এই সূর্যকরোজ্জ্বল নদীর স্নিগ্ধ কলরবে জেগে উঠে প্রাণের অপব্যয়ী অক্লান্ত আগুন, প্রয়াত মন অনন্যোপায়, দারুচিনি বনানীর ফাঁক গলে দূরতম দ্বীপের খোঁজে, ক্রমমুক্তির ঢেউয়ের কল্লোলে রূপোর দাঁতে ছায়া হাসে নিঃশব্দে স্বর্ণ বিস্ময়ে, ক্লান্ত নাবিক ভাবে এই বুঝি শুরু হল!! এও হয় নাকি! ছায়াঋণ রয়েই যায় উত্তাল বিহ্বল বাতাসে, এই তো বিকেল এলো বলে, ছায়ারা দীর্ঘতর থেকে [বিস্তারিত ছায়া ঋণ]
এ এদিকে ঠেলে সে ঐদিকে ঠেলে, ও ও দাঁড়িয়ে মাজা লয়, এমন নয় কোন ভাবেই। প্রশস্ত পথ এতটা যে হাঁটাচলা থেকে যতখুশি ঘোরাঘুরি সব বহাল তবিয়তেই হবে। g-14 বা h-14 সিট দুটি কয়েক কাঠি সরেস, এমনিতেই বসার সিট গুলো বিমানের ইকোনমি শ্রেণির সিট থেকে প্রশস্ত এবং লম্বা হাঁটুর লোকদের জন্যও বেশ আরামদায়ক। সিটে বসেই আরামছে [বিস্তারিত ভ্রমণ প্রপঞ্চময়তা]
ঝেঁপে আশা নিঃসঙ্গতায় তেতো হয়ে ওঠে মন জগদ্দল ভোরে। থির জল, ভাবনার সিক্ত বিলাই, নিরুপদ্রব নিরাপদে নিরাপদ প্রস্থান তো চাই ই, কিন্তু ধারে আনা রংয়ের প্যালেটে চকিতে দোল খায় রংধনুর ছায়াময় ছায়া, আধেক অন্ধ আমি, হারিয়েছি রং, যা ছিল বিস্তর দামী, খুঁজছি আলোর দিশা। সুদূরের গন্তব্য অজানা অনন্তর, তবুও অন্বেষণে; নয় কোন চাতক অপেক্ষা, নয় [বিস্তারিত দেব শিশু]
এখনও জাঁকিয়ে বসেনি আঁচহীন রাতের আকাশ, আলোরিক্ত দিগন্তের শিথানে অস্তরাগ মেলেছে ডানা গাঙ কবুতরের বেশে, নিরাপদ অনিঃশেষ নিশ্চুপ, নেই সবর্ষন ঝড়ের ক্রুরচাহনি, অপেক্ষার নিঝুম আকাশবাড়ী আর কত দূর!! সমুদ্রকোল ঘেঁসে নিস্তরঙ্গ দীর্ঘ সুনসান বালিয়াড়িতে শুধুই ধু ধু বালি, থেমে নেই নোনাস্নান আদ্দিকালাব্দি! অনিকেত ধাতব হৃৎপিণ্ড!! তাও বিদ্ধ হতে চায় সবিষের ভোতাফলায়; এইইইইই আদ্যা আঁধিয়ারী, আর [বিস্তারিত আঁধিয়ারীর বনবাস]
মোনডা ভালো না, সুকানি হালার লগে বাজ্জে, ওঝা ধইরা লাডি চালানের ব্যবস্থা করতে হপে, হেইডা না পারলেও পেত্নী চালানের মাফ নেই, এইবার খাইছি তোরে!! রাতের খাবার সেরে গুটিকয়েক যাত্রী বিড়ি ফুঁকছে আর প্রশস্ত বারান্দায় পায়চারী করছে ফুরফুরে মেজাজে নদীর মৃদুমন্দ বাতাসে, একজন সহজেই নজর কাড়েন, ইনি একজন জম্বি টাইপ, খোঁচা ছাগলদাড়ি, প্রচণ্ড ভুঁড়ি বাগিয়ে প্যাঁক [বিস্তারিত মোপাইল ও জম্বি]
সুকানির নির্দেশে একমানব উচ্চতার হুইলটি ঝাড়পোছ করত তৈল মর্দনে ব্যস্ততা চরমে ছিল, ব্রিজ থেকে সামান্য দূরে থেকে অনুচ্চ স্বরে ও ইশারায় কেউ ডাকছে ভেবে এগিয়ে গিয়ে ভ্যাবাচেকা খেলাম, পিছু নিয়ে আবার সেই পুরনো চেয়ারের কাছে ফিরে এলাম, সামান্য দূরে অন্য একটি আধ ভাঙ্গা চেয়ার দেখিয়ে ইশারায় বসতে বলল, আরও সামান্য দূরবর্তী হয়ে আড়ষ্ট ভাব নিয়ে [বিস্তারিত মোপাইল!! আর না আর না!!]
