বলুন তো আপনারা এখানে কোথায় নারীদের নিরাপত্তা আছে? ভীড়ে ভরা রাস্তায়, দিনের আলোয় পথে-ঘাটে-প্রান্তরে, পৃথিবীর কোন দেশে, কোন শহরে কোথায় আছে নিরাপত্তা? নাকি এ নামের শব্দটি শুধুই অভিধানের অলঙ্কার? আমি নিরাপত্তা নামের একটা সাইনবোর্ড খুঁজে চলছি সেই কবে থেকে— দিন নেই, রাত নেই হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছি নাহ কোত্থাও নেই! নিরাপত্তার জন্য সেই শিশুকাল থেকেই [বিস্তারিত রেডলাইট এরিয়া এবং নগ্ন নিরাপত্তা]
খুব সৎ এবং সাহসী একজন প্রেমিক চাই। আকাশের মতো উদার, ঝড়ের মতো উদ্দাম, বৃক্ষের মতো কঠিন একজনকে চাই এমন একজন প্রেমিক; যার চোখে কোনো ভণিতা নেই, মুখ ভরা ঢঙ্গী ভাব নেই আবেগে ডুবে যেমন যেতে পারে, ঠিক তেমনি ডোবাতেও পারে, এবং ভাসতে ও ভাসাতে; অমন প্রেমিক আছে নাকি এ সময়ে? অসম্ভবের যুগ চলছে এখন আজকাল [বিস্তারিত সাহসী প্রেমিকের অভাব]
পল্লব স্যার – স্যার কলেজে আমাদের জীববিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন। স্যার ক্লাশে আসতেন, খুব সুন্দর করে বোঝাতেন। আমার খুব ভালো লাগতো স্যারের ক্লাশ। পল্লব স্যারও আমাকে বাসায় পড়াতে আসতেন ক্লাশ শেষ করে বিকেল পাঁচটার সময়। স্যারের বাসা ছিলো সিলেট শহরে। রোজ সকালে কলেজে আসতেন আর বিকেলে আমাকে পড়িয়ে সন্ধ্যার পাহাড়িকা ট্রেন ধরে সিলেট যেতেন। ওহ বলে [বিস্তারিত পল্লব স্যার, সুনীল স্যার (**এবং একজন জঘণ্য শিক্ষক বাসিত আলী**) – যাঁদের কাছে ঋণী এ জীবন : একাদশ ভাগ]
যতোবার ভাবি নাহ আজ থেকে আর লিখবো না। কি হবে লিখে শুধু শুধু শব্দ খরচ করে! অক্ষর-কপাটে “ত যোগ উ-কার” এবং “ম যোগ ই-কার” তালা দিয়ে রাখি, যাতে কিছুতেই “তুমি” শব্দটা ভাবনাকে বন্দী করে না রাখে। নাহ! হয়না! কিছুতেই কিছু হয়না— “তুমি” চলেই আসে। আর “তুমি” মানেই দীর্ঘ দীর্ঘশ্বাস, না-পাওয়া, হাহাকার, হা-হুতাশ! তাই প্রতিদিনই ভাবি [বিস্তারিত “তুমি”]
আমি মৃত্যু দেখে হেসেছি, রমনীয় স্মিত হাসি ছিলোনা সেটা– তারপর থেকেই মৃত্যু শব্দটার সাথে আমার আর কোনো টানাপোড়েন নেই। বরং জলজ্যান্ত দুঃখ দেখলে ভাবতে থাকি একটি কবিতা কি মনের শরীরে অঙ্কুরিত হতে চলেছে এখন? তখনই নিজেকে আমি একজন মানুষ হিসেবে বুঝি তা নইলে এই যে মনের আসে-পাশে কিছু ভরসা জমিয়ে রাখা আছে সেখানে কিছুই তো [বিস্তারিত খেলার খেলায়]
