মা যখন আকুতি করলেন, "তোর আব্বা মারা গেছে প্রায় দু'বছর হয়, একবার দেশে আয়, ঘুরে যা "... আমি গেলাম না। ক'মাস বাদে হুট করেই দেশে গিয়ে হাজির। মা'য়ের আকস্মাৎ মৃত্যু সংবাদে এ যাওয়া। দাদার বাড়িতে দোয়া পড়ানো হচ্ছে, গরীবদের খাওয়ানো হচ্ছে। উঠোনে বিশাল শামিয়ানা টানানো হলো। ভোর থেকেই বাড়িময় কোলাহল, লোকে লোকারণ্য। দূর দূরান্ত থেকে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
আর্বনীল ভাইয়ের বাঁশের গল্প শুনে আমারও এমন একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল । তবে আমি কিন্তু ওনার মত বাঁশ খেতে পারিনি বরং দিয়েছিলাম বলতে পারেন । এবারে আসল ঘটনায় আসা যাক । 2015 সালের প্রথম দিকে একটা মোবাইল সেট কিনেছিলাম । কিছুদিন পরেই হঠাৎ ই ডিসপ্লে নষ্ট । কাস্টমার কেয়ারে দিয়ে আসলাম । এরপর শুধুই… [বিস্তারিত]
লাঠির মারের কাঁপুনিতে লাল দাগে কাতর ঝাউ বাগানে গিয়ে গাছকে দোষারূপ করি না¡ কোন বলিউডি ম্যাগাজিনের হান্ডসম হাঙ্ক গিলে মন ভরাই না¡ সদ্য নতুন যুবক কবির কামাতুর ছটফটানি কবিতাতেও শান্ত হই না! কোন আইটেম গার্লের বুক কোমর আওয়াজের ঝঁাকুনিতেও মন ভেজে না¡ কারন , আমি কবিতাকে ভালোবাসি! বাড়ির উঠোনের পাতাগুলো যখন উনুনে জ্বলে, সাগরের বুকে… [বিস্তারিত]
#লন্ডনের মনু মিয়া.... ডাক্তারের কাছ থেকে আসলাম !লন্ডনে ডাক্তারা কিছুটা আজব প্রাণী, বয়েসে যারা তরুণ তাদেরকে কোন ঔষুধ দেয় না,বলবে প্যারাসিটামল খাও ৭২ ঘন্টা পড়ে ঠিক হয়ে যাবে |যত বারই ডাক্তারের কাছে যাই, কম বেশ উনারা সবাই প্রায় সমান কথা বলেন | যদিও সারা বছরে একবার বা দুবার করে মনে হয়, ডাক্তারে যাই | এমন… [বিস্তারিত]
অভিমান ছিটকে পড়ে অমার্জনীয় সভ্যতার ভেষজদ্রব্যের ভেতর দূর্লভ অথচ মধ্যবিত্ত অনুভূতির দোলনায় দুলতে থাকে একটি ভেঁজাল হৃদয় একরকমের জড় পদার্থর মতো। রাত্রির অন্ধকারে নিরুদ্দেশ জীবন যেনো পুড়তে থাকে তাপদগ্ধতার গন্ডিতে সকলেই জানে কতোটা তীক্ষ্ণ হয় বিদ্রূপের ভাষা এবং অবহেলার মর্মকথা। আত্মসংজ্ঞার উত্তর খোঁজা বড়ো কঠিন অলস দুপুরের কোল ছুঁয়ে শত যুগের নীরবতা ভাঙ্গাও সহজ নয়… [বিস্তারিত]
হয়ত কোন একদিন কোন শ্রাবণের বিকেলে তোমার সাথে আমার দেখা হবে পরিচিত সেই থানার ঘাট মেঘনার পাড়ে, নীল শাড়ি পড়ে সাদা পাঞ্জাবি পরা কোন এক যুবকের হাত ধরে হেটে যাচ্ছ, আর আমি বসে আছি একা। হয়ত কথা বলা হবে না কেউ কারো সাথে। ক্ষনিকের জন্য হয়ত হারিয়ে যাবো তুমি আমি আমাদের শেষ বিকেলের স্মৃৃতিতে, সেদিন… [বিস্তারিত]
তোমার জন্য নয়, আমার জন্যই আমি ভালো আছি। ভেবেছিলাম তোমাকে ছাড়া হয়ত বাঁচতেই পারব না। খুব ভয় পেয়েছিলাম যখন আমাকে একা ফেলে খুব বেশী দূরে চলে গেলে। দীর্ঘ নয় বছরের ভালবাসা এক মিনিটেই তুমি সব কিছু এলোমেলো করে দিলে। আমি ভূল করেছিলাম তোমাকে বিশ্বাস করে, আমি ভূল করেছিলাম তোমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে, কেননা তোমার স্বপ্নে… [বিস্তারিত]
চলে যাওয়া যেতে পারে ঘুটঘুটে কালোরাত্তিরে, একা একাই। সাঙ্গপাঙ্গরা কাল রাত্রিতে যে গল্প বলেছিল, উহ, একটুও বুঝতে দেইনি, কিন্তু মুচকি হাসিতে বুঝেছিলো কিনা কে জানে, কি ভয়টাই না পেয়েছিলাম !!! কালকের গল্প আজ পিছু নিলো একটু একটু। আজো আমি মুচকি হেসে তুড়ি ফোটালাম। ভয় পাবার বিষয়, দেখাবার নয়। যেতে যেতে ভাবছিলাম অন্ধকারকে কেনো এতো ভয়?… [বিস্তারিত]
