শিশির কণার বিয়ের কথকথা……শেষ

তিন ভাই বোন, কণা, পিউ, সোহেব। মা অন্ত প্রাণ, ছেলে মেয়েরা মায়ের বন্ধু হয়, শুনেছি, দেখেছি, এ মাত্রায় এই ই প্রথম দেখলাম। বাবা ও মা ছেলে মেয়েদের সাথে ‘আপনি’ করে কথা বলে। বোনেরা অত্যন্ত মেধাবী এই আক্রার বাজারেও, তাদের মাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম কথাচ্ছলে, সদ্য জে এস সি দেয়া ছেলে লেখা পড়ায় কেমন, সে জানাল আল্লাহ [বিস্তারিত শিশির কণার বিয়ের কথকথা……শেষ]

শিশির কণার বিয়ের কথকথা……২

ফেরি পার হয়ে যথা সময়েই খুলনা পৌঁছুলাম, নিজে হালে রোটারিয়ান, হরিহরটি ঘাগু এ লাইনে। আগেই খবর দেয়া ছিল, উষ্ণ আতিথেয়তায় কাচ্চি খেয়ে ট্রেন স্টেশনে পৌঁছে দিয়ে হাতে যশোরের ট্রেনের টিকেট ধরিয়ে অতিথির আপ্যায়ন শেষ করে সাথী রোটারিয়ান ফিরে গেল, সাবাস রোটারি। হাল্কা ফটোসেশন, অনুকুল আলো না হওয়ায় বেশি জুত হল না নবিশ ফটোগ্রাফারের এক্ষণে। তিনটার [বিস্তারিত শিশির কণার বিয়ের কথকথা……২]

ক্ষণিকের স্বপ্নাকাশ

হে উন্মুখ স্বপ্নাকাশ, চল না খনিকের একটু খেই হারাই, ভিড়-ভাড় ঠেলে-ঠুলে, শ্যেন চোখে ধুলো ছুড়ে, কাঁটার ঝোপ আর ভেজার বর্ষা এড়িয়ে। এমন শীতোষ্ণতায় একটু আগুন ছানি, দূরে, বহুর দূরে অগোছালো বনের গহীন গভীরে; একাকীর স্থির নিস্তব্ধতায় বিদ্ধ করি নিজেকে, নিজের চোখে; খুবলে নেয়া হৃদে অস্থির বরফ ফেলি গোলাপি গোলাপের ভেজা সুবাসে। সে আকাশ উন্মুক্ত হও; [বিস্তারিত ক্ষণিকের স্বপ্নাকাশ]

শিশির কণার বিয়ের কথকথা……১

ফেরিতে ওঠা গেল না, জায়গার অভাবে, অগত্যা চায়ের টং দোকানে কাটে না সময়ের সময় গুজরান, এ এক ঘন্টা যেন বহু ঘন্টা অনিচ্ছার কিল খাওয়া। কিল চালুক……………………… শেষ অনুষ্ঠান ছেলের বাড়ীতে বউভাতে উপস্থিতি, বাঘআচরা যশোর শহর থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে, গাড়িতে যেতে দু’ঘন্টা লাগল। রাস্তা তথৈবচঃ। ভাগ্যিস বুড়ো হাড় এখনো বেঁকে বসে না। প্রথমে বর, পরে [বিস্তারিত শিশির কণার বিয়ের কথকথা……১]

গোলাপ ছোঁবো নির্দোষ খুনসুটিতে

ঝিনুক নীরবে সহো ঝিনুক নীরবে সহো, ঝিনুক নীরবে সহে যাও ভিতরে বিষের বালি, মুখ বুজে মুক্তা ফলাও! আবুল হাসান।   শিশিরভেজা গোলাপি গোলাপ আলো ছড়ায় গন্ধ ঢেলে স্বপ্নআকাশ চোখে গেঁথে রাত জাগে অন্ধকারের অপলকে। তাকাও, দ্যাখো তো চিনতে পারো কিনা, নিষ্পলকে; এক তুমুল দুপুরের রোদজ্যোৎস্নায় ভিজে ভিজে কাতর ভীষণ, সম্মতির চক্ষু ঝঙ্কার তুলেছিল সূক্ষসুখের গহীন [বিস্তারিত গোলাপ ছোঁবো নির্দোষ খুনসুটিতে]

