নীল জামা এবং একটি মেয়ে

কিশোরী লজ্জ্বা মেখে রিক্সায় উঠলো মেয়েটি। তাও কোলে। ক্লাশ সিক্সে পড়া মেয়েটি এদিক-ওদিক চাইছে কেউ কি ওকে কোলে দেখে হাসছে? বয়সের তুলনায় বেশ লম্বা। যে-ই ওকে দেখে সকলেই বলে ক্লাশ এইট/নাইনের মেয়ে। শুনতে ভালো লাগে। কবে যে দুটি বছর শেষ হবে।স্কুলে ওর জুনিয়রও থাকবে।এখন ও যাচ্ছে শপিং-এ ওর আন্টির সাথে। জামা কিনে দেবে। তাও ওর [বিস্তারিত নীল জামা এবং একটি মেয়ে]

প্রেমের তিনটি কবিতা

এক – যতোবারই লিখতে বসি, তখনই রাতের শুরু হয়। একসময় ইচ্ছে করে এবার দিনের আলোয় লিখবো, চোখ মেলে দেখি দিন কই? শুধুই রাত। ধবল জ্যোৎস্নায় প্রকৃতি স্নান করে, আর আমি লজ্জ্বা নিয়ে প্রতীক্ষা করি আরেকটি প্রেমের কবিতার। দুই – কথা ছিলো, আবার দেখা হবে। তোমার নিজস্ব অরণ্যে। এ পথ থেকে ও পথে এদিক-সেদিক সবদিক ঘুরে [বিস্তারিত প্রেমের তিনটি কবিতা]

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : বিংশ ভাগ

অহম-প্রিয়-তিরি-পিউ কথোপকথন : প্রিয় – আরে চলে এলে কেন? অহম – ছাগলীটার সাথে থাকবো বলে। এতো কষ্ট করে এসে যদি ওকে জ্বালাতে না পারি! প্রাঞ্জল বাইরে অপেক্ষা করছে, তুমি যাও। প্রিয় – আরে ধুর! থাকি। অহম – ভাব কম নাও। তোমার রেষ্ট নেয়া দরকার। কাল তাড়াতাড়ি চলে এসো। শুধু বলে দাও কোনো মেডিসিন কি দিতে [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : বিংশ ভাগ]

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : উনবিংশ ভাগ

কথোপকথন : রিনী – তোর প্রিয় পালং-পনির, ছোলার ডাল করেছি। অহম – ছাগলীটা বলেছে, তাই না? আজকাল এতো বেশী ইমোশনাল হয়ে গেছে কেন বলতো? রিনী – এ সময় অনেক কিছু বদলে যায়রে পাগল। বাবা হয়ে দেখ, বুঝবি কেমন লাগে। অন্যরকম এক অনুভূতি। তাইতো বলি পিউকে বিয়ে কর। প্রাঞ্জল – আসলেই। রিনী ঠিক বলেছে। এ যে [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : উনবিংশ ভাগ]

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : অষ্টদশ ভাগ

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : সপ্তদশ ভাগ কথোপকথন– অহম – কার ফোন? রিনী – পিউকে ফোন দিয়েছে, কথা বলিস প্লিজ। অহম – তোরা সব এক। কি বলবো কথা? ধুর! রিনী – দেখ অহম তোর জন্যে আজ তিরি হাসপাতালে। ভেবে-চিন্তে কথা বলিস। ওর মানসিক অবস্থা এখনও কিন্তু ঠিক না। তিরি – প্রিয় ফোনটা [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : অষ্টদশ ভাগ]

প্রেম

হাহাকার করা তীব্র যন্ত্রণার সাথে মিশিয়ে টুকরো টুকরো আবেগ তোমাকে দেবো। সঙ্গে দক্ষিণা বাতাসের প্রশান্তিমাখা আদর, আর জড়িয়ে নেবো কোমলতর আহ্লাদী মায়ায়। উষ্ণতা, আদর, মায়া-ভালোবাসা সবই তো পেয়েছো কোথাও না কোথাও আজ সেসব তোমাকে আমি দেবো, কেন জানো? ধ্যৎ বোকা বলতে হবে? তোমার নিখাঁদ সত্যি তোমাকে পেতে চাই বলে, দেয়া-নেয়ায় ভেসে যাবে, ডুবে যাবে মিশে [বিস্তারিত প্রেম]

শুভ নববর্ষ

অবশেষে রাঙিয়ে দিয়ে চলেই গেলো ঋতুরাজ। উত্তাল হাওয়ার সাথে শীতের তীব্রতাকে কমিয়ে দিতে গ্রীষ্মঋতুর আগমন হলো আজ। বাংলা বছর শুরু। কানাডায় বেশ বড়ো করেই নববর্ষ পালিত হয়। টরেন্টোতে এবার যাওয়া হয়নি, আর আমাদের হ্যামিল্টনে সামনের শনিবার হবে অনুষ্ঠান। তাই অপেক্ষা। তবে এক সময় ছিলো এমন যে কয়েকদিন আগে থেকেই শুরু হয়ে যেতো রিহার্সাল। সেই দিনগুলো [বিস্তারিত শুভ নববর্ষ]

সত্ত্বার সন্ধানে

নিজের ভেতরে বেঁচে আছি। এই যে ভেতরের গভীরে আমি, সে-ই সত্য। উপরের হাসি-কান্না এসব মেকী। আমার এই যে পৃথিবীটা তাকে তার মতো সাজাতে পারিনি বলেই তো নিজেকে অপরিচিত লাগে। অন্যের জীবনে বেঁচে থাকাকেই একদিন ধাক্কা দিয়ে উপড়ে ফেলতে হবে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করি, “এই তুমি কি সত্যিকারের তুমি? কে তুমি?” প্রশ্নের পর প্রশ্ন প্রতিধ্বনিত [বিস্তারিত সত্ত্বার সন্ধানে]

