বিষণ্ণতা

পরিপক্ক একটা অপেক্ষা নিয়ে ঝিমোচ্ছে প্রেম। প্রেম দেখতে কেমন? নারী-নদী-আলো-ছায়া-বৃষ্টি? নাকি পুরুষ-বিদ্যুৎ-আকাশ-মেঘ? কবির কবিতা বলে যা রং ছড়ায়, তা-ই হচ্ছে প্রেম। আর পরাজিত প্রেমিক-প্রেমিকারা বলে শুধুই খেলা। এসব সত্যি নাকি মিথ্যে জানিনা কিছুই; শুধু বলতে পারি, একটি পরিপূর্ণ আবেগ অপেক্ষায় থাকতে থাকতে তারুণ্য কাল পার করে দিলো। বোকা হৃদয়টা তারপরেও ভেবেই চলছে যখন তুমি আসবে, [বিস্তারিত বিষণ্ণতা]

ঝুল-বারান্দায় পরন্তপ অনুরাগ

বহুদিন আগে জানতে চেয়েছিলাম , তোমার কাছে — আচ্ছা বলতে পারো কোন ব্র্যাণ্ডের অ্যালকোহলে খুব বেশী নেশা আছে ? তুমি বললে , “আদরে…।” বোকার মতো বললাম , কিনে এনে দেবে ? কতো দাম ? তা নইলে আমি-ই গিয়ে নিয়ে আসবো… আচ্ছা কি বলতে হবে ? আদর ? এই বানানটা লিখে দাও তো । তুমি তখন হো [বিস্তারিত ঝুল-বারান্দায় পরন্তপ অনুরাগ]

তোর্ষা আমার বন্ধু, নদী এবং জল…প্রতিউত্তর পৌলমীকে…শেষ পর্ব

পৌলমী, কফি মগ হাতে নিয়ে বারান্দায় বেড়ুলাম মেইল বক্সটা চেক করতে। আমি ভাবতে পারছিনা, তুই, তোর এত্তো বড়ো চিঠি!! অবাক হয়ে গেছি আবার নাও। তোর মধ্যে আবেগ আছে, তেমনি বাস্তবতাও। তবে তুই যে এভাবে চিঠি লিখবি আমাকে, এটুকু সত্যি ভাবিনি। তখন আমাদের সেল ফোনের কোনো নাম্বার ছিলোনা। ছোট্ট চিরকুট ছাড়া খবরের আদান-প্রদান আর তো কিছু [বিস্তারিত তোর্ষা আমার বন্ধু, নদী এবং জল…প্রতিউত্তর পৌলমীকে…শেষ পর্ব]

তোর্ষা আমার বন্ধু, নদী এবং জল…একটি চিঠি : তৃতীয় এবং……

তারপর তোর আর ফোন নেই বহুদিন। পুলকের সাথে কথা হলো। বললো, “ফোন দেয়ার সময় কোথায়? প্রেমে পড়েছে যে।” আমি শুনে অবাক। তুই যে কিনা অনেক স্বচ্ছতর সম্পর্ক বিশ্বাস করিস, সে বিয়ে-বহির্ভূত প্রেম! বিশ্বাস না করেও পারিনা পুলকের কথা। পুলককে বললাম ধ্যৎ তুই না যে কি! পুলক আর আমি অনেক জোরে হাসলাম। তারপর জানিস পুলক আমার [বিস্তারিত তোর্ষা আমার বন্ধু, নদী এবং জল…একটি চিঠি : তৃতীয় এবং……]

তোর্ষা আমার বন্ধু, নদী এবং জল…একটি চিঠি : দ্বিতীয়াংশ

সবাইকে অবাক করে দিয়ে একই কলেজে চাকরী আমাদের। এখানেও ছাত্র-ছাত্রীদের প্রিয় শিক্ষিকা তুই।এতো ভালোবাসা দেখে আমার হিংসের চেয়ে কান্না পেতো, জানিস? সুখের কান্না। শুধু সৃষ্টিকর্তাকে বলতাম তোর ওই হাসিটুকু যেনো আজীবন রাখে। একদিন এ কথাটা তোকে বলায় তুই বলেছিলি, “শোন দক্ষিণাটা আমায় দে, আমি আমার হাসি তোকে সবসময় দেবো। সৃষ্টিকর্তাকে ডেকে কিছুই হবেনা, সে তো [বিস্তারিত তোর্ষা আমার বন্ধু, নদী এবং জল…একটি চিঠি : দ্বিতীয়াংশ]

