আজকের সন্ধ্যেটা অন্যরকম গেলো। অমন না গেলে হয়তো আজ জমে যেতাম একধরণের দম আটকানো যন্ত্রণায়। কাজ থেকে ফিরছি, হঠাৎ হোয়াটস আপে ম্যাসেজ করলো ভাই। ‘নীলা জানিস আশু আর নেই?’ থমকে গেলাম। আমার বন্ধু আশুতোষ। আমাদের আশু। সেই আশু যে কিনা আনন্দ বিলিয়ে দিতে ওস্তাদ ছিলো। যার মধ্যে কষ্ট বলে কিছু আছে কিনা কখনোই জানতাম না। [বিস্তারিত আমাদের বন্ধু আশু]
আমার দেশ। যতোবারই যাই, তার আগেই আকাশের দিকে বারবার চোখ পড়ে। কেন যে এমন হয়! প্লেন দেখলে হা করে চেয়ে থাকি। কোথা থেকে আসছে, কোথায়ই বা যাচ্ছে। মনের ভেতরটায় ছটফট করে আমার ধূলোবালি মেশানো ফুচকার শহরটার জন্য। এ যে কি সে দেশের বাইরে যারা থাকেন, তারা জানেন। আরে আমি যখন সিলেট থাকতাম, শমশেরনগর আসাটাই একটা [বিস্তারিত আকাশ ডাকে বলেই তো বলাকারা ওড়ে……বাংলাদেশ ভ্রমণ]
অনন্তকাল ধরে এখানেই থেমে থাকা। ওপারে কি আছে? উবু হয়ে থাকা সীমান্তরেখা? কি জানি! থাক!! ওসব কথা জানার সময় শেষ। পড়ে গেছে সময়, উড়িয়ে নিয়েছে সময়ের তোড়। ঝড়ের আগের পূর্বাভাসে বলেছিলো মধ্যবর্তিনী যোগ ‘দৌঁড়াও হে পথিক, পিঁছিয়ে যাওয়া মানেই ফুরিয়ে যাওয়া।’ ওই যে আকাশে তারা ফুঁটছে, খসে খসে পড়ছে এ নাকি মনোরঞ্জন! এ কেমন মনোরঞ্জন [বিস্তারিত মেয়াদোত্তীর্ণ ভালোবাসা]
ক্যানভাসে কোনো মুখ নেই, কেবলই আঁকিবুকি। যেনো শেষ প্রহরের অশনিসংকেত এখানে এই বিদগ্ধ হৃদয়ের জলপ্রপাতে। ওখানে কি এখন ধূ ধূ চর নাকি মরুভূমি? পথ হারিয়ে ধূলোর ভেতর কাৎড়ে থাকা তৃষ্ণার্ত এক প্রাণ— ‘জল দাও, আমায়, জল দাও।’ ও ছবিকর এমন দৃশ্য কোথায় পাবে তুমি? আঁকো। এখুনি এঁকে নাও। পেতে রেখেছি হৃদয়; তোমার তুলি-ব্রাশ দিয়ে কাঁটাছেঁড়া [বিস্তারিত ছবিকর]
কি অস্থিরতা কাজ করতো জানতে, কেমন তোমার দৈনন্দিন জীবন। কেমন তোমার রাত্রি থেকে সকাল? যে আয়না প্রথম সকালে তোমার মুখ দেখে গর্বিত হয়, যে হেয়ার ব্রাশে তোমার এক/দুটো চুল গেঁথে থাকে। যে টুথব্রাশটা তোমার ঠোঁট-মুখ ছোঁয়। স্নানের সময় জলের ধারায় তোমার চোখের পলক কিভাবে নাচে; সকালে কফির কাপে চুমুক দিতে গিয়ে ওই ঠোঁট কতোটুকু সঙ্কুচিত হয়। [বিস্তারিত দ্বন্দ্বযুক্ত সম্পর্ক]
