জন্মান্তর

পোড়া দীনতার নীচে দাহ হয়েছে বিভৎস স্বপ্নের আঁকিবুঁকি জীবনের কাব্যও একটি মানচিত্রাবলি, বুঝলে হে অনুমান? ওহে বয়ষ্ক বালিকা কবে তুমি বড়ো হইবে? দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্যে থাকিয়া দীর্ঘ পথ— সেই কাল কি আসিয়াছে কিংবা আসিবে? নতূন-পুরাতন দ্বন্দ্বের কাছে নীরব কোনো এক ভাষা পরাজিত হইয়াছিলো, চক্ষু খুলিয়া দেখো, মন মেলিয়া দেখো রবীন্দ্রনাথও নাই, জীবনানন্দও নাই। কেহ কোথাও নাই। [বিস্তারিত জন্মান্তর]

সোনালী স্বপ্নের আস্বাদ

গভীর আহ্লাদ ভেসে ওঠে সময়ে সময়। তখন প্রতিচ্ছবি বদলে যায় কতো সহজে! আমি দেখেছি কিভাবে বন্ধুত্ত্ব, স্বার্থপর চাহিদার কাছে পরাজিত হয়। হার্দিক আন্তরিকতা আকাশ থেকে উল্কার মতো ছিটকে এসে মাটিতে গলে গলে পড়ে যায়! আঙুলের ফাঁক থেকে টুপটাপ করে যেমন জল ঝরে গিয়ে শূণ্যতায় ভরে থাকে হাতের পাতা হৃদয়ের ফাঁক-ফোঁকড় বন্ধ হয়ে বহমান রক্ত আটকে [বিস্তারিত সোনালী স্বপ্নের আস্বাদ]

এলোমেলো কিছু কথা…**এগারো**

হ্যামিল্টন শহরে রাত্রি নেমে এলো। বিকেলটা বেশ আলো-আঁধারে কেটে গেলো। আর সমস্তটি দিন নাতিশীতোষ্ণ তাপমাত্রায়। বড়ো ভালো লাগে এমন তাপমাত্রা। আজকের দিনটাই ছিলো গানের দিন। “এ শুধু গানের দিন, এ লগন গান শোনাবার।” কিন্তু গান করার মতো অবস্থায় আজ নেই আমি। গত রবিবার কাজে গিয়ে ব্যথা পাই, এক বন্ধু(যাকে আমি আঁতেল নামে ডাকি) মজা করে [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা…**এগারো**]

শুভ জন্মদিন মামনি

“আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি তোমারি লাগিয়া তখনই বন্ধু বেঁধেছিনু অঞ্জলী।” হারমোনিয়মে এ গানটি যখন প্রথম শুনি, যার কন্ঠে শুনি সে আমার মামনি। এতো দারুণ কন্ঠ, নৃত্যশৈলীতেও কম না। আর জ্ঞান হবার পর যে গানটির সাথে বড়ো হয়ে উঠেছি, যা না শুনলে আমি কিছুতেই চোখ বুজতাম না। সেটি হলো, “আমার সকল দুঃখের প্রদীপ জ্বেলে [বিস্তারিত শুভ জন্মদিন মামনি]

কবিতার নাম

কেমন জানি বেমানান মনে হয় নিজেকে জীবনের এই নীড়ে শ্বাসের বোঝা টেনে নিতে নিতে কোনো একদিন ধপ্পাস তারপর সবকিছু সুনসান, আহ শান্তি! নিশ্চুপ শামুকের মতো গুটিয়ে গাঢ় ঘুমে– ঋণগ্রস্ত হয়ে বৃক্ষের কাছে আর কেন? শুনতে বুঝি ভালো লাগছে না এই সব গল্প-কথা? এতো আনন্দ নিয়ে কি করতে চাও হে জীবন? এই দেখো, বসে আছি মহাসিন্ধুর ঠিক [বিস্তারিত কবিতার নাম]