ফুরিয়ে যাওয়া স্মৃতিরা

“ঠোঁটের কথাগুলো আজকাল নিখোঁজ। হাওয়াদের সাড়া-শব্দও পাওয়া যায়না। গাড়ীর হর্ণে, রিক্সার টুংটাং-এ, ডিজেলের কালো ধোঁয়ায় ছাওয়া নীল আকাশ। এরই মধ্যে প্রাণ ভরে পেট্রোলের গন্ধ নিচ্ছি। এতো প্রিয় এই গন্ধটা আমার। ওহ বলে নেই, আমার নাম সিঁথি। বন্ধুরা বলে আমি একটা প্রজাপতি, চুপচাপ বসে থাকতে জানিনা। নেচে বেড়াই। অস্থির এবং চঞ্চল। অনেক গুরুগম্ভীর পরিবেশকে মুহূর্তে হাল্কা [বিস্তারিত ফুরিয়ে যাওয়া স্মৃতিরা]

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : সপ্তদশ ভাগ

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : ষষ্ঠদশ ভাগ রিনী এবং অহমের কথোপকথন : অহম – শোন রিনী পরশু এসে পৌঁছুবো। আর কথা হলো প্রিয়র সাথে? রিনী – হুম একটু আগেই। তিরির নাকি জ্ঞান ফিরেছে। চেয়েছে। অক্সিজেন খুলে নেয়া হয়েছে। ভাবিস না আমি আর আমার বর যাচ্ছি এখন হাসপাতালে। অহম – এতো কিছু! আর [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : সপ্তদশ ভাগ]

আজও বৃষ্টি নামেনি

শীতের দুপুরে ক্লান্ত শীত এসেই চলে যায় বসন্ত নাকি দুলছে উত্তাল হাওয়ায় হাত বাড়িয়ে দেই কই একটুকু ছোঁয়া তো লাগেনা হাতে-চোখে-ঠোঁটে? দ্রিমদ্রিম করে কেঁপে ওঠেনা বুক, ওখানেই তো ভালোবাসার চিহ্নর মতো হৃদয়ের বাস। রাতের গভীরে রাত এসে চলে যায়, তার কাছে নাকি আলোর ব্যস্ততা। ভোরের কাছে তাই এলিয়ে দেইনা, ছুটতে থাকি, শুধুই ছুটে চলা প্রয়োজনে— [বিস্তারিত আজও বৃষ্টি নামেনি]

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : ষষ্ঠদশ ভাগ

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : পঞ্চদশ ভাগ সাতান্ন – তিরির প্রতি এভাবে আমায় আর জ্বালাস না প্লিজ। তুই যা চাইবি, তাই দেবো। কোনো পিউকে চাইনা। ময়ূরীই তো ঠোঁট দিয়ে খোঁচা দেয়। খোঁচা কি বলছি ঠোকা। যাক খুব সিরিয়াসলি একটা কথা বলে রাখছি, আমি বিয়ে করবো না। তার জন্যে যদি তুই আমার সাথে [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : ষষ্ঠদশ ভাগ]

এলোমেলো কিছু কথা…**ছয়**

বিকেল পাঁচটা বাজছে। মাত্র কাজ শেষ করলাম, বাসের অপেক্ষায়। ক্লান্তি ঢেলে দেয়ার একটাই জায়গা আদুরে ঘর। আচ্ছা ঘর কি আসলেই আদুরে হয়? পুরুষের কথা আলাদা। ওরা আজন্ম আদর পেয়েই যায়। মায়ের-বোনের-স্ত্রী-কন্যার আদর। মেয়েদের ভাগ্য অতোটা ভালো না। থাক ঘর। শুধু জানি সমস্ত দিনের শ্রান্তি আগলে নেয় আমার পরিপাটি শয্যা। একসময় এমন ছিল আমার কক্ষে ঢোকার, [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা…**ছয়**]

টুইয়ের গল্প…

টুইয়ের আজকাল খুব মন খারাপ থাকে। বড়ো হলে নাকি মন খারাপ বেড়ে যায়, সৌম্যতা বলেছে। সেটা ও একটু একটু করে বুঝতে পারছে। আগে কাঁদলেই মামনি দৌঁড়ে আসতো, এখন দূর থেকেই বলে, “এই কি হয়েছে? এত্তো বড়ো মেয়ে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কাঁদে। লজ্জ্বাও নেই। চুপ কর!” এতোই কি বড়ো হয়ে গেছে টুই যে কান্না পেলে কাঁদতেও [বিস্তারিত টুইয়ের গল্প…]

আগুণের শৈল্পিকতা…

কতোদিন পর্যন্ত আশা-স্বপ্নরা জীবনের মোড়ে মোড়ে মানুষের সংগী হয়? কোন বয়সে চাওয়ার বদলে পাওয়া না হলে, বিষাদের কালো যন্ত্রণা জাপটে ধরে পেটাতে থাকে প্রতি মুহূর্তে? আবার পাওয়ার পরে আর কোনো চাওয়ার জন্ম হয়না, সে জীবনের কোন সময়ে? অনেক অনেক ভাবে ভেবে দেখেছি মানুষের আয়ূ আদতে আগুণের মতো। শৈল্পিক এবং বিভৎস। কাব্যিকতা থেকে একটু দূরত্ত্বে চলে [বিস্তারিত আগুণের শৈল্পিকতা…]