তোর্ষা আমার বন্ধু, নদী এবং জল…একটি চিঠি : প্রথমাংশ

তোর্ষা, কেমন জানি নিষ্প্রভ লাগে বলতি না? তোর এই কথাটি নিয়ে কতো হাসাহাসি করতাম আমরা সবাই। অনেক কষ্ট থেকেই বলতি সেটা কখনোই মনে হয়নি আমাদের। আর তোর এই কথাটি এতো বেশী ভালো লাগতো, যে তুই হেসে এলিয়ে পড়ে গিয়েও বলতি। তুই ছিলি আমাদের সবার মধ্যে সবচেয়ে আনন্দময়ী তরুণী। যার হাসানোর ক্ষমতা অপরিসীম, যে কষ্ট-যন্ত্রণাকে বিষফোঁড়ার [বিস্তারিত তোর্ষা আমার বন্ধু, নদী এবং জল…একটি চিঠি : প্রথমাংশ]

এলোমেলো কিছু কথা…**সাত**

অনেক পাগলামী করি নিজের সাথে নিজে। নিজের সাথে পাগলামী করার একটা সুবিধা হলো, কেউ এসে বলবে না এসব কি? এমন করতে নেই। অথচ ওসব পাগলামীতে এ পৃথিবীর কারোই কোনো ক্ষতি হয়না। ছোট্ট একটা উদাহরণ দিই তাহলে। আমার রাজত্ত্বে সার্বক্ষণীকভাবে রাজত্ত্ব করে সুর। তো গান কখনোই থামেনা। সে যদি পথে থাকি, কিংবা বিছানায় শুয়ে। এমনও হয় [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা…**সাত**]

কষ্টের লিরিক

কেউ পাশে নেই, কেউ পাশে নেই কেউ থাকেনা কাছে। রাত থাকে তো, দিন থাকেনা ভর-দুপুরে চাঁদ সাজেনা বাঁশী আছে তো, নেই মূর্ছনা। তবুও ভাবি কেউ তো আছে, কেউতো আছে। কিন্তু জানিনা কোথায় আছে? চোখের পাতায় ঘুম যে আছে, মাথার ভেতর স্বপ্ন আছে হৃদয় জুড়ে আবেগ আছে, প্রেমের অনেক কাব্য আছে তবু যেনো, কি জানি নেই। [বিস্তারিত কষ্টের লিরিক]

ব্যর্থতার সাথে মানুষের পার্থক্য

প্রতিদিন এক এক টুকরো ব্যর্থতা আমার মুখোমুখি হয়। একেকটির একেক নাম, কিন্তু ওদের মুখাবয়ব একই রকম। কতোবার যে ভুল নামে ডেকে উঠেছি, ওরা কিছুই মনে করেনা। এক অদ্ভূত পরিতৃপ্তি নিয়ে সমস্ত জীবন পরিক্রমা করে— গতির চেয়েও দ্রূতবেগে ছোটে; শেষ কিংবা শুরু বলে কোনো শব্দ ব্যর্থতার অভিধানের কোথাও নেই। ইশারায় ফিসফিস করে কথা বলে; এভাবেই রোজ। [বিস্তারিত ব্যর্থতার সাথে মানুষের পার্থক্য]

ছুঁয়ে থাকা গভীর আবেগে(একটি গল্প লেখার চেষ্টা)