কিছু কিছু সময় আসে জীবনে যাকে গ্রহণ করে রাখতে কষ্ট আবার হারাতেও কষ্ট। হয়তো সকলের মনে হতে পারে, এ কেমন সময়? উত্তরটা আমি বের করেছি অপেক্ষা এবং তারপর এসে চলে যাওয়া। প্রতিটি সময়ই আসলে আমাদেরকে শেখায়। সময়ের প্রয়োজনে সবকিছুই হয়। কেউ এ কথা মানে, আবার কেউ না। আমি খুব মানি কথাটা। যেমন আরেকটা ব্যাপারে প্রচন্ড [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা…**আঠারো**]
“অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া দেখি নাই কভু দেখি নাই এমন তরণী বাওয়া।।”—-অবশেষে শারদীয়া এসেই গেলো। নীল আকাশে তুলো তুলো মেঘ, প্রকৃতির বুকে শুভ্র কাশফুলের নাচন, বাতাসে শিউলী ফুলের ঘ্রাণ দেবীর আগমনী বার্তাকে স্পষ্ট করে তুলেছে। দেবীপক্ষকে বরণ করার সময় এখন। আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষকে বলা হয় দেবীপক্ষ। কৃষ্ণপক্ষের শেষ দিন অর্থাৎ অমাবস্যার দিন [বিস্তারিত শারদীয়া দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা]
প্রথমা – যখন হঠাৎ পুরোনো কাটা দাগটায় আঙুল পড়ে, আলগোছে ছুঁয়ে যাই আর ভাবি কতোটা ব্যথা পেয়েছিলাম সেদিন কিছুতেই মনে পড়লো না সেই ব্যথার কারণ। অথচ দিব্যি মনে আছে আগুণ জ্বালিয়ে পুড়িয়েছি্লাম অনর্থক কিছু সময় তাতে আঙুল তো পোড়েইনি, এমনকি শরীরের কোথাও কোনো জ্বলুনীও হয়নি শুধু প্যারালাইসড মনের ভেতর যে ক্ষত, সেসব মনে থেকে গেছে [বিস্তারিত পঞ্চমী পর্যন্ত, রইলো কিছু কি বাকী?]
মৃত্যুর আগে মরবো না আমি, তুমি নিশ্চিন্তে থাকো হে পৃথিবী। সবুজের মধ্যে বর্ষার জলে চোখ ভেঁজাবো; তারপর, ধূলো-বালির প্রতিবাদী নগরীতে বাতাসে এই নি:শ্বাসের স্পর্শ রেখে, বুড়িগঙ্গার জলের আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখবো। মৃত্যু তো চিরন্তন! সেই সীমাহীন মৃত্যুকে সীমায় বেঁধে দেয়া হয়েছে বলে কান্না কেন? সব্যসাচী মানে বোঝো? যে দু’হাতে একইভাবে সমান কাজ করতে পারে। আমি [বিস্তারিত আমি সব্যসাচী –**সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের উদ্দেশ্যে**]
“সাতটি দিনে সাতটি ফুলে মালা গেঁথে এক সপ্তাহ হয় দুই পক্ষের তিরিশ দিনে বারো মাসে এক বছর ফুরায়… Monday সোমবার সপ্তাহ শুরু, Tuesday মঙ্গলবার কাজেতে পুরু Wednesday বুধবার, Thursday বৃহস্পতিবার সপ্তাহ চলে যায় ছড়া বলা ছন্দ সময় তো থামবার নয়, সময় তো থামবার নয়।। Friday শুক্র পরিপূত সাজ, Saturday শনিবার আধাবেলা কাজ Sunday রোববার ইস্কুল [বিস্তারিত এলোমেলো কিছু কথা…**সতেরো**]
