তেপ্পান্ন : তিরির প্রতি এই তো ম্যাচিউরড মেয়ের মতো কথা। ওসব বিয়ে-টিয়ে কে করে? আর আমার ফুলটুসী বিয়ে যদি করতে চায়, তাহলে ওর শাশুড়ীকে আমি বিয়ে করবো। কেন জানিস? আমার টুসীটাকে একা পেয়ে যেনো কেউ কষ্ট দিতে না পারে। – তোর অহম চুয়ান্ন : অহমের প্রতি শোন এসব কথা ছাড়। ওই যে বলেছিলাম মেয়েটির কথা, [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : পঞ্চদশ ভাগ]
তোমাকে চাই সবার মধ্যে অরণ্য থেকে সমুদ্রে সযত্নে রাখা অনেকগুলো চিঠির ভীড়ে তোমাকে আমার স্মৃতি বিলিয়ে দিতে চাই। জমে থাকা শীতলতায় শীতের সূর্যের উত্তাপ তুমি মাখবে খোলা চোখের দিকে চেয়ে বলবে, “মিষ্টি চলো। বিশাল আকাশের নীচে দাঁড়াই, আর তোমার তোমাকে চিনিয়ে দেই।” তখন আবেগের গুহায় বয়ে যাবে ঝর্ণা। সুর তুলবে, নাচবে। আমি তোমাকে অনেকের ভীড়ে [বিস্তারিত ভীড়ের ভোরের অপেক্ষা…]
দূরন্ত হাওয়া টেনে নিচ্ছে জানলার পর্দা রাতের আকাশ ঘোলাটে শহুরে বাতির আলোয় স্পষ্ট যাচ্ছে দেখা পিচ ঢালা পথ ভেঁজা কি জানি বৃষ্টি নাকি বরফ জল! ঘুম চোখে হাওয়ার স্পর্শই উষ্ণতাকে শীতল করে দিচ্ছে বড্ড ভালো লাগা মুহূর্ত ভালোবাসি তাই শীতল রাত। হ্যামিল্টন,কানাডা ১৬ জানুয়ারী, ২০১৫ ইং। #মোবাইল ফটো
উনপঞ্চাশ – তিরির প্রতি আমার ফুলটুসীটাকে বলিস কিছুদিন মোটে, আসছি খুব তাড়াতাড়ি। এসেই দুজনে মিলে ওর মাকে জ্বালাবো। আর ছাগলী আমার হাসির জন্য সবাই পাগল। তাই ভাব ধরে থাকি। এতোজনকে ম্যানেজ করা সম্ভব না। অবশ্য কঠিনও না। কিন্তু ওসব এখন করবো না। আমার ফুলটুসীটা এলে দুজনে মিলে সবগুলোকে নাচাবো। বুঝলি? – তোর অহম পঞ্চাশ – [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম……চতুর্দশ ভাগ]
মেঘের ওপরে মেঘ হতচ্ছাড়া আবেগ। ইচ্ছে হচ্ছে দহন তবু মন ভরা ফাগুণ। কান্না কোথায় কান্না? কোথাও খুঁজে পাচ্ছিনা। তোমার-আমার সমাপ্তিতে……. কবিতা গেলো সমাধিতে। আরেকটি মোড় ঘুরলেই, আর যাবেনা দেখা অন্য মোড়। আরেকবার সোজা পথের শেষ মাথায় দাঁড়িয়ে চাইলেও শুরুতে আর যাবেনা ফেরা। স্মৃতি জন্ম দেয়া সহজ বড়ো অতীত থাকলেই হলো। নি:শ্বাস স্মৃতি হতে পারেনা যে! [বিস্তারিত পথের সাথী]
রাত ফুরোলেই দিন। আচ্ছা এমন যদি হয় রাতের পর রাত, শুধুই রাত! কেমন হবে? ওই যে উত্তর-দক্ষিণ মেরু; ছয় মাস রাত আর ছয় মাস দিন। আমার খুব দেখতে ইচ্ছে করে ওই দৃশ্য। জীবনে অদ্ভূত কিছু দেখার আগ্রহ নিয়ে বয়সটাকে বাড়তে দিচ্ছি। তবে দেখার পাল্লাটা ভারী আদৌ হবে কিনা সেটা জানিনা। ভাগ্যিস স্বপ্ন দেখার জন্য ট্যাক্স [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা : পাঁচ (প্রসংগ নতূন বছর ২০১৫ সাল)]
চলে যায় সময়। ঋতুর পরিবর্তন হয়, দিন-মাস-বছর চলে যায় তাদের তৈরী নিয়মে। আর মানুষের বাড়ে বয়স। ছোট থেকে বড়ো হয়, তারপর বার্ধক্য। ঋতু থেকে যায়। ঋতুর সাথে থেকে যায় স্মৃতি। চলে যায় কেবল মানুষ। অনেক ভারী কথা মাথার ভেতর কিলবিল করে বিষাক্ত সাপের বাচ্চাগুলোর মতো। এ জীবনে সাপ দেখেছি, আবার মানুষও। বড়ো বেশী বিষাক্ত হয় [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা : চার]
