মা….. প্রথম পর্ব //

ছোটোবেলা থেকে মেয়েটা খুব ভয়কাতুরে। অদ্ভূত টাইপের ভয়! কেন বলছি অদ্ভূত টাইপ ভয়? বলছি…..তার আগে আমার কথা বলি। খুব রাগি টাইপ মানুষ আমি। অল্পতেই বড্ড রেগে যাই। এই রাগ বংশগত বলা চলে, যাকে বলে জেনেটিক্যালি। যাইহোক সেদিকে যেতে গেলে পৃষ্ঠায় টান পরে যাবে। মেয়েটার জন্মের পর আম্মা পই পই করে বলতেন, এটা করা যাবে না, [বিস্তারিত মা….. প্রথম পর্ব //]

ছায়া সঙ্গী//

তবে তাই হোক! জাগিয়ে রাখি কাঁঠালচাঁপা গন্ধে নিস্তব্ধ নিরব রাত্রিগুলো। গহীন হলে অন্ধকারে ঘনত্ব; হাইওয়ে ধরে হেঁটে যাবো ডানপাশে তোমার ছায়াসঙ্গী করে। দেখা হবে তিন চারটা কুকুরের সাথে, ওরা আর্তস্বরে ডাক ভুলে গিয়ে ভয়ার্ত চোখে দেখবে আমায়। কৌতূহলের মাত্রায় খাবে চিন্তায় খাবি। কে যায়? কোথায় যায়? তেষ্টা; বড্ড তেষ্টা পায় গভীর অন্ধকারের এই দীর্ঘ রাস্তার [বিস্তারিত ছায়া সঙ্গী//]

ফিরবে তো?//

বিষণ্ণ রাত পেরিয়ে গেলে তুমি ফিরে এসো সোনালী সুর্যের আলোয় ধুয়ে। প্রথম আলোর মতো হাত ভর্তি করে দেবো কিছু রোদ্দুর! নেবে তো? প্রতিদিন অপেক্ষারা হোঁচট খেতে খেতে আহত হচ্ছে। ভুলে গেছো? এখানে এখনো রয়ে গেছে শুকনো মরা ডালের মাঝে দুটি পাতার জীবন। দেখবে এসো! আবদারের হাত বাড়িয়ে দিয়ে দেখো ;আজো ইচ্ছে গুলো নিঃশ্বাস নিচ্ছে নিঃশ্বাসের [বিস্তারিত ফিরবে তো?//]

সোনেলার মিলনমেলা এবং আমার অনুভূতি

দেরি করে ফেলেছি অনেক। তবুও আজ হার মানবো না বলেই বসে গেলাম লিখতে।সোনেলার মিলনমেলা নিয়ে অনেক পোস্ট ইতিমধ্যে পোস্টায়িত হয়ে গেছে। কি রকম দিন যাচ্ছে কেটে! কেমনতরো হাওয়ার তোড়ে; পারতেম যদি ধরতে – সকল কিছু ছাপিয়ে গিয়ে বসেই যেতাম কাগজবুকে লিখতে। এই রকম আরকি! গতবছর গেছে চলে এমনি করেই। নানা কারনে যেতে পারিনি সোনেলার মিলন [বিস্তারিত সোনেলার মিলনমেলা এবং আমার অনুভূতি]

পোড়া রোদ্দুর//

আপন রোদটুকু এখন বড্ড পর লাগে,বেহাহায়ার মতো দাপিয়ে যাচ্ছে বারান্দা, দেয়াল,জানলা, দেয়ালের গা বেয়ে বেয়ে,হুটোপুটি খাচ্ছে মেঝের মার্বেলে। চারিদিকে সুনসান নিরবতার বধিরতা ভেঙে খান খান হয় নাগরিক সভ্যতার যজ্ঞে। রৌদ্র বড় আপন ছিলো, তাও বুঝি দরদী হলো না । পোড়াতেই থাকে কেবল স্মৃতির ঘরদুয়ার। রোদ দেখলেই মনে হয়, কেউ আর চায়না হাত পেতে কিছু রোদ্দুর [বিস্তারিত পোড়া রোদ্দুর//]

