উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম……পঞ্চম ভাগ

সতেরো – অহমের প্রতি দেখ মেজাজ বিগড়ে দিসনা আমার । প্রিয়’র ভাগ্য ভালো যে আমার মতো বৌ ওর কপালে জুটেছে । এতো ব্যস্ততা কিসের রে ? চাকরী তো আমিও করি । আবার সংসারও চালাতে হয় । প্রিয়টা না এখনও সেই আহ্লাদী টাইপের থেকে গেছে । আর খুব অপরাধে ভোগে । আচ্ছা তুই-ই বল , সন্তান [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম……পঞ্চম ভাগ]

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম…চতুর্থ ভাগ

তেরো- অহমের প্রতি রিনীর বর উনি ? আমাকে তাহলে কেন পরিচয় দিলোনা ? তোর সমস্যাটা কি বলতো , রিনীকে ভুলে যাবার প্রশ্নই তো আসেনা । অনেক চেষ্টা করেছিলো ওর ভাইকে বোঝাতে । আরে প্রেম কি বুঝিয়ে-সুঝিয়ে হয় ? যেদিন জানলাম , সেদিন হাতটা ধরে বলেছিলাম , “রিনী , এভাবে ভালোবাসা হয়না । উচ্ছ্বাসের কাছে আমার [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম…চতুর্থ ভাগ]

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম…তৃতীয় ভাগ

  নয়- অহমের প্রতি এই বুঝি চিনলি আমাকে ? তুই কি করিস , কেমন থাকিস সেসব যদি তোকে বলেই দিতে হয় , তাহলে তো আমি তোর তিরি-ই না । আর তোর মিথ্যের দৌঁড় আমার খুব জানা আছে । বুঝলি ? তাই মিথ্যের উপরে আবার আরেক স্তর মিথ্যের প্রলেপ দিলে তোর মাথার একটা চুলও রাখবো না [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম…তৃতীয় ভাগ]

নীল অন্ধকারে নিঃশ্বাস…..

মেলে ধরা দিনের শরীরে লক্ষ-কোটি ঝাড়বাতির লাল- নীল আলোয় অসহ্যতম এক জীবন , আর বিরক্তিকর শ্বাসের শব্দ । সোনালী দাঁত বিদ্ধ করে অন্ধকারের গায়ে দূর্গন্ধ ছড়ায় চারদিকে । নুয়ে পড়ে শরীর তীব্র মানসিক যন্ত্রণায়— শরীর চায়না আর শরীর । অকালবোধনের প্রারম্ভে , এ কি চিহ্ন এঁকে যাচ্ছে ! অস্থির , বিপন্ন চেতনা হানা দেয় মানবিক [বিস্তারিত নীল অন্ধকারে নিঃশ্বাস…..]

উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম…(দ্বিতীয় ভাগ)

পাঁচ- অহমের প্রতি তোকে বলবোই না । এটা কেমন চিঠি হলো ? মাঝে-মধ্যে কি একটু সুন্দর করে লেখা যায়না ? প্রেম পত্র তো আর চাইনি যে অনেক কষ্ট করে ভেবে-চিন্তে এবং ইনিয়ে-বানিয়ে লিখতে হবে । তুই আর মানুষ হলি না । এজন্যই উপমা তোকে বিয়ে করেনি । এখন বেশ আছে ওর সংসার নিয়ে । দেখা [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম…(দ্বিতীয় ভাগ)]

এই জীবনে বইমেলার মুখোমুখি

বইমেলা । প্রাণের মেলা । কবি-সাহিত্যিক-লেখকদের মেলা । বন্ধু-বান্ধবদের উচ্ছ্বাস-আনন্দর মেলা । কয়টা বই কেনা হয় , সে হিসেব-নিকেশের পরিসংখ্যান আমার জানা নেই । যদিও আজকাল সব খবর পাওয়া খুব সহজ হয়ে গেছে । একসময় হাতেগোণা কিছু লেখক-সাহিত্যিকদের লেখা প্রকাশিত হতো । এখন অপরিচিতর ভীড় বেশী , তবে মেধাবীদের আর সেই দৌরাত্ম্য নেই । এটা [বিস্তারিত এই জীবনে বইমেলার মুখোমুখি]

শূণ্য শূণ্য বিতৃষ্ণা

কিছু থাকুক আর নাই থাকুক আজকাল আমার আর কথা থাকেনা । কেবল ক্ষোভ আর ক্রোধ থাকে ঠিক যেমন কিছুতেই মরেনা সংক্রামক ভাইরাস । চুলায় আগুণ জ্বলুক আর নাই জ্বলুক ভেতরে একশটা চুল্লী দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে । আর হা করে গিলে চলে যতোটা ভালোত্ত্ব ছিলো এতো ক্ষুধার্ত হতে পারে আমার নিষ্ঠুরতা কি করে , [বিস্তারিত শূণ্য শূণ্য বিতৃষ্ণা]

মৃত্যু

মৃত্যু— এমন একটি শব্দ , যার উচ্চারণেই মন ভার হয়ে যায় । পৃথিবীতে প্রতিদিন কতো কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু হয় ,যাদের কথাই শুনি , আমরা কিন্তু ঠিকই কষ্ট পাই । এমনও হয় মারা যাবার পরে মানুষটিকে নিয়ে খারাপ কিছু বলতে পারিনা…বরং সকলেই বলি “বড়ো ভালো মানুষ ছিলো ।” তেমনই একজন চলে গেলো নেলসন ম্যান্ডেলা । [বিস্তারিত মৃত্যু]