তিরি-প্রিয়-অহম-রিনী-প্রাঞ্জল-পিউ এবং অতিথিবৃন্দ: কথোপকথন: (**তৃতীয় এবং শেষ পর্ব**) অহম – এখানে বসার জায়গা নেই, লিভিং রুমে আসুন প্লিজ। জিসান শা ইকরাম – এতো ফরমালিটির কি দরকার? কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। তিরি – এটা কোনো কথা হলো? তারপর দেখা যাবে আপনার কোন নাত্নী এসে আমাদের ঝাড়ি দিচ্ছে। অহম – তিরি ঠিক বলেছিস। কি মেয়ে রে [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : ষষ্ঠবিংশ ভাগঃ **বিশেষ ভাগ – চমক পর্ব**]
খেলার খেলায় মত্ত আমি মত্ত তুমি কিন্তু এ যে প্রেম কে জানে কি জানি ! শিকার করি আমি স্বীকার করো তুমি ! খেলার জালে প্রেম বুনছি হেম হেম প্রেম কি জানি ! কে জানে ! সত্যি এ যে কি ! শিকারী তুমি স্বীকার করো মনের ভেতর মন লুকিয়ে বলছো কেন অন্য কথা ! কি জানি [বিস্তারিত আহা গোপন]
গভীর একটা সুখ এবং স্বস্তি নিয়ে নামলাম ট্রেন থেকে। আহ নিঃশ্বাসের সাথে মিশে গেলো শৈশব-কৈশোরী ঘ্রাণ। এ কেমন অনুভূতি আমার মধ্যে? দীর্ঘ পথশ্রমও কেন পারেনা আমাকে ক্লান্ত করতে? কিছু কষ্ট মনের ভেতর ছিলো, উফ ভুলে গেলাম কি করে? এভাবে গোগ্রাসে কি কষ্ট হজম করা যায়? মাঝে-মধ্যে বুঝিনা আসলে আমি কি সুস্থ? নাহ সুস্থ তো অবশ্যই, [বিস্তারিত সত্যি কথন……ছেঁড়া পাতা এবং অস্পষ্ট অক্ষর]
মধ্যরাতের নিঃস্তব্ধতাকে ভেঙ্গেচুড়ে দিয়ে অনেক দূরের ব্রিজটা ঢং ঢং শব্দ করে ওঠে। দূর থেকে ড্রাইভারের অযথা হর্ণ কি জানি কোন শ্রমিকের ঘুম ভাঙ্গিয়ে দেয় পুরোনো লক্কড়-ঝক্কড় ট্রাক অথবা ল্যান্ড রোভার। আর আমার চলছে ঘুমের সাথে প্রতিরাতের যুদ্ধ। ভুল বলে ফেললাম, যুদ্ধ নয়, রাতের সাথে বন্ধুত্ত্ব। মায়াময়ী বন্ধুত্ত্ব। সঙ্গী পাশে রসায়ন আর গান, নয়তো বীজগণিতের সূত্র [বিস্তারিত সুন্দরী একটি রাত্রি এবং……সত্যি কথন]
মাঝে-মধ্যে মন বড়ো দূরন্ত হয়ে যায় যেমন হাওয়ায় এলোমেলো-অবিন্যস্ত হয়ে যায় বৃষ্টির জল। আবার শান্ত দিঘীর মতো টলমল করে। ওখানে পদ্ম ফোঁটে, তার ওপর পদ্মগোখরাও নাচে তার ফণা তুলে; টুংটাং সুরে বেজে ওঠে কখনো, কখনো বিদ্যুতের মতো চমকায়। মন জানি কি! অনুভব করতে গেলে ঢেউয়ের মতো ফিরে যায় ছুঁতে গেলে সাগর-পাড়ের বালিতে লেখা নামের মতো [বিস্তারিত ফ্যান্টাসি]
তিরি-প্রিয়-অহম-রিনী-প্রাঞ্জল-পিউ এবং অতিথিবৃন্দ: কথোপকথন: (**দ্বিতীয় পর্ব**) অহম – আপনাদের নানা-নাত্নীর আনন্দ, গল্প বলা এতো মজার! খুব ভালো লাগে এমন সম্পর্ক আমার। তিরি – আপনার নাত্নী! এই বয়সে দাদু, আপনাকে তো দেখে লাগছেই না! জিসান শা ইকরাম – তিরি আপু বুড়ো হয়েই গেছি, দেখে কি আর লাগে বলুন! অহম – জানিস তিরি, জিসান ভাইয়ের লেখার [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : পঞ্চবিংশ ভাগঃ **বিশেষ ভাগ – চমক পর্ব**]
