বারঃ নিজের পতন অবশ্যম্ভাবী বুঝতে পেরে থমকে গেলেও জেনারেলের লোকরা থেমে থাকলো না। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালাতে শুরু করলো। ঝাঁপিয়ে পড়ে একপাশে কাভার নিলাম। এদিকে দুইজন এগিয়ে এসে জেনারেলকে কাভার করে সরিয়ে নিয়ে গেল মাঝখান থেকে। গোলাগুলির মধ্যে বুলবুলকে লুটিয়ে পড়তে দেখলাম। জেনারেলের কেউ বোধহয় গুলি করেছে ওকে। খানিকসময়ের জন্য স্তব্ধ থাকা জায়গাটা হুট [বিস্তারিত তোমাকে ছাড়া সাড়ে ছিয়াত্তর সপ্তাহ (ষষ্ঠ ও শেষ পর্ব)]
দশঃ রাত বাজে সাড়ে ১০টা। ঠিক যেটা অনুমান করেছিলাম সেটাই হয়েছে। খবর পেয়েছি, জেনারেল আর তার দলবল এসে পড়েছে নদীর ওপাড়ে। এখন অপেক্ষা করছে সেখানে। সম্ভবত তার দলের কয়েকজনকে স্কাউটিং করতে পাঠিয়েছে! রাত ৮টার দিকে মেসেজ পেয়েছি যে বুলবুলের মা আর ভাই নদী পার হলেও বড়ইতলা গ্রামে আসেনি। বরং প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে সীমান্ত ঘেঁষে [বিস্তারিত তোমাকে ছাড়া সাড়ে ছিয়াত্তর সপ্তাহ (৫ম পর্ব)]
সাতঃ বড়ইতলা গ্রামটা একেবারে সীমান্তবর্তী। রাজশাহী শহর থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে কিন্তু বেশ দূর্গম একটা এলাকা। একপাশ দিয়ে যাচ্ছে পদ্মা নদী। দারুণ সুন্দরও বটে। গ্রামটা খুবই ছোট। আর তাই আমিনুর রহমানের বাড়ি খুঁজে বের করতে বেগ পেতে হয়নি। পরিত্যক্ত একটা বাড়ি। আশেপাশের মানুষজনের সাথে কথা বলব ঠিক করলাম। বাড়ির সামনেই একটা চায়ের দোকান। [বিস্তারিত তোমাকে ছাড়া সাড়ে ছিয়াত্তর সপ্তাহ (চতুর্থ পর্ব)]
পাঁচঃ কিছুক্ষণ চিন্তাভাবনা করে আবার ইউনিটের প্রধান ডিআইজি ওয়াহিদুর রহমানের কেবিনে গেলাম। ভিডিও ফুটেজগুলো দেখে উনিও আমার সাথে একমত হলেন যে এই কাজে বুলবুলের জড়িত থাকার সম্ভাবনা বেশি। তবে আমাদের জন্য সবচেয়ে পজিটিভ দিক হচ্ছে এতদিন পর বুলবুলের খোঁজ পাওয়া। লোকটা এতদিন বাতাসে মিলিয়ে ছিল যেন! “ বুলবুল এই হত্যাচেষ্টার সাথে জড়িত তার কোন প্রমাণ [বিস্তারিত তোমাকে ছাড়া সাড়ে ছিয়াত্তর সপ্তাহ (তৃতীয় পর্ব)]
তিনঃ মূহুর্তের মধ্যেই সটান হয়ে দাঁড়িয়ে ঠকাশ করে স্যালুট দিল এসআই শহীদুল। “ স্যরি স্যার, প্রথমে আমি বুঝতে পারিনি। ” – না, আমার উচিত ছিল প্রথমেই পরিচয় দেওয়া। কিন্তু ঘটনার আকস্মিকতায় মাথায় আসেনি ব্যাপার না। “ কিছু মনে করবেন না স্যার। একটা কথা বলি? ” – বলেন। “ এবার সত্যটা গোপন না করে বলেন [বিস্তারিত তোমাকে ছাড়া সাড়ে ছিয়াত্তর সপ্তাহ (২য় পর্ব)]
