টানাপোড়েন//

হয়তো লিখবো আবার কখনো….. নয়তো বন্ধ করে ডায়রীর পাতা ফিরে যাবো অন্যকোনো পৃষ্ঠায় লিখতে বাজার ফর্দ। নির্বাসনের এক মহা গারদের ঘুলঘুলিতে আটকা থাকুক যাবতীয় কাব্যের বর্ণমালা। লিখবো…… সময়কে হাতে ধরে ঠাঁসবুনটে লিখে রেখে যাবো যাবতীয় প্রাপ্তি-অ-প্রাপ্তির খেরো খরচা। খুব করে দোটানা নয়! টানাটানি’র টানাপোড়েনে নিঃশ্ব ভালবাসার রম্যকথন নয়তো জলকাব্য। খুব ইচ্ছের কাছে হেরে যাওয়া এক [বিস্তারিত টানাপোড়েন//]

কেমন আছিস তুই//

জানিস্! ভীষণ মনে পড়ছে তোকে। এই মাসটা এলেই আমি বিষণ্ণ হয়ে যাই।আমার বুকের ভেতরে চাপ চাপ কষ্টেরা কিলবিল করে।এ মাসটা এলেই তোর চাঁদের জোছনার মতো মুখটা চোখের তারায় জ্বল জ্বল করে জ্বলতে থাকে। তোর চোখ মুখ ললাট, কদম ছাঁটের মতো ঘন কালো চিকচিকে চুল গুলো। আমার চোখ পোড়ায়,আমার বুক ঠেলে কান্না পায়।আমি একা একা কাঁদি। [বিস্তারিত কেমন আছিস তুই//]

অরনীর গন্তব্য//

অনু গল্পঃ বিকেল এখনো আসতে বেশ খানিকটা বাকি। মেঘলা আকাশ। অরণী’র মন ভালো নেই। ঘর ছেড়ে অনেকটা দূরে চলে এসেছে। অসংখ্য ইউক্যালিপটাস আর ঝাউ গাছের ভেতরের রাস্তায় আনমনে হাঁটছে। মনের সাথে বোঝাপরায় টান পড়লেই অরণী এখানে চলে আসে। একটু ভেতরের দিকেই ঝিলের ধারে পুরোনো কাঠের বেঞ্চিতে বসে বসে আপন মনে, কখনো কবিতা পড়ে, কখনো একা [বিস্তারিত অরনীর গন্তব্য//]

ডাক পিয়নের চিঠি এলো//

বিভক্ত বর্ণমালায় ঠাঁসা এক চিঠি এলো আচমকা। ডাকপিয়ন ভুল করে ভুল পথেই ঠিকঠাক নিয়ে এলো বিচ্ছেদের কালিতে লেখা এক চিঠি। নিমিষেই ভেঙে যায় সব যত্নে গড়া অক্ষরের বায়না। এ নয় কল্পনা রাজ্যের ভাষা। বাস্তবতার কালিতে লেখা নিয়তি। নিয়তি নিয়ে এলো অঝর বৃষ্টির নোনা স্রোত। প্রতি মুহুর্তে মৃত্যু হয় ইচ্ছের। প্রতি মুহুর্তে বন্ধ হয় আটকে থাকা [বিস্তারিত ডাক পিয়নের চিঠি এলো//]

কালো প্রজাপতি//

নিমজ্জিত অতল থেকে উঠে আসা কোনো দুঃখবোধ….. অযাচিত খুঁড়ে চলে সবুজ ঊর্বর মনভূমি। যাপনীয় যন্ত্রনার বোবা কান্না গুমরে কাঁদে আহত বাতাস ভেদ করে। কবিতারা হঠাৎ পঙ্গুত্বে পরিচিত হয়। হয় দিকহীন পথের শাখা প্রশাখা। পথের মোড় বদলে যায় আচমকা। আচমকাই দেখা মেলে বিভাজনীয় পথের দিক। অক্ষরের হাহাকার কাঁদায় ধুলোমলিন সাদা পৃষ্ঠা। নিছক স্মৃতীর ভয়াবহতা আটকে পড়ে [বিস্তারিত কালো প্রজাপতি//]

