সত্য মিথ্যা – ৩ //

কেকা বোঝে কি করে, কেমন করে বুঝে চলতে হয়। অদ্রি বোঝেনা। কেকা বুঝে সবটা বুঝিয়ে বলেনা, কেন এভাবে অদ্রি’কে বললো, তমা’র ব্যাপারে ? বন্ধুত্বের হিংসুটেপনা নয়, অদূরবর্তী অনাকাঙ্খিত বাজে পরিস্থিতির ব্যাপারে সতর্কতায় কেকা বন্ধু’র মতোই আচরন করার চেষ্টা করেছিলো। অদ্রি’কে ভালো বোঝে কেকা।ভালো চেনে /জানে। স্কুলের অবকাঠামো গত কারনে বর্ষাকালে প্রায়ই স্যার, ম্যাডামরা টিচার্স রুম [বিস্তারিত সত্য মিথ্যা – ৩ //]

অজস্র হারানো সন্ধ্যা

জমা রেখেছি কিছু কথার পাহাড়! কিছু জমা রেখেছি আবেগের জঞ্জাল! গভীর সমুদ্রের নীলটুকু কুড়িয়ে নিয়েছি আটপৌরে আঁচলের তলে। সময়ের সন্ধ্যায় বইবে শ্রাবণের কামিনী ধোয়া বাতাস। প্রবালের বুকে ঝড়ের বেগে আছড়ে পড়া নোনাকাব্য জেগে উঠবে যখন!! একরাশ বধিরতা নিরবতা আগল ভেঙে হামাগুড়ি দেবে দু’পাশের চেয়ারের মাঝখানে। কোনো শান্ত সদিচ্ছায় আমুল ডুবে যাবো বেভূলা বেহালার সুরে!! তাবৎ [বিস্তারিত অজস্র হারানো সন্ধ্যা]

ফিরতি নোঙর

ইচ্ছেগুলো ইচ্ছের মতো করে নূপুর বাজিয়ে চলে অবিরাম। নৃত্য দেখি সকাল দুপুর সন্ধ্যা রাত। এক মুঠো নীলেই আঁকি বিশালতার শূন্য আকাশ। এপাশ ওপাশ ফিরতেই দেখি ভেজা বালিশের হা হুতাশ। জানালার ওপারে বিচ্ছিন্ন বাতাসের আহাজারি। একলা নাবিকের নোঙর ছেঁড়া না বলা গল্প রাশি। মন খারাপের এনভেলাপে হলদে রঙের বিকেল। একলা পথে হেঁটেই মরে গাঙচিলের ওই জীর্ণ [বিস্তারিত ফিরতি নোঙর]

সত্য মিথ্যা – ২ //

বউটা হেসে যাচ্ছে চোখে হতাশার আকুলতা নিয়ে।অদ্রি অতিশয় নিরুপায় বোধ করছে।কিছুই বলার মতো শব্দ জোগাড় করতে কষ্ট হচ্ছে…. বউ’টা এবার নিজ থেকেই সাহায্য করতে মলীন মুখে বললো —-আমি তমা, ভুলে যাবারই কথা…. তাইনা অদ্রি?………………………………………… অদ্রি এবার সত্যি চুপ হয়ে গেলো। সব ভাবে চুপ হয়ে গেলো। হাসিটুকুও ম্লান হতে হতে হঠাৎ করে নাই হয়ে গেলো। ভেবে [বিস্তারিত সত্য মিথ্যা – ২ //]

সত্য মিথ্যা- ১ //

ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি চোখে মুখে মেখে মেখে ব্রাশ করছে অদ্রি।গুন গুন করে যাচ্ছে অস্পষ্ট গোঙানী’র মতো…. “কেন খুলেছো তোমারই জানালা, কেন তাকিয়ে রয়েছো জানিনা তো”………..। মুখের থুথু দুরে ছুড়ে ফেলতে যেতেই…. কানের কাছে একটা প্রশ্ন শোনা গেলো। অস্পষ্ট!! থুথু ছিটকে গিয়ে নদীতে পরলো। লঞ্চ নলছিটি ঘাটে এসে ভিড়েছে। বেশি সময় আর লাগবেনা। ঝালকাঠি পৌঁছুতে। লঞ্চে [বিস্তারিত সত্য মিথ্যা- ১ //]