একুশ তোমার -আমার-সবার//

দোয়াত ভরা কালি নিবটা ভেজাই আছে…… সাদা পৃষ্ঠাটা খালি। একেকটা আঙুল নিশপিশ করছে, বাইন্ডিংএ বাঁধাই করা দস্তাবেজ! ভাষা চাই ভাষা চাই চিৎকারে ফেটে যাচ্ছে দেয়ালের পলেস্তারা! অ আ ই ঈ ং ঃ ক খ ঞ চ ঋ ঐ স্বরবর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ শত শত অক্ষরের দাপট, এলোমেলো শব্দেরা পিছু নিতে নিতে মুখে বোল ফোটে মা বাবা দাদা [বিস্তারিত একুশ তোমার -আমার-সবার//]

নকশী বুনন//

সুঁই নেই সুতো নেই,তবু বুনে যাই নকশীকাঁথা! অগোছালো কথার ভীড়ে জমে যায় কাব্যগাঁথা। ভুল বোঝার এ সংসারে না বুঝলে ভুল, কি আর চলে? চলার পথে হাজার নদী ভয় কি তবু ঢেউ দিতে পাড়ি! একটা করে বুনতে বাসা, শুন্য ঘরে একলা থাকা। জনে জনে আলাদা সব তুমি শুন্য, শুন্য আমি জানেন শুধু অন্তর্যামী! অপেক্ষাতেই প্রহর কাটে [বিস্তারিত নকশী বুনন//]

বন্ধু নয়-না দুশমন//

এখানে কতকথা রেখে গেলাম দুইজন, কত আলাপন! চুপচাপ নিঃশব্দের শিশিরের শব্দে রেখে গেছি,কুয়াশায় মোড়া অজস্র আলাপন। তবুও; খুব সাবধানে গোপন কথাটাও রেখেছি গোপনে, দুইজন। চুপচাপ কথার টুপটাপ ধ্বনি কেউ শোনেনি,অগোচরে কেউ করেনি বারন; দুইজন। কি হয়েছে কার? কার হয়েছে হার? কে করেছে কাকে দায়ী? দুইজন -দুইমন-নয় বন্ধু, না দুশমন; শুধু দুইজন! অগোছালো কথার স্তুপ কখন [বিস্তারিত বন্ধু নয়-না দুশমন//]

ইদানীং –বোধ কাজ করে

ইদানীং একেবারেই ঘুম হচ্ছে খুবই কম। ডাক্তারের দেয়া মাথা ঠান্ডা রাখার ঔষধ খুব কম নেয়া হয়। নিতে হবে। খুব অল্পতেই চটে যাওয়া মানুষ আমি।ইদানীং চটতেও ভুলে যাচ্ছি। আশেপাশের মানুষের ভীড়ে বড্ড একা লাগে। হাজারো রকম কথাদের ভীড়ে আমার ক্রোধ বাড়ে।বাড়ে অসহায়ত্ব। মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি আসলে কেমন? প্রিয় ডায়লগ একখানা প্রায়ই প্রায় মানুষকে শোনাই।* [বিস্তারিত ইদানীং –বোধ কাজ করে]

ঘোরেই কাটছে একটা জীবন-(একজন আপন ভোলা গায়েন)

কি এক ঘোরের জীবন কাটছে বেশ। কাঁচের জলে নদীর জলে আগুন ধোঁয়ায় শীত কুয়াশায়। বৃষ্টি ধারায়… অসহ্য সব রকমফেরে বিচিত্রতায়। কাটছে বেশ! রাত পেরোলেই রৌদ্রছায়ায় লুকিয়ে থাকে কেমন করা মনের ধরন, নামলে আঁধার আগল খোলে মনের দুয়ার, বেভুল কোনে জড়সড় শীত কুয়াশায়! চোখে কোলে হাহাকারের শুন্য আশা। বোবা হয়ে’ই যায় শুকিয়ে বুকের কাছে অশ্রুধারা। আপন [বিস্তারিত ঘোরেই কাটছে একটা জীবন-(একজন আপন ভোলা গায়েন)]

