দেখতে দেখতে “এলোমেলো কিছু কথা”র ষোলোটি পর্ব হয়ে গেলো। অথচ এই এলোমেলো কথা পর্বগুলোর জন্ম হয়েছিলো অভিমান থেকে। মধ্যিখানে লেখা ছেড়ে দিয়েছিলাম। তখনও ব্লগে আসিনি, ফেসবুকে কোনো লেখা দেয়া থামিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু কিছু শুভাকাঙ্খী, সুহৃদ থাকেই প্রত্যেকের জীবনে। আমি ফেলতে পারলাম না। তখনই ফেসবুকে লেখা শুরু করলাম “রোজনামচা” নামে। তারপর “এলোমেলো কিছু কথা।” ৪ এপ্রিল, [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা…**ষোলো**]
একটি আটপৌরে কবিতা লেখার ইচ্ছে রাখি, দ্রোহ কিংবা প্রেম নয়। স্বপ্নহীন কঠিন বাস্তব এক জীবনের কথা বলার জন্যে অনেকগুলো শব্দ চাই আমার— মানবিক হৃদয়ে শিল্প ঘরাণার যে শাশ্বত জ্ঞান চিন্তার দ্রাঘিমাকে গ্রাস করে নেয়, আমি সেখানে বড্ড বেমানান। তাই নৈঃশব্দর কোলাহলে শিল্পকলার নিজস্ব এক ঘর বানাতে চাই; প্রেম এবং অ-প্রেমের পৌনপুনিকতার থেকে সরিয়ে নিয়ে হতাশার [বিস্তারিত আটপৌরে]
বছরের কয়েকটি দিন কিছু মানুষের জন্যেই সেজে ওঠে নতূন হয়ে । রঙ ছড়ায় । আনন্দ দেয় । আলো হয়ে ফুঁটে ওঠে । আজ বিশেষ একটি দিন আমার জন্যে । আজকের এই দিনটি না এলে আমারও আসা হয়ে উঠতো না । আজ ২৫ আগষ্ট , আমার মামনির জন্মদিন । এই দিনটা অনেক কিছু আমার কাছে। কতো [বিস্তারিত আজ পঁচিশ আগষ্ট]
রায়হান স্যারের সাথে অনেক বেশী ঘনিষ্ট হয়ে গেলাম ভাষার কারণে। সিলেটি ভাষা স্যার বুঝতেন না। আর আমার সাথে সাচ্ছন্দ্যে কথা বলতে পারতেন। কলেজে ভর্তি হবার আট/দশদিনের মধ্যে স্যার আমাদের বাসায় এলেন। আমাদের বাসাটা ছিলো ভরপুর আনন্দের একটা জায়গা। গানের আসর থেকে কাবাডি কিছুই বাদ পড়তো না। স্যারের কন্ঠ দারুণ। আর মামনি প্রথম দিনেই কন্ঠ শুনে [বিস্তারিত রায়হান সেলিম স্যার (দুই) – যাঁদের কাছে ঋণী এ জীবন : নবম ভাগ]
জীবন যে কখন, কি করায়, দেখায় আমরা জানিনা। কিন্তু আমরা তবুও চলি। প্রতিদিন কতো অচেনা মুখ দেখি, আবার সেই মুখের নাম জানিনা। আবার কারো নাম জানি, কিন্তু চেহারা জানিনা। একসময় পত্রমিতালী দেখতাম, জীবনে আমার একজনও পত্রবন্ধু নেই। আমার বর তরুণেরও নাকি পত্রবন্ধু ছিলো। আমার কি আফসোস! সেই আফসোস অন্যভাবে মিটিয়ে দিলো ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার। তরুণ দেশের [বিস্তারিত মডুরা কোথায়?]
পালং শাক ঃ- মজা করে নাম দিয়েছিলাম পালং শাকের পিন্ডি। না দিয়ে উপায় কি বলুন! এতো কুচিকুচি করে কাটতে হয়েছে, আমার মাথার বারোটা বেজেছে। এমনিতেই বেশীক্ষণ দাঁড়াতে পারিনা। এক্সিডেন্টের পর দুই পদ রান্না করতেই তিনঘন্টা লেগে যায়। যাক রান্নায় আসি এবার। উপকরণ ঃ পালং শাক, রসুন (দুই কোয়া), শুকনো মরিচ (একটা), কালোজিরা (তিন আঙুলের এক চিমটি), আদা [বিস্তারিত রেসিপি – দুই]
জাপানিজ নিরা শাক ঃ- বড়ো এবং লম্বা ঘাসের মতো দেখতে নিরা শাক। এই শাক চায়েনিজ দোকানে পাওয়া যায়। তবে এই শাক না পেলে পালং শাক দিয়েও এই ভর্তা তৈরী করা যায়। উপকরণ ঃ নিরা/পালং শাক, কালোজিরা, শুকনো লঙ্কা, রসুন, ধনেপাতা, সয়াবিন তেল (ভাঁজার জন্য), সরিষার তেল (মাখানোর জন্য), লবণ, হলুদ(অল্প)। শাকটা ধুয়ে পরিষ্কার করে অল্প সময় জল [বিস্তারিত রেসিপি – এক]
খ্রীষ্টমাস ট্রি যখন সাদা বরফে ঢেকে যায়, লা বিয়েত্রা তোমায় খুব মনে পড়ে। তোমার ঠোঁটের চুরুট আভিজাত্যকে পূর্ণতা দিতো গলিপথ থেকে রাজপথ মাড়িয়ে সাদা ঘোড়ার গাড়ী। শৈত্যপ্রবাহে যখন আমার কাঠের বাড়ী ঠকঠকিয়ে কাঁপতো, তোমায় ভাবতাম আমি। কেন জানো? তোমার নি:সঙ্গ আভিজাত্যকে আমি ভালোবেসে ফেলেছিলাম। কখনো সাহস হয়নি বলবার; কারণ বাবা বলতো অলক্ষ্মী আমি, আর মা অসহায় [বিস্তারিত লা বিয়েত্রা]
