ক্যাটাগরি একান্ত অনুভূতি

রমনা পার্কের ভিতর এক লাল জামা পড়া মেয়ে সাথে একজন ছেলে, বসে আছে পার্কের বেঞ্চে, ঘনিষ্ঠভাবে। মেয়েটার মাথা ছেলেটার কাঁধে, দুজনে আকাশে তাকিয়ে বলছিল মনের কত কথা। “ এই শুনো, আমরা কিন্তু বিয়ের পরেও এভাবে বের হব। পার্কে পার্কে ঘুরবো। তুমি কিন্তু একদম না করতে পারবে না। ” - বলছে মেয়েটা। - আচ্ছা বাবা, যো [ বিস্তারিত ]

বই ধার এর মাশুল…..

মিতা রহমান ২৫ নভেম্বর ২০১৫, বুধবার, ০৫:০১:৩২অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৫ মন্তব্য
যারা পড়তে ভালবাসে তাদের সবার ই কম বেশি ধার করে বই পড়ার বা ধার দিয়ে বই ফেরত না পাবার অভিজ্ঞতা আছে.... আমার ও আছে..., আমরা আমাদের পছন্দের বই অনেক সময় পছন্দের পড়ুয়া কে যেচেই দিয়ে থাকি... এর মানে হচ্ছে, নিজের ভাল লাগা কে অন্যের মাঝে বপন করা.... যাই হোক... ৯৫ সালের কথা... তখন আমাদের প্রতিবেশী [ বিস্তারিত ]

চাঁদমামা

অরুণিমা মন্ডল দাস ২৪ নভেম্বর ২০১৫, মঙ্গলবার, ০৮:৩৩:৪৫অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ১২ মন্তব্য
আলোর ঝর্ণায় ভরে দিলি মোলায়েম রঙের আবীর মাখিয়ে দিলি মনের পর্দা উঠিয়ে দিলি কিন্তু কাছে এসে গান শোনালি না? কোলেও ঘোরালি না কাছে বসে গল্পও শোনালি না? # চাঁদমামা ,চাঁদমামা তুই মামা ? তবে কেন খেলতে এলি না মাঠের ওপারে? বনপিশিমা মুঠোভরে খই গুড়মুড়ি দিচ্ছিল তুই কেন এলি না? বদ্দ্যি কাকিমা ধান ঝাড়াচ্ছিল না? পাপাই [ বিস্তারিত ]
কলেজ থেকে বাসায় ফিরছে সাদিয়া। হটাতই পাশ থেকে কে যেন বলে উঠলো, “ সাদিয়া চা খায় বিস্কুট দিয়া ! :p ” সাথে সাথে একদল ছেলের হাসি শুনতে পেলো সে। তাকিয়ে দেখে তাদের বাড়িওয়ালার ছেলেটা টং- এর দোকানের সামনে ফ্রেন্ডদের সাথে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার নামের সাথে মিলিয়ে এই ছড়া বানাচ্ছে। ছেলেটার নাম আবির। সাদিয়াদের সাথেই পড়ে। [ বিস্তারিত ]
“আমি যাত্রা দেখতে যাব”। ব্যাস, দিলাম থামিয়ে সবার রাতের খাবার যা আমি আগেই অনুমান করেছিলাম। আমারতো অনেক বুদ্ধি ছিল ছোটবেলা, তাই খাবারের প্রায় শেষের দিকেই তুললাম কথাটা। বাবা মুচকি হাসি রেখে উঠে গেলেন। মা তাকিয়ে থাকলেন কিছুক্ষণ। ভাই বোনদের মাঝে নিজেকে জোকারের মতো মনে হোলেও আমি অনড় আমার চাহিদা নিয়ে। আর এটাতো আমাদের মহল্লার মানুষেরা [ বিস্তারিত ]
কৃষ্ণ তুমি কবে বুঝবে রাধার জ্বলন্ত পোড়া ঘায়ের যন্ত্রণা! প্রেমের পাগল বাঁশিতে বারবার ডেকে, সামান্য মিলনের নেশার মোহ দিয়ে, মাতাল করে হারিয়ে যাও!? বিরহের আগুনে পুড়তে পুড়তে গলা, বুক, ঠোঁট শুকিয়ে গেলে/ মধুর হাসি আর স্বর্গীয় অমৃত জল নিয়ে সামনে দাঁড়াও!? # ছেড়েই যদি যাবে তবে কেন এসেছিলে মন চাইতে! কলঙ্কই যদি মাথার মুকুট বানালে [ বিস্তারিত ]