রঙ : পরিভ্রমণকারী সময়

যে চলে যাবার সে চলেই যায় । নিঃশ্বাস কি টের পায় সে কোথায় যাচ্ছে ? জানে কেবল বৃক্ষ… হলুদ হয়ে যাওয়া পাতারা যেমন চেনে , ঝরে পড়ার শব্দ নটরাজের মতো প্রলয় নাচন নাচে অদৃশ্য হাওয়া কচি সবুজ পাতা হাসে আর চৈত্রের বুকে ছিন্ন পাতারা ওড়াওড়ি করে । যায় , চলে যাবার যা সে তো যাবেই [বিস্তারিত রঙ : পরিভ্রমণকারী সময়]

শেকড়

আমি জানি আমার জন্যে কেউ আবেগ নিয়ে অপেক্ষায় থাকে না তাই কোনো তাড়াও থাকেনা ঘরে ফেরার একটা দায়িত্ত্বভরা কলস আছে , ওটার ভেতর জল রাখি— আর একটা মাঝারী আকারের গাছ আছে সেই গাছে জল দেই রোজ । দিতে হয় । কারণ ওই গাছটাকে আমি-ই তো নিয়ে এসেছি । ভুলে গেছি আমার চাওয়া-পাওয়া , শুধু দেখি [বিস্তারিত শেকড়]

শুভ মহালয়ার শুভেচ্ছা…মা আসছে…

তুমি সবুজে ভরিয়ে দাও ভোরের আকাশে সূর্য ওঠাও চাঁদের কোমল হাসির মাঝে আনন্দ ঝরাও । রূপকথা থেকে বাস্তব অশান্ত থেকে শান্ত পান্ডব থেকে কৌরব মাটি থেকে দিগন্ত… তুমি রণচন্ডিকা থেকে মহামায়া খড়গ থেকে শঙ্খধ্বনি তুমি অসুরশক্তি বিনাশিনী মা বাসন্তীকা , তুমি-ই শারদীয়া । “মহালয়ার শুভেচ্ছা সবাইকে…মায়ের স্নেহ-আদরের ছায়ায় সকলের জীবনে প্রশান্তি ছড়িয়ে যাক…মা আসছে , [বিস্তারিত শুভ মহালয়ার শুভেচ্ছা…মা আসছে…]

তর্জনী

নাভিমূল ছিঁড়ে তীব্র চিৎকারে জানান দেয়া— আমি এসেছি আরেকজন পূণ্যবতী শিশু এখন আমায় ছুঁয়ে ঈশ্বর আছেন প্রসব ব্যথার যন্ত্রণার পরেও মায়ের স্বর্গীয় হাসি আছে বেঁচে থাকতে খাদ্যের প্রয়োজন , সেই ভাবনায় একাগ্র চিত্তে নিয়োজিত আমার মা-জননী । তার বৃদ্ধা-তর্জনী-মধ্যমা-অনামিকা-কনিষ্ঠা জুড়ে খাদ্যের আয়োজন— আর বাবার তর্জনীর উপর ভর করে , মাটির কাঠিন্যে আছাড় খেয়ে রক্তাক্ত ; [বিস্তারিত তর্জনী]

গন্তব্যের শূণ্যতায় পূর্ণতা

অবস্থানের চূড়ান্ত সীমায় দাঁড়িয়ে দেখা যায় , এখনোও অতলেই পড়ে আছে । এ কি গন্তব্য , নাকি পথ চলা ! শুরু নাকি শেষ ! আচ্ছা ভোরের যাত্রায় চোখে দুপুর লাগে কেন ? ওখানে তো ঘুম ঘুম স্বপ্ন থাকার কথা ! স্বপ্ন-ঘুমে কারুর কাছে কি তপ্তবেলা আসে ? অবাক হতে হয় , যতোটুকু সময় দী্র্ঘ হচ্ছে [বিস্তারিত গন্তব্যের শূণ্যতায় পূর্ণতা]

নৈঃশব্দের মাঝে নিঃশ্বাস

তুমি আমাকে একটা চিঠি লিখবে ? কচি ঘাসের শিশির বিন্দুর মতো দুঃখগুলো সেই চিঠির আলোয় মিলিয়ে যেতে পারে… অমন একটি চিঠি কি পেতে পারি আমি ? নিঃশব্দতার কাছে সমর্পণ করতে যাতে একটুকুও ভাবতে না হয় ! শাড়ীর আঁচলের মতো জড়িয়ে নিতে পারা যায় চিঠির লাজুক অক্ষরগুলো— চোখ নুয়ে পড়বে , কেঁপে ওঠবে ঠোঁট , এক/দু’ [বিস্তারিত নৈঃশব্দের মাঝে নিঃশ্বাস]

নিরন্তর ব্যবচ্ছেদ

দিন-রাতের বেহিসেবী অক্ষর বুণন , আর নিঃস্বার্থ নিঃশ্বাস বড়ো অর্থহীন লাগছে এখন নিশ্চিন্তের শয্যায় রাত্রি জেগে স্বপ্ন দেখা চোখ আমাকে দেখেনা । হিসেব করে পাওয়াটুকু অসামাজিকতার ব্যবচ্ছেদ করে আর ছেঁকে যা উচ্ছিষ্ট পেয়ে যায় বেহিসেবী দেনাদার , তাতেই সাজিয়ে নেয় স্বস্তি । বোকার মতো রোজ রোজ হররোজ একইভাবে… অহর্নিশ একইভাবে… হয়তো নিরন্তর একইভাবে… হ্যামিল্টন , [বিস্তারিত নিরন্তর ব্যবচ্ছেদ]