দশ বছরের স্কুল জীবন শেষ করে যেদিন প্রথম কলেজে পা রাখলাম, তখন কি ভেবেছিলাম এখান নতূন এক আমার জন্ম হবে? সব শিক্ষকদের কথা আমি যেনো সিলেট উওমেনস কলেজে ভর্তি পরীক্ষা দেই। বাপিকে বললাম বিশ্ববিদ্যালয় জীবন তো বাইরেই কাটাবো। এখন আমি কমলগঞ্জ কলেজে ভর্তি হই? বাপি কখনোই আমার আব্দার ফেলে দেয়নি। শমশেরনগরের থানা শহর কমলগঞ্জ কলেজে [বিস্তারিত রায়হান সেলিম স্যার (এক) – যাঁদের কাছে ঋণী এ জীবন : অষ্টম ভাগ]
ইব্রাহিম স্যার ঃ- কমলগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম। কতো কতো শিক্ষার্থী! কাউকে চিনিনা, জানিনা। শুধু ভর্তির সময় স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইব্রাহিম স্যারের সাথে পরিচয় হয়েছে। উনাকে দেখলাম খুবই নরম মনের মানুষ। স্যার এমনিতে আমায় নাকি চিনতেন। তবে সেটা বাপি-মামনির কারণেই। ভর্তির পর আমাকে ক্লাশ টেনের ক্লাশে নিয়ে গেলেন। গিয়ে বসলাম, ক্লাশে কোনো শিক্ষক ছিলো না [বিস্তারিত শিবাণী ম্যাডাম এবং ইব্রাহিম স্যার – যাঁদের কাছে ঋণী এ জীবন : সপ্তম ভাগ]
রান্নায় আমি খুবই অলস, বিশেষ করে নিজেদের জন্য করতে। তবে অতিথি আপ্যায়ণে অস্থির হয়ে যাই। চেষ্টা করি ভিন্ন রকমের খাবার তৈরীর। এক্সিডেন্টের পর এখন রান্না মোটেও করা হয়না। এখন লং উইকএন্ড চলছে, আজ শেষ দিন ছুটির, তাই রান্না করলাম। ভাবলাম রান্নাগুলো সোনেলার সবাইকে নিয়েই খাই। বলে রাখি, আমি যখন রান্না করি, ভুণা ছাড়া আর কোনোকিছুতেই [বিস্তারিত ভুঁড়ি-ভোজন]
ফ্রয়েডের ছবিতে নেশাগ্রস্ত কোনো নারীর শরীর কি দেখা যায়? উফ ফ্রয়েড চিত্রশিল্পী না, জেনেও কেন নিজেকে এমন প্রশ্ন? আচ্ছা একটি সভ্যতা তৈরীতে জরায়ূর দায়িত্ত্বে নিয়োজিত নারী শরীরের ভাঁজে ভাঁজে আকন্ঠ বিতৃষ্ণার কোনো রঙ কি কোনো পুরুষ কখনো দেখেছে? হা হা হা হা! পুরুষ কখনো মন দেখেনা, অঙ্গ দেখে। এ রাত্রি নিঃস্তব্ধ বড়ো, আজ চুমুকে চুমুকে [বিস্তারিত ভ্রূণ-সঙ্কট]
অফিসে কাজ করছি, হঠাৎ মনে এলো মৃত্যুর কথা। ওয়াকারটার দিকে চাইলাম। যে সময় থেকে উঠে এসেছি আজ, এমন এক্সিডেন্টে আজ পর্যন্ত কেউ বাঁচেনি। হয় মৃত্যু, নয়তো একেবারেই পঙ্গু এবং অবশ্যই ব্রেন ডেমেজ। কেন বাঁচলাম? তার মানে এই পৃথিবীতে এখনও আমার প্রয়োজন আছে। আসলেই আছে, আমি না থাকলে বাপি-মামনিকে কে দেখতো? ঈশ্বর তো একজনকে উছিলা হিসেবে [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা…**পনেরো**]
শামসুল হক স্যার :- জীবনে অনেকগুলো স্কুল পেয়েছি। শমশেরনগর গার্লস স্কুলে তখন সায়েন্স বিভাগ শুরু হয়নি। তাই ক্লাশ নাইনে শ্রীমঙ্গল বি.টি.আর.আই স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে সুযোগ পাই। সেই সময় ভারতেশ্বরী হোমসেও চান্স পাই আমি। কিন্তু এতোদূরে যেতে চাইনা। ভাগ্যক্রমে আমার মাসতুতো ভাই শোভনদা বাপিকে বললো আমার মনটা অন্যরকম, জোর করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। যদিও [বিস্তারিত শামসুল হক স্যার ও রীতা ম্যাডাম – যাঁদের কাছে ঋণী এ জীবন : ষষ্ঠ ভাগ]
যদি বুঝতে পারতাম “আসি” বলে চলে যাওয়া মানে, আর ফিরে আসা নয়। হয়তো তখন আমি “আচ্ছা এসো” বলতাম না। তোমাকে বলা হয়নি, ফিরে চলে যে যায়, তাকে আমি আর ফিরে দেখিনা। হ্যামিল্টন, কানাডা ১৯ জুলাই, ২০১৬ ইং। **ছবিটি টেমস নদীর। সেই ২০১০ সালে তোলা। আর এ কয়টি পংক্তির জন্ম হয়েছে প্রিয় বন্ধু ফুলের একটি লেখা [বিস্তারিত বিনি-বর্তন]