একঃ অনেকক্ষণ থেকেই ভাবছে অমৃতা, এই বুঝি ফোনটা আসবে। অপেক্ষা মানুষকে ধৈর্য্য ধরতে শেখায় নাকি ধৈর্য্যের পরিণতি অপেক্ষা, এখনও বুঝে উঠেনি। সে বলে গেছে ফোনটা যেনো মুঠোর ভেতরই রাখে। অনেকগুলো টেক্সট করেও উত্তর আসেনি। একদিনে অশান্তি-অস্থিরতা আর অন্যদিকে অভিমান। সূর্য এমন কেন? অপেক্ষা করেছে, কিন্তু এভাবে অপেক্ষা এ জীবনে কোনোদিনও করেনি। দুইঃ অধিকার এমন একটি [বিস্তারিত ছুঁয়ে থাকা গভীর আবেগে(একটি গল্প লেখার চেষ্টা)]

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : ত্রয়োবিংশ ভাগ

  তিরি-রিনী-অহম-পিউ-প্রিয়-প্রাঞ্জল কথোপকথন :   তিরি – দেখলি কি আবার ভাব নিয়ে বলা একটু হেল্প করতে পারবেন? ডেকে নিয়েও গেলো। উফ! রিনী – কি হলো? তিরি – আর কি ছাগলটার ফুলটুসী লাত্থি দিলো।আরে ওটার বিপক্ষে কিছু বললেই হলো। রিনী – হাহাহাহাহাহা…ও মাই গড। অহম – মিস পিউ কিছু বুঝছেন? পিউ – না। অহম – আমাকে [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : ত্রয়োবিংশ ভাগ]

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : দ্বাবিংশ ভাগ

তিরি-রিনী-অহম-পিউ কথোপকথন : পিউ – আপু এই জল। তিরি – এতোক্ষণে? পিউ – না আপনার বন্ধুকে দেখলাম রান্না করছেন। তিরি – ও হ্যা, বললো রান্না করবে। একটু হেল্প করো না ওকে।আমাদের যাওয়া নিষেধ। তোমায় মানা করতে পারবেনা। পিউ – তিরি আপু…. তিরি – কি হলো? ঠিক আছে, যেতে হবেনা। পিউ – আপু তোমার মনে যা [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : দ্বাবিংশ ভাগ]

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : একবিংশ ভাগ

অহম-পিউ-রিনী-তিরি কথোপকথন : তিরি – হ্যা রে রিনী, বাসায় চলে আয়।ঠিক আছে কাজ গুছিয়েই আসিস।দারুণ খবর আছে। অহম – এই নে কফি। তিরি – ওরে কি লক্ষ্মী ছেলে! অহম – হয়েছে তেল কম দে।রিনীকে আসতে বলেছিস কেন? তিরি – তোর কি? অহম – আমার আবার কি? তিরি – তাহলে চুপ করে থাক। অহম – তুই [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : একবিংশ ভাগ]

প্রজাপতিবেলা

তোর কাছে কি এখনও আছে আমার সেই নাটাই-ঘুড়ি ? পুতুল খেলা-রান্নাবাটি আনন্দ ভরা বিশাল ঝুড়ি ? অলস সময় , দুপুর ঘুম ব্যস্ত ভোরে আলোর ছুট কাঁধে ব্যাগ , বাবার হাত ভয় আর দ্বিধা করতো লুট । তুই এখনও কাঁদিস নাকি বালিশে মুখ গুঁজে ? সন্ধ্যে হলেই মায়ের কাছে ডুব দিস কি বইয়ের মাঝে ? লুকোচুরী [বিস্তারিত প্রজাপতিবেলা]

তোমাকে বড়ো প্রয়োজন

তোমাকে বড়ো দরকার আমার। ভীষণভাবে দরকার। ঝকঝকে দিনের আলোয় যতো স্পষ্ট দৃশ্য চোখে পড়ে, আবার সেই দিনের আলোকে যখন রাহু গ্রাস করে গ্রহণ হয়, অন্ধকারে ঢেকে যায় চারিদিক— আর রাত তার নিকষ কালো শরীর নিয়ে এসে ছিনিয়ে নিয়ে যায় ঘুম আমার, অথবা শুক্লপক্ষ যখন কৃষ্ণপক্ষকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে জ্যোৎস্নায় ভিঁজিয়ে দেয় চারিদিক—- এমন সময়গুলোতে তোমাকে [বিস্তারিত তোমাকে বড়ো প্রয়োজন]