রতন এই শহরে কন্কনে শীতের দিনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফ্লায়ার বিলি করে। হ্যাংলা পাতলা গড়ন। শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যাও আছে। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় হাসপাতাল, ডাক্তার এড়িয়ে চলে। হাঁপাতে হাঁপাতে একদিন আমায় ফ্লায়ার দিচ্ছিলো। আমি ব্যাগে থাকা ইনহেইলারটি ওকে দেই। সেই থেকে মাঝে মাঝেই ওকে ইনহেইলার দিতাম। সেটা ব্যবহার করে ও ভাল বোধ করতো। এ নিয়ে তাঁর… [বিস্তারিত]
নদীর পারের এই গুঁড়িগুলো ভীষণ পছন্দ রুদ্রের। জোয়ার ভাটায় তার নিত্যসঙ্গী এরা।পানি কমুক বাড়ুক-সে একদম নদীর কাছাকাছি থাকা অনাথ কাঠের টুকরোটার ওপর বসে থাকে- অন্যগুলোতে থাকা হয় খুব কম... তবে হ্যাঁ,ঐ যে আরেক কোণে একটা নাম না জানা গাছ আছে ওটার নিচে ফেলে রাখা শ্যাওলা ধরা যে মূলগুলো,ওদেরকেও মাঝে মধ্যে ‘বন্ধু’ বানায় সে। ঘাটের লোকেদের… [বিস্তারিত]
ইস্ কি যে তোমার ভুলো মন অফিস নিয়েই থাকো সারাক্ষন নেই অবসর বেড়াতে যাবার বিয়ে বার্ষিকীর হলো যে মরন। বললেই যখন এখন কেনো তখন কেনো বললে না, ভুলো মনের বিয়ে বার্ষিকী পালন আর বুঝি হলো না। না বলেই গত রাতে ভাঙ্গলে খাট বললে পড়ত হয়তো আমার মাথায় হাত, দিন যদি যায় যাক না চলে ভালবাসা… [বিস্তারিত]
বৃষ্টিকে ডাকো ,ডাকো! কতদিন মাছের আঁশের পোড়া গন্ধ শুঁকবে! দিনের শেষে সাপের বিন বাজিয়েদের হাতে তালে তালে নাচবে! পাহাড়ী ফুলের ধৈর্যের রেশে সাইকেল চালাবে¡ আর নয়¡ আকাশ টা এবার ভাঙল বলে রাস্তার কীর্ত্তনীয়া এবার নরসিংহ অবতার¡ # শুনতে পাচ্ছো ?মেঘ ডাকার আগে ত্রিশূলের রাশি ! খই ছড়াতে ছড়াতে ক্লান্ত লক্ষী প্রতিমা! বেশ্যা ভুলে গেছে ব্যাভিচারের… [বিস্তারিত]
২০০৩ সালের ৫ ডিসেম্বর যখন জাপান আসি, জাপানিজ জানা তো দূরে থাক, ইংরেজীতে কথা বলতে গেলেও দ্বিধাবোধ করতাম। ভুল হলে যদি হাসে! বাঙালী মন-মানসিকতার এটা একটা প্রধান হাস্যত্মক ব্যাপার। আমাদের সমাজে বেশী চলে কিনা! তাই শুনতাম, দেখতাম, বেশ বুঝতামও। কিন্তু স্পিকটি নট। একরকমের বোবা মুহূর্ত কাটানো জাপানীজ ক্লাশে। প্রথম দিকে ইউনিভার্সিটির ফ্রী ক্লাশে যাওয়া শুরু… [বিস্তারিত]
বৈশাখী সাজে আমায় দেখে চমকে উঠে ইভন। বললাম, আজ আমাদের নিউ ইয়ার। শুভ নববর্ষ। ইভন পাল্টা বলে উঠে, সবো নববর্ষ। আমি হো হো করে হেসে উঠি। বলি, "সবো" নয়, বলো "শুভ"। এবার ঠিক ঠিক বলে। একবার নয়, দু'বার নয়, পরপর তিনবার। চমৎকার উচ্চারণ। বিদেশিনীর মুখে সঠিক বাংলা উচ্চারণ ! ভেতরটায় অদ্ভুত এক ভালোলাগা খেলে যায়।… [বিস্তারিত]
নিজের গল্প নিজে লিখতে সবচেয়ে বেশী সংকোচ হয় । বারবার ব্যার্থতার জালে আটকে পড়ে সেখান থেকে আবার মুক্ত হওয়ার গল্প টা একেবারেই সহজ নয় । এক তখন ক্লাস নাইনে পড়ি । নাইন থেকে টেনে ওঠার সময়ে একটা বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিলাম । প্রচুর কথা বকা শুনেছিলাম সবার কাছ থেকে । নিজের জন্য তেমন খারাপ লাগত না… [বিস্তারিত]







