জানো কি আমার অন্ধত্বের ভেতরে চেতনার দৃষ্টি বাস করে? আলোর রোদ কিংবা রোদের আলো নেই, তবু দেখতে পারতাম তোমাকে। অন্ধকারের ঘ্রাণ পেয়ে গেলে বুঝে যেতাম, এই এখুনি চলে যাবে তুমি আর আমার বিষাদগ্রস্ত সময় রাজত্ব করতে উঠে দাঁড়াবে তীক্ষ্ণ তীর-ধনুক হাতে পরাজিত যোদ্ধা হবার থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করে যেতে থাকবো আমি, ব্যর্থতাকে হারিয়ে দিয়ে তোমার [বিস্তারিত অর্ধশ্বাসে নিঃস্ব নিঃশ্বাস]
প্রিয় শমশেরনগর চা’ বাগান, কেমন আছো তুমি? তোমার উঁচু-নীচু টিলায় জন্মে থাকা চা গাছ, চায়ের পাতার ঘ্রাণ, ধূলো-কাদা মাখা পথ, সবুজ মাঠ, মাঠের চারদিক ঘিরে বাগান স্টাফদের বাসা, বিশাল বড়ো সেই দশ আর ছয় নম্বর লেক, গলফ ফিল্ড, নীল আকাশ, বাগান লাইনে বসবাসরত চা’ শ্রমিক, মসজিদ, একটা খুব ছোট্ট গির্জা, কালভৈরব দেবতা- মা দুর্গা মন্দির, [বিস্তারিত প্রিয় শমশেরনগর চা’ বাগান(প্রতিযোগিতা)]
তুমি এসো, নির্জন অন্ধকারকে ম্লান করে দিয়ে এসো। স্নান করাও পৃথিবীকে আরেকটিবার তোমার নতুন আলোয়; সমস্ত আকাশের স্তব্ধতা মিলিয়ে দিয়ে বেজে উঠুক তানপুরায় সুর, “এ কী সুগন্ধহিল্লোল বহিল, আজি প্রভাতে, জগত মাতিল তায়!” তুমি এসো, অন্যরূপে, পূর্ণ করে দাও যতো অপূর্ণতা আছে পুরোনো স্মৃতি-জরা-জীর্ণতাকে পেছনে ফেলে রেখে নীরবতার ভেতর দিয়ে এসে ঝড় ওঠাও তোমার ঝড়ের জলে [বিস্তারিত বৈশাখ হে, মৌনী তাপস (ম্যাগাজিন)]
শুধু আমার গুলটু, আমি জানি তুই বাংলা পড়তে পারিস না, তা-ও তোকে চিঠি লিখতে বসেছি। আজ যে তোর পনেরোতম জন্মদিন। অথচ মনে হচ্ছে এই তো সেদিন তুই এলি! জানিস যেদিন তোর অস্তিত্ব টের পেলাম নিজের ভেতর, সেদিন ছিলো ২০০১ সালের ৬ জুন তারিখ। থরথর করে কাঁপছিলাম তখন। চোখে আমার এতো জল লুকিয়ে আছে, সেদিনই টের [বিস্তারিত শুভ জন্মদিন তীর্থ]
আমি মানুষটা কেমন? জ্ঞানী নই, আবার খুব সিরিয়াস নই, খুব বেশী ইমোশনাল, নাহ তাও ঠিক নই। তবে অন্তত আঁতেল নই, নৈরাশ্যবাদী তো নই-ই। কেন এসব বলছি? এখন তো চিঠি নিয়ে কথা বলার কথা! প্রতিযোগিতায় অংশ নেবার জন্য প্রস্তুতি, যে করেই হোক প্রথম পুরষ্কারখানা চাই-ই চাই। আর আমি কিনা বিরক্তিকর টপিকস নিয়ে লিখছি? নাহ নীলা তুই [বিস্তারিত রিক্সা পাওয়া যাবার ভিডিও এবং শাঁকচুন্নীর কন্ঠ]
সেই সে যেবার বৃষ্টি হলো পূজোর মাসে পথ-ঘাট সব জল থৈ থৈ রিক্সা কোথায়! তুমি তখন অপেক্ষাতে বসে ছিলে, এদিকে আমি কিভাবে যাই, সে কথাই ভাবছিলেম। তখন তো আর ফোন ছিলোনা, শুধুমাত্র চিঠি ছিলো আর বসে মুখোমুখি যা কিছু সব কথা হতো। কি যে করি, ভাবছি তখন, রিক্সা কোথায়! কি করে যাই! তোমার তো একটুকুতেই [বিস্তারিত রিক্সা কোথায়!]
