অন্তমিলের পদ্য

উত্তাল ভরা-বর্ষা...
উত্তাল ভরা-বর্ষা…
কবিতার খাতায় মুগ্ধতর জ্যোৎস্না
চোখের কাজলে চন্দ্রাবিলাসী রাত
আকাশের বুকে মেঘের অট্টালিকা
কবিতা ও মেঘ হাতের উপর হাত।

গল্পের বইয়ে অরণ্যের দিন-রাত্রি
গাছের সাথে হাওয়ার কথোপকথন
তার পাশ ঘেঁষে জলের আসা-যাওয়া
গল্প আর জল ভীষণ অন্যরকম।

কবিতা-গল্প উত্তাল ভরা-বর্ষা
চোখ আর ঠোঁট চঞ্চল মল্লারিকা
মুখোমুখি দিব্যি বসে থাকে
আকাশের নীল, রাত্রির নীহারিকা।

জলের গল্প...
জলের গল্প…

হ্যামিল্টন, কানাডা
১৬ নভেম্বর, ২০১৫ ইং। 

মোট পড়েছেনঃ ৭৭৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৪টি মন্তব্য

  1. কবিতা ও মেঘ হাতের উপরে হাত, বাহ্‌। কবিতার উপর তোমার দক্ষতা, নাকি তোমার উপর কবিতার? নীচের ছবিটা অসাধারন নীলাপু। -{@

  2. কি লিখি মন্তব্যে তাই ভাবছি।
    নাহ! কিছু লিখব না।
    শুধু “ওয়াও!” 🙂
    সাথে করতালি। :c
    মনে হলো সোনেলার কোন এক মাচায় বসে আবৃত্তি করছ তুমি তোমার লেখা। আমরা অনেকে যে যার মত বসে। আমি বসে বালিতে। খালি পায়ে। শুনছি আর মুগ্ধ হচ্ছি। আমার কোন কথা নেই। আমার কেবলই ভাললাগা। কোন বলবে বোদ্ধারা। আমি তাও শুনব। 🙂
    ভাল থেকো নীলা আপু। (y)

      1. দূরে সরিয়ে নিতে চাইলেও কি সরিয়ে নেয়া যায়? এই যে আমরা অনেকেই আছি যারা তোমাকে ভালোবাসি, তোমার লেখার অপেক্ষায় থাকি, তাদের মন থেকে কি নিজেকে সরিয়ে নিতে পেরেছো ভাইয়া? হেরে আসবে।

        ভালো থেকো।

    1. আনিছ ভাইয়া এটা ঠিক বর্ষার লেখা না। প্রকৃতিকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলাম।
      আমায় ঈর্ষা করার কিছু নেই, অনেক ভালো লেখেন আপনি। 🙂

  3. আপি তোমার লেখা পড়লেই আমি ছাত্র বনে যাই। অনেক ধন্যবাদ আপি। তোমার লেখায় অনেককিছু শিখতে পারি। ভাল থাকো, পাশে থাকো।

    1. ভাইয়া এ কি বললে! যা কিছু করো আমার ছাত্র হয়োনা, ধাক্কা খাবে নিশ্চিত(লেখা ফ্লপ হবে)।
      ভালো থেকো তুমিও। সময় কাছে-দূরে তৈরী করে। 🙂

  4. গল্পের বইয়ে অরণ্যের দিন-রাত্রি
    গাছের সাথে হাওয়ার কথোপকথন
    তার পাশ ঘেঁষে জলের আসা-যাওয়া
    গল্প আর জল ভীষণ অন্যরকম।

    লাইনগুলো দারুণ লাগলো দিদিভাই।

    1. গুগলে সার্চ দিচ্ছিলাম কবিতা পড়ার জন্যে, তখন একটা লিঙ্ক পেলাম মেঘের কবিতা। ওই দুটো শব্দ আমায় অনেক জ্বালাচ্ছিলো,
      তারপর বাসে বসে লিখে ফেললাম।

      অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে দীপংকর।

  5. দিদি, আমার বদনাম আছে কোন লেখা পড়ার পর সেই লেখা নিয়ে একান্তই নিজস্ব অনুভূতি বা ভাবনা প্রকাশ করে ফেলা।

    আমি কবিতা সম্পর্কে তেমন জানিই না কিন্তু কবিতা পড়তে গেলে মনের মাঝে একরকম তাল বা দোলা নিয়ে পড়ি।

    আপনার এই কবিতায় উপমার ব্যবহাগুলো বেশ ভাল কিন্তু যা অপছন্দ লেগেছে তা হচ্ছে প্রতিটি লাইন আলাদা আলাদা।

    গল্পে যেমন যেমন একটা যাত্রা থাকে প্রতিটি লাইনে তেমনি কবিতাতেও একতা যাত্রা থাকে প্রতি লাইনে। অন্ত্যমিলের চর্চা করতে যেয়ে সেখানে সেই যাত্রা থমকে থমকে এসেছে আমার কাছে। তাছাড়া অন্ত্যমিলের প্যাটার্ণ নিয়ে জানা নেই, তবে আমার ভাবানুভূতিতে যা আসে তা হচ্ছে- এক লাইনের পরে অন্য লাইনের অন্ত্যমিল, সেই অন্ত্যমিল পরপর বা এক লাইনের পরে অন্য লাইনের অন্ত্যমিল। এইখানে একেক প্যারায় একেক রকম লেগেছে।

    বলা যায় এটা আধুনিক কবিতা যাতে ভাবাবেগের চাইতে মিলের নিয়মের জোর লেগেছে বেশি :p

    কবিতার এইসব নিয়মে হাঁটাচলা নেই কিন্তু পড়তে যেয়ে যা লাগে তাই বলি। -{@

    1. আসলেই তো! কি সুন্দর ধরিয়ে দিলে ভুলগুলো? এই তো চাই।
      নীতেশদা এভাবেই সত্যিকারের সমালোচনা চাই, শেখার জন্য।
      আশা করি এমন মন্তব্য সবসময়ই পাবো। 🙂 -{@

  6. আকাশের নীল, রাত্রির নীহারিকা
    জলের পল্প যখন কিছুটা ম্লান
    উত্তাল ভরা বরষা যখন নত
    তখন একজোড়া ওষ্ঠ-অধরে স্নান…………..

    দিদিইইই…… একটানা পড়া শেষ হতে হতে আমিও লিখলাম কয়টা শব্দ……… অসাধারণ তোমার লেখা…. লেখার ষ্টাইল আগেই তো অনেক ভালো ছিল, এখন তাহলে কেমনে কি বলবো, ভালোতম!

মন্তব্য করুন