তিরি-প্রিয়-অহম-রিনী-প্রাঞ্জল-পিউ এবং অতিথিবৃন্দ: কথোপকথন: (**প্রথম পর্ব**) অহম – এখন ঝাপ্পি। এরপর আবার লাত্থি। আসলেই তুই সৃষ্টির একটাই পিস। সৃষ্টিকর্তা এক পিস বানিয়েই আর সাহস পায়নি। তিরি – দেখলি তো বাঁদরকে মাথায় ওঠাতে নেই! প্রিয় – আহা একটু খেয়ে নেই, এরপর যখন পিউ চা বানিয়ে খাওয়াবে, তখন নয় ঝড় উঠিও। রিনী – আমরা কি শুধু ঝড়ই [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : চতুর্বিংশ ভাগঃ **বিশেষ ভাগ – চমক পর্ব**]
আজকাল দুঃখগুলো হয়েছে পান্তাভাতের মতো , একেবারেই সস্তা। গরীবের পান্তা নয় , মধ্যবিত্ত পান্তা। ঈশ্বর আমাকে পাঠালেন অবতার হিসেবে আনন্দ আর কষ্ট কে শায়েস্তা করতে। দুজনকে নিয়েই বসলাম বললাম আমায় ঈশ্বর পাঠিয়েছেন এখন বলো তোমরা কি করতে চাও? এতো বেড়েছো কেন? হিংসুটে আনন্দ দেখে আর বলে “এই দুঃখ জীবনেও তুই দামী হবিনা।” মায়া লাগে সস্তা [বিস্তারিত পদত্যাগ……ভাবনার বদল]
কানাডায় এলাম ২০১১ সালে ৩১ জানুয়ারী। স্বপ্নের দেশ। সেই কবে থেকে কানাডা আসবো আসবো কিন্তু সেই এলাম বয়স যখন বাংলাদেশের হিসেবে আর তরুণী নই। তাতে কি! এসেছি, স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ব্রাশেলস এয়ারপোর্ট থেকে যখন আকাশে প্লেনটা উড়লো, আমার চোখে আটলান্টিক ভাসছে। সাগরের মধ্যে বঙ্গোপসাগর দিয়ে আমার সমুদ্র দেখা। তারপর ভারত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর স্বাভাবিক ভাবেই [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা…**নয়**(মাংস ফ্যাক্টরীর জীবন)]
অনেকক্ষণ থেকে ভাবছিলাম আমার পুরোনো কিছু লেখা দেবো। যে লেখায় আবেগগুলো কঠিন বাস্তবের মুখোমুখি হয়নি। এই যে জীবন সকালে উঠে দৌঁড়ানো, কাজে যাওয়া। এরপর আবার ক্রেডিট বিল, এই হিসাব, সেই হিসাব। ছেলের দিকে খেয়াল দেয়া। ঘর-সংসার-স্বামী-সন্তান এসবের বাইরে এখন আমি নেই। কোনো নারী-ই থাকেনা। প্রতিটি মুহূর্ত এনজয় করি আমি। আমার কাজ হোম হেলথে। তো বাড়ী [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা…**আট** (চাকরী জীবন)]