তুমি এখন অনেক, অনেক বড়
ইচ্ছে হলেই যখন তখন আকাশ ছুঁতে পার,
কাঞ্চনজঙ্ঘায় তোমার বিজয় পতাকা উড়ে অনুক্ষণ।
অথচ আমার এখন নিরন্ন উপবাস
লক্ষন রেখায় শৃঙ্খলিত আমার চরণ
উন্মুক্ত দ্বার সবার, আমি শুধু অশুচি এখন।
আমার সারাদিন উপবাস
নিরান্ন পাত, ফুল পাতা জল আর প্রভুর নাম
ঘরের পুরুষ পরের যখন, শুন্য আমার আবাস।
এবং আশ্চর্য কথা,
তোমার পদতলে প্রকম্পিত গৃহীর আবাস।
পূজারীর দাবী , শরীর ছোঁয়া মস্ত অভিশাপ
আমি নই , আমার বিধাতার অনুচ্চ আলাপ ।
বিধির বিধাতা অনুপস্থিত এখন কিংবা তখন ,
বাস্তব বর্জিত অভিশাপ নারীর ললাট লিখন।
তুমি এখন অনেক বড়, মস্ত একজন
আত্ম প্রবঞ্চক নারী,
মঙ্গল কামনায় উপবাস,তোমাতে তুষ্ট সামান্য জীবন।
মোট পড়েছেনঃ ৭৭২জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
অসাধারণ শব্দ চয়ন। ভাল লেগেছে শব্দ নিয়ে খেলা। গভীর অনুভূতি প্রকাশ ঘটেছে কবিতায়।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
খুবই ভালো লেগেছে কবিতা।
অনেক ধন্যবাদ।
কবিতা অনবদ্য। (y)
অনেক ধন্যবাদ।
আপু, এমনটাই তো হয়ে আসছে হাজার বছর ধরে। আমরাই দিয়েছি তাদের এই অধিকার। 🙁
তা কি আর বলতে ? আজো সেখানেই আছি, ছিলাম যেখানে।
আমি কবিতা বুঝি না। 🙁
কিন্তু শব্দ গুলো জটিল হলেও ভালো লেগেছে….
আমি অন্ততঃ চেষ্টা করি সবার বোঝার মত লিখতে । ধন্যবাদ।
না আপু আপনার দোষ না। আমি কবিতাই কম বুঝি। 🙁
আমারগুল বুঝলেই চলবে ।
দিন শেষে ত্যাগ সে চিরায়ত নারীর ই।
হতে পারে আত্ম প্রবঞ্চনার, অবশ্য এ ত্যাগ সবাই করতে পরে না।
ভাল, অনেক ভাল।
ধন্যবাদ। সাথে থাকবেন ।
অনিকেত নন্দিনীর সাথে একমত।
‘এমনটাই তো হয়ে আসছে হাজার বছর ধরে।’
সত্যকে পাশ কাটাই সাধ্য কি আমার।
মঙ্গল কামনায় উপবাস,তোমাতে তুষ্ট সামান্য জীবন 🙁 এমনই তো আমরা 🙁
আমরা আমরাই, স্রষ্টাই আমাদের এমন রসায়ন দিয়ে বানিয়েছেন।
একেবারে সেই সনাতন যুগ থেকে আজকের এই চরম আধুনিকতায় পড়ে আছে চরম অবহেলায় । কজন আর ঘাড় বাকিয়ে দাড়াতে পায় !
খুব কম সংখ্যক নারী ঘার বাঁকিয়ে দাঁড়াতে পারেন।আপু শেষ জবাব গুলো ‘জবাব’ ক্লিক করে দিচ্ছেন না,ফলে আপনার জবাব আলাদা হয়ে যাচ্ছে 🙂
হাহাহা…. এই কাহিনীটা আমার প্রায়ই হতো। এখন অনেকটাই ঠিক হয়ে এসেছে।
নতুন নতুন তাই এমন হচ্ছে, ঠিক হয়ে যাবে।
৯৫% নারীই সীমাহীন কম্প্রোমাইজ করে জীবন কাটায়।
যুগের পর যুগ এভাবেই চলে আসছে।
না কাটিয়ে উপায় ? নারী যে সংসারকে সন্তানকে সবচাইতে ভালোবাসে ।
অসামান্য কবিতা আপু। কবিতার শব্দাবলী, মেসেজ সব চমৎকার।
অথচ সংসার ভেঙ্গে গেলে সবাই নারীকেই দোষি মানে 🙁
কেন সংসার না ভাঙলেও যে কোন অঘটনের জন্য আজো নারীকেই দোষ দেয়া হয়।