কখনো//

আকর্ণ তৃষ্ণায় উৎকন্ঠিত থাকে কর্ণ… পায়ের আওয়াজ যদি আসে! অলস দুপুরের চাদর ভর্তি আলস্যি আর প্রিয় কবিতার প্রেম। নিপাট শব্দেরা ফাঁকি দিয়ে যায় বারবার বাতাসের বায়নায়। আঙুলগুলো ছুঁয়ে থাকে স্মৃতীর ডায়েরী। চোখের কোনে জমে শরতের মেঘ ভাঙা বৃষ্টি! কতটা সময় পেরোলে ফুরাবে পথের দৈর্ঘ? চৌকোনা কাঠের ঘরে পায়রার প্রহর গোনা। মেলতে চায় পাখনা মেঘ শেষের [বিস্তারিত কখনো//]

প্রাপক অরন্য///

প্রাপক অরন্য// কেমন আছো তুমি? সেদিন জানতে চাইনি। বিকেলটা হঠাৎ করেই মেঘে ঢেকে দিয়েছিলো।মোটা ফ্রেমের চশমা তোমার! তুমি কি দেখছিলে কিছু?নাকি কেবলই হাতরাচ্ছিলে পকেটে রাখা সাদা রুমাল?বেগুনী রঙের শাড়িতে হুলুদ অলকানন্দা ফুল ছিলো আমার খোঁপায়।কপালে খয়েরী টিপ।তুমি বললে….. তোমাকে দেখার আগে তুমি মানুষ ছিলে অরনী” আমি বললেম….” তারপর? অরন্যঃ তোমাকে দেখার আগে তুমি কবি ছিলে [বিস্তারিত প্রাপক অরন্য///]

সোনেলার জন্মমাসে অনুরাগ//

বছর খানেক আগে মেজো চাচার ব্যাংকের কাজের জন্য জিসান সাহেবের সাথে ফোনে কথা হচ্ছিলো। জিসান সাহেবের ব্যাংক একাউন্ট ব্যাবহার করা বিষয়ে। তারও আগের কথা একটু বলে নেই। ফেসবুক দুনিয়ায় আমার পদার্পন তখন মাত্র একবছর। ফেসবুকে যুক্ত হবার পরে অনেক পুরোনো স্বজন খুঁজে পেয়েছি। একদিন হঠাৎ দেখি জিসান সাহেবও রিকোয়েস্ট পাঠালেন। আমার কি দ্বিতীয় চিন্তা করার [বিস্তারিত সোনেলার জন্মমাসে অনুরাগ//]

স্পর্শের বাইরে //

অস্পৃশ্যতা ছোঁয়নি…… ছুঁয়েছে স্পর্শের মায়া। ছুঁয়ে গেছে বেভুলা বিহঙ্গের কোমল ছায়া। পৌরানিক সময়ের হাত ফসকে বর্তমান দিয়েছে রাঙিয়ে। ছোঁয়নি দর কষাকষির প্রাচীন নামতার হিসেবের বায়না। আঁচল ভরেছে শুভ্র শিউলীর গুচ্ছতিগুচ্ছ! ঋৃণী হতে হতে সুরেই ডুবিয়েছে খেয়া। অস্পৃশ্যতা ছোঁয়নি…. ছুঁয়েছে ভাবনার কাব্য!

অভিমানী শব্দ//

নিয়মের অধরা নিয়নে ছায়া হাতরে ফিরি। প্রবঞ্চনার শরীর বড্ড বাড় বাড়ন্ত। নিয়মের শেকল হোক.. হোক সে বিনি সুতোর মালা!! সেখানে নেই আত্মসত্তার ছায়া। স্ব-ইচ্ছায় চলুক তীক্ষ্ণ অসি সম মসির আপন গতি। বক্র বাক্যের শীতল অথবা অগ্নি ধোঁয়ায় ভরা থাকুক আপন পৃষ্ঠার পাদপীঠ। তবু নিয়মের ছায়ায় যাবোনা খুঁজতে মনি রত্নের ভীত। আপন বোধের রাজ্য এখানে। রাজাও [বিস্তারিত অভিমানী শব্দ//]