অগত্যা হরিহরের একটি বাংলা লায়ন মোডেম

সকাল সাড়ে এগারটা নাগাদ গলি পথ পেরিয়ে হাইওয়েতে, উদ্দেশ্য বিভাগীয় শহর বরিশাল, হরিহরের একান্ত সাথী লবেজান একটি টমটম। আল্লাহ সহায়। বুধবার রাতে বাংলালায়ন কাস্টমার কেয়ারের সদা হাস্যময়ী তরতাজা তরুণ জুনিয়র কর্তাকে ফোন করে একটি মোডেম কেনার অভীপ্সার কথা জানাই। শনিবার সকাল এগারটায় আমাকে সব কিছু জানাবে এমন কথা বলে কথা শেষ করি। শনিবার আমিই ফোন [বিস্তারিত অগত্যা হরিহরের একটি বাংলা লায়ন মোডেম]

কিশোরী স্বপ্ন

তোলা পানির স্নানেও স্নান থাকে, সমুদ্রেও স্নান থাকে, সাতরে পার হওয়া না জানাদের ও স্নান থাকে, তোলা পানি ই একমাত্র ভরসা। রাহসিকতার হাস্যোচ্ছ্বল হাস্যোজ্জ্বল আনন্দধ্বনি সবার পাওয়া হয় না, জীবন বোধের প্রাসঙ্গিকতায় অপ্রাসঙ্গিকতার স্তরে স্তরে সবুজের শুশ্রূষা পাওয়া হয় না, হারিয়ে যাওয়ার এই যে ছড়িয়ে পড়া দীর্ঘতর যাত্রা পথে একমাত্র সঙ্গী সঙ্গীহীনতার যুগলবন্দী শূন্যতার সহবাসে। [বিস্তারিত কিশোরী স্বপ্ন]

ভোকাস বার্তা

স্বল্পকালীন আবাস হিসাবে যে হোটেলটিতে ছিলাম সেটি বিশ তলা, সম্ভবত চার বা পাঁচতলা মাটির নীচে, আধুনিক সব ব্যবস্থাই বিদ্যমান,মেইন ডেস্কে শুধু অত্যন্ত স্মার্ট এক যুবক এক যুবতী, জলজ্যান্ত মডেল। চোখ আঁটকে যাবার মত, একটু পাশে আর একটি ডেস্কে সিকিউরিটির এক কর্তা। কারো কিন্তু বসার চেয়ার নেই। সিফট চেঞ্জে আবার অন্য কেউ আসে, দাঁড়িয়েই কাজ করতে [বিস্তারিত ভোকাস বার্তা]

বাবুই সুখ

সুস্থির সুখবাবুই বাসা বেধেছে গহীনের সরোবরে, চোখের চারপাশে ঢের নদী ছিল কল কল ছল ছলে, হৃদশার্শিতে ধীর লয়ে বাজছে জলতরঙ্গ বাতাবীলেবুর গন্ধ মেখে, ভোরের নদীর চিকচিকে জলে ভেসে যাওয়া সুখ এসবের এখানেও জহর যন্ত্রণার আহামরি হাতছানি ক্ষণে ক্ষণে, সুখের অসুখে অসুখের সুখ। নিঃশ্বাসরোধী শ্বাস আছে নাকি হাঁস-ফাঁসে? পুনর্জন্ম আছে নাকি? নাকি পুনর্জন্মে যাব? কোন এক [বিস্তারিত বাবুই সুখ]

বোজা চৌক্ষে দ্যাস দেখা

বিজনেস ক্লাসের যাত্রীরা আগে উঠবেন এটাই নিয়ম, ভিতরে বাইরে বসেন ও আলাদা, অপেক্ষা করছি ঢাকা এয়ারপোর্টে, ড্রাগন এয়ারে উঠে যাব এবার হংকং এর উদ্দেশ্যে। লিখছি নিজের মত করে, এটি নিয়ম মেনে কোন ভ্রমণ কাহিনী নয়, কোন ভাবেই, অতএব বুঝতে হবে ধানে শুধু চাল ই থাকে না, থাকে অনেক কিছু। ধান-চাল বাদ দিচ্ছি, কোন্ কথায় কী [বিস্তারিত বোজা চৌক্ষে দ্যাস দেখা]

