্রিক কার্যকলাপ কবিতায় প্রকাশ করেছেন বলে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি শ্রদ্ধেয় কবি দাদা।
অনেক অনেক শুভকামনা রইলো দাদা ।
পৃথিবীর উৎকৃষ্ট জাতি মানুষ আজ সব চেয়ে নিকৃষ্ট জাতি।খুব ভাল লাগল কবিতা।
মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম ভাইয়া ।
জীহ্বার লালসার শিকার এসব অতিথি পাখিগুলো। বাঁচার জন্য এসে মৃত্যু কে আলিঙ্গন করে। খুব খারাপ লাগে এসব রসনা বিলাস দেখলে। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটা পোস্ট শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকুন
শুভসন্ধ্যা দিদি ।
শুভকামনা জানবেন।
আশ্রয়প্রার্থীর রক্ষক হয়ে ভক্ষক আমরা সুযোগসন্ধানী ।
পারিনি তোমাদের রক্ষা করতে ,
রক্ষকই সবসময় ভক্ষক হয়। এটাই চরম সত্যি
শুভকামনা জানবেন আপু।
” চরম নির্লজ্জতায় বেহায়াপনার দৃষ্টান্ত হিসাবে
তার ছবি পোষ্ট করছি ফেসবুক আর টুইটারে।”
এমন নির্লজ্জতাকে ধিক্কার জানাই।
শুভ কামনা 🌹🌹
আপনার প্রতি ও অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।
এ আর নতুন কি? আমি বুঝিনা পাখি খাওয়ার ইচ্ছা হলে বাজারে গিয়ে কবুতর কিংবা কোয়েল কিনে খেতে পারে কারন এইগুলা বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়। কিন্তু অন্য পাখি কেন খেতে হবে যা ন্যাচারালভাবে বড় হয়। ভালো লিখেছেন। ধন্যবাদ
পাশে থাকার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
শুভেচ্ছা রইলো ।
আশ্রয়প্রার্থীর রক্ষক হয়ে ভক্ষক আমরা সুযোগসন্ধানী ।
পারিনি তোমাদের রক্ষা করতে ,
বরং করেছি উদোর পূর্তি
নানা ব্যঞ্জনে ।
রকমারী সাজসজ্জায়
শুভকামনা রইলো ভাইয়া।
কয়েকদিন আগে আমি সিলেট গিয়েছিলাম। যাওয়ার পথে সিলেটের কাছাকাছি যাওয়ার পর রাস্তায় তিন যায়গায় দেখেছি ওরা পাখি বিক্রি করছে। ওদের এই কর্মকান্ড অনৈতিক, কিন্তু স্থানীয়রা এসবে বাধা কেন দিচ্ছেনা সেটাই আমি বুঝি না।
এই সব পাখি শিকারী আর ক্রেতা গুলো কে দেখলে আমার প্রচণ্ড রাগ হয়।
এই সব অনৈতিক কর্মকাণ্ড কবে যে বন্ধ হবে। এরা সবই বোঝে তবুও করে । কি লাভ পায় কে জানে?
ধন্যবাদ কামাল ভাই্
ওদের ব্যপারে কঠোর ব্যবস্থ্যা নেওয়া উচিৎ
কিছু পাখির প্রতি বছর বা কয়েক বছর পর পর একটি নির্দিষ্ট ঋতুতে বা সময়ে কম করে দু’টি অঞ্চলের মধ্যে আসা-যাওয়াকেই বোঝায়। যে সব প্রজাতির পাখি পরিযানে অংশ নেয়, তাদেরকে পরিযায়ী পাখি বলে। এই শীতে সাইবেরিয়া বা শীত প্রধান অঞ্চল থেকে যে পাখিরা আসবে শীত শেষে আবার ওরা ফেলে আসা যায়গায় চলে যাবে। শীতে হয়তো এই পাখিরা আমাদের দেশের পাখি আবার বসন্তে সাইবেরিয়ার পাখি। ওরা আমাদের কিংবা ওদের অতিথী নয়। তাই ওদের অতিথী নয় পরিযায়ী পাখিই বলা উচিৎ।
যথার্থ বলেছেন ভাইয়া ।
শুভকামনা জানবেন।
ধন্যবাদ ভাই, ভালো থাকুন, সব সময়।
আমরা রক্ষক হয়ে ভক্ষন করি আমাদের দেশে আশ্রয় নেয়া অতিথিদের।
ভাল লেগেছে কবিতা ভাই।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো ভাইয়া ।
শুভসকাল ।
পাখি পরিবেশ বাঁচায়, সুন্দর করে। এরাও সম্পদ আমাদের।
সুন্দর মন্তব্যে জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু্ ।
“অসহায় পাখিগুলো আসে এই চরাচরে
একটু আশ্রয়ের খোঁজে।
একটু উষ্ণতার লোভে।
বাঁচার তাগিদে। “
লোভাতুর পশুগুলির দৃষ্টি
পাড়েনা এড়াতে।
শুভ কামনা।
শুভসকাল প্রিয় দাদা।