২০০৩ সালের ৫ ডিসেম্বর যখন জাপান আসি, জাপানিজ জানা তো দূরে থাক, ইংরেজীতে কথা বলতে গেলেও দ্বিধাবোধ করতাম। ভুল হলে যদি হাসে! বাঙালী মন-মানসিকতার এটা একটা প্রধান হাস্যত্মক ব্যাপার। আমাদের সমাজে বেশী চলে কিনা! তাই শুনতাম, দেখতাম, বেশ বুঝতামও। কিন্তু স্পিকটি নট। একরকমের বোবা মুহূর্ত কাটানো জাপানীজ ক্লাশে। প্রথম দিকে ইউনিভার্সিটির ফ্রী ক্লাশে যাওয়া শুরু [বিস্তারিত প্রবাস জীবনের প্রথম বিদেশী বন্ধু…লানা]
অনন্ত পথ পাড়ি দিয়ে সহজ-সরল এক ভোর এলো অবশেষে। ঘুমের দরোজা বন্ধ করে দিয়ে আলো নুয়ে ছুঁয়ে গেলো চোখের জানালা। বেজে ওঠে তানপুরায় ভৈরবী তান সেই ঝঙ্কারে আড়মোড়া ভেঙ্গে জেগে ওঠে প্রকৃতি হে আগন্তুক, আসন গ্রহণ করো দিনের এই প্রথম লগ্নে; ওই দেখো, নতূন এক ভোর সময়ের উঠোনে এসে দাঁড়িয়েছে দ্বিধাহীন এই পথযাত্রায় সেই তারই [বিস্তারিত আবর্তন]
তোর জন্যে লিখতে বসে হয়নি কিছুই লেখা কি করবো বল তো আমায় ভাবনা যে সব ফাঁকা। কিছু কিছু কথা আছে বলতে গিয়ে দেখি ওলট-পালট হয়ে গেছে শব্দরা দেয় ফাঁকি। তবুও চেষ্টা করেই যাচ্ছি তোকে নিয়ে লেখার এমন কি শুনেছিস তুই লেখাও হয় বেকার? ধ্যত্তেরি ছাই এমন দিনে কি যে তোকে দেই আমার কাছে কিইবা আছে [বিস্তারিত তোর সাথে শুধুই ঝগড়া]
ছুঁয়ে দিতে গিয়েই উত্তালতায় ডুবে যাচ্ছে আনন্দাদি চুমুক দেয়ার মতোই চুমুর স্বাদ কে নেয় ওই বিষ ঠোঁটের স্পর্শ? তবুও খুঁড়ে খুঁড়ে বালুর তল থেকে তার জল-ডুবুরী হবার ইচ্ছেটাকে রোদের ডানায় ওড়াতে যাওয়া দেখে ভয় নিয়ে পালিয়ে যাওয়া নিজের থেকেই নিজের। হারিয়ে যাবার তাড়নায় বিষাদাক্রান্ত সাপের বিষ পান করতে করতে বুঝে গেছি সেই একাই আমি; কেউ [বিস্তারিত ইচ্ছে-ডুবির আদরে]
===অসম্পূর্ণা ==== যখন এখানে ভোর নামে সূর্যের আলোয় নদীর জল চিকচিক করে। সেখানে ছায়ার মতো নারী-শরীর এসে দাঁড়ায়। যে সহিষ্ণু আলোয় মিলিয়ে যায় মানুষ, তাকে রোদ-মেঘ-বৃষ্টি আদর করে নতজানু হয়ে। দু’-চারটে আলিঙ্গনের পর বিচ্ছেদ, কে মনে রাখে প্রতিটি ভোরে এখানে নদীর জল চিকচিক করে, ভেতরে ভেতরে কাঁদে! ===বেতন=== দূর থেকে নক্ষত্র এসে দাঁড়ায়, জুজু [বিস্তারিত অসভ্যতা]
