জীবনের অনেক প্রশ্ন থাকে উত্তর জানতে চাওয়া যেমন উচিত না।তেমনি কোনো কোনো প্রশ্নের উত্তর থাকেও না। হাসির প্রতি এমন অনেক প্রশ্ন থাকলেও, কতটা জানি,কতটা কখনো জানতে চাইনা। হাসু স্বাধীনচেতা, একরোখা, জিদ্দি, সবার থেকে নিজেকে আলাদা ভাবনা বিশিষ্টা একজন কর্মজীবী নারী। জীবনের সংঘাতগুলোকে কখনো প্রশ্রয় দেয়নি দুর্বলতার অজুহাত মনে করে। যখন যেখানে যেমন পেরেছে নিজেকে শিং [বিস্তারিত একদিন//-২]
সকাল ৯টায় ফোন দেবার কথা হাসু’র। হাসি’কে আমি হাসু বলেই ডাকি। আমাকে ডাকে ময়না। যদিও নামটা আমার মোটেও ময়না নয়। মনিও ডাকতে পারতো। তা না, ময়না ডাকতেই নাকি হাসু’র বেশি ভালো লাগে।আচ্ছা, ডাক তবে। মনিরা থেকে অনেকেই আমাকে মনি ডাকে। হাসু’কে যখন আমি হাসু ডাকি তখন আমাকে মনিরা থেকে ভাগ করে ময়নায় যায়গা দিয়েছে। বোঝাতে [বিস্তারিত একদিন-১]
কাঁচটা কি নিরেট কাঁচ? এপার ওপার ভেদ করে আলো আসে -যায় যখন তখন! এক গ্লাস জল পড়ে আছে নিথর নি-রঙা! চাইলেই মুখচ্ছবি দেখা যায়! ও ছবিতে বাহারি রঙের প্রলেপ লেপ্টে থাকা- কতগুলো ভাণ ভাঙছে গড়ছে নাটিকা! যবনিকার পদপ্রান্ত বিশাল লম্বা! ধরাছোঁয়ার নেই ঠিকানা। যাপিত কড়চায় কে আর খোঁজে বাহারি রঙের বাক্য? শ্বাশ্বত নিয়মের ধারাপাতে এ্যালুমিনিয়ামের [বিস্তারিত জলের কাঁচ//]
ছয় নম্বর চাচ্চুটাকে কখনো লেখালিখি করতে পারে বা লেখে, এরকম কোনোরকম ধারনাই ছিলোনা এ সময়ে। ‘কবিতা লেকতে পারো?’ এমন প্রশ্নে যেমন যারপরনাই অবাক, বিস্মিত হয়েছিলাম! ম্যাগাজিন বা সংকলন বের করার ভাবনা ভাবছে ভেবেও ততটাই বিস্মিত হয়েছিলাম। আমার জানার গন্ডি প্রঃচন্ড খাটো বিধায় এটাই স্বাভাবিক। চাচ্চু’র বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে মাত্র কয়েকজন(?)……নাহ্, তাইবা বলি কি করে? পাড়ার মধ্যে [বিস্তারিত কবিতা লেকতে পারো?//৮]
একটা দুটো নুড়ি পাথর কুড়াই….. যত্ন করে টুকরি করে বোঝাই। রঙিন সেসব পাথর দেখি দু’চোখ ভরে ফাগুন আঁকি। পথের ধারে বৈচি ফুলের ঝার দূরন্ত সব কিশোর বেলা আমার। স্বর্ন আভায় দিন যে কেবল শুরু! একটা দু’টো প্রহর গোনা আরো। হাঁটছি আমি,আমার সাথে ছায়া.. পরম স্নেহে আগলে রাখে মায়া। নির্ভরতায় নতুন আরেক নেশা জুটে গেলো। প্রচন্ড [বিস্তারিত কবিতা লেকতে পারো?//৭]
