ভুলের ভেতর ফুল হয়ে ফোঁটার অপচেষ্টায় ব্রত আস্ত একটি গোলমরিচ জীবন। তবু উড়ুক্কু ডানার ভাঁজে ভাঁজে রক্তচন্দন ঘ্রাণ নিতে নির্জন নগ্নতায় সাঁতার কাটে নি:শ্বাস; নোখের ভেতরে উঠে আসা উত্তপ্ত মূহুর্ত শূণ্য হাত দিয়ে ধরে রাখা কথাগুলো হাসে বাঁকা ঠোঁটে। পাওয়া হয়না কিছু; অবোধ জ্যোৎস্না শ্বেতপদ্মের শরীরে আছড়ে পড়ে তছনছ করে তার রাজকীয় রাজপ্রসাদ। ওদিকে হাওয়ার [বিস্তারিত আহ!]
১২ মার্চ বাপি-মামনির বিয়েবার্ষিকী। দুজনের এখনও যে প্রেম, তাই যতো ঝড়ই আসুক না কেন, নিজেদেরকে শুভেচ্ছা জানাবেই। অথচ এবার তেমন কিছু হয়নি। বাপির ব্লাড সুগার এই দেখা যাচ্ছে সকালে পনেরো তো বিকেলে সাত। আমার দিন গোণা, আর তো মাত্র কয়েকটি দিন। এর মধ্যে সব ঠিক হবে তো? নাহ সেভাবে চিন্তা করিনি, বরং মনে হচ্ছিলো সবই [বিস্তারিত আকাশ ডাকে বলেই তো বলাকারা ওড়ে……বাংলাদেশ ভ্রমণ(পাঁচ)]
প্রারম্ভিক – লেখা বানাতে চাও? উগড়ে ঢেলে দিয়েছি অপরিপুষ্ট অক্ষরগুলো ওই আবর্জনায়। আরে কবিতা খাওয়া অত্তো সোজা নয় হে বাপু! প্রথমে গরুর মতো জাবর কাটা এবং পরিশেষে হজম। তাছাড়া কবিতার ভেতরে রাসায়নিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ার যৌথ অনেক প্রচেষ্টা লাগে; সাথে বেশ কিছু ফাঁপা এবং ফাঁকা বুলি যোগ করে ঐকিক নিয়মে ধারাপাত। শুনেছো কখনো? শোনার কথা নয়। এ [বিস্তারিত একজন সম্রাট]
একটি শীতের সকালের ফিরে আসা দিগন্তের ওপার থেকে যাবে কোথায়? অস্বচ্ছ কুয়াশায় কতো দূরই বা যাওয়া যায়! আবার নিঃসঙ্গ, অলস দুপুরে কাঁথা মুড়ি দিয়ে পরিবর্তিত স্বপ্নেরা শুয়ে থাকে শীতল বারান্দায়; যেনো হেঁটে আসা ক্লান্ত ডাকপিয়নের ঝোলা ব্যাগে ভরা চিঠি অভিমান-মাখা অক্ষরের টেবিল-ঘুম। সমাপ্তিহীন অনুভূতি এভাবে জমিয়ে রেখে কি আদৌ চলে যাওয়া যায়? যদিও সময় স্রোতের [বিস্তারিত অক্ষরের শব্দ-বুনন]
মনের বারবিকিউ করে চিবিয়ে সন্ধ্যা এনে ফরেষ্ট ক্যাম্পে একটা ক্লাউনের নি:সঙ্গতা। কামড়ে নেয়া এডাল্ট চিকেনের সাথে ককটেলের জোয়ারে ডুবে যাওয়া এলকোহলে চুমুক দিলেই সত্যি নাকি সব বাক্য? অথচ মিথ্যের উচ্চারণে মিথ্যেবাদী একজন বারবিলাসিনী সেজে বসে থাকে নিশ্চুপ। আহা বন্ধুত্ত্বের কি অনিন্দ্যসুন্দরতা দেখছি এবং দেখাচ্ছি আমি! নি:শ্বাসের সুতোয় সেলাই করে চলে একটি জীবন— ক্লাউন নয়, আসলে [বিস্তারিত বারবিকিউ]
