আগুণ আর্তনাদ

আগুণের উল্লাস...
আগুণের উল্লাস…

যেদিন বৃষ্টি আসবে,
আত্মাহুতি দেবে আগুণের কান্নারা।
কঠিন এবং রূক্ষ্ম এ পৃথিবীতে,
আবার একদিন সবুজ হয়ে সেজে উঠবে অরণ্য
ধুয়ে যাবে সব ধুলো-ময়লা।
আকাশ-সমুদ্রের হিরন্ময় হৃদয়ের ভেতর জ্বলতে থাকা
আগুণের ফুলকিরা
আর পোড়াবে না নিশ্চুপ-নীরব হয়ে যাওয়া একাকী রাত্রির শহর।
যেদিন বৃষ্টি আসবে
নিশ্চিন্তে বয়ে যাবে হাওয়া,
আর,
প্রতিবাদহীন একটি নাগরিক মিছিলে হবে আনন্দ-উল্লাস
“সব পেয়েছি’র দেশে।”
একদিন বৃষ্টি হবে।
সেদিন দৃঢ় চিত্তে শ্লোগানের ঐক্যতায়
আগুনের উল্লাসে কোনো লাশের জন্ম হবেনা।

 

রাত্রির শহর...
রাত্রির শহর…

 

হ্যামিল্টন, কানাডা
৫ জানুয়ারি, ২০১৬ ইং।

**প্রচন্ড ব্যস্ততায় ডুবে আছি। তাই নিয়মিত আসা হয়ে উঠছে না। আগেও বলেছি, আবারও বলছি সেলফোন দিয়ে ব্লগে জানিনা কেন লগইন করতে পারছিনা। রোজই বাসে বসে পড়ি সকলের লেখা। তবে আশা করছি রবিবার আবার বসতে পারবো। সোমবার অফ ডে কিনা! যদিও “আউট অফ সাইড, আউট অফ মাইন্ড” এই প্রবাদটিকে আমি কখনোই বিশ্বাস করিনা। আমরা তাকেই মনে করি, যারা আমাদের মনে করে। প্রিয়বন্ধুরা ভালো থাকুন সকলে।

মোট পড়েছেনঃ ৭৭০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৮টি মন্তব্য

  1. সব রুক্ষতা ধুয়ে মুছে যাক, সবুজে ছেয়ে যাক পৃথিবী।
    কোনো মিছিল থেকে নতুন কোনো লাশের জন্ম চাইনা আর।

    খুব ভালো লিখেছেন নীলাদি। -{@

      1. এতোজনের ভালোবাসা উপেক্ষা করা যায়? ঈশ্বর এতো নির্দয় নন। একসাথে এতগুলি মানুষকে তিনি বিমুখ করতে পারেননা। তিনি ঠিকই আপনাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন আমাদের মাঝে। 🙂

  2. সবুজ অরণ্যের অপেক্ষায় আছি, ফুল ও ফলের ও। অরণ্য আপনি পাবেন!!
    সব মুছে যাক!!
    “আউট অফ সাইড, আউট অফ মাইন্ড” বিশ্বাস করি না।

    1. অরণ্য দিয়েই তো জীবনের শুরু ছিলো। নীল আর অরণ্য এর জন্যেই তো নিঃশ্বাসটুকু সেদিন থেমে যায়নি কবি ভাই।

      যাক, তাড়াতাড়ি ফিরে আসুন। 🙂

  3. একদিন বৃষ্টি হবে। সব পেয়েছি র দেশে বৃষ্টি যে থেমে যায় নীলাপু। স্বপ্ন দেখালে আরেক স্বপ্ন আগুনের। আরেক আগুনের হাহাকার কানে এলো। একদিন বৃষ্টি হবেই–কদমগুচ্ছ খোঁপায় জড়ায়ে দিয়ে, জলভরা মাঠে নাঁচিব তাকে নিয়ে—
    খুব সুন্দর কবিতা নীলাপু।

মন্তব্য করুন