অনুপমা যখন হাক ডাক করে অস্থির হয়ে যাচ্ছিলো তখন আমি ছিলাম স্বপ্নের ঘোরে । সেই স্বপ্নের ঘোরে আমি যেন ফিরে পেলাম আমার হারানো অতীত। যাকে আমি সযতনে পাথর চাপা দিয়ে রেখেছি দীর্ঘ অনেকগুলো বছর।যাকে আমি ভুলতে চেয়েছিলাম অনেক যত্ন করে। মাঝে মাঝে কোন কোন স্মৃতি ফিরে এলে বিব্রত হতে হয়,হৃদয় আহত হয়।আমিও তেমনি আহত হলাম [বিস্তারিত সম্পর্কটা ভুল ছিলো [২]]
আকাশ জুড়ে মেঘ করেছে, আঁধারে গেছে ছেয়ে। একলা একা বসে আছে, অনাথ ছোট্ট মেয়ে। ছুট লাগালো যত মানুষ, যে যার বাড়ির পানে। আপনজনের কাছে ছোটে, আপন মায়ার টানে। মা বাবা নাই ছোট্ট খুকির, নেইতো বাড়ি ঘর। ঘরে চলো ,বিপদ এলো, নেই কেউ বলার তার। হঠাৎ খুকি ভয় পেলো খুব বাতাস উঠলো জোরে। ছুটলো বনের পশুপাখিও, [বিস্তারিত যে যার মতো]
বাসে যেতে যেতে হঠাৎ চোখে চোখ পড়ে গেলো মেয়েটির ।মনে হলো আমার দিকে সে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।চিনি কি আমি তাকে? আমি তাকাতেই সে দৃষ্টি ঘুরিয়ে নিলো অনত্র।আপাদমস্তক ইসলামী পোষাকে ঢাকা ,শুধু চোখ দুটো দেখা যায়।এত মায়া মায়া দৃস্টি যে কি আর বলবো আমার চোখ দুটো খুব সহজেই আটকে গেলো তার দিকে।আবার ফিরে তাকাতেই আমার [বিস্তারিত সম্পর্কটা ভুল ছিলো [১]]
প্রত্যেক ভালোবাসাতে, শেষটা কি হবে কেউ জানেনা। তবে ভালোবাসাবাসিতে মনের জোর রাখতে হয়। ভালোবাসায় পুরাদস্তুর সৎ থাকা চাই, লক্ষ ও ঠিক রাখা চাই। তবেই ভালোবাসা জিতে নেওয়া যায়।
এলোমেলো আলোতে ভাসিয়ে দিলাম প্রেম। তুমি হাত বাড়িয়ে তুলে নিও, আমার প্রেমের ছোঁয়াটুকু, কোমল মমতায়। আর স্বপ্নগুলো মিলিয়ে নিও জলের মুকুরে। টলটলে ছায়ার মাঝে ফুটবে ঠিকই হাসি, তোমার অপরূপ মুখখানিতে। আমি জলের স্রোতে দেখে নেব তোমার সন্তুষ্টি। তুমি উষ্ণ স্পর্শের সুগন্ধ মিশিয়ে দিও তাতে, আমি মন ভরে তুলে নেব গভীর নিঃশ্বাস মেশানো ভালোবাসার স্পর্শটুকু তোমার, [বিস্তারিত বায়বীয় ভালোবাসা]
তুই কেন হেসে হেসে, ফিরে তাকাস মেয়ে। আমি শুধু অবাক চোখে দেখি চেয়ে চেয়ে । ভালো যদি নাই বাসিস কেন ফিরে চাস। নাকি অহংবোধে, নিজের আবশ্যকতা বাড়াস। কত যে বাহানা তোর. কত ছলনা । সয়না এ জীবনে আর এ নির্মম প্রতারণা।
ফোনটা রেখোনা …………প্লিজ। একা বসে আছি তোমারই অপেক্ষায়, আর নিজেকে সামলাতে পারছিনা কিছুতেই জানো কিনা জানিনা. বোঝ কিনা বুঝিনা। আমি সত্যি আর পারছিনা প্রিয়তমা। আমার ঘেটে যাওয়া জীবনটাতে তোমাকে না পেলে, কোন কাজে মন বসবেনা কিছুতেই। তিন সত্যি বলছি। বিশ্বাস করো প্লিজ। একবার তোমার ঠিকানাটা দাও নাগো জান। ঠিক দেখো এক গোছা ফুল নিয়ে হাজির [বিস্তারিত প্লিজ]
মধুরিমা, শুধু তোমায় দেখবো বলে, মন খারাপ। তবু, এক আকাশ ভালোবাসা নিয়ে, এলাম ব্যলকনিতে। আজ যে তোমার বিসর্জনের দিন! আজ আমার স্বপ্ন ভাঙার দিন! এতো সেজেছো, তবু মনের কষ্ট লুকাতে পেরেছো কি প্রিয়তমা? কপালে পরেছো টিপ, চোখে কাজল, ঠোঁটে মেখেছো আগুন রাঙা রঙ। পুরো মুখ তোমার আবির রং এ রাঙা, এত সাজ এত অলংকার…..। অপরূপা [বিস্তারিত মধুরিমাঃ আজ তোমার বিসর্জনের দিন]