এলোমেলো কিছু কথা…**দশ**

বাহ বাসের রাজত্ত্বে একা আমি, আর ড্রাইভার। মহিলা ড্রাইভারের হাসিটা খুব মিষ্টি। ভগবান ভুল করে আমাকে মেয়ে বানিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে। চোখ কি সবার কপালে উঠলো? রঙধনু! আচ্ছা যদি তা-ই ভাবে সবাই, কিচ্ছু যায় আসেনা। আমি জানি আমি কি! এ চোখ কতো যে মেয়ের দিকে চেয়ে থেকেছে। কারো চোখের চাহনি, কারো ঠোঁটের হাসি পাশে কালো তিল। [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা…**দশ**]

ভাবনা

আমি এখন স্বপ্ন দেখি ক্রান্তিকালের এখন আর চোখে ভাসেনা মধুচন্দ্রিমা “ওই ঝিনুক ফোঁটা সাগর-জলের।” এখন আমার গন্তব্য– দুজন মিলে বৃদ্ধাশ্রম হৈ-হুল্লোড় মনে মনে চোখে চোখে আলিঙ্গন। ** অনেক বছর আগের লেখা। দেশে ছিলাম, চারদিকের পরিবেশে বয়সটা যেনো পঞ্চাশ হয়ে গিয়েছিলো। আজ লেখাটি চোখে পড়তেই হাসি পেলো। পরিবেশ মানুষের মনে কেমন প্রভাব ফেলে সেটাই দেখিয়ে দিলো লেখাটি [বিস্তারিত ভাবনা]

আকাশ ডাকে বলেই তো বলাকারা ওড়ে……বাংলাদেশ ভ্রমণ(তিন)

সেদিনটা ওভাবেই চলে গেলো। পরেরদিন সকালে হাসপাতাল যাবো রেডি হয়েছি। রানা ফোন করলো, “কি রে তুই কখন বের হবি?” বললাম এই তো রেডি হলাম। যাচ্ছি নীচে। বললো, “শোন আমি আসছি, নীচে দাঁড়া।” হেসে ফেললাম মনে মনে এখনও সেই একই রানা। রিক্সা নিয়ে এসে বললো, “ওঠ তাড়াতাড়ি।” বললাম তুই না আসতে পারবিনা বললি! বললো ও নাকি [বিস্তারিত আকাশ ডাকে বলেই তো বলাকারা ওড়ে……বাংলাদেশ ভ্রমণ(তিন)]

আকাশ ডাকে বলেই তো বলাকারা ওড়ে……বাংলাদেশ ভ্রমণ(দুই)

  প্লেনে বসেই ঊর্মীকে ম্যাসেজ করলাম কিছুক্ষণের মধ্যেই যে উড়তে যাচ্ছি। খুব কান্না পাচ্ছিলো। হ্যামিল্টন আসার পর থেকে ঊর্মীকে রেখে কোথাও যাইনি। অন্যদিকে দেশ। এ যে কি দোটানা জীবন! মনে হচ্ছিলো ঊর্মীটাকেও যদি নিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু আমার যে সেই ক্ষমতা নেই! প্লেনটা ছাড়লো, তীর্থ আমার ছেলে হঠাৎ বললো, ‘মাম মন খারাপ না খুশী?’ বললাম [বিস্তারিত আকাশ ডাকে বলেই তো বলাকারা ওড়ে……বাংলাদেশ ভ্রমণ(দুই)]

নীল সমুদ্রে ধবল জ্যোৎস্না

আকাশের সাথে গল্প হবে আজ মেঘ পেতে দিয়েছে চাদর, বেশ একটা আসর বসেছে। ওখানেই আজ নয় বিকেলটা কাটুক চা কিংবা কফিতে চুমুক দিয়ে! চিঠি দিয়ে খবর পাঠালো নীল পাহাড় আর টেলিফোন করলো মেঘের বিদ্যুৎ। ভেবেই নিলাম, যদি বৃষ্টি হয় হোক, ভিঁজলামই নয় অঝোরে অথবা হাল্কা টুপটাপ। তারপর ফিনফিনে সন্ধ্যের সময় সূর্য যখন বিশ্রাম নিতে আসবে [বিস্তারিত নীল সমুদ্রে ধবল জ্যোৎস্না]

