——-“বিভ্রম”——-

রাসেল হাসান ৭ জুলাই ২০১৫, মঙ্গলবার, ০৫:১০:৫৫পূর্বাহ্ন বিবিধ ১৪ মন্তব্য
ডিম লাইটের নিয়ন আলোয় চোখ নামিয়ে কিবোর্ডের দিকে দৃষ্টি অনুপাত করে একটা একটা করে বোতাম চেপে যাচ্ছি। অন্ধকারাচ্ছন্ন রাত। জ্যোৎস্না বিলুপ্ত হয়েছে আমাবর্ষায়! রাতের গভীরতা বাড়ছে। নড়বরে হাতল ভাঙ্গা চেয়ারে নির্লিপ্ত বসে আছি আমি। দেয়াল ঘড়ির টিক টিক শব্দটা সময়ের শৃঙ্খলতা বর্ণনা করছে। চক্রাকারে বিহব্বলতা কানায় কানায় পূর্ণ। অবাঞ্চিত ধ্বনিমুক্ত শহর নিস্প্রান ঘুমে আচ্ছন্ন। কলঘর [বিস্তারিত]

প্রবঞ্চক নারী

পারভীন সুলতানা ৬ জুলাই ২০১৫, সোমবার, ১০:২৭:৫৪অপরাহ্ন কবিতা ২৬ মন্তব্য
তুমি এখন অনেক, অনেক বড় ইচ্ছে হলেই যখন তখন আকাশ ছুঁতে পার, কাঞ্চনজঙ্ঘায় তোমার বিজয় পতাকা উড়ে অনুক্ষণ। অথচ আমার এখন নিরন্ন উপবাস লক্ষন রেখায় শৃঙ্খলিত আমার চরণ উন্মুক্ত দ্বার সবার, আমি শুধু অশুচি এখন। আমার সারাদিন উপবাস নিরান্ন পাত, ফুল পাতা জল আর প্রভুর নাম ঘরের পুরুষ পরের যখন, শুন্য আমার আবাস। এবং আশ্চর্য [বিস্তারিত]
ধোলাই খাল (১৮৭০) বুড়িগঙ্গার তীরে একটি মন্দির (১৮৭০ সাল) লালবাগের কেল্লা (১৮৭২) বড় কাটরা, ঢাকা (১৮৭০) নারিন্দা খ্রিষ্টান কবর স্থান (১৮৭৫) টঙ্গি ব্রিজ (১৮৬০) পদ্মা নদী (১৮৬০) চকবাজার (১৮৮৫) ঢাকা কলেজ (১৮৭২) গড়াই নদী, কুষ্টিয়া (১৮৬০) সেন্ট থমাস গীর্জা ,ঢাকা (১৮৭২) একটি বাংলাদেশী গ্রাম (১৮৬০) রমনা (১৮৮০) পুরাণ ঢাকার একটি অজানা রাস্তা (১৮৭২) সংগ্রহ : [বিস্তারিত]