ভোরের সুর্য সবটুকু কিরণ নিয়ে উঁকি দিয়েছে পূর্বাকাশে। রাসেল নামাজ আদায় করে বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছে। খোলা মাঠ সামনে। ইচ্ছে করলেই হাঁটতে যেতে পারতো। কেন যেন আজ আর ইচ্ছে করছেনা। মা কিচেনে সকালের নাস্তা তৈরীতে ব্যাস্ত হয়ে পরেছেন। ছোট ভাই দুটো পড়া নিয়ে ব্যাস্ত। তাজ খুব ভালো স্টুডেন্ট। ভবিষ্যতে ডাক্তার হবার ইচ্ছে নিয়ে খুবই মনোযোগী পড়াশোনায়। [বিস্তারিত আবুল আমারে বাঁচতে দেবেনা// অদ্ভুতুরেঃ]
ছোট ছোট নুড়ি পাথরের বুকে লিখে রাখা গদ্যময় অনুরোধের পুঁথিমালা। সুখ; নাম খোঁজে হন্যে হওয়া উড়নচণ্ডী এলোমেলো বৈরী বাতাসের ধুম্রতার আভাসে। পাশবিকতা: চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নষ্টভ্রূণের ছড়াছড়ি। জানান দিচ্ছে পঁচা দূর্গন্ধের- নাক সিঁটকানো উপাচারে; ভুল ভালবাসার পরিনাম। কাব্য: বৃষ্টি, রোদ্দুর,চন্দ্রজোছনায় নেচে গেয়ে খেলে যায় ধানসিঁড়ি পাড়ে বৈঠকী শব্দের বনলতা। মেঘের আঁচলে রাশি রাশি স্বপ্নেরা [বিস্তারিত নুড়িপাথরের গদ্য//]
পড়াশোনায় মোটেও ভালোনা টাইপ ছাত্রী আমি। পরিবারে নাম আছে আমার আলসেমী নিয়ে। কিছুটা নিয়ম মাফিক চঞ্চলতাও আছে। আছে অনেকের অনেক রকম অভিযোগ। সেই ছোটবেলাটা কেটে গেছে বেশ কিছুদিন আগে। স্কুলে আবৃত্তির পরে আর একবার আব্বার পরিচালনায় এক বিজয় দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পর্দার পেছনে সেই একই কবিতার মায়ের অংশটুকু আওড়েছিলাম শহরের বিশিষ্ট আবৃত্তিকার সুভাষ বোস কাকুর [বিস্তারিত কবিতা লেকতে পারো//৬]
অনেকদিন পরে আবার এলাম আমার পুরোনো লেখার ধারাবাহিকতা নিয়ে। মাঝখানে বয়ে গেছে কয়েকটা মাস। পুরোনো ব্লগারদের মধ্যে অনেকেই নেই আজ আর।নতুনদের কাছে এ লেখা একেবারেই নতুন। তবুও বলবো পড়তে কারো খারাপ লাগবেনা আশা করি। ****************************** একটু একটু করে পাঠ্য বইয়ের থেকে বেশি আগ্রহ জন্মাচ্ছে গল্পের বইএর প্রতি। একটা না একটা চাইই চাই। পাতলা বই হলে [বিস্তারিত কবিতা লেকতে পারো?// ৫]
শব্দের চারনভূমি! নিরলস প্রচেষ্টায় তৎপর শুদ্ধতার চাষ। অব্যর্থ নিশানা বারংবার হোঁচট খায় বুমেরাং কাস্তের আঘাত। অমন শব্দ আমার নয়! নিস্কৃতি দেয়না যা আমায়; পরিচয়ের ঘটায় দুর্বোধ্য পরিচিতি। তবু নিশ্চুপে দেখে যাই প্রতিবাদহীন নষ্টশব্দের সমাহার। মনন ধারন করা সহজিয়া চষা ফসলের মজুত, নিরন্তর জোগায় উর্বর সাফল্য। বিরুদ্ধ ভাষায় কেবল রুদ্র রোষানল ক্রোধে আপন জরাগ্রস্থতার প্রতিরূপ প্রকাশ। [বিস্তারিত শব্দের চারনভূমি //]