সময় একটি বিরাট প্রশ্ন এবং সময়ই তার উত্তর। এইতো সেদিন ২০০২ সালের ১৫ মার্চ তারিখে সন্ধ্যা ৬ঃ৪০ মিনিটে আমারই নতূন এক রূপের জন্ম হয়েছিলো। নারী রূপের অনন্যতম পরিচয় “মা”, এই পরিচয়ে পরিচিত হয়েছিলাম। দেখতে দেখতে চৌদ্দটি বছর পার হয়ে গেলো। আজ বলবো ও কাকে কাকে বেশী জ্বালিয়েছে। তীর্থর জন্ম মৌলভীবাজার শহরে লেইক ভিউ হাসপাতালে। আর [বিস্তারিত আত্মজ…শুভ জন্মদিন নভোনীল]
জীবনে অনেকগুলো সময়ের গল্প চলতি জীবনকে আগলে রাখে। সে আমরা ভাবনায় শুধু নয় আবেগ-অনুভূতির প্রতিটি পলে রাখি। আর তাইতো আলো-ছায়ার মতো দুলে দুলে চলতে থাকে বেঁচে থাকার গল্প। ১৯৭১ সাল, ১২ মার্চ তারিখ। মুক্তিযুদ্ধের উন্মাতাল সময়। ঠিক সেই উত্তাল মার্চে বরিশাল শহরের কালিবাড়ী রোডের একটি বাড়ীতে মীরা নামের মেয়েটির বিয়ের আয়োজন। আর সুদূর সিলেট থেকে তিনদিনের [বিস্তারিত বন্ধন : পঁয়তাল্লিশ বছর পূর্তি]
অর্ধেক গল্প রেখে ছুটে যাওয়া বারণ। তোর আধ পোড়া রোদ্দুরের বিকেল বেলায় রূপকথার ভীড় কোন আদ্যিকালের টেরাকোটার ছাপে উদাম শরীরের কারুকার্য কেটে নেয়া হাতের শিল্পে তাজমহলের পর্যটন ব্যবসায় মুনাফা অর্জন। এই শোন অর্ধেক গল্প বলা কিন্তু বারণ। তোর কাঁচপোকার আগুণে রাত্রি পুড়ে যায় ফ্যান্টাসির সিনড্রেলায়; আর তুই, ডুব দিস নীলসাগরে একশো আটটা পদ্মের খোঁজে। অসমাপ্ত [বিস্তারিত প্রবেশ নিষেধ]
আবেগাপ্লুত হয়ে লেখা যায়না আসলে কোনো কিছুই। লেখার জন্যে আবেগের প্রয়োজন যদিও। কিন্তু মান্না দে’র সেই গান “গভীর হয় গো যেখানে ভালোবাসা, মুখে তো সেখানে থাকেনা কোনো ভাষা…”—আজ এই লেখাটি লিখতে বসে আমারও এমনই অবস্থা হচ্ছে। তাই কোনো কাব্যিক উপমায় না গিয়ে সরাসরি চলে যাই সেই দিনে, যখন আমার রাত আর ওর দিন। ২০০৯ সালে [বিস্তারিত প্রাণবন্ত হাসির বন্ধু আমার]
চন্দ্রমল্লিকা রাত্রি জানলায় এসে দাঁড়িয়ে থাকে অথচ নক্ষত্রের আসার কথা ছিলো। বাতাসে বেলী ফুলের মৌতাত ছড়িয়ে চুপটি করে আকাশ এই অন্ধকারকে বুকের ভাঁজে নিয়ে লেপ্টে রাখে কোন পাবার আশায়, কে জানে! পিঙ্গল রোদের আকাঙ্ক্ষায় জেগে থাকা চোখ স্বপ্নহীনতায় ভোগে। অনেককাল পর কখনো যদি একই সীমারেখায় আমি থাকি আর, আকাশ-নক্ষত্র-চন্দ্রমল্লিকা রাত্রি এক কাতারে এসে দাঁড়ায়, ভেবে [বিস্তারিত অক্ষরের আনন্দ]