লম্বা বেনীর সেই মেয়েটা

সাতকাহন ৬ জুলাই ২০১৫, সোমবার, ০৭:৪০:৫৩পূর্বাহ্ন কবিতা ২২ মন্তব্য
কেউ বা যেতো আলোচনায় কেউ শুনতো গান আমার মধ্যে ছিলো কিন্তু অন্য কিছুর টান। কালী মন্দির, সন্ধ্যা পুজো নাগ-লিঙ্গম ফুল তারা আমায় টানতো কাছে ভীষণ রকম ভুল। আলোকচিত্রে নরেন্দ্রনাথ বারোই জানুয়ারি মা সারদা, বড় পুকুর ঠাকুর মশাইর বাড়ি ওসব কিছু টানতো নাতো আমায় কোনোদিন অন্য কিছু টানতো আমায় টানতো অন্তহীন। আমায় টানতো পুবদুয়ারী ছোট্ট টিনের [বিস্তারিত]
বেনীমাধব বেনীমাধব তোমার বাড়ি যাবো— বেনীমাধব তুমি কি আর আমার কথা ভাবো— লোপামুদ্রার হৃদয়ছোঁয়া এই গানটা শুনলে মনে হয় বেনীমাধবরা এতো নিষ্ঠুর কেনো হয়?—বেনীমাধবদের জন্য কতোটা আবেগে ভাসছে নাম না জানা সে মেয়েটা?—উফফফফ্ কতো আকুলতা?—কোথায় জানি পড়েছিলাম “সত্যিকারের প্রেমধারী প্রকৃত প্রেমিক কখনো মানুষ থাকে না, স্রষ্টা হয়ে যায়”—আর সেজন্যই বুঝি বেনীমাধবরা স্রষ্টা হওয়ার ভয়ে ছলনায় [বিস্তারিত]
আমেরিকার ২৩৯ তম জন্মদিন গেল। সন্ধ্যা আর রাত্রির মিলন ক্ষণে অদ্ভুত সুন্দর এক আকাশের নিচে হাজার হাজার উৎসুক মানুষ আকাশের দিকে চেয়ে। কেউ নদীর ধারে, কেউ বা ব্রিজের উপরে। কেউ হাত ধরাধরি করে দাঁড়িয়ে। কেউ বা ক'দিন আগে জন্ম নেয়া শিশুকে বুকে জড়িয়ে। পুরো পরিবেশটা কেমন সহজ, সরল, শান্ত আর স্বতঃস্ফূর্ত। রিহান আজ জীবনের প্রথম [বিস্তারিত]
তারপর তোর আর ফোন নেই বহুদিন। পুলকের সাথে কথা হলো। বললো, "ফোন দেয়ার সময় কোথায়? প্রেমে পড়েছে যে।" আমি শুনে অবাক। তুই যে কিনা অনেক স্বচ্ছতর সম্পর্ক বিশ্বাস করিস, সে বিয়ে-বহির্ভূত প্রেম! বিশ্বাস না করেও পারিনা পুলকের কথা। পুলককে বললাম ধ্যৎ তুই না যে কি! পুলক আর আমি অনেক জোরে হাসলাম। তারপর জানিস পুলক আমার [বিস্তারিত]
শুরুটা হয়েছিলো সন্দেহ,অবিশ্বাস দিয়েই। অনলাইনের সেই অমাবস্যার দিনগুলোতে বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলায় দুলছি। কত হায়েনার চিৎকার চতুর্দিকে। ডাইনিদের কালো মুখগুলো হেঁটে চলে দিন রাত। আইডি খেয়ে ফেলার, রিপোর্টের মহোৎসব। ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট এলো তখনই। একজন মাত্র মিউচ্যুয়াল ফ্রেন্ড। ধরেই নিয়েছিলাম আর একজন শত্রু, ছাইয়া নিক। দেখা যাক কি হয় ভেবে এক্সেপ্ট করে ফেলি। এ্যাড করার পর আরো [বিস্তারিত]
"আমারে নিবা মাঝি লগে??".যদিও আমি মাঝি না। তবে হ্যাঁ, আমি মাঝি কিন্তু নৌকার মাঝি না, বড় বড় জাহাজের মাঝি।তবুও এমন করে কোনদিন কেউ বলেনি তারে লগে (সাথে) নেওয়ার কথা।.বলেনি কেউ "জানি আমাকে ছেড়ে থাকতে তোমার কষ্ট হয়/হবে, এইবার যাওয়ার সময় আমাকে সাথে নিয়ে যাবা, আমিও দিনের আলোতে সীমাহীন বিশাল নীল সমুদ্র দেখবো, ঢেউয়ের সাথে পাল্লা [বিস্তারিত]

বেঁচে থাকুক স্বপ্ন!