**\\ঘুম//** কখনো হঠাৎ একেবারে চুপ নির্বাক নিশ্চুপ উড়তে উড়তে ওই সুদূরে তেপান্তরে টুপ। খুঁজবে কি তখন আমায় তোমার ও দুটো চোখ? চুপ চুপ চুপ এখনও একই রূপ ডাকছে ওই নীল আকাশ দেবো নাকি ডুব? আহ! নীরব নিশ্চুপ! দেখো ছুঁয়ে আত্মা আমার ঘুম পেয়েছে খুব। ########## (3 -{@ (3 ########## **\\প্রেম//** মেঘ বুঝি ঝরবে [বিস্তারিত ছান্দিক ভাবনা : ঘুম এবং প্রেম]
দাগহীন হৃদয় বড়ো বিরল পৃথিবীর বুকে নিস্তরঙ্গ জলের মতো মানুষই বা কোথায়! ধূসর রাতের মতো জীবনের অলি-গলি, সূর্যের তেজের মতো নিঃশ্বাস কোথায়! তবুও প্রেম র’য়েই যায়। দূরত্ত্বে কিংবা অবহেলায়। ##তবে একটি কথা, ঘৃণা কিংবা বিতৃষ্ণা এলে প্রেম আর থাকেনা। তখন গাছ কিংবা পাখী কারোও সাথেই আর কথা বলতে ভালো লাগেনা। না বলেও পারছিনা চলে এলো দুটো [বিস্তারিত অকালে আকালের বোধন]
জীবনটাকে অর্থহীন লাগে কখনো কখনো। মনে হয় এই যে বেঁচে আছি, হাঁটছি-চলছি-ঘুরছি-ফিরছি, পাওয়া-না-পাওয়ার হিসেব কষছি, শুধু কি এজন্যেই এই পৃথিবীতে আসা? সময়ের বদলে একই মানুষকে একবার ভালোবাসছি, আবার ঘেণ্ণাও করছি। কি অদ্ভূত মানুষ আমরা! যে মানুষটিকে ছাড়া অসহ্য যন্ত্রণা বুকের ভেতর আর সেই সাথে শব্দহীন অনুভূতি অস্থির করে তোলে, তাকে ছাড়া আবার বেঁচেও থাকতে পারি [বিস্তারিত জীবন, জীবনের জন্যে—এক আনন্দময় অনুভূতি]
*প্রথমা* কতোকাল হয়ে গেলো একটি বিকেল ঘাসফড়িঙের পেছনে ছুটোছুটিতে আর নেই। সন্ধ্যের চাদর জড়িয়ে একটি কৈশোরী বেলা সলজ্জ্ব উঁকি দেয়না, কতো বছর জানি! উত্তপ্ত রাজপথে দৃপ্ত পদক্ষেপে সকল চোখ রাঙানো উপেক্ষা করে, হেঁটে যাওয়া একটি তরুণী বেলা চশমার নীচে ঝাঁপসা হয়ে ভেংচি কাটে। কতোকাল…. *দ্বিতীয়া* হিসেব কষতে পারিনা, বড়ো ভুল আজকাল অঙ্কে।ভুল, বড়ো ভুল। *তৃতীয়া* শিশিরের জলে কবে [বিস্তারিত অসম্পূর্ণ কিছু পংক্তি]
ঐশ্বর্য রেখার আশেপাশে আসুরিকী কিছু মোহের বাস ওরা ভালোবাসতে জানেনা, ভাবতে জানেনা এখনও উদারতা-নি:স্বার্থপরতা আছে। চাই শুধুই চাই, যে কোনোকিছুর বিনিময়ে– নয়তো ছিনিয়ে নিয়ে হলেও পেতে চাই। কুকুরের জিহ্বার মতো লকলকিয়ে থাকে কতোগুলো প্রতিবাদ এবং আন্দোলন। একটি সত্যিকে মিথ্যে ভেবে, মিথ্যেকে সত্যি ভেবে কচকচে জীবনকে কামড়ে ধরি। পঞ্চ-ইন্দ্রিয়ের বাঁধনটা নড়বড়ে হয়ে পায়ের কাছে বসে [বিস্তারিত আমি সেই ফিনিক্স]