রান্নার মরশুম চলছে। একদিকে ঈদ গেলো, অন্যদিকে পুজোও আসছে। শরৎ কাল মানেই রোদ-বৃষ্টির এক অপূর্ব সংযোগ। তাইতো আমার বুড়ো লিখে গিয়েছিলো, “পিছনে ঝরিছে ঝরো ঝরো জল, গুরু গুরু দেয়া ডাকে– মুখে এসে পড়ে অরুণকিরণ ছিন্ন মেঘের ফাঁকে।”——সত্যিই তো তাই। শারদীয়ার আগমন হলো। এ উপলক্ষে ভুঁড়ি-ভোজন তো অবশ্যই চাই। কথা না বাড়িয়ে এবার তবে যাওয়া যাক [বিস্তারিত রেসিপি – তিন]
অনেকটা সময় পার করে এসেছি। সেই কোথায় ১৯৯০ সালে একাদশ বর্ষে ভর্তি হয়ে কলেজ জীবনের এক নতূন রোমাঞ্চকর সময়ের ভেতর দিয়ে চলতে শুরু করা। আমরা সে সকলেই জানি। আমাদের কমলগঞ্জ কলেজটা এমন আহামরি কিছু না, কিন্তু ওখানের ছাত্র-ছাত্রী বন্ধুত্ত্ব, সৌহার্দ্য সত্যি অন্যরকম। অতিরিক্ত স্নেহ-মায়া-আদর নাকি চরিত্র নষ্ট করে ফেলে। অথচ আমাদের শিক্ষকদের অত্যাধিক স্নেহ কখনোই [বিস্তারিত বিশ্বজিৎ স্যার – যাঁদের কাছে ঋণী এ জীবন : দশম ভাগ]
ওমর খৈয়ামের কাছে বই হচ্ছে অনন্ত যৌবনা যদি তেমন বই হয়। তেমন বই মানে কি! সে আমি বলতে পারবো না। আবার প্রমথ চৌধুরী বলেছেন বই পড়ে নাকি সত্যিকারের জ্ঞান আহরণ করা যায়। এদিকে সৈয়দ মুজতবা আলী বলেছেন, বই কিনে কেউ নাকি দেউলিয়া হয়না। ব্রিটিশ লেখক সিডনি স্মিথ বলেছিলেন বইয়ের মতো সুন্দর নাকি বাড়ীর কোনো আসবাবপত্রও [বিস্তারিত একজন বই চোর লেখক]
আবারও পুজো চলে আসছে। বাতাসে পুজো পুজো গন্ধ। উঠোনের শিউলী গাছটা ভরে উঠেছে ফুলে ফুলে। একরাত্রির জীবন, অথচ কি নির্ভয়ে-নিশ্চিন্তে হেসে উঠছে সবুজ পাতাকে আড়াল করে। রবীন্দ্রনাথের দুটো গান বৃত্ত খুব গাইতো। বিশেষ করে শিউলী ফুল ফোঁটা শুরু করলেই। “ওলো শেফালি, ওলো শেফালি, আমার সবুজ ছায়ার প্রদোষে তুই জ্বালিস দীপালি…”, আরেকটা “আমার রাত পোহালো শারদপ্রাতে…।” সুদীপা [বিস্তারিত মৃত শিউলীর ঘ্রাণ (একটি সত্যি ঘটনা)]
নিনিষ্ণম, আমাকে কি তোমার মনে পড়ে কখনো? চব্বিশটি ঘন্টার প্রতিটি রুটিনের মধ্যে আমার অবস্থান কি আছে এখনও? নাকি ন্যাপথালিনের ঘ্রাণের মতো মিলিয়ে গেছি? আচ্ছা অনেক ভোরে যখন শান্ত শহরটা আড়মোড়া দিয়ে জেগে ওঠার প্রস্তুতি নেয়, ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ধোঁয়া ওঠা কফি মগে চুমুক দিতে দিতে ওই আকাশের দিকে কি চোখ যায় তোমার? দূরের ওই আকাশে ধ্রুবতারার [বিস্তারিত নিনিষ্ণম আমায় কি তোমার মনে পড়ে? (একটি চিঠি)]