“তুমি”

তুমি মানেই না-পাওয়া...
তুমি মানেই না-পাওয়া…

যতোবার ভাবি নাহ আজ থেকে আর লিখবো না।
কি হবে লিখে শুধু শুধু শব্দ খরচ করে!
অক্ষর-কপাটে “ত যোগ উ-কার” এবং “ম যোগ ই-কার” তালা দিয়ে রাখি,
যাতে কিছুতেই “তুমি” শব্দটা ভাবনাকে বন্দী করে না রাখে।
নাহ! হয়না! কিছুতেই কিছু হয়না—
“তুমি” চলেই আসে।
আর “তুমি” মানেই দীর্ঘ দীর্ঘশ্বাস, না-পাওয়া, হাহাকার, হা-হুতাশ!
তাই প্রতিদিনই ভাবি এই এখন থেকেই আর লিখবো না,
তবুও লিখেই যাই—
কারণ যখনই থামিয়ে দেই লেখা, ঘাড়ের কাছে কেউ নিঃশ্বাস ফেলে
ফিসফিসিয়ে বলে, “এই মেয়ে, আমার জন্যে তুমি লেখো প্লিজ।”
ওকে এড়িয়ে যাবার মতো মনের জন্ম হয়নি আজও।

 হ্যামিল্টন, কানাডা
১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ইং।
মোট পড়েছেনঃ ৮৯৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

      1. তার মানে আপনি গান করেন! এবারে গান গেয়ে শোনান। তাহলে আর হ্যান্ডপাম্প ভাইয়া বলে ডাকবো না। তা নইলে আরোও ভয়ঙ্কর নামে ডাকবো কিন্তু। 😀

  1. হুম, বুঝলাম আপনার তুমির অনেক শক্তি 🙂 উল্টা পাল্টা চিন্তা বাদ দিয়ে বেশি বেশি করে লেখুন নীলাদি। নইলে ‘তুমি’ এসে ঘাড় মটকে দিতে পারে 🙂

    1. ভাভু বাইয়া উল্টাপাল্টা চিন্তা না থাকলে কি আর লিখতে পারতাম? আরে “তুমি”র অতো সাহস নেই। কারণ এই “তুমি”কে আমি-ই শব্দে সাজিয়েছি। 😀

  2. “তুমি” মানেই দীর্ঘ দীর্ঘশ্বাস, না-পাওয়া, হাহাকার, হা-হুতাশ!

    আবার সেই তুমির জন্যই লেখা, বেশ তো এমন হলে মন্দ হয় না।

    1. এই লাইনটার জন্যেই আসলে সবটুকু লেখা এসেছিলো। “তুমি”টা কোনো মানুষ নয়, দুটি অক্ষর, এটাই বোঝাতে চেয়েছিলাম। 🙂
      ভালো থাকুন দাদা।

  3. তুমি মানেই না পাওয়া, একারনে আমার তুমি নেই, না পাওয়াও নেই। না পাওয়া নেই তাই এমন লেখাও নেই আমার 🙁 কত ছোট লেখা কত সুন্দর!!!!

    1. লীলাবতীদি আমার আবার তুমি আছে। এক তুমি শুধু না, তিনজন তুমি! :p
      এক তুমি আমার বুড়ো,
      দুই তুমি আমার আনন্দ
      তিন তুমি আমার নীল কবিতা
      চার তুমি ছেলের বাবা তরুণ 😀

      বুঝেছেন তো! আমার অবস্থা কেমন সঙ্গীন! ;(

      1. তুমি শব্দটির বানান করে বলাকে লিখিত রূপে প্রকাশ অসাধারণ লেগেছে। মন্তব্যের স্বার্থে তুমি সম্বোধন করেছি। কিছু মনে করবে না জানি তবু অনুমতিটা এখনই নিয়ে রাখি।
        দ+ ই-কার+দ+ই-কার,
        আ+ম+ই-কার ত+উ-কার+ম+ আ-কার+ক+এ-কার ত+উ-কার +ম+ই-কার ব+ল+এ-কার ড+আ-কার+ক+ব।

    1. এই সেরেছে! আচ্ছা দেখি কিভাবে কি করা যায়! তবে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করবো আপনার এই চাওয়াকে পূর্ণ করতে।
      আগেও বলেছিলাম, আমি সেলফোনে ভয়েস রেকর্ডারে রেকর্ডও করেছিলাম। কিন্তু ইউটিউবে দিতে পারিনি ভিডিও বানিয়ে। কারণ কিভাবে সম্পাদনা করতে হয় আমার জানা নেই। তবু আবারও চেষ্টা করবো, “একবার না পারিলে দেখো শতবার” প্রয়োগ করে। 😀

  4. ‘তুমি’ একজন কবি’র সস্তা আবেগ। কিন্তু সমস্যা হল এই আবেগ যতই সস্তা হোক কোন কবিই তাকে ছাড়তে পারেন না।

    থীমটা ভাল লেগেছে কবিতা ভাল লাগেনি :p

  5. তুমি তে তুমি। এই তুমি যখন বলে ওঠে,” না গো সব ঠিকই আছে, সেই আগের মতো” । কবিতার খাতায় আমার শব্দ নাচে।
    আমার এক তুমি আছে। সে তুমি কখনো আমার উচ্ছল শব্দ কখনো বেদনার কালো রং। শব্দ তখন কালি ছড়ায় ঠিকই হেসে ওঠে না।
    মিশরকন্যা নীলনদ সুন্দরী, প্রতিবারের মতোই ওয়াও হইছে।
    ইশশশ, ঘোড়ারডিম! কেন যে এমন লিখতে পারি না আমি!
    অনেক ভালবাসা নিও। অসুস্থতার জন্য তোমাকে দেওয়া ওয়াদা রাখতে পারিনি আপু। স্যরি।

    1. শান্ত-সুন্দরী এভাবে মন্তব্য করলে তো সমস্যা! চরিত্রহীনা হয়ে যাবো। :p

      এই কি ওয়াদা গো? ;?
      এই দেখো আমি নিজেই ভুলে গেছে। ^:^

      আর শোনো নিজের খেয়াল নেবে। আর যেনো না শুনি তোমার অসুস্থতার খবর বলে রাখলাম। :@

      রাগ হয়েছিলো, এখন আবার চলে গেছে। -{@ (3

মন্তব্য করুন