জীবনে প্রথম ধাক্কা খাই এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে। খুব ভালো ছাত্র ছিলাম না, কিন্তু একেবারে খারাপও ছিলাম না। গণিতে লেটার পেয়ে সেকেন্ড ডিভিশন, একেবারে মুষড়ে পড়েছিলাম নিজের ভেতর। স্বপ্ন ছিলো মেডিক্যালে পড়ার, যাক ইন্টারেও ধাক্কা খেলাম। বারোশো নম্বর হলোনা। মনে আছে মামনির বান্ধবীর মেয়ে, (নামটা মনে হয় লাভলী আপু, ঠিক মনে করতে পারছিনা), উনি গোলাপ ফুলের [বিস্তারিত জীবনে কঠিন চাপ এবং বিষণ্ণতার সাথে জয়ী হওয়া – পরীক্ষার ফলাফল]
“Life is not a bed of roses”—প্রবাদটি সেই স্কুল জীবন থেকেই শুনে এসেছি আমি। মানে জানতাম, কিন্তু বুঝতাম না। এই জানা এবং বোঝা দুটো শব্দই মারাত্মক ভয়ঙ্কর। কোনো জানা জিনিস বুঝিয়ে দেয়া যেমন সহজ নয়, তেমনি বুঝেও অনেক কিছুই জানানো যায়না। জীবন তাই যেমন সহজ, তেমনই কঠিন। কেউ কেউ বলে কান্না করলে কষ্ট কমে, আর [বিস্তারিত জীবনে কঠিন চাপ এবং বিষণ্ণতার সাথে জয়ী হওয়া]
এক :- তাকে আমার দেখা হয়নি আজও, সেও কখনো চায়নি আমায় দেখতে। তবুও কী জানি একটা সম্পর্ক অরবে এতোটা পথ— নীরব বিস্ময় চিহ্নের মতো স্থির-শান্ত; কখনো নদী হয়ে ওঠেনি, কিংবা ঝড়! দুই :- এখন তোমাকে দেবার কিছুই নেই আমার কাছে। না সত্যি, না মিথ্যে দেয়া কিংবা নেয়া, চাওয়া কিংবা পাওয়া নিজস্ব প্রয়োজনে সময় যেভাবে দিন-রাত [বিস্তারিত সম্পর্কের দরোজা-জানালা]
মাত্র এককাপ সময় হবে, অথবা এক টেবিলচামচ? আমার ছোট্ট একটা অণুগল্প আছে বলার… এক প্লেট আনন্দ আছে, এক গামলা সুখ গ্লাস ভরা দু:খ আছে এক চিমটি কান্নাও পাবে শুধু এককাপ সময় দেবে গল্প শোনাবার? এক রাজকন্যা যেমন করে গল্পবন্দী হয়ে গেলো! হ্যামিল্টন, কানাডা ১২ অক্টোবর, ২০১৭ ইং।
শুধু , আমার করে কেউ থাকেনা আমার ঘরে জানলা দিয়ে ওই যে আকাশ সেও যে অন্য কারো অনেক দূরে। নীরবতা শুধুই আমার যেইনা ভাবি হঠাৎ করে হৈ-হুল্লোড় চারদিকে সাড়া পড়ে। কেন জানি একা লাগে আমার মতো রাতও একা দিনের কাছে হাত পেতে চাই দাওনা আমায় সঙ্গ তোমার; তখনই যে ঝড় ওঠে, হারিয়ে ফেলি আবার তোমায়। [বিস্তারিত দশদিগন্ত]
এসব কি হচ্ছে আজকাল? পথে-ঘাটে-মাঠে-ঘরের ভেতর সবজায়গাতেই যেনো ধর্ষণের মহোৎসব চলছে। একসময় ছিলো মেয়েদেরকে উঠিয়ে নেয়া, তারপর চললো এসিড সন্ত্রাস। কয়েকবছর থেকে একেবারে লাগাতার ভাবে শুরু হয়েছে ধর্ষণলীলা। আগেও ছিলো, কিন্তু এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। কী শিশু, কী বৃদ্ধ, কী তরুণী সবাই যেনো গণিমতের মাল। পাকিস্তানীরা যেমন যুদ্ধের সময় যে নারীকে পেয়েছে, তার সব খেয়েছে। মেরেছে [বিস্তারিত এবং কিছু কথা]
এখন আমার ক্যালেন্ডারি বয়স ৪৪। যখন থেকে জন্মদিনের মানে বুঝতে শিখেছি, প্রতিটি বছরকেই নতুন মনে করে আনন্দে মেতে উঠি। জীবনের একেকটি ধাপ, কতো কতো মোড় পাড়ি দিয়ে আজ এখানে এসেছি। ভালোবাসায় আপ্লুত হয়েছে, নীরব কান্নায় চোখ ভিঁজিয়েছি, প্রচুর যুদ্ধ করেছি হাসিমুখে, আবার প্রাণভরে নেচে উঠেছি। যদিও পৃথিবীর প্রায় সকল মানুষের জীবনই এমন। আমিও তার ব্যতিক্রম [বিস্তারিত আমি নীলাঞ্জনা]
প্রিয় দুপুর, সমস্ত কিছু শেষ করে দিয়ে এসে এইমাত্র এসে বসলাম। খুব এলোমেলো ছিলাম, মাথায় কাজ করছিলো না, কি করা উচিৎ এখন আমার! দেখলাম ভেবেচিন্তে কোনো লাভ হচ্ছে না। তাই আর ভাবনাকে বেশী ঘাঁটাতে গেলাম না। এই যে লিখছি ফুরফুরে সন্ধ্যায়, খুব ভালো লাগছে। আমার চারদিকে সবুজ অন্ধকার, জোনাকির আলো, আর আকাশে বিশাল বড়ো চাঁদ। [বিস্তারিত দুপুরের কাছে চিঠি]