প্রহরের কান্না //

প্রতিটি অনু পরমাণু কেটে ভাগ করো। দেখো, দেখো ভগ্নাংশের কিঞ্চিত আলোয় ঝরছে এখনো খুঁজে ফেরা শহরের প্রাণ। ঘুমন্ত নগরীর একপাশে জীর্ণ ডাস্টবিনে এখনো একাকীত্বের বেহালায় সুর বাজছে। এখনো গগনবিদারী চিৎকারে হুঙ্কার আছড়ে ফেরে। আলো দাও, আলো চাই! ক্রমশঃ তলিয়ে যাওয়া নিমজ্জিত কণ্ঠস্বরের হাহাকার তবু বেঁচে থাকে নির্লজ্জের মতো। ফেরেনা, ফেরেনা আশা, ফেরেনা স্বপ্নের লাঙল চষা [বিস্তারিত প্রহরের কান্না //]

অধরা সুখ//

অধরা সুখ// কোনো একদিন বলেছিলাম– অনির্বাচনীয় সুখগুলো পোড়ায়। অতল গহনে নির্বাচিত সুখের কলেবর বড্ড নির্বাচিত। একদিন হঠাৎ ঝাঁপিয়ে বৃষ্টিতে ভেজে খর তপ্ত দুপুর! ভেজে দেয়ালের শ্যাওলা ধরা কার্নিশ! তারপর? একঝাঁক মাছরাঙা পাখি ডানা ঝাঁপটায় হিমালয় গলে গলে নেমে আসে শুকনো চৌচির জমিনে। ঝরনা বইতে থাকে আকুল প্রণয়ে। অনির্বাচনীয় সুখের গল্প থাকুক নাহয় সুখের ঘরে! থাকুক [বিস্তারিত অধরা সুখ//]

বলেছিলাম

এত বেশি বলতে নেই যত বেশি দূরে থাকো! তারো বেশি কাছে আসতে নেই। খুব করে বললে যখন… বোঝার বোধ ফানুস হলো মুহুর্তেই! তাই তো বলি এত বেশি বলতে নেই! কুলুপ আঁটা খিড়কির ওপারেই নামছে গভীর রাতের মায়া… জমা রাখা কথার পিদিম জ্বালিয়ে রেখো একা! তাই বলছি এখন, এত কথা বলতে নেই। রুদ্র ক্ষণের বিরাগ মাঠে [বিস্তারিত বলেছিলাম]

পথের খোঁজে পথ//

পথ হাঁটছে পথের খোঁজে……. শুকনো ধুলো ওড়া ঝরা পাতা উড়িয়ে হাঁটছে পথ। হাঁটছে আঁধারের মিছিল। উপহাসের ধাঁরালো দন্ত, খাপখোলা তরবারির মতো ঝিকিয়ে চলছে কালো অধ্যায়ের শ্লোগান!! হাঁটছে পথ পথের খোঁজে। দূর্বিনীত অবাধ্য ধুলোময় বাতাস শুষে নিচ্ছে নিঃস্বাশের আয়ুস্কাল! বোধ ব্যাধী’র টানাপোড়েনে ওষ্ঠাগত সবুজায়তন। গুণে গুণে প্রহরের পর প্রহর চক্ষু বড় ক্লান্ত দীর্ঘ পথে। আসবে!! আসবে [বিস্তারিত পথের খোঁজে পথ//]

শুন্যের ধোঁয়া//

শুন্য থেকে ধোঁয়া ওঠে হঠাৎ!! আর্তি চাপা চিৎকারে বধিরতা বাড়ে। রঙিন প্রজাপতি রং হারা বিবর্ণ!! বিদীর্ণ বিশাল জনপদের কানে তালা। বিপন্ন ভিড়ের দেয়ালে দেয়ালে পোষ্টার—– বদল চাই বদলে যাও বদলে দাও। কথায় নয়, কাজেই প্রমান দাও। কাতারে কাতারে চলছে শুদ্ধ দেবতার কাফেলা। যত্রতত্র ভাঙা দেউড়ির ফোঁকরে কাল কেউটে—- হারাক প্রাণ কার্বোলিকের ছোবলে!! ভাঙা ঢোলের কেচ্ছা [বিস্তারিত শুন্যের ধোঁয়া//]