সাপ্তাহিকী

জিসান শা ইকরাম ২১ নভেম্বর ২০১৫, শনিবার, ১১:৫১:৩৫অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৯ মন্তব্য
৭৫ সালের পরে ভাবা যায়নি এদেরকে বিচারের আওতায় আনা যাবে। একজনের তো ঔদ্ধত্য তো সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এমন একটি ধারনা হয়েছিল যে এদের বিচার তো দূরের কথা গ্রেফতার করলেই সরকার পতন হয়ে যাবে।মধ্য প্রাচ্যের মুসলিম দেশ সমূহের সমর্থন হারাবে বাংলাদেশ। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী,আলী আহসান মুজাহিদ, বাঙ্গালীর হৃদয়ে গ্রথিত দুই ঘৃণিত নাম। ১৯৭১ এ এই দুই [ বিস্তারিত ]

অন্তমিলের পদ্য

নীলাঞ্জনা নীলা ২১ নভেম্বর ২০১৫, শনিবার, ১১:২৯:১৯পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ৩৪ মন্তব্য
[caption id="attachment_37379" align="aligncenter" width="235"] উত্তাল ভরা-বর্ষা...[/caption] কবিতার খাতায় মুগ্ধতর জ্যোৎস্না চোখের কাজলে চন্দ্রাবিলাসী রাত আকাশের বুকে মেঘের অট্টালিকা কবিতা ও মেঘ হাতের উপর হাত। গল্পের বইয়ে অরণ্যের দিন-রাত্রি গাছের সাথে হাওয়ার কথোপকথন তার পাশ ঘেঁষে জলের আসা-যাওয়া গল্প আর জল ভীষণ অন্যরকম। কবিতা-গল্প উত্তাল ভরা-বর্ষা চোখ আর ঠোঁট চঞ্চল মল্লারিকা মুখোমুখি দিব্যি বসে থাকে আকাশের [ বিস্তারিত ]

বারান্দা থেকে

শুন্য শুন্যালয় ২১ নভেম্বর ২০১৫, শনিবার, ০৭:১৬:২৩পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি, ছবিব্লগ ৭৫ মন্তব্য
কেউ যখন আমাকে জিজ্ঞেস করতো, কেমন আছো? আমি হেসে বলতাম, আমার আছে ঘরের মধ্যে ঘর, কার সাধ্য আমাকে খারাপ রাখে? নেহায়েত দুস্টুমি করে বলা নয়, এটা আমার বিশ্বাস। ব্যাক্তিগত প্রসঙ্গ গুলো এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করি লেখায়, তবুও হয়তো এসেই যায়। কথায় কথায় অনেককেই বলতে শুনেছি, দুজনের পছন্দের মিল না হলেও সমস্যা নেই, মনের মিল হলেই [ বিস্তারিত ]

বাবুই সুখ

ছাইরাছ হেলাল ২০ নভেম্বর ২০১৫, শুক্রবার, ০৬:৫৬:৪৭পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৪৬ মন্তব্য
সুস্থির সুখবাবুই বাসা বেধেছে গহীনের সরোবরে, চোখের চারপাশে ঢের নদী ছিল কল কল ছল ছলে, হৃদশার্শিতে ধীর লয়ে বাজছে জলতরঙ্গ বাতাবীলেবুর গন্ধ মেখে, ভোরের নদীর চিকচিকে জলে ভেসে যাওয়া সুখ এসবের এখানেও জহর যন্ত্রণার আহামরি হাতছানি ক্ষণে ক্ষণে, সুখের অসুখে অসুখের সুখ। নিঃশ্বাসরোধী শ্বাস আছে নাকি হাঁস-ফাঁসে? পুনর্জন্ম আছে নাকি? নাকি পুনর্জন্মে যাব? কোন এক [ বিস্তারিত ]
দরজায় তুমুল করাঘাত, জিসু দরজা খোলো, খোলো বলছি।শব্দে একলাফে বিছানায় উঠে বসা। এ কোথায় আমি? অপরিচিত শয়ন কক্ষ।দরজা খুলে খুলে কাউকে না দেখা।বুঝেছি স্বপ্নে এমন ডাকাডাকি। বাইরে কুয়াশা।নদীর মাঝে থাকায় কুয়াশায় দৃষ্টি সীমা দশ ফুটের বেশী হবেনা।জলে কম্পন। আচ্ছা কুয়াশা কেন নাম এর? কু+আশা? এত অসাধারন একটি প্রাকৃতিক অবস্থার নাম এমন হবে কেন? কুয়াশা ভেদ [ বিস্তারিত ]

