যৌতুকের বলি…৪র্থ পর্ব

মনির হোসেন মমি ১৪ নভেম্বর ২০১৪, শুক্রবার, ০৮:৪৯:১৬অপরাহ্ন গল্প ২২ মন্তব্য
ব্যাস্ত নগরীতে চলছে ব্যাস্ত মানুষের ছুটাছুটি।কারো এক মুঠো অন্নের খোজেঁ তীর্থের কাক হয়ে বসে থাকতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা।নাগরীক জীবনে কর্ম তৎপরতায় সব চেয়ে বেশী বিরক্তকর হলো যান জট।অনেক প্রয়োজনীয় সময় যানজটে পরে নষ্ট হয়ে যায়।সাংবাদিক রায়হান সাহেব তেমনি একটি বিশাল যানজটে পড়ে পাবলিক বাসে বসে বসে দেখছিলেন কর্ম চঞ্চল মানুষের কি ভোগান্তি।এক সময় ঢেলা [বিস্তারিত]
[caption id="attachment_23719" align="aligncenter" width="320"] বন্ধু মানেই এলিয়ে দেয়া নিরাপত্তার নিঃশ্বাস…[/caption] তেতাল্লিশ – তিরির প্রতি মারকাট বললো “তোমার বন্ধুকে বলো , সামনের মাসে অফিসের কাজে তুমি যে যাচ্ছো ।” আমি অবাক হলাম , এমন তো কোনো কাজের কথা নেই ওখানে ! এমনকি আমায় কোনো কাগজ-পত্র , কোনো ফাইল কিচ্ছু দেয়নি । জিজ্ঞাসা করলাম ঘটনা কি ? [বিস্তারিত]

খেয়ালী মেয়ের চিঠি-৪

খেয়ালী মেয়ে ১৩ নভেম্বর ২০১৪, বৃহস্পতিবার, ০৮:৩৮:২১অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৬ মন্তব্য
ড্যামিশ— জানি তুমি ভাল আছো, অনেক ভালো— তুমি কি আজকের আকাশটা দেখেছো?—আমি দেখেছি--জানো আজ দুদিন আমার আকাশ দেখতে একদম ভালো লাগে না—আকাশটা কেমন জানি ঘোলাটে হয়ে গিয়েছে, সবকিছু কেমন জানি ঝাপসা মনে হয়, স্বচ্ছ আকাশটাকে খুব মিস করছি—খেয়াল করে দেখেছো, বিকেলগুলোও কেমন জানি অলস হয়ে গিয়েছে—জানি না,সত্যিই কি এমন হয়ে গেছে, নাকি আমিই কেমন হয়ে [বিস্তারিত]

‘পাইছি উহারে পাইছি’

ছাইরাছ হেলাল ১৩ নভেম্বর ২০১৪, বৃহস্পতিবার, ০১:২৫:৩২অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৫ মন্তব্য
পরীক্ষা আমাকে পরীক্ষা করে অনবরত।বাঁকা চোখে,চোখ রাঙ্গিয়ে,বকাঝকা করে,ল্যাং মেরে ঠ্যাং ধরে টান দিয়ে;কুহক সেজে যখন তখন,দিনে ও রাতে,দিন-দুপুরে,হরিলুটের বাতাসা বানিয়ে। চিক্কুর দিয়ে চিতপটাং হয়ে কাঁদি,হাত পা ছুড়ে,দেয়ালে মাথা ঠুকে,কেঁদে বুক ভাসাই সরবে নিরবে,গোধূলি আর সুবেহ সাদেকে,হাঁসফাঁস মধ্য দুপুরেও। এবারে করেছি পণ,দেহ-প্রাণ-মনে,এই শেষ,এবার পরীক্ষার মাথায় বাঁশ ফাটিয়ে করব বিশ্বজয়,হব দেশান্তরী। অবশেষে ধরা দিলো সে 'পাইছি উহারে [বিস্তারিত]

