কতোকাল পর মনে হচ্ছে নিজের ঘরে এসেছি। অনুভূতিটা কেমন জানি, ঠিক বলে বোঝাতে পারবোনা। আজই বাসায় ফিরলাম। সেই যে ৮ জানুয়ারি আমাকে পৃথিবী থেকে কতো দূরে যে নিয়ে গিয়েছিলো। একেকটি মুহূর্ত মনে হতো জেলখানা কি এমনই? কি সুন্দর একটা ভোরে বাসা থেকে বের হয়েছিলাম। সেদিনকার সকালটা আমার জীবনের দেখা সবথেকে সুন্দরতম সকাল। বেশ কিছু ছবি [বিস্তারিত ফিরে আসা]
খুচরো খুচরো শব্দ খরচ করে কিছু বলতে চাই আমি যথেষ্ট ধার-দেনায় ডুবে আছি নি:শ্বাসের সাথে ঝুলে থাকা ক্রেডিট কার্ডটার ব্যালেন্সে আর প্রেম-ভালোবাসা নেই, ফুরিয়ে গেছে; হাই ইন্টারেস্ট দিয়ে শোধ করার চেষ্টা চলছে রোজ এতো এতো “আমি-তুমি”র বাজারে পাঁচ পার্সেন্ট ডাটার উপর নির্ভর করে এই যে বলছি, এবং লিখছি; কেউ কি বুঝবে কতো কষ্ট পঞ্চান্ন ডিগ্রী [বিস্তারিত হাসপাতালীয় উষ্ণতা]
যেদিন বৃষ্টি আসবে, আত্মাহুতি দেবে আগুণের কান্নারা। কঠিন এবং রূক্ষ্ম এ পৃথিবীতে, আবার একদিন সবুজ হয়ে সেজে উঠবে অরণ্য ধুয়ে যাবে সব ধুলো-ময়লা। আকাশ-সমুদ্রের হিরন্ময় হৃদয়ের ভেতর জ্বলতে থাকা আগুণের ফুলকিরা আর পোড়াবে না নিশ্চুপ-নীরব হয়ে যাওয়া একাকী রাত্রির শহর। যেদিন বৃষ্টি আসবে নিশ্চিন্তে বয়ে যাবে হাওয়া, আর, প্রতিবাদহীন একটি নাগরিক মিছিলে হবে আনন্দ-উল্লাস “সব [বিস্তারিত আগুণ আর্তনাদ]
অহর্নিশ, জীবনে যে কয়টি সময় খুব প্রিয় আমার, সে তোমাকে নিয়েই। আমি জানি বিক্ষোভ আর আন্দোলন ছাড়া তোমার কাছে আর কিছুই মুখ্য নয়। এই মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা সমাজ কাঠামোর বদল করতে গিয়ে কতোকিছুই যে উৎসর্গ করেছো, তারপরেও পিছিয়ে পড়োনি। তোমার কাছে ভালোবাসা বলে কোনো শব্দ নেই, আবেগের সাথে বিশাল বিতৃষ্ণা। অথচ সামাজিক দায়িত্ত্ব ঠিকই [বিস্তারিত অহর্নিশ-এর জন্যে চিঠি]
প্রতি বছরের শেষ দিনে কিছু না কিছু লিখি। আমার একাকীত্ত্বে সঙ্গ দেয় এই লেখা। লিখতে গিয়ে স্মৃতিগুলো কাৎড়ায় অসহায়ভাবে। মনে পড়ে যায় সেই স্কুল জীবন। প্রতি ৩১ ডিসেম্বর রাতে আর্ট পেপারে লিখে রাখা HAPPY NEW YEAR. তখন একমাত্র চ্যানেল বিটিভি। সেখানে কিছুই হতো না থার্টি ফার্ষ্ট নিয়ে। আরেকটি চ্যানেল ছিলো দূরদর্শন। এন্টেনা ঘোরাতে ঘোরাতে কতো [বিস্তারিত শুভম ২০১৬ ইং]