এক নতূন সকাল। বাপি ঘুমোচ্ছে ১১০২ নম্বর রুমের কেবিনে। আমি জানালা দিয়ে ঢাকা শহর দেখছি। অনেক ভোরে ঢাকা শহরটাকে অনেক দূরের লাগতো একসময়। বরং ব্যস্ত শহরটাকে নিজের মনে হতো। হাসপাতালে আজ প্রথম সকাল। সেই রাতে আমি আর মামনি ছিলাম। সারারাত ঘুম হয়নি। জেটলগ যে কি জিনিস, তা হাড়ে হাড়ে বুঝেছি জীবনে বহুবার। ভোর পাঁচটায় টম এন্ড [বিস্তারিত আকাশ ডাকে বলেই তো বলাকারা ওড়ে……বাংলাদেশ ভ্রমণ(চার)]
মা, তোমার গর্ভের ঘ্রাণ চাই আরেকবার। এ জন্মের খোলস পড়ে আজও আমি ভালো হতে পারিনি। অযাচিত ভাবে বয়ে নিয়ে যাওয়া জীবনে আক্ষেপ করার সুযোগটুকু ও পেতে দিচ্ছে না রাত-দিনের বেহিসেবি পাঁচালী। তোমার জঠরের রক্তের ভেতরে মাংসপিণ্ড হয়ে থাকার সময়গুলো আজও ডাকে। ওখানে ঝড় ছিলোনা, নিঃশ্বাসের ভাবনা ছিলোনা। ছিলোনা ক্ষুদ-পিপাসার জ্বালা, ভালোবাসা পাওয়া-না-পাওয়ার হিসেব, ছিল না [বিস্তারিত মায়ের কাছে চিঠি]
ভোরের শরীরে বিকেলের রোদ এসে পড়ে রোজকার মতো। তুই চোখ মেলে দেখ; ওদিকে চাইলেই হীরের মতো দ্যুতি ছড়াবে বন্ধুতা আমাদের ওই রোদের আলোয় সুন্দর খেলা করে, নেচে ওঠে আমার পড়ন্ত বিকেল। অঘ্রাণের এই বেলায় ফসলের মাঠে ঢেউ তুলছে সোনালী ধান। তার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নাম-না-জানা এক নদী তুই তখন ছুঁয়ে নিস ওই জল। ওখানে [বিস্তারিত বন্ধুতার আলোয়]
কবিতার খুব কাছাকাছি বসেছিলাম। নীরব-নিস্তব্ধে। প্রদীপের শিখার মতো জ্বলে যাচ্ছিলো জোনাকীর আলো গভীর অরণ্যে। কার মুখ জানি দেখেছিলাম সেই রাতে, মোমের মতো গলে গলে ঝরে পড়ছিলো কুয়াশার ভেতর। এক আবছায়া যেনো। অস্পষ্ট সেই মুখচ্ছবি অন্ধকারে হাওয়ার মতো এসে ফিসফিস করে বলে গেলো, “ধূসরতার মধ্যে আর কতোকাল প্রতীক্ষা? কার জন্যে?” উত্তরহীন, নির্বাক। কি ভাষায় ফোঁটানো [বিস্তারিত নীল একজন রঙ]
খুঁড়ে খুঁড়ে তলানীর নরকে কিছু রোদ-বৃষ্টির সরঞ্জাম খুঁজে পেয়েছি যমদূতের তীব্র আপত্তি মন্ত্র-দক্ষিণা-যজ্ঞ কিছুতেই ছোঁয়া যাবেনা মামাবাড়ির আব্দার নাকি! অনন্তকাল ছেঁড়া কাঁথার বুকের ভাঁজে সমাধী-ব্রত আর সবশেষে যমের বুকে গিয়ে আত্মসমর্পণ; মগের মুল্লুক! মেঘে-মেঘে ধাক্কার ফসল বৃষ্টি নিয়ে উপুড় হয়ে দুপুর ভেঁজাবার মন্ত্র জানি চোখের পাতার ভেতর লুকিয়ে থাকা নীলে, সূর্যের বুকের আলোয় যজ্ঞবেদি পেতেছি। [বিস্তারিত ভালোবাসার শ্রাদ্ধ]