রাত//

নিকষ কালোটুকু ঝাঁপিয় জেঁকে নামতেই…চোখের তারায় হাজার জুঁই ফোটে! বিনম্র ভদ্রতায় আকৃষ্ট করার প্রাণপণ চেষ্টা হোঁচট খায় প্রহরের পাথুরে দেয়ালে। ব্যাঙ্গমা-ব্যাঙ্গমী’র রূপকথারা তেপান্তরের আলেয়া। ঘুমকুয়াসায় চলে সাঁতার কাটা নির্নিমেষ! চৌরঙ্গী’র ল্যাম্পপোস্টে প্রতিসরণে গোনাগুণতি উইপোকাদের ভীড়! নিঃসঙ্গ কালোয় কালো কুকুরের কান্না’র আহাজারী ঘুরেফিরে সজাগ। জেগে থাকা ঝিঁঝিঁ পোকাদের সোল্লাসে সঙ্গী হবার আকাঙ্খা ব্যাক্ত! শব্দাক্ষরের ভিটেমাটিতে আকালখরা [বিস্তারিত রাত//]

একদিন//৪

‘আমি বরাবরই একজন রাবীন্দ্রিক প্রেমিকা চেয়েছিলাম’ প্রচ্ছদে লেখকের পেন্সিল স্কেচ্। জলছাপে কয়েকটা লাইন……….”তোষামুদে-জন প্রিয় হয় সবার পৃথিবীর পরিহাসে; তোষামোদ নেই রন্ধ্রে আমার-লিখে রেখো ইতিহাসে! অবাক প্রেমের মিলবে দেখা নষ্ট হলেই তবে; আহ্বান-নষ্ট হব, হবে? নষ্ট হব, নষ্ট রব নষ্ট দেহের কোমায়; যাবজ্জীবন ভালো থাকার দণ্ড দিলাম তোমায়। আমি মুগ্ধ চোখে বইয়ের প্রচ্ছদ এবং লেখার বুননের [বিস্তারিত একদিন//৪]

এলে বেলে একটা বেলা//

ফোনটা বেজে চলছে…. হ্যাঁ বল- -শোন আজ আমি যাচ্ছি, মানে এখন রওনা দিয়েছি লঞ্চে। জানিস কি হয়েছে? লঞ্চে এসেই দেখা পেয়েছি সায়মা’র! আমি তো প্রথমে চিনতেই পারিনি। বার বার সামনে থেকে গিয়েছি। এক পর্যায়ে সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করেই ফেললাম, তুমি কি সায়মা? সায়মাও আমাকে দেখেই, এক গাল হেসে দিলো,বল্লো তুই রুকু না? ভাব একবার? আমি [বিস্তারিত এলে বেলে একটা বেলা//]

২৫ শে ডিসেম্বর, আজ জন্মদিন তার

জন্মক্ষনটা জানা নেই। এই আর কিছুক্ষন পরেই সময়ের কাঁটা জানান দেবে একটা নতুন দিনের। আরেকটা চক্কর দেবে পৃথিবী নতুন আরেক দিনের সুর্যকে আহবান করতে। এই সোনেলা উঠোনেও হাসবে সোনারোদের কিরণ! প্রতিদিনের মতো এই উঠোনেও জমা পড়বে রেকর্ডসংখ্যক লেখা। এক একজন গর্বিত ব্লগার তাঁদের লেখা নিয়ে বিচরন করবেন সোনেলা ব্লগের উঠোনে। একজন কারিগর নিপুণ ভাবে একটি [বিস্তারিত ২৫ শে ডিসেম্বর, আজ জন্মদিন তার]

কাঠ পেন্সিল//

পেন্সিলটা আমার আদরেই থাক কালের গর্ভে না হারাক তোর আবেদনি মোহ আমার থেকে। নিধনকৃত বৃক্ষের অভিশাপ হোক- হোক নাহয় আশির্বাদের মন্ত্র; শুরু থেকে শেষঅব্দি রেখা টেনে টেনে রেখে যাওয়া জলছায়ায় চোখ লেগে থাকুক নির্ভুল আলোর ঝলকানি। আমার বড় স্বস্তি কাঠ পেন্সিলের আখরে! যতই সাজুক ভুলে ভরা অক্ষরের পাণ্ডুলিপি- ইরেজারটা সাথেই রাখি; হস্তরেখার দাগ নয়; মুছে [বিস্তারিত কাঠ পেন্সিল//]