বাহুল্য বচন

মোঃ মজিবর রহমান ১৩ নভেম্বর ২০১৪, বৃহস্পতিবার, ১০:২৪:৪৫পূর্বাহ্ন বিবিধ ২৭ মন্তব্য
এই আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীর বচন। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সন্তান শিক্ষাশেষে চাকরী না খুজে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ। সবাই উদ্যোক্তা হ! আবার তাঁর সুনামধন্য উপদেষ্টার মাধ্যমে ছাত্রলীগকে প্রতিষ্ঠিত বা চাকরী দেওয়ার সুপারিশ । এরা কি সাধারণ মানুষকে এতই বোকা ভাবে। এইরাজনিতির শেষ কোথায়? এই নস্টালজিয়া দেশকে কুরেকুরে খাচ্ছে। আমরা তাঁদের কাছ থেকে আদর্শ নেব না [বিস্তারিত]
আমরা জানি দক্ষ জনসংখ্যা জনসম্পদ রূপে বিবেচিত হয় । অপরদিকে বেকার জনসংখ্যা আমাদের বোঝা স্বরূপ । আমি বিশ্বাস করি তরুণরাই পারে দেশকে সামনের দিকে দ্রুত এগিয়ে নিতে । কিন্তু এখনকার তরুণদের দেখে আমি হতাশই বেশী হই । সঠিক গাইডলাইনের অভাবে তাঁরা বিপথে চলে যাচ্ছে । ব্যাবহার হচ্ছে রাজনীতির হাতিয়ার হিসাবে । অথবা নেশা আর অন্ধকার [বিস্তারিত]

টানেলের অন্ধকার কিংবা হাহাকার !!

ঘুমন্ত আমি ১২ নভেম্বর ২০১৪, বুধবার, ১০:২৮:১১অপরাহ্ন বিবিধ ২০ মন্তব্য
টানেলের এই প্রান্তে দাড়িয়ে দেখি ওপাশে কেবল গভীর ঘন কালো অন্ধকার ! ট্যানেলগুলোতে সবসময় অন্ধকার ঢাকা থাকে! আর আমরা আলোর সন্ধানে উদ্দেশ্যহীন ভাবে পাগলের মতো ঘুরে বেড়াই এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত! যদি আলোর দেখা কখনো পাই! সকাল আসে না, আয়না হাসে না, জানলা খোলা মেঘ, সে ভালবাসে না ! আর অন্ধকার ক্রমেই চেপে ধরে [বিস্তারিত]

বাবা তুমি এগিয়ে যাও

জসীম উদ্দীন মুহম্মদ ১২ নভেম্বর ২০১৪, বুধবার, ১০:০৬:৫৩অপরাহ্ন কবিতা ৪ মন্তব্য
ওঠো বাবা ঐ ডাকে মুয়াজ্জিন স্মৃতির ক্যানভাসে এখনও ভাসে সেদিন । ভোরের শুভ্র হাওয়া দোলে সাথে আমার পরাণ খানি শুকতারা মিটি মিটি জ্বলে মনের দুয়ার খোলা জানি । দিনমণি যায় অস্ত , নিশির তিমির নামে তোমার ভালবাসা কিনিব বাবা বল কি দামে । ফুরায় বেলা ফুরায় খেলা কালের মহাকাশে এই মন জনম জনম শুধু তোমায় [বিস্তারিত]
কেউ কি মনে রেখেছে আমায়? একজন শিশির কনা, একসময় ছিলো এই সোনেলায় ? কারো হৃদয়ে কি এই গানটি একবারো  বেজেছে ? তোমাকে মনে পরবে যখনি জোসনা হাসে, তোমাকে মনে পরবে যখনি আকাশ ভেঙ্গে বর্ষা কাঁদে এখনো পুর্নিমা আসে এখানে, কোন বন্ধু কি এমন ভাবনায় আপ্লুত হয়েছেন ? সেই রাতে রাত ছিলো পুর্নিমার, রং ছিলো ফাল্গুনের [বিস্তারিত]

মানুষ হওয়ার আহ্বান

মোকসেদুল ইসলাম ১২ নভেম্বর ২০১৪, বুধবার, ০৩:০৩:০৬অপরাহ্ন কবিতা ৪ মন্তব্য
তুমি মানুষ হও, হৃদয়ে বপন করো মনুষ্যত্বের বীজ অবিশ্রান্ত ভাবে মাতাল হও মানুষকে কাছে পেতে, ব্রাহ্মন নও, সাধু-সন্যাসী নও ভুল কিছুটা হতেই পারে স্নেহে-প্রেমে, ভালোবাসা-সখ্যে হৃদয়ে মানবতার রঙ উঠুক ভরে। প্রাত্যহিক জীবনের রাজপথে মিছিল করো ভূখা-নাঙ্গার পক্ষ নিয়ে সত্যের ঝান্ডা উড়াও তুমি বিদ্রোহী হও, অবাধ্য স্বৈরাচারী মনকে দমন করতে সংস্কারের পক্ষ নিয়ে বিপ্লবী ইচ্ছায় সংকল্পবদ্ধ [বিস্তারিত]