একঃ বৃষ্টিস্নাত সুন্দর সন্ধ্যায় কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসে এলাকার টঙের দোকানটায় বসে সিগারেট খাচ্ছিলাম। এমন আবহাওয়ায় সিগারেটের স্বাদ যেন একটু বেশি বেড়ে যায়! মন না চাইতেও উদাস হয়ে যায়। মনে পড়ে যায় ফেলে আসা দিনগুলোর কথা ! হঠাৎ করেই ফোনটা ভাইব্রেট করতে শুরু করল … উদাসীনতার ভাবে ছেদ পড়ায় কিছুটা বিরক্ত হতে হয়। কপাল [বিস্তারিত তোমাকে ছাড়া সাড়ে ছিয়াত্তর সপ্তাহ (১ম পর্ব)]
পূর্ব কথাঃ ২১শে এপ্রিল, ২০১৪। বসন্তের সুন্দর এক সকালে আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসে হটাতই আক্রমণ করে অদ্ভুতদর্শী কিছু জীব। আকারে মানুষের সমান এই জীবেরা একধরণের লেজার গান মানুষকে আক্রমণ শুরু করে। লেজারের প্রচন্ড আঘাতে মানুষ সম্পূর্ণ উধাও হয়ে যায়। আর যত্রপাতি অস্ত্র ইত্যাদিও উধাও হয়ে যায়। প্রথম প্রথম কেউ ধরতে না পারলেও ওয়ার্ল্ড ডিফেন্স অর্গানাইজেশনের বাঙ্গালি [বিস্তারিত মারাত্মক হুমকি]
চোখ মেলে নিজেকে হাসপাতালের বেডে দেখলো রূপন্তী! পাশে ফিরে দেখে তার হাত শক্ত করে ধরে রেখেছে একটা অতি পরিচিত হাত। একটু পরেই চোখে পড়লো অতি আপন ও পরিচিত চেহারাটা। আনন্দ আর উদ্বিগ্ন দুইটার অদ্ভুত মিশেল ছাপ প্রিয় চেহারাটায়। তবে রূপন্তীকে চোখ মেলতে দেখে আনন্দটা ক্রমেই বিকশিত হচ্ছে। কি হয়েছিল নিজের মনে করতে একটু সময় লাগে [বিস্তারিত সুখের নীড়ে…]
তেরঃ বেজ ক্যাম্পে ফিরতে ফিরতে বিকেল হয়ে গেলো। তবে আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে, নীলসাধুর সাথে দেখা করার পর থেকেই অদ্ভুত শান্ত হয়ে গেছে মনটা। আগের মত অস্থিরতা নেই। কারণটা বোধহয় স্মৃতিশ্বরকে টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে এমন অস্ত্র আছে আমার কাছে। বেজ ক্যাম্পে ফিরে চিন্তা করে নিলাম একটু। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কোন ফল নেই এই চিন্তায়। আরিশার [বিস্তারিত অনূসুয়া- অ্যান আনসলভড মিস্ট্রি (৫ ও শেষ)]
দশঃ ঠিক কতক্ষণ সময় কেটে গেছে হিসেব রাখতে পারিনি। নিজেকে আত্মরক্ষা করতে করতে যখন মনে হচ্ছিল আর বুঝি সম্ভব হলো না সে সময়েই টের পেলাম পিছন থেকে বেশ কিছু মানুষের সাড়া শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার সামনে থেকে আসা আক্রমণের জবাবে তীব্র পরিমাণে ফায়ারিং শুরু হলো। বিডি-৮ অ্যাসাল্ট রাইফেলের গুলির শব্দ কোনদিন বোধহয় এত [বিস্তারিত অনূসুয়া- অ্যান আনসলভড মিস্ট্রি (৪)]