প্রসাধনহীন শুদ্ধতার সাতমহল

হাঁদার মত দাড়িয়ে আছি এক রত্তি হয়ে নাবলা বলা কথা নিয়ে, হাজার বছরের সারা জীবন, দড়ির উপর হেঁটে হেঁটে যাওয়া জীবন, ক্ষয়হীন নিরন্ন নিষ্ঠুরতার জীবন। এক হিমসিম শূন্য বাতাসেও চেঁচাইনি, সংগতিহীনতার বেড়াজালে; ধুলোজমা জীবনের উৎকট বিচ্ছিন্নতার নিঝুম দুপুরে তুমি এলে, ছায়াঢাকা মায়াময় নতমুখ চোখে, এলে উৎকণ্ঠিত অবাক চোখের ধীর পায়ে, ঘন ট্রাফিকের জাল ছিড়ে , [বিস্তারিত প্রসাধনহীন শুদ্ধতার সাতমহল]

ডিম ডিমা

ম্যাকাতি এলাকাটি ম্যানিলায় সব থেকে ধনী এলাকা, কথা আছে ম্যাকাতি ঘুমায় না, সেটা সত্যিসত্যি সত্যি। সন্ধ্যা নাগাদ বের হলাম দেখব পায়ে হেঁটে এখানকার স্ট্রিট ফুড কালচার, যা একান্তই সাধারণ মানুষের খাবার, এটি অন্য দিন বলা যাবে। ছোট্ট একটি ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি আজ এখানে। মহা কিছু না কিন্তু। বোঝেন ই তো নবীন লেখাবাজ। দু’তিন [বিস্তারিত ডিম ডিমা]

মায়াবতী অরুনি মায়া

জলের রংয়ে আঁকা ছবি, তা ও তো ছবি, দৃশ্যমান অদৃশ্যতায়, বুক পকেটের ভাঁজে ভাঁজে শুধুই নির্ভুল তর্জমা, ভুল নাকি শুদ্ধ জানিনা, জানা হয় না, অণুপ্রিয়, প্রিয় আমার, মায়াবতী অরুনি মায়া, জল রংয়ে আঁকা ছবি, ক্লান্ত সময়ে হেঁটে যায় ঝাপসা চোখে, নগর থেকে মহা নগরে, জলে আঁকা ম্যানিলারাত্রি, ব্যস্ত-সমস্ত মায়াময় ভিড়, জনান্তিকের জল স্রোতে, বৃহস্পতিতে থাকুক [বিস্তারিত মায়াবতী অরুনি মায়া]

আকাশচারীর স্বপ্ন বিলাস

অচেনা পাখির ঠোঁটে কথার ঘুঙ্গুর সীমাহীন রেখার মত, হে উন্মুখ প্রত্যাশা, কিছু একটা ব্যবস্থায় যাব নিশ্চিত; কাঁটাবৃষ্টির ফাঁক গলে, প্রশমন ঢেলে জিরিয়ে নেব ওবেলায় বিরক্তির কাপুরুষতা ভেঙ্গে নিষ্ঠুরতার বদচলন এড়িয়ে; অস্বস্তির ভূভাগে নয় আকাশচারীর স্বপ্ন বাগানে গন্ধ সাজাচ্ছ আপন মনে, আড়াল হিজাবে কে তুমি? নীহারিকায় প্রণয় আলোর গুঞ্জন, প্রত্যাবর্তন শুধুই অসম্ভব অতীত, হারানোর ভয় হারিয়েছে [বিস্তারিত আকাশচারীর স্বপ্ন বিলাস]

আচানক রৌশন

তির তিরে চোরা স্রোতের অবগাহনে স্রোতস্বমান জলের ধারা, ইচ্ছেরা ভেসে রয় অজানা বন্দরে আনন্দের হাত ধরে, চির চির করে গেঁথে যাওয়া হৃদয় নিয়ে, হে অসমাপ্ত জীবন; জেগেছ আবার অবাক করা গোলাপ বেলির সুবাসে! স্ব-কালে মাতি দুর্বার যৌবনে ভিন্ন রূপে ভিন্ন সাজে বুক ঢাকা জ্যোৎস্নার আলোক উৎসবে, এসো এসো হারাই এ অবগাহনে, বধিবে আমায় আমুলপ্রণয়ে, অকারণ [বিস্তারিত আচানক রৌশন]