🙁 আলনার মতো পরিপাটি জীবন জ্যামিতিক চিত্রের মতো গুছিয়ে রাখা পাশে ওয়ার্ডবোর্ড প্রথম ড্রয়ারে রহস্য দ্বিতীয়টিতে প্রলোভন, তৃতীয়টিতে হাতছানি সব শেষেরটিতে ছিন্ন-ভিন্ন মন। সেই একই কক্ষে সেগুণ কাঠের আলমিরা এলোমেলো, অবিন্যস্ত। ওখানে সাজানো কেবল টুকরো টুকরো দীর্ঘ নি:শ্বাস। -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ (3 একটু [বিস্তারিত অণু-ভাবনা]
শমশেরনগর যেতে হবে। বাসার খবর নিতে হবে। বাপির কিছু কাজ ব্যাঙ্কে, সেসবও করতে হবে। তবে শমশেরনগরের নাম শুনলে একশ আটটা প্রজাপতি পাখনা মেলে মনের ঘরে। আমার কিশোরী-তরুণীবেলা ওখানে থেমে আছে। যাক সব ঠিক হলো। বড়ো মামার বড়ো ছেলে প্রীতম বললো, “দিদিভাই একা যেওনা। আমি যাবো তোমার সাথে।” হাসলাম, কিচ্ছু বললাম না। পরের দিন ভোরের বাস [বিস্তারিত আকাশ ডাকে বলেই তো বলাকারা ওড়ে……বাংলাদেশ ভ্রমণ(আট)]
মহারানী, ছাইরঙা কুয়াশার ভেতর হিরন্ময়ের আহ্লাদীতে স্ফটিকের মতো জ্বলজ্বল করে ওঠে শিশির। অমন মুহূর্ত দিতে চেয়েছিলাম তোকে। চাইলেই যে সব দিতে পারিনা আমি। এভাবে লিখে নয়, মুখোমুখি বসে বলার কতো ইচ্ছে, পারি কোথায়! নাহ আমায় দিয়ে কিছুই হয়ে ওঠেনা। দিন যায় যতো, ততোই পিছিয়ে পড়ছি। সীমানা ভেঙ্গে যে বন্ধুতার জন্ম হয়েছিলো, বাস্তবের রঙ-রূপ কতো বদলে [বিস্তারিত শুভ জন্মদিন আমার মহারানী ঊর্মী]
জীবনের পরতে পরতে কতোকিছু ঘটে গেলো এবং যাচ্ছে। ভালো-মন্দে, রাগ-অভিমানে, জোড়ে-বেজোড়ে, ভালোবাসা-অবহেলায় একটা জীবন চলতেই থাকে, চলতেই থাকে। ভোরের কুয়াশার ভেতর দিয়ে যখন ছুটি ব্যস্ততার জীবনে, ওরই মধ্যে কতো কতো কথা হয়ে যায় প্রিয়জনদের সাথে। জানা হয়ে যায় কেমন কাটছে সময়। ভালোই লাগে এমন জীবন। কেন এতো কথা? আসলে এ মাসটা আমার খুব প্রিয় একটি [বিস্তারিত আগাম শুভ জন্মদিন নানা]
কোনো এক শতাব্দীর প্রাক্কালে জমে থাকা বরফের নীচে চাপা পড়ে র’বে রেখে আসা এই সব বিকেল-সন্ধ্যা-রাত-ভোর। ছুটির দিনের হিম হিম হাওয়ার ভেতর গলিয়ে, সমস্ত বাধা উপড়ে ফেলে সামাজিক দ্বিধার প্রাচীর ভেঙ্গে সামনে এসে দাঁড়াবে এমনই এক নির্ভীক সন্ধ্যা অসুস্থ সময়ের ভেতর থেকে মাথা গলিয়ে আরেক নতূনের জন্ম হবে হঠাৎ একদিন সোনালী রোদের ডানায় ভর করে [বিস্তারিত সময়ের কারুকাজ]