বেশ কিছুদিন থেকে আমি ব্লগ বা ফেসবুকে লেখালেখি বা মন্তব্যে সক্রিয় নই শারীরিক কিছু সমস্যার জন্য। কিন্তু আজ না লিখে পারলাম না। একটা দারুণ খবর পেলাম আমার সবচেয়ে প্রিয় শিক্ষক এবং অসাধারণ একজন মানুষ রায়হান স্যার মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এ যে আমার কি আনন্দের! কি বলবো ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা। আমি জানি [বিস্তারিত অভিনন্দন রায়হান সেলিম স্যার]
পরের দিন মানস স্থির করেই নিলো আজ যা হয় হবে, হয় এস্পার, নয়তো ওস্পার। অতো দেমাগ দেখানো কিসের! নিজেকে কি মনে করে রানী ভিক্টোরিয়া? আজ যদি চৈতি বেশী মুড মারে, সেও মুড দেখাবে। বন্ধুকে সাথে নিয়েই চৈতির কলেজে গেলো। কিন্তু মানসকে অবাক করে দিয়ে চৈতি সামনে এসে দাঁড়িয়ে বললো, ‘আজ কোনো গিফট নেই?’ মানস রীতিমতো [বিস্তারিত ফেব্রুয়ারির যতো দিবস (শেষ পর্ব) : সখী এই কি ভালোবাসা!!!]
সেদিন সারারাত মানস ঘুমাতে পারলোনা। সে ভাবছে আগামীকাল মানে ৮ ফেব্রুয়ারি কী যে করবে! যদি চৈতির মুখে হাসি থাকে, তাহলে প্রপোজ করবে। কিন্তু কিভাবে? পরেরদিন অনেক সকালে উঠলো মানস, তার বন্ধু দেখে তো অবাক এতো ভোরে কি ব্যাপার? বন্ধু বললো ‘কাল গোলাপ তো দিয়েছিস, আজ আবার কিসের প্রপোজ?’ মানস বললো, ‘তুই কোন যুগে আছিস? জানিস [বিস্তারিত ফেব্রুয়ারির যতো দিবস (তৃতীয় পর্ব) : সাতদিনে প্রেম শেখা]
গত পর্বে আমি নয়টি দিবসের কথা লিখেছিলাম। আজ বাকি এগারোটি দিবসের নাম দিচ্ছি। যদিও সবগুলো দিবস সম্পর্কে আমার ততোটা ধারণা নেই। তাই অতোটা বিশ্লেষণও করা সম্ভব হচ্ছেনা। তাছাড়া আমার এই লেখাটি সিরিয়াসধর্মী হিসেবে চিহ্নিত করতে চাইনা। আসলে আমার পোষ্টের মূল ফোকাস হচ্ছে ভ্যালেন্টাইনস ডে নিয়ে। যাক সবগুলো দিবসের নাম এবং তারিখসহ তুলে ধরছি। ১০) Propose [বিস্তারিত ফেব্রুয়ারির যতো দিবস (দ্বিতীয় পর্ব) : গোলাপের গল্প]
পৃথিবীতে মোট কয়টি দেশ? একসময় গ্লোব দেখে দেখে গুণতে হতো। আর এখন গুগল বাবু আছেন সহজেই সবকিছু জানা যায়। ২০১৬ সালের হিসেবে পৃথিবীতে মাত্র ১৯৫টি দেশ আছে। আর জাতি কয়টি? এর সঠিক হিসেব আমার পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। তবে গুগল বাবুর মতে প্রায় দেড় বিলিয়ন জাতি আছে এই পৃথিবীতে, প্রায় ৬,৫০০টি ভাষা আছে শুধু কথা [বিস্তারিত ফেব্রুয়ারির যতো দিবস (প্রথম পর্ব)]
তুমি জানতে চাইছো আমার কাছে কি কি আছে, যা তোমার কাছে নেই! শোনো, মনের খুব গহীনে একটি গোপন জলপ্রপাত আছে আমার রাত্রির অন্ধকারে জেগে ওঠে, আর; চৈত্রের রোদে পুড়ে, শীতের শুষ্কতাতেও ঝরে যেতে চায়, কিন্তু বোকা বোঝেনা, এ কি সম্ভব! আমার এই চোখের ভেতর একটি গভীর কূয়ো আছে, বৃষ্টিতে ভিঁজে, বিদ্যুতের চমকে কোনো অবস্থাতেই উছলে [বিস্তারিত যা যা আছে আমার]
একজন মানুষের পরিচয় তার নাম দিয়ে। বাবা-মা কতো আদর করে, ভালোবাসা দিয়ে সন্তানের নাম রাখেন। সেই পরিচয়টুকু নিয়েই সন্তানরা তাদের নিজেদের পৃথিবী গড়ে তোলে। তবে ওই পৃথিবীতে নারীদের বাসের জায়গা আছে, কিন্তু মালিকানা নেই। পরিচয় নেই। পেশা দিয়ে নারীদের পরিচয়টুকু যদিও কিছুটা আলোকিত হয়, কিন্তু নামটা হারিয়েই যায়। সারা পৃথিবীর নারীদেরই এই একই অবস্থা। এই [বিস্তারিত নারী তোমার কী পরিচয়?]
প্রিয় সাঁঝবাতি, কেমন আছিস? চোখের তীর ঘেষে কাজলের ওই রেখা এখনও কি আছে? নাকি চোখের নীচে কালি পড়ে গেছে? কতো কতো দিন-মাস-বছর পার হয়েছে, ভুলেই গেছি। প্রায় দুই যুগ, নাকি! যে আমরা মানে আমি-তুমি নই, সেই আমরাই এখন দুজন থেকে বহুজন। দুজনকে ছাড়া চলতে তো শিখেছি-ই, এমনকি বেঁচেও আছি। একসময় মনে হতো আমরা কখনোই আলাদা [বিস্তারিত সাঁঝবাতির কাছে চিঠি]