পঁয়ষট্টি : অহমের প্রতি উফ!তুই আজকাল বড়ো অসহ্য এবং বিরক্তিকর হয়ে উঠেছিস। একই কথা ঘ্যানঘ্যান করে যাচ্ছিস। ঠিক ভাঙ্গা রেকর্ডের মতো। আমি জানিনা মারকাট তোকে কিভাবে সয়ে নিয়ে যাচ্ছে এতোগুলো বছর। আমি যদি তোর বস হতাম, তাহলে কবেই যে তোকে চাকরী থেকে ফায়ার করতাম! শোন কাজ কর মন দিয়ে। অনেক ছুটি নিয়েছিস। না করেও তো [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : অষ্টবিংশ ভাগ]
আমি কখনো বইয়ের রিভিউ লিখিনি। লিখতে জানিও না। আসলে চেষ্টাই করা হয়ে ওঠেনি। এই যে পোষ্টটি লিখতে বসেছি একটি বই প্রকাশের কথা জানাতে। “লাইফ ইজ ডিউটিফুল” একটি রম্য ছড়ার সঙ্কলন। আগেই বলেছি রিভিউ আমার কম্মো নয়। আর বইটি নিয়ে বলার আগে কিছু কথা বলতে চাই। কিছু কবি-সাহিত্যিক-লেখক আছেন, যারা নিজেদের প্রতিভাকে আড়ালেই রাখেন। পত্রিকার পাতায় [বিস্তারিত লাইফ ইজ ডিউটিফুল]
*অবশেষে ঃ ভোর কি হলো? মানচিত্রের ইতিহাসে ভোর কি এলো? দুঃস্বপ্নেরা ক্ষিদেয় ছটফট করে নিরুদ্দেশ রাত্রির ঘরের শয্যায়। থাকুক ওখানেই পড়ে; আঘাতে জর্জরিত হলেও সমস্যা নেই। ওরা সেই রাজাকার, দেহের কোষে কোষে প্রলয় আসুক ভয়ঙ্কর মৃত্যুর নিস্তেজ শরীরের স্থান, এ মাটি তোদের জন্যে নয়। *সূচনা-লগ্ন ঃ মুক্তির ডাকে ছুটে যাবার তাড়ায় পেছনে রেখে যাওয়া চিরস্থায়ী ক্ষত। রক্তাক্ত [বিস্তারিত আট-ই ফাল্গুণ, আজও ভোর হয়]
ষাট : তিরির প্রতি এই ছাগলী, নাহ তোকে তো আর ও নামে ডাকা যাবেনা। যতোদিন আমার ফুলটুসীটা তোর পেটে আছে। ফিরলাম অবশেষে। খুব ছোট্ট ট্যুর আর অনেক স্মৃতি। বেশ লাগলো ব্লগের সবার সাথে দেখা হওয়া, সেই আড্ডা। কি বলিস তুই? শোন ব্লগের সবার সাথে যোগাযোগ রাখিস কিন্তু। আর এই মেয়ে ডায়েরী লিখিস ব্লগে। ওটাই অনেক। [বিস্তারিত উত্তর এবং প্রত্যুত্তর : তিরি এবং অহম : সপ্তবিংশ ভাগ]
🙂 আজ বুঝি পহেলা ফাল্গুন, রাই-কিশোরীর আবেগ উছলানো দিন? বেশ লাগে ভাবতেই, বাসন্তী রঙের শাড়ী পড়ে, খোঁপায় গাজরা আর গাঁদা ফুল একসাথে জড়িয়ে, কপালে ছোট্ট একটা টিপ, চোখ টেনে কাজল। কতোদিন যে এভাবে সাজা হয়না! রিক্সার হুড সরিয়ে হুল্লোড় করে গান। কে, কি বললো, না বললো, কি এসে যায় তাতে! কিন্তু লজ্জ্বা যে চোখের পাঁপড়ির ভাঁজে [বিস্তারিত যদি তারে নাই চিনি গো সে কি!]