কৃতজ্ঞতা : একান্ত আপন সোনেলা পরিবার

সময় কিভাবে দেখতে দেখতে চলে যায়। একেকটি নতূন দিন একেকটি নতূন নতূন স্মৃতির জন্ম দেয়। প্রতিদিন ভোরে উঠেই আমি ধন্যবাদ দেই ঈশ্বরকে আমায় একটি নতূন দিন দেখানোর জন্যে। হয়তো বিশেষ কিছুই পাওয়া হয়ে ওঠেনা, তবুও পেয়ে তো যাই অনেক কিছুই। ওই যে আকাশটা কখনো মেঘলা, কখনো রোদে ভরা একেকদিন একেকরকম নয় কি? এও তো একরকম [বিস্তারিত কৃতজ্ঞতা : একান্ত আপন সোনেলা পরিবার]

একদিন সারাদিন বনভোজন(ঢাবি’র জগন্নাথ হল)

প্রতিদিন একঘেঁয়ে একটা জীবন। অ্যালার্ম বাজলেই উঠে রেডি, বাসের জন্যে দৌঁড়, তারপর সারাদিন অসুস্থতার কাছে সমর্পণ। তবুও বলি ভালো আছি এই যান্ত্রিক সময়ের মধ্যে। আজকাল চাকরীর বাজার ভালো না। তার মধ্যেও যে পাশ করেই চাকরী পেয়েছি, তাকে নিয়ে আফসোস করিনা। কিন্তু ক্লান্তি তো আসেই। বিশেষ করে সকালে যখন বিছানা ছেড়ে উঠতে হয়, মনে পড়ে যায় [বিস্তারিত একদিন সারাদিন বনভোজন(ঢাবি’র জগন্নাথ হল)]

বলতে পারো

কেন আমি বদলে গেছি বলতে পারো ? কেন আমার এমন হলো বলতে পারো ? কেউ দেখেনা কেউ জানেনা বইছে কেমন সময় আমার কেমন আছি আমি বলতে পারো ? সবাই ভাবে, চেহারাতে- চলা বলা্‌য় কিম্বা বোধের নাট্যকলায় একই রকম সেই তো আমি যেমন ছিলাম আগের মতো বলতে পারো নদীর মতো সেই কি আছি — জানি না [বিস্তারিত বলতে পারো]

আবাহন

যদি শান্ত নদী হই ভাসবে আমার জলে ? আজ আসবে কথা দাও ভালোবাসবে ? মেঘের ডালি সাজিয়ে রেখেছি রূপালী বৃষ্টি হয়ে ঝরবে তো? পুনঃশ্চ :- আসবে তো ? হিম পাহাড়ী উপত্যকায় রাত্রিতে থাকবো আমি । আসবে তো ? ল্যুভেন – লা – ন্যুউভ, বেলজিয়াম ৩১ মার্চ,  ২০১০ ইং। **ছবিটি তুলেছিলাম বেলজিয়ামের নামুর শহরে, মেঘ-মাখা আকাশের [বিস্তারিত আবাহন]

বুমেরাং

  দাবার চালে আজন্মই মাত! চতুরাঙ্গিকে বেশ সাজানো-গোছানো পরিপাটি সংসার সূক্ষ্ণ কৌশলে বুনে চলা নক্সী আঁকা পরিবার তোমার। তুমি, বেশ নিপুণ কারিগর। আর আমার বোকাই আবেগ ঝোলে পলেস্তারা ওঠানো হৃদয়ের দেয়ালে। হেরে যেতে যেতে, ডুবে যেতে যেতে, তলানিতে এসে দেখি উঁই পোকার ভগ্নাস্তূপ। ডুব-সাঁতার জানিনা আমি, শিখিনি কলা-কৌশল তাই বেশ খেলে নিচ্ছো। ব্যাপার না খেলো [বিস্তারিত বুমেরাং]