তবুও//

এই আছে এই নেই। চলছে যেন সময়ের রেললাইন সমান্তরাল। ঘোরলাগা সময় আয়ু খেয়ে ফেলে হয়েছে অমারাত্রির চন্দ্র! যাতন বিষে ক্ষয়িষ্ণু নিলয়ে ক্যাকটাসের বসবাস। অঝর কোনো বর্ষণে পরিচিতা কাব্যের পাতায় পুরোনো মুখের জয়। বদলে গেছে বুঝি আকাশের রং! বদলে গেছে বুঝি ঝুড়ি ভরা গল্পের ক্ষণ! আঁচলে রাখা বকুলের সুগন্ধি ছেড়ে কথা কয়নি আজো!! প্রতিবিম্বে ছায়া ফেলে [বিস্তারিত তবুও//]

ঈগল ডানা//

অনুভূতির কাছে নতজানু হই হই অপারগ, হই বিভেদের বলী। তবু হেঁটে চলি সবুজের খোঁজে। সুরের কাছে ভিখিরর মতো কাঙালিনী হই!! তবু, সুরেই বাঁধি -জীবনের অগোছালো  ছবি। নিরন্তর ক্লান্ত থাকি যজ্ঞের তাপে তবু, অবিরাম ঘোড়সওয়ারী হই তেপান্তরের মাঠ পাড়ি দিতে। অন্ধত্ব বয়ে বয়ে চলি নিরবধি নক্ষত্রের দিশা পেতে, তবু, পথ খুঁজি অগুনীত বাঁকের খোঁজে। অমিমাংশিত গল্পেরা [বিস্তারিত ঈগল ডানা//]

বার্তা //

যুগটা ছিলো ১/২ টাকার ভিউকার্ডের। হিরিক লেগে যেত উৎসব পার্বণের দিনগুলোতে। শুভেচ্ছা বিনিময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যমটি বোধকরি ৮০’র দশকে আমাদের কাছে বেশ অনুভূতিপ্রবণ ছিলো। যে উপলক্ষে উৎসব! সেই সেই প্রকার কার্ড সংগ্রহে সর্বাগ্রে কে বেশি সুন্দর কার্ড সংগ্রহ করতে পারলাম, তা নিয়ে সেই সময়েও ছিলো কিছুটা আভিজাত্যের গোপন এবং অলিখিত অহংকার। বিনিময় কার্ডটা যদি আমার [বিস্তারিত বার্তা //]

অনু কাব্য//

প্রলয়ঃ- আজ বৃষ্টি ভিজুক বৃষ্টির ক্ষিপ্রতায়…… আজ প্রলয় আসুক প্রলয়ের আকাঙ্খায়…. আজ ফুল ফুটুক ফুলের অপেক্ষায়!! তবু মেঘ ভেঙেচুড়ে বৃষ্টি নামুক অবিরাম বৃষ্টি চাওয়ায়—।   মেঘঃ- তুমি মেঘ হলে… তাই আমি বৃষ্টি হলেম! তুমি ছুঁয়ে গেলে বলেই পাতার পরে শিশির হলেম। তুমি রাত জাগো বলেই আমি রাতের নক্ষত্র হয়ে যাই—-।   রোদে রাঙা একটা দিনঃ- [বিস্তারিত অনু কাব্য//]

আড়ম্বরে বিরম্বনা//

ফেসবুক সম্মন্ধে স্বরবর্ন ব্যঞ্জনবর্নের একটা অক্ষরের সাথেও নিদেন পক্ষে কোনোরকম জ্ঞান ছিলোনা। ছেলে মেয়ে অনেক আগে থেকেই যুক্ত আছে! মাঝে মাঝে এটা সেটা দেখাতো, পড়ে শোনাতো! বাবা যেবার প্রথম মোবাইল ফোন কিনে দিয়েছিলেন! দু’হাজার ৫’অথবা ৬’এর দিকে… কল রিসিভ এবং কল করা টুকুও শিখেছি আব্বার কাছ থেকেই। নাম সেভ্ করার জন্যও মেয়ের সাহায্য নিতে হয়েছে [বিস্তারিত আড়ম্বরে বিরম্বনা//]