স্বাধীনতা? এমন বুঝি নাম হয়? খুব ইন্টারেস্টিং চরিত্র নিশ্চয়, তা নইলে এই নাম বলতেন না আমায়! তা যা-ই হোক, বলুন তো, আচ্ছা স্বাধীনতা দেখতে কেমন? তার গায়ের রঙ কী? তার কী চোখ-নাক-মুখ আছে? কোন ভাষায় কথা বলে স্বাধীনতা? সে কী চলতে পারে? বলতে পারে? গাইতে পারে গান? আবৃত্তি পারে?—কিচ্ছু জানেনা!!! তাহলে জানেটা কী? গল্প-কবিতা লিখতে [বিস্তারিত স্বাধীনতা এবং…]
যে কয়েকটি পরিবেশন আমার মন ছুঁয়েছে খুব বেশি, তাদের মধ্যে ছিলো তিন বছর বয়সীদের পরিবেশনা। উপস্থাপিকা দর্শকদের উদ্দেশ্যে বললেন জীবনের প্রথম স্টেজে উঠছে ওরা, ওদেরকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করতে। এতো চমৎকার ছিলো ওই পরিবেশনাটা, আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়ে রইলাম। আগেই বলেছি এমিলি অসাধারণ নৃত্যশিল্পী। ও একাধারে সবগুলো গ্রুপের সাথেই ছিলো। ও ব্যালে কিংবা জ্যাজ, এক্রো কিংবা হিপহপ [বিস্তারিত ভালোবাসার জন্য নৃত্য : শেষ পর্ব]
আমার নার্সিং সুপারভাইজার লিয়া আমাকে খুবই ভালোবাসে। আর সে যে আমাকে কী পরিমাণ কেয়ার করে তা জেনেছি এক্সিডেন্টের পর। আমি যে ওয়াকার ব্যবহার করি সেটা ওরই দেয়া। আর লিয়ার মেয়ে এমিলি জানিনা আমাকে কেন এতোটা ভালোবাসে! আমার যেহেতু মেয়ে নেই, তাই এমিলিকে আমি খুব বেশি ভালোবাসি। এমিলি চমৎকার ব্যালে করে। ব্যালে নাচ সম্পর্কে সকলেই জানেন। [বিস্তারিত ভালোবাসার জন্য নৃত্য : প্রথম পর্ব(দুটো পর্বে সমাপ্ত হবে)]
চোখের নীল আভা সে তো কবেই বিদায় নিয়েছে এখন নীলের পরিবর্তে চোখের নীচে কালির স্পট হৃদয়ে ক্যান্সার হাতে ইঞ্জেকশন কলংকিত ঠোঁট তারপরও ভালোবাসো ? নাকি করুনা — অভিনয় ! অবশ্য যাই করোনা কেন ক্ষতির কোনো সম্ভাবনাই নেই যে মানুষ ক্ষতকে ভালোবাসে তার আবার ক্ষতি ? আর বোলোনা ওভাবে — “সপ্তপর্ণা ! তুমি আমার প্রতীক্ষার তেরোটি [বিস্তারিত আবর্ত]
আমি তোমাকে খুঁজছি, নাকি আমাকে, ঠিক বুঝে পাচ্ছিনা! আচ্ছা তুমি কি বলতে পারবে সামনে এসে, আমার নামটি ধরে ডেকে বলবে, “এই মেয়ে তুমি আমাকেই খুঁজছো! কেবলই আমাকে!” আচ্ছা কতোদিন হলো কথা হচ্ছেনা? দিন, মাস নাকি বছর? তোমার উত্তাল জোয়ার আমাকে ভাসিয়ে নিচ্ছেনা, ভুলেই গেছি কবে জানি! আচ্ছা এখুনি চলে এসে আমাকে চমক দিয়ে টেনে নিতে [বিস্তারিত আচ্ছা একদিন যদি]
কোনো একদিন যদি অগাধ কিন্তু সাবধানী(!) স্বাধীনতা পেয়ে যাই, প্রথমেই তোমার কাছে যাবো। হয়তো আমাকে অচেনা লাগবে, অমন চঞ্চলতা আর না দেখে! জলের মতো গড়িয়ে পড়া পাহাড়ি ঝর্ণা এখন নুড়ি-পাথরের মতো কিনা! তবুও একদিন চলে আসবো ঠিক খুড়িয়ে খুড়িয়ে দু’ চোখের সমুদ্রকে ভাসিয়ে দেবো এক চিমটি আনন্দের ভেতর। বহুদিন কোথাও যাওয়া হচ্ছেনা। হুম নিমন্ত্রণ, পার্টি [বিস্তারিত গ্রেট স্মোকি হলো ফলস-এ কিছুক্ষণ]
এক অদ্ভূত সঙ্কেত পেলো ঋক নিরবচ্ছিন্ন নীরবতার মধ্যে। একটি চিঠি লেখার কথা ছিলো। সে ভুলে গেছে কবে, কখন বলেছিলো, “হুম লিখবো। ভেবোনা আমাকে নিয়ে।” কিন্তু আজও লেখা হয়ে ওঠেনি। কি যে হয়েছে আজকাল তার, বয়স কি মস্তিষ্কের নিউরণকে গিলে খায়? ক্যালেন্ডারের পাতার মধ্য দিয়ে জীবনকে চলতে দেয়নি বলেই কি আজ ব্যঙ্গ করছে ক্যালেন্ডারের ওই তারিখগুলো? [বিস্তারিত অহঙ্কারী অভিমান]