রাসেল হাসান ৪ জুলাই ২০১৫, শনিবার, ০৬:০৭:৫১অপরাহ্ন বিবিধ ১৬ মন্তব্য
-চোখ দুটো ঝাপসা হয়ে আসছে, তবুও লিখছি! কারণ লিখতে টিখতে ভালো লাগে। খারাপ লাগেনা! একদিন এক রাত জেগে শরীরটায় বেশ দুর্বলতা অনুভব করছি। তবুও লিখছি। কিছু প্রকাশ করার মাঝে এক্সট্রা কোন সুখ নেই। পরিবর্তন নেই। এতে ক্লান্তি বিদেয় হয়না। দুঃখ মোছেনা। আবার কষ্টও ঘুচে না! তবুও মনের ভাবটা প্রকাশ করতে ভালো লাগে। খারাপ লাগেনা। -যতবারই [বিস্তারিত]

গল্পঃ তোর পিছু

হিলিয়াম এইচ ই ৪ জুলাই ২০১৫, শনিবার, ০২:০৩:২৮অপরাহ্ন গল্প, বিবিধ ২২ মন্তব্য
সূর্য এখন আর নেই, তবুও সে তার অস্তিত্ব জানান দিয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমের আকাশটা এখনও লাল হয়ে আছে। গাছগুলো ছায়া মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টায় আছে। সেই কখন থেকে ঝিঁঝিঁ পোকাগুলো ডেকে চলেছে। তাদের চিৎকার শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছি। রাণু গান ধরলো। রাণুর গানের গলা বেশ ভালো। সে গানে আমি আমার মগজের শুকনো জমিতে [বিস্তারিত]
সময়ের স্রোতে ছুটে চলা তরী যুদ্ধের নিশাণা লাগিয়ে গায় ভয় কি বন্ধু মরন যদি হয় স্বদেশকে ভালবেশে। সমরের পাশে এখন সবাই আছে।যাকে কখনো ভাবেননি আসবেন সেই স্বর্নার রাগভারী পিতা সেও হাসপাতালে তার পাশে শিয়রে সিটে বসা।চোখ মেলে সমর অবাক হন,তার সন্মানার্থে শুয়া থেকে কিছুটা উঠবার চেষ্টায় তাতে স্বর্নার পিতা স্নেভাজন সূরে তাকে বিশ্রাম নিতে বলেন। [বিস্তারিত]

ধিক্কার

অরণ্য ৪ জুলাই ২০১৫, শনিবার, ১০:২২:৫৯পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ২৪ মন্তব্য
ছি! সাইফুল! ছিহ্‌! কি করে তুই টিচার ছিলি একটু বলবি কি? ছিলি তবু টিচার ঢাকা ভার্সিটির যে নামে আমি উঁচু করি শির; তুই সেখানে টিচারের বেশে ডিপার্টমেন্টের মাথা হয়ে বসে কন্যাতুল্য তোর ছাত্রীর কাছে জোর করে তার উরু নাভি ঘসে নম্বর দিবি কি! ছি! সাইফুল! ছিহ্‌! ধিক! সাইফুল! ধিক! চিরকুমার তুই মাস্টার ছিলি! আদতে সমাজ [বিস্তারিত]
[caption id="attachment_32983" align="aligncenter" width="382"] আয় স্পর্শ করি মেঘের জল…[/caption] সবাইকে অবাক করে দিয়ে একই কলেজে চাকরী আমাদের। এখানেও ছাত্র-ছাত্রীদের প্রিয় শিক্ষিকা তুই।এতো ভালোবাসা দেখে আমার হিংসের চেয়ে কান্না পেতো, জানিস? সুখের কান্না। শুধু সৃষ্টিকর্তাকে বলতাম তোর ওই হাসিটুকু যেনো আজীবন রাখে। একদিন এ কথাটা তোকে বলায় তুই বলেছিলি, "শোন দক্ষিণাটা আমায় দে, আমি আমার হাসি [বিস্তারিত]

একলব্য

সাতকাহন ৪ জুলাই ২০১৫, শনিবার, ০৩:২৮:০৪পূর্বাহ্ন কবিতা ১৫ মন্তব্য
হাঁটু ভেঙে বসে নতজানু হয়ে ভালোবাসা চাই যতো ততোবার তুমি সুকৌশলী উন্নত, উদ্ধত। চাওয়ার চাইতে পেয়েছো অনেক আমি তো সহজলভ্য আশা-ভালোবাসা ছেঁটে ফেলে আমি আজ একলব্য। ৪ জুলাই ২০১৫, ধানমন্ডি; ঢাকা

আর্কাইভ