ছিলাম এক সময়

যদি মেঘ হতে পারি– বৃষ্টি নেবোনা। যদি রৌদ্র হতে পারি! হেসে খেলে পার হবো দীর্ঘ পথের ক্লান্তি! যতই থাকুক পোড়া অক্ষরের বায়না — ভুলেই যাবো, অঙ্গার ছিলো হোতা!! যদি সময় করতে পারি…. শর্তগুলোকে লোপাট করে কপাট দেবো চোখের আড়ে। নক্ষত্র ভরা নীল তলে রেখে যাবো স্মৃতির আয়না। যদি সুযোগ পাই বলতে — বিষণ্ন বেলার কাব্য [বিস্তারিত ছিলাম এক সময়]

প্রথম ঢাকা ভ্রমন

খুব ছোট বেলা থেকে যেই বেড়াতে আসতো, তাঁদের সাথে বেড়াতে যেতে ভীষণ কান্না জুড়ে দিতাম। মনে পড়লে এখনো বোকা বোকা লাগে। আব্বা বরধরক ধরে মার লাগাতেন, তবে শান্ত হতাম। আম্মা নানা বাড়ি যাবার কথা বললেই আব্বা সহজে রাজি হতে চাইতেন না। আব্বা’র ধারনা ছিলো নানা বাড়ি গেলেই হয়তো কোনো অসুখ বিসুখ করবে। আবার আরো একটা [বিস্তারিত প্রথম ঢাকা ভ্রমন]

অন্তর্ধান //

সময়গুলো কেমন যেন যাচ্ছে আজকাল!! যত বেশি দিন গড়াচ্ছে ততো বেশি অস্থিরতায় বেসামাল হয়ে পড়ছে যাপন যন্ত্রনার জীবন। জ্ঞানের গন্ডি ক্রমশঃ ক্রিটিসিজমিক হয়ে উঠছে। যখন তখন অসহায়ত্ব বোধ হয় এখন। একে কি বলে? সামান্যতম কথা, সামান্য তম উষ্মা সহনীয় হয়ে ওঠার আগেই সমাপ্তি রেখা টেনে দেয়া। কিছুদিন হলো মাত্র পরিচিত হলাম বন্ধুপত্নী’র সাথে। প্রায়ই কথা [বিস্তারিত অন্তর্ধান //]

সেদিন//(ম্যাগাজিন)

এ শব্দ অন্যের নয়….. অধিকারের কিছু শব্দের ভিত নিয়ে দাঁড় করিয়ে দেই গোটা এক গল্প। শব্দের বৃষ্টি ভিজিয়ে দিয়ে গেছে মেঘহীন রোদের নিচে। ফুলহীন গাছেরা স্বাক্ষী থেকেছে মৃদু বাতাসের ঢেউ তোলা ঝিলের তীরে। স্মৃতিসত্তায় মিলেমিশে হেঁটে গেছি আনমনা অন্যমনস্কতায় — কেবল দু’জন; টুকরো টুকরো কথার খই উড়ে যায় পুড়ে যায়—- কাছেই কোথাও বেজে যায় ——- [বিস্তারিত সেদিন//(ম্যাগাজিন)]

কবিতা লেকতে পারো? //(৪)

দ্বিতীয় শ্রেনীতে পড়াকালীন বার্ষিক প্রতিযোগিতায় ছড়া কেটে দ্বিতীয় হওয়া আর বড় বেলায় আবৃত্তি’র সাহস করা দু’টো ভিন্ন বিষয়। নাম লেখানোর কথা মনেও আসেনি একবারের জন্যও। বাবা’র কি মনে হলো কে জানে!! সিলেকশন পর্বের দিন ডাক পড়লো,অপার বিষ্ময় নিয়ে দশম শ্রেনীর ছেলেদর বিশাল কক্ষে গিয়ে বসা। হল ভর্তি সব সম্ভাব্য প্রতিযোগী।সিলেকশন টেবিলে স্বয়ং পিতা মহোদয়, শামসুল [বিস্তারিত কবিতা লেকতে পারো? //(৪)]