প্রাণ প্রিয় নদী আমার, জানিনা কেমন আছ, আশা আছে ভাল থাকার। আমি ভাল নেই তোমাকে ছেড়ে, মনে বিন্দুমাত্র শান্তি নেই, জানিনা কোথায় গেলে শান্তি খুঁজে পাব, পৃথিবীতে তুমি ছাড়া আর কোন নারীর সাথে আমার কোন মন দেওয়া নেওয়ার সম্পর্ক নেই, তারপরেও কেন যেন শান্তিপূর্ণভাবে আমরা থাকতে পারছিনা। একটি সম্পর্ক মসৃণ ভাবে চলার জন্য যা কিছু [বিস্তারিত চিডি!!]
এলেন, স্বমহিমায়, বই মেলার বাংলা একাডেমীর একটু সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছি আরও অনেকের জন্য, এর মধ্যেই জানান দিলেন আসছেন তিনি, আমরা কোথায় তাও জেনে নিলেন, বহুদিন একসাথে লিখছি, সরাসরি আলাপ এবারে এই প্রথম, ব্লগের বাইরে সামান্য ‘লাইক’এ ই সম্পর্ক সীমাবদ্ধ ছিল, একটু দূরে থাকতেই দেখে চিনে ফেললাম, স্বীকার করে নিচ্ছি, পিক দেখে যা মনে হয়েছিল [বিস্তারিত অবশেষে তিনি এলেন]
ভাবনায় ছিল আসার সময় লঞ্চের একটি ছোট্ট ঘটনা আপনাদের বলার চেষ্টা করব। সেটি লিখতে এসে গোটা কুড়িক ইকড়ি- মিকড়ি চামের দাড়া রঘু গেছে…………(আরে যাক না যেথায় খুশি) ডিগবাজি দিচ্ছে। এ তো গেল লঞ্চ ভ্রমণ (মোপাইলে জমা আছে)। রাজ বৈদ্য থেকে শুরু করে বই মেলা, রোটারি , উত্তরার কথকতা, টাকলুর গপ্প। এর এক একটির মধ্যে অনেক [বিস্তারিত প্রারম্ভিক প্রারম্ভনা, ঢাক ঢাক গুড়গুড়]
ভয়ে ছিলাম, আছিও, আইডিয়া ‘ছেনতাই’ এর। ভাবছি কেউ এসে ধুপ করে মেরে দিল, কচি প্রাণ কাঁচা ব্যথা, কেউ বুঝতেই চায় না, বুঝতে পারেও না, পারবেও না, বুদ্ধিমান! হয়ে এবারে আগাম মেরে দেব, দেখি না কী জয় হয়!! নাহ্, আগাম আর দিলাম না। উপলক্ষ্, মেধাবী তেজস্বিনী ওজস্বিনী ধর-মার -কাট ব্লগারের শততম পোষ্ট, যদিও সংখ্যানুকূল্য নিয়েছেন ফাঁকিবাজি [বিস্তারিত শততম পোস্টে শুন্য শুন্যালয়]
যতখানি গা’য়ে পড়া ভাব নিলে হ্যাংলামি হয় তার সামান্য বাইরে থেকে অনতিদূরবর্তী হয়ে সভয়ে অনুচ্চ কণ্ঠে জানতে চাইলাম, ‘ঢাকা যাচ্ছেন?’ উত্তর পেলাম ‘হুম’, এতে তো হচ্ছে না, উসখুস চেপে রেখে আবার জানতে চাইলাম, কোথায়? এবারে উত্তর ‘পোস্ত’, ইয়ে মানে পোস্ত কী? এবারে রাগি চোখ তুলে তাকিয়ে হাত ইশারায় তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে বিরক্ত না করার ইংগিত দিয়ে [বিস্তারিত মোপাইলে]