ছোটোবেলা থেকে আমি কিছু কিছু ব্যাপারে ভীষণ গোঁয়ার। বিনা কারনেই হোক আর যুক্তিহীন কারনেই হোক। মায়া’দির বাবা খাবার পানি সরবরাহ করেন বাসায়।আমাদের অঞ্চলে বলে ভাড়ওয়ালা।টিনের জারে করে দূরবর্তী টিউবওয়েল থেকে খাবার পানি আর রান্না করার জন্য পুকুর থেকে পানি সরবরাহ করতেন। মাসিক রোজকার টাকা রোজ পরিষোধ হতো। আম্মা রান্নাঘর থেকে একটা ডাক দিলেন, মায়া’দির বাবা [বিস্তারিত সম্বোধনে আপনি-তুমি-তুই//]
একটু বড় হবার পর থেকেই দেখেছি বা শুনেছি আব্বার চমৎকার বাচিক উচ্চারন। সেই ছোটোবেলা থেকেই দেখতাম আব্বা খুব সুন্দর করে কথা বলেন। আমাদের ভাইবোনদের সাথে তখন তুমি তুমি করে কথা বলতেন। আম্মা মাঝে মাঝে বলতেন তুমি করে। যখন খুব রেগে যেতেন, তখন তুই তোকারি করতেন। ভেবেই নিয়েছিলাম সেই ছোট্ট বয়সে যে “তুই” শব্দ সম্বোধনের জন্য [বিস্তারিত সম্বোধনে আপনি-তুমি-তুই//]
অমোঘ নির্ধারিত দিনের কাছে জলাঞ্জলি দেই, কিছু অথবা বিশাল কিছু দিবারাত্রির মুখরিত কলকাকলি। সময়ের পেন্ডুলাম থেমে যায় অ-ঘোষিত জীর্ণতার প্রকোষ্ঠে। বেজে যায় সময়ের এ্যালার্ম– কারো পায়ের শব্দ আমি মনপ্রাণ দিয়ে চাইছি। ঝড়ের কাছে রেখেছি কাতর বিবরন। জেগে রয় তবু পাথরকুচি মন। দিনরাত্তির বাস্তবতা….. নেই নেই নেই….. তবু আছে আছে কিছু স্মৃতীময় অনুভবের দেয়ালিকায়।
দু’দিন ধরে ট্রমায় আছি একরকম বলা যেতে পারে।আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড+এক বড় ভাই আছেন। যথেষ্ঠ জনসচেতনতা মূলক কাজে নিয়োজিত থাকেন সবসময়। তিনি প্রায়ই কোনো না কোনো পোষ্ট আমাকে ট্যাগ করে থাকেন। শতবার নিষেধ করা সত্যেও তিনি অনঢ়। ওনার সবচে বড় পরিচয়, উনি একজন বড়সড় রকম বৃক্ষ প্রেমিক। গতকাল এক মহিলার অন্যায় ভাবে অন্যের বৃক্ষ নিধন বিষয়ক [বিস্তারিত গাছ ভালবাসা//]
তারপর….. আলস্যের বালিশে মাথা রেখে কাটিয়ে দেই একটা জীবন। অগোছালো বইএর পাতা চোখ রগড়ে করুনা জাগায়। জানান দেয় কিয়দাংশ রুপকথা ছিলো পৃষ্ঠার ভাঁজে। অযত্ন আর আলস্যে -ওখানে এখন ধুলোর নিবাস। তারপর?? কয়েকটা রাত্রির কাছে ঋনী হয় কিছু না শোনা গল্প। কিছু হেমন্তের শিশির খুব করে ঝরতে থাকে শুকনো বাদামী হওয়া ঘাসের বুকে। শুধু শুনতে চাওয়া [বিস্তারিত তারপর?//]