গাছে গাছে ফোটে ফুল, ফুল ছড়ায় সুবাস। ভালো দেখায় সব ফুল, নানা রূপের প্রকাশ। মধু লোভী মৌমাছি, উড়ে আসে ফুলে। ফুল হতে ফলের, রহস্য এর মূলে। গায় পাখী পিউ পিউ, খাবে পাকা ফল সে। আহারে নেই মানা, এবেলায় নয় আলসে। রবি দেয় আলো বেশ, বনে বনে লাগে দোল। খাদ্য ও খাদকের রকমারী শোরগোল। আলো চায় [বিস্তারিত চক্র]
একটু নিজের মতো করে ভালোবাসবো বলে, তোমায় ডেকেছিলাম এই বসন্তদিনে। মধুরতম কোকিলের কুহু কুহু ডাক, ঝরাপাতাদের গান, রোদ বাতাসের খেলা। এই বিমোহিত ক্ষনে,তুমি এলে। তবে শঙ্কিত পায়ে। কেন এত দ্বিধা? কিসের এত ভয়? এত স্বতঃফুর্ত তুমি এমন কুণ্ঠিত হলে কেমনে? তোমার মুখ আমার চোখ চাইতেই, আমি শোকাহত হলাম এক নিমেষে! একি! তোমার চোখে মুখে অন্যের [বিস্তারিত পরস্ত্রী]
এ্যাঁই মেয়ে,শোন মেয়ে! তুমি কি এসেছিলে আমার স্বপ্নে? দিয়েছিলে কি মৃদু টোকা , মনের দরজায়? একেবারে অবিকল সেই মুখ, সেই চোখ, সেই হাসি! এতটা মিল কি করে হয়! যাকে দেখেছি আমি গতরাতে। বলো না মেয়ে, তুমি কি এসেছিলে আমার স্বপ্নে?
ভায়ের রক্তে পেলাম ভাষা, মায়ের শপথে মুক্তি। বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে,এদেশ আমার বাংলা আমার শক্তি। মনের কথা ,মনের মতো। করবে বলে প্রকাশ। বুকের তাজা রক্তে এলো, ছাত্র জনতার ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পথটি ধরে, ফুল সহযোগে গাই শোক গীতি। নয়কো করুণা নয়কো দয়া। এটাই শ্রদ্ধা জানানোর রীতি। একুশ আমার ভালোবাসায়, ফেব্রুয়ারী অমর গান। একুশ আমার চেতনায়, সদা [বিস্তারিত বিনম্র শ্রদ্ধা]
বুকের মাঝে সুখ অসুখে তোমার বসবাস। বিনা কাজে বইলো বেলা, সাড়ে সর্বনাশ। ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরে, কথা চলে কি? এই যুগের প্রেম পিরীতি পুরাটাই ফাঁকি। এক হাত বাড়াও তুমি, আরেকটি রাখো খুলে। সবই আমি বুঝতে পারি, দেখি দু’চোখ মেলে। কত আর লুকাবে তুমি, তোমার ছলনা। প্রেম তো নয় ,সময় কাটানো, বুঝিগো ললনা। আমিও এখন সময় [বিস্তারিত ছলনা]
হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসা, শব্দগুলো যখন, খাতার পাতায় একত্রিত সমাবেশে, কবিতা হয়ে ফোটে। ঠিক তখনই তুমি এসে, হাজির হও আমার সামনে। কিশোরী কন্যার মতো বেনী দুলিয়ে। সলাজ নয়নে,নত মাথায়। আড়ে আড়ে চেয়ে দেখো অদেখা কোন সুন্দরকে। তুমি কবিতা না প্রেমিকা? আমি মেলাতে পারিনা কিছুতেই।
ভাষার মাসে ফোটে ফুল, পলাশ,গাঁদা আর শিমুল। কোকিল ডাকে মধুর সুরে, মনটা নাচে দোদুল দুল । আমার ভাষা বাংলা ভাষা, বাংলা আমার মায়ের মুখ। এই ভাষাতে হেসে কেঁদে সারাবেলা মনের সুখ। মৃত্যুহীন প্রাণ, করেছে দান, যেসব ভাষা শহীদেরা। আজীবন তারা স্মরণীয় যতদিন রবে বাঙালিরা। ছাত্র জনতার দাবি ছিলো, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। সেই মিছিরে গুলি হলো, [বিস্তারিত অধিকার]