সাতঃ অভিযানে যাচ্ছি আমরা মোট ৬ জন কমান্ডো। কর্ণেল ফারুক অবশ্য আপত্তি জানিয়ে বলেছিলেন যে একটু অপেক্ষা করতে, কারণ তিনি চাচ্ছিলেন একেবারে কাল সকালে অভিযানে যাই। এতে চার্লি কমান্ডের কমান্ডোরাও প্রস্তুত হয়ে এই অভিযানে অংশ নিতে পারবে। আর এখন অভিযানে গেলে রাত হয়ে যাবে। রাতে এই এলাকাতে অভিযান চালানো খুবই দুঃসাধ্য কাজ। এর উপর মড়ার [বিস্তারিত অনূসুয়া- অ্যান আনসলভড মিস্ট্রি (৩)]
চারঃ বিশ মিনিটের মাথাতেই রি-ইনফোর্সমেন্ট চলে আসলো। ক্যাম্পটাকে তিনদিক দিয়ে সেনাদের ঘিরে ফেলতে বললাম। চতুর্থদিক দিয়ে কমান্ডোরা গুপ্ত হামলা চালাবে। পরিকল্পনামাফিকভাবে আক্রমণ শুরু হলো। তীব্র প্রতিরোধ করছে আরাকান আর্মিরা তাদের ঘাঁটি থেকে। প্রায় ঘণ্টা তিনেক ব্যাপক বন্দুক যুদ্ধের পর আস্তে আস্তে স্তিমিত হয়ে আসছিল তাদের প্রতিরোধ। এবার পালা কমান্ডোদের। নির্দেশ পেতেই আক্রমণ চালালো তারা। প্রতিরোধের [বিস্তারিত অনূসুয়া- অ্যান আনসলভড মিস্ট্রি (২)]
পূর্ব কথাঃ ২৬শে অগাস্ট ২০১৫ বান্দরবান জেলা সদর থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার দূরে বড় মদক সীমান্তচৌকিতে এবং দলিয়ন পাড়া সীমান্তচৌকিতে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী আরাকান আর্মির সদস্যরা অতর্কিত হামলা করে। এসময় বিজিবি সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। সেসময় বিজিবির একজন নায়েক আহত হন। বান্দরবানের ওই এলাকাটি, নামঃ থানছি, এতই দুর্গম যে ৪৩৯ কিলোমিটার এলাকায় কিছু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির মানুষ [বিস্তারিত অনূসুয়া- অ্যান আনসলভড মিস্ট্রি (১)]
১১.০৭ আজকের রাত আশ্চর্য রকম নিস্তব্ধ … আসলেই নিস্তব্ধ নাকি আমার কাছে নিস্তব্ধময় বুঝতে পারছি না। সবকিছু কেমন জানি অসহ্য লাগছে। মা’র কাছে খুব যেতে হচ্ছে। কিন্তু পারছি না। চাইলেই সবকিছু পারা যায় না। পারা গেলে মনে হয় ভালো হত। প্রচণ্ড জ্বরে কাঁপছে শরীর। অনেকদিন ধরেই জ্বরটা বাসা বেঁধে রয়েছে। বুঝতে পারছি না আমার আসলে [বিস্তারিত কাল্পনিক দিনলিপি]
“ ডায়েরি লেখার অভ্যাস কোনকালেই ছিল না আমার। এমনকি আমি যে খুব ভালো লিখি সেটাও না। স্কুল-কলেজে বাংলা-ইংরেজি পরীক্ষা পার করে এসেছি বেশ আতঙ্কের সাথে। সেসব কথা থাকুক। নিয়তির জেরে এখন আমি এই কাজটাই করছি। আমার শরীরের প্রকৃত অবস্থা জেনে এসে আজ কেন জানি নিজের জীবন নিয়ে লিখতে মন চাচ্ছে! একাকী নিঃসঙ্গ জীবন যে কতটা [বিস্তারিত নীল ডায়েরি (প্রথম পর্ব)]