ডানা ও রোমন্থন

তাপসকিরণ রায় ১২ নভেম্বর ২০১৪, বুধবার, ০১:৩৯:৩০অপরাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ৮ মন্তব্য
ডানা বন্ধু ! তুমি কি পর না-- প্রসারিত মুক্ত ঝিনুকের আঁক নিয়ে হেসে উঠতে সেই মত-- বুকের বন্ধনটুকু খুলে রেখে ওই সবুজ ঘাস, ওই তেপান্তরের মাঠের বিজন নির্জনতায় যে ছেলেটি চুপ বসে আছে-- যে হারিয়েছে তার বিরহী বাঁশি। একটু নিবিড় ঘন হয়ে পার না কি তার হাতটা তুলে নিতে তোমার হাতে-- জানি স্বপ্নে জ্বালা আছে [বিস্তারিত]

নীরব ক্ষত

রিমি রুম্মান ১২ নভেম্বর ২০১৪, বুধবার, ০১:২১:০২অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২২ মন্তব্য
লিসাকে আমি কথা দিয়েছিলাম তাকে নিয়ে লিখবো। এক শব্দহীন, কোলাহলহীন দুপুরে আমরা দু'জন। একজন বলছে... অন্যজন শুনছে। সুনসান নীরব দুপুরে পৃথিবীর সমস্ত মনোযোগ যেন একযোগে সেই মুহূর্তে কথক মেয়েটির দিকে... আর দশটা স্বাভাবিক শিশুর মতই জন্ম লিসার। বাবা'র সীমাহীন আদর আহ্ললাদে বেড়ে উঠা। শিশুকালের একটি অসুস্থতায় তার জীবনটা ঘুরে যায় অন্যস্রোতে। জীবন তার স্বাভাবিক গতি [বিস্তারিত]

পরওয়ানা

জি.মাওলা ১২ নভেম্বর ২০১৪, বুধবার, ১১:৪৭:৫০পূর্বাহ্ন গল্প মন্তব্য নাই
পরওয়ানা ************  প্রথম পর্ব   জন স্যাডিন। দীর্ঘদেহী মানুষ সে। লালচে হ্যাটের ব্রিমের নিচে রোদে পোড়া মুখ কেমন শান্ত নির্লিপ্ত। চোখ জোড়া কালো কুচকুচে , আর সবসময় কেমন একটা হাসি হাসি ভাব খেলা করে।প্রশস্ত কাঁধ, সুঠাম দেহের সঙ্গে মানানসই লম্বা হাত।  ভেষ্টের নিচে হালকা আকাশী সার্ট পরনে, গলায় কাল ব্যান্ডনা পেঁচানো। পায়ে রং জ্বলা বুট। [বিস্তারিত]

স্মৃতির স্থির চিত্র – ১

অরণ্য ১২ নভেম্বর ২০১৪, বুধবার, ১১:৪৩:৫৩পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৪ মন্তব্য
আমার স্মৃতিপটের অন্যতম সুন্দর দৃশ্যগুলোর মধ্যে একটি এ রকম... স্থানঃ একটি শুকনো নদী, একপাশে শহর অন্যপাশে গ্রাম সময়ঃ দুপুর, মেঘহীন আকাশ দৃশ্যঃ মাঝনদীতে একটি ছেলে আর একটি মেয়ে। নদীতে পানি নেই। মাঝনদীতে যতটুকু দেখা যায় শুধু বালি আর বালি। দুপুরের রোদে বালিগুলো চিকচিক করছে। নদীর বামপাশের ঢালু পাড় শুরু হয়েছে এক সরু পাকা রাস্তা থেকে। [বিস্তারিত]
জন্ম মৃত্যু এক জীবনের সঙ্গী  পূর্ব জন্মের কোন এক সন্ধি ক্ষণে আমরা ছিলাম পাশাপাশি,আবারও দ্বিতীয় জন্মের আর্বিভাবে বিদায় ভূবন ক্ষণস্হায়ী। জীবনের শেষ অধ্যায় মৃত্যুর অনুভূতি কেউ কি কখনও পেয়োছ কভূ, আমি দেখেছি মৃত্যুর দুয়ারে দু,দুবার দাড়িয়েও আমি অবিচল স্হির তোমাদের পাশা পাশি। প্রথম মৃত্যুর স্বাধে সাতার না জানা কৈশরের চঞ্চলতার দূরন্ত পনায় তিনটি জীবনের ইতি [বিস্তারিত]

আর্কাইভ