ছেলেটি মেয়েটিকে ডেকে গাঢ়স্বরে বললো “এসো ভালোবাসায় ডানা মেলি ঐ দিগন্তে। তুমি আমাকে উন্মুখ উন্মুক্ততা দেবে তার বদলে এক আকাশ বজ্রের বৃষ্টি দেবো। রাজি?” মেয়েটি অংকে পাকা। সরু ঠোঁটে হেসে বলল, “বুঝলাম তো সবই, এই সঙ্গিন শীতে এত্ত দেরিতে কেন বলো।” শুনি গান দূর বসন্তের, পাশপড়শী ক্লান্ত এখনও মোহনীয়া সুরে সুরে, বিফল বীজে অঙ্কুরোদগম হয় [বিস্তারিত দারুচিনির ‘ব-দ্বীপে’]
আকাঙ্ক্ষাগুলো ক্রমাগত ঢেউ হয়ে বালিয়াড়িতে জমে প্রবালের প্রাচীর হয়ে, প্রবাল দ্বীপ হয়ে, সমুদ্রফেনা হয়ে, ভেসে আসে হাইড্রারা প্রগাঢ় জোয়ার জলে, তিমিরাও আসে, হয়ত বাঁচতে চায়! মরে বেঁচে যায়। স্বপ্নেরা জলে ভেসে ভেসে আসে, লোনা জলে। অপেক্ষার তটরৌদ্রে ঝিমোয়, চির অতৃপ্ততা নিয়ে, পায় না মদিরার সুবাস, এক রাত্রিব্যথা সয়ে আকাঙ্ক্ষার মায়ামৃগ জড়ায় নিত্যনতুনের জালে,ভয়াবহ অন্ধকার চেয়ে [বিস্তারিত আফিম উপশমের খোঁজে]
হৈ হল্লায় আর একটি দিন কেটে গেল, রাত্রি সমেত। নিরন্নের শিশুরা যেমন আছে তেমন ই থেকে গেল, গো-হারা শৈত্য প্রবাহে কুকুর সাথী হয়ে, শীত, তোমার মায়াবী অথচ কঠিন চাদরটি নিয়ে একটু এড়িয়ে গেলে পারতে, এ যাত্রার কটা দিন, নেভানো কয়লায় না হয় রাত কাটাতাম, মিট মিটে মিঠে আগুন জ্বালানোর সাধ্য যে আর বাকী রাখোনি। ঐ [বিস্তারিত বেশুমার ধ্বংসস্তূপে]
কোন ভাবেই কিছু হবে না জেনো, ক্রান্তির কাল এসে যাবে, পৌঁছানো হবে না দারুচিনির দূর দ্বীপে। আই ফোনের গিজগিজ এ্যাপে, মুহূর্তেই দিগ্বিজয়! পা গুলো মঙ্গলমৃত্তিকা ছুঁই ছুঁই, হরহামেশা বদল হৃদপিণ্ডের! রোবট পাঁজরে কি প্রাণ থাকে? তুমি বরং অপেক্ষায় থাকো বুকে নিয়ে আশার লাশ! কবর বিন্যাসের আঁকিবুঁকি এঁকে এঁকে, পাথর বনে গোলাপের কুঞ্জ! খোয়াবের ঝর্ণায় উদোম [বিস্তারিত মৌ এ মাছি]