জীবনে চলার পথে কতো মুখের সাথে দেখা হয়, কথা হয়। আবার ভেংগেও যায়। সম্পর্ক কি আসলে ভাঙনের বস্তু? এসব ভাবিনা। শুধু জানি প্রিয় মুখ, প্রিয় মানুষের বদল হয়না কখনো। তবে হ্যা প্রিয় মানুষের তালিকা লম্বা হয়। ২০১০ সাল চলে গেছে, ২০১৫ সাল চলেও আসছে। এই চারটে বছরে কম কিছু বদলায়নি জীবনে। কিন্তু একজন মানুষের বদল [বিস্তারিত সেই মানুষটির কথা]
তিরি’র দিনপঞ্জিকা : জুলাই ১২ – পাগল দুটোকে নিয়ে পড়ছি ঝামেলায়। কি যে করি! প্রিয় আজ নিয়ে এলো ফুচকা। আর অহম আইসক্রীম। দুটোই খেতে পারিনি। এতো দূর থেকে এনেছে ওসব কি আস্ত থাকে? এখন দুটোতে আড্ডা দিচ্ছে। ভাবছি একটু দুষ্টুমী করবো। জুলাই ১৫ – প্রিয়র রাগ এই প্রথম দেখলাম। সেদিন ওরা আড্ডা দিচ্ছিলো আর আমি [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম…..ত্রয়োদশ ভাগ]
কাঁচের গাড়ীতে চড়ে বাড়ী ফিরবো না বোঝাই করা ফুলে ঢাকতে দেবোনা শরীর আকাশ দেখবে না বন্ধ চোখ আমার কিছুতেই আমার নিথর শরীরকে তোমার কাছে নিতে দেবোনা । এ মনে তুমি নদী পেয়েছিলে । মনে পড়ে একদিন বলেছিলে , “ফুল , তোমার মন তো নদী ; বয়েই চলে… এঁকেবেঁকে কুল ভাঙ্গে আর ভাসিয়ে নিয়ে যায় ।” [বিস্তারিত তীব্রতা]
ঋতু কি সময়ের উপর নির্ভর করে ? নাকি সময় নির্ভর করে ঋতুর উপর ? সহজ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়না , এটা আমার জীবনে বহুবার প্রমাণিত হয়েছে । উপরের দুটি প্রশ্নের উত্তর ঠিকই জানি , কিন্তু বুঝিয়ে বলাটাই কঠিন । যতো কথাই হোক না কেন , শরত চলে গিয়ে এখানে শীত চলে এসেছে । চারিদিকে [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা………**তিন**]
তেতাল্লিশ – তিরির প্রতি মারকাট বললো “তোমার বন্ধুকে বলো , সামনের মাসে অফিসের কাজে তুমি যে যাচ্ছো ।” আমি অবাক হলাম , এমন তো কোনো কাজের কথা নেই ওখানে ! এমনকি আমায় কোনো কাগজ-পত্র , কোনো ফাইল কিচ্ছু দেয়নি । জিজ্ঞাসা করলাম ঘটনা কি ? মারকাট বলে , “বেশী বুঝতে যেওনা । বলেছি অফিসের কাজে [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম…..দ্বাদশ ভাগ]
আজ সকালটা রোজকার মতোই । শুধু আকাশে সূর্য নেই । বাতাসের প্রচন্ড তীব্রতা আর ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি । হাওয়ার দমকে বৃষ্টির গতি বেড়ে যায় , তারপর আবার শান্ত বালিকার মতো টুপটাপ ঝরে পড়ে । এসব দেখে এই চোখ ভুলে যায় না-পাওয়া সব । কাজে যাবার ব্যস্ততায় এমন অনেক সৌন্দর্য চোখের আড়ালে থেকে যায় । কারণ [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা………**দুই**]
নামটা শুনেই কেমন লাগছে , তাই না ? প্লেনের আবার বাড়ী হয় নাকি ? অনেক অসম্ভবের মধ্যে অনেক কিছুই সম্ভব হয় । আমার একটা সমস্যা আছে , যা অনেকেরই বিরক্তি ধরিয়ে দেয় । কথার মধ্যে থেকে অন্য কথায় প্যাঁচাল পারা । এখন যেমন বলতে যাচ্ছি । অনেক ছোটবেলা থেকেই বেড়াতে গেলে বিভিন্ন দিকে চোখ চাইতো [বিস্তারিত প্লেন বাড়ী]
প্রথম পর্বটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন –“এক কাপ চা কি হবে রীনি?” মৌণব্রতর কথায় ফিরে তাকালো রিনীতা । দুপুরে ঘুমোয় না মৌণব্রত , ওই সময়টায় লাইব্রেরীতে বসে । বাড়ী যখন করে , তখন এই লাইব্রেরী ঘরটাও ডিজাইনে রেখেছিলো । মানুষটাকে অনেক জ্বালায় রিনীতা । মৌণব্রত একটু-আধটু রাগ যে করেনা , তা নয় । একবার যদি [বিস্তারিত চিরন্তন একটি গল্পঃ দ্বিতীয় পর্ব]