নারী

অরুণিমা মন্ডল দাস ১৮ নভেম্বর ২০১৫, বুধবার, ০৯:৩৯:১১অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ২৪ মন্তব্য
ম্যানিকিওর ,প্যাডিকিওর করে মুখে ফেসিয়াল করে সংসার অট্টালিকার স্নেহ ভালোবাসার ইঁটগুলি হাতুড়ি দিয়ে টুকরো টুকরো করছ!!!??? উল্লঙ্গ বাঘকে নিয়ে খেলা করতে করতে সাপের মত বেঁকে যাচ্ছ !!?? সিংহ র মত্ততা বশে আনতে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে সানিয়া মির্জার মত টেনিস খেলে আ্যওয়ার্ড নিয়ে জিতে যাচ্ছ!!?? তুমি ই নারী!!! তুমি কি সেই নারী !!!?? যার বুকের শক্তিশালী [ বিস্তারিত ]

আমি জানি না

অরণ্য ১৭ নভেম্বর ২০১৫, মঙ্গলবার, ০২:২৬:২৮অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৬ মন্তব্য
তোমাকে আমি ভালবাসি আগেও বলেছি হ্যাঁ, এখনও বলছি। কিন্তু কখনও কি বলেছি আর কাউকে ভালবাসি না আমি? তুমি কেন ধরে নিচ্ছ তা? আমি জানি তুমি চলে যেতেই পারো; হ্যাঁ তাই হয়েছে অনেক আমি জেনেছি, দেখেছিও! আমি জানি আমার যায়গা কোথায় হতে পারে যদি! যদি হারিয়ে যাই আমি চিরতরে! ওত দরকার হবে না শুধু এটুকুই ভাবি [ বিস্তারিত ]

সোনেলা ঘর- ২

জিসান শা ইকরাম ১৬ নভেম্বর ২০১৫, সোমবার, ০৯:৫৭:১৩অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৫৯ মন্তব্য
গল্প, কাহিনী বা ইতিহাসটি অন্যরকম হতে পারতো। কিন্তু প্রতিবারই তা স্বাভাবিক গতিতেই এগিয়েছে। বার বার ছন্দ পতনের চেষ্টা, প্রতিবারই বিফল ড্রাগনের মুখের আগুনের গোলা। অদম্য সোনালী মানুষদের পদযাত্রা থেমে থাকেনি। কুড়ে ঘরই তো সোনেলা। এভাবেই থাকতে চেয়েছে এখানকার বাসিন্দা আমরা। একটি ছোট মাটির উঠোনে কিছু মানুষ এক্কা দোক্কা, ছি বুড়ি, ডাংগুলি, মার্বেল খেলে হই হুল্লোড় [ বিস্তারিত ]

স্বপ্নময় অনুভূতি

রিমি রুম্মান ১৬ নভেম্বর ২০১৫, সোমবার, ০৯:০১:৪১অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৫ মন্তব্য
অখণ্ড অবসর আজ। কিছু লিখব বলে পার্কের এক কোনে রাস্তার ধারে বেঞ্চিতে বসি নিরিবিলি। অনেকটা সময় পরপর পাশ দিয়ে ছুটে চলা গাড়ির শব্দ। সকালের নরম আলোয় ভেসে যাচ্ছে চারিপাশ। অস্পষ্ট এক অনুভূতিতে আচ্ছন্ন হয়ে থাকলাম ক্ষণিক।   পাশেই একঝাঁক কবুতর টুক্‌টুক করে খাবার খাচ্ছে। একটু দূরের বেঞ্চিতে বসে খাবার ছিটিয়ে দিচ্ছিলেন বয়সের ভারে নুইয়ে থাকা [ বিস্তারিত ]

আর্কাইভ