ভোরের কবিতা হয়ে একটি টুংটাং শব্দে জেগে ওঠা ঘুম “সুপ্রভাত” লেখা অক্ষর স্ক্রীনে ভেসে ওঠা; সেই ফোনের পাঁজরে এখনও জমা আছে কথাগুলো। প্রতিদিন ট্রেনের শব্দের ব্যস্ততার ভেতর ফিসফিসিয়ে কতো কথা! ফিরতি সন্ধ্যা ফিরে আসতো নীড়ে, সূর্যের পড়ন্ত আলোয় আবারও সুরেলা শব্দে বেজে ওঠা, সেলফোন নেচে উঠতো “কি আনন্দ! কি আনন্দ!! কি আনন্দ!!!” “পাখী, কি করিস?” ফুলের কাছে [বিস্তারিত মুঠোফোনের সুরে পাখী-ফুলের গল্প (সাঞ্জনা চৌধুরী জুঁথী’র জন্যে)]
একটি অসমাপ্ত সম্পর্কের অন্ধকারে হাতড়ে ফেরা গেঁয়ো ভাবনায় স্বপ্ন দেখে কোন বোকা? হেই হেই পথ ছাড়ো! এক সিপ টেনেই নেশা? কে, কে কথা বলে? চুপ!আজকাল বেশ বেড়েছে একা একা কথা!! “তোর কি? তুই কি বুঝবি?” কবিতার সেতুর এপাশ-ওপাশ “তুমি”-“আমি।” আহা পাহাড়ের পাদদেশে, সামুদ্রিক স্পর্শে মধুচন্দ্রিমার কটেজ অপেক্ষমাণ। প্রেমের শরীর নাকি শারীরিক প্রেম! জানে সবই পুরুষ [বিস্তারিত নাম্বার এক]
ছেলেটিকে প্রথম দেখি হাসির আসরে। কিউট, কিন্তু ভরাট কন্ঠ(মন বলে ভরাট কন্ঠ)। অনেক আহ্লাদী, সেসব কেউ বোঝে বলে মনে হয়না। একটা শিশু মন যে ছেলেটির ভেতর থেকে গেছে, সেটি বুঝেছিলাম প্রথম দেখাতেই। যদিও তখনও সে আমার সাথে কথা বলেনি। তারপর যা হয় আর কি! মাঝে-মধ্যে গল্পের আসরে আসতো, আর অল্প সময়েই সবার মন জয় করে [বিস্তারিত ছোটকু শুভ জন্মদিন]
{}হ্যালো, হ্যালো নৈঃশব্দ কি বাড়ী আছেন? রঙচঙে মোড়কে সাজিয়ে বেশ একটি উপহার পাঠিয়েছেন আপনি, গ্রহণ করার মতো ক্ষমতা আমার নেই। হ্যালোওওওওওওওও, নৈঃশব্দ কি আছেন? ফোনের ওপাশে কে? দেখুন খুব দরকার উনাকে। হয় কথা বলুন, নয়তো রেখে দিন। নীরবতা পাবার জন্যে ফোন বিল দেয়া সম্ভব না আমার পক্ষে। অদ্ভূত তো! —“কে বলছেন? নৈঃশব্দ এখন বাড়ীতে নেই।” [বিস্তারিত নৈঃশব্দ বাড়ী নেই]
ধরে নাও আজ বৃষ্টি হলো। আবহাওয়ার সংবাদকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই, যদিও মেঘের সাথে বৃষ্টিরই দূরত্ত্ব আজন্মকাল—- মেঘ ঝুলে থাকে আকাশের বুকে, আর বৃষ্টি দাপড়ে বেড়ায় মাটির শরীরে। তাতে কি? তবুও কিন্তু বৃষ্টি নামে; অবশ্য সব মেঘই কান্না নয়, হাসিও হয়না আসলেই কি কন্ট্রাডিক্টরি প্রকৃতিতে! আচ্ছা মানুষও তো প্রকৃতিজাত, তাই না? উহু! তবে? আরে মানুষের মন [বিস্তারিত অযথাই কিছু প্রলাপ]