বেরসিক দুপুরে

রোকসানা খন্দকার রুকু ১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ০১:২৮:০২অপরাহ্ন উপন্যাস ১৯ মন্তব্য
বিয়েটা পরে আর এগোয়নি। বাবা যেহেতু চাইতেন আমি ভালো কিছু করি তাই শাহরুখের চ্যাপ্টারে আগুন ধরিয়ে পড়ার টেবিলেই পরের কিছু বছর মুখ গুঁজে থাকতে হয়েছে। এর মধ্যে ভাইয়া বিয়ে থা করে নিজের মতো গুছিয়ে , নিজের সংসারে  ব্যস্ত। সেখানে আমাকে নিয়ে তার আর ভাবার সময়ও হয়তো ছিলো না। তাই যে সময় বিয়েতে স্যাটেল হবার কথা [বিস্তারিত]

দেয়ালের-ও দেয়াল থাকে

ছাইরাছ হেলাল ৩০ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ০৩:৪১:০৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৮ মন্তব্য
  দেয়ালের এপাশ থেকে ওপাশ! সামান্য একটি দেয়াল মাত্র; চাইলেই টপকানো যায়, ফুঁ দিয়েও গুড়িয়ে দেয়া যায়, গনগনে আগুন! তাও জ্বেলে দেয়া যায়, পেরেক ঠুকে ঠুকে নড়নড়ে করা যায়; তারপর ও দেয়ালেই ঝুলে থাকে দেয়াল বিটকেল-দাঁতে, অভাব্য অসভ্যতায়; অবশ্য ছত্রিশ/বত্রিশ চড়ে একটা/কয়েকটা দাঁত ফেলে দেয়াই যায়; কিন্তু কিন্তু, দাঁত ফেলে বা উপড়ে দিলে/নিলে ভ্যা ভ্যা [বিস্তারিত]

সেই জন

আলমগীর সরকার লিটন ৩০ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ০৩:১০:৪১অপরাহ্ন কবিতা ১০ মন্তব্য
৬৬৬
একটা মৃত্যুর সংবাদ আরেকটা মৃত্যুর স্বাদ যোগায়; অথচ অনুভব করতে ব্যর্থ শুধু ক্ষীণ সময়ে শোকাবহ- আমার মৃত্যু এই বুঝি হয়; স্মৃতিরা কিন্তু জলপাই কিংবা তেঁতুল স্বাদ নেবে না। অতঃপর যে সবটুকু নিসঙ্গে করে চলে গেলো না ফিরার দেশে- আমি কি করে খুঁজবো তাকে? অম্লান করে গেলো এ সমারহে! পরিচয়টুকু দিয় প্রভু আমি সেই জন। উৎসগঃ [বিস্তারিত]
চারিদিকে সবুজ বৃক্ষরাজি আর মাঝ খানে রঙ্গন ফুলের ঝোপ আর পাতা বাহারের বেড়া দিয়ে দিয়ে ঘেরা সেমিট্টি ইয়ার্ড। নীরব, নির্জন দৃষ্টিনন্দন স্থান হিসেবে এ স্থানটির অতুলনীয়। সৈনিকদের ঘুমিয়ে থাকার জন্য এর থেকে শান্তির জায়গা যেন আর হয়না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে চট্টগ্রাম থেকে বার্মা ফ্রন্টে তৎকালীন বৃটিশ ভারত, বৃটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, বার্মা, পূর্ব ও পশ্চিম আফ্রিকা, [বিস্তারিত]

ইচ্ছের পথ চলা

হালিমা আক্তার ২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার, ১১:৫৪:১৬অপরাহ্ন কবিতা ১৬ মন্তব্য
  ইচ্ছে করে আকাশের নীল মেখে প্রজাপতি, ঘাসফড়িং হয়ে বেড়াই পথে পথে, ইচ্ছে করেই রঙিন স্বপ্ন গুলো দূর আকাশে ছড়িয়ে দিতে। কখনো বা ইচ্ছে জাগে, পাখির মত ডানা মেলে পথ হারাই আকাশে সীমাহীন প্রান্তে, ইচ্ছে করে মেঘ হয়ে আকাশকে ছুঁয়ে দিতে। স্বচ্ছ আকাশে জমে মেঘের জল কনা ইচ্ছের পাপড়ি পায় না রোদ্দুর দেখা, আধারের বুকে, [বিস্তারিত]

খরা কাব্য

বন্যা লিপি ২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার, ০১:০২:৪৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২১ মন্তব্য
ছোট খাটো অক্ষর কুড়িয়ে-টুকিয়ে নিয়ে খোড়া,ল্যাংড়া শব্দ সাজাতে বসি.....ভগ্নাংশের ছিটেফোঁটা  অক্ষরের দৈন্যতা ভোগাতে থাকে অবিরতঃ।  পঞ্চদশ পৃষ্ঠায় এসেই থমকে গ্যাছে আঙুলের যাবতীয় সাড়তা। অসাড়, নির্লিপ্ত চোখের দৃষ্টিতে শুধুই মৃত মাছের জমাট বাঁধা রক্তের ছোপ! পূর্বাপর হাজারো অক্ষরের জমিনে চাপ চাপ ভুল বানান ; দাঁড়ি,কমা,সেমিকোলন,বিরাম চিহ্ন! কেবলই হামাগুড়ি দেয়া শিশুর চার হাত পায়ের ছাপ-ছায়া, ছাড় পায়না [বিস্তারিত]

সরিষা তৈল হই

আলমগীর সরকার লিটন ২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার, ১২:৩০:৪১অপরাহ্ন কবিতা ৯ মন্তব্য
ঘানি টানার মতো রোজ সরিষা তৈল উৎপাদন হচ্ছে খুব; ক্ষত বিক্ষত মাটির দলা যেদিন দুর্বলা ঘাসফুলের সাথে বাসর হবে; সেদিন ও এতটুুকু ঘ্রাণ পাবে না লম্বা নাকটাও আর জুরাবে না! সমস্ত উপলদ্বি ধ্বংস হবে। হৃদয় ঘানিতে মুক্তির সানাই বাজাবে নিশ্চিয়- আবার কোন এক সরিষা দানার; অথচ এক মুহুর্তের জন্যও হলো বুঝার ক্ষমতাটুকু রাখলে না- অনুশোচনা [বিস্তারিত]

স্বগতোক্তির বীণ

ছাইরাছ হেলাল ২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার, ১১:৪৩:০৫পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৪ মন্তব্য
  তাজা কবর দেখে থমকে যেয়ে কাছে ঘেঁসে দাঁড়াই, দেখি, লবণ-চোখ-স্বজনেরা ছুঁড়ে দিচ্ছে মুঠো মুঠো মাটি, কান্না উগড়ে, চেপে রেখেও; অশ্রুহীন আমি! ভাবি------------- রোজ ই তো কত কত কত্তজন হারিয়ে যাচ্ছে মৃত্যু-নিয়ম মেনে, অনাথ শিশু আর অকাল বৈধব্যরা ও সংখ্যা বাড়াচ্ছে; ঘাটের মরারা ও বেহদ টিকে যাচ্ছে বেপরোয়া ব্যারাম কে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের তুড়ি মেড়ে, বিরহ কাতরতার [বিস্তারিত]

আমাদের গাঁয়ে

বোরহানুল ইসলাম লিটন ২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার, ০৭:৫২:৪৬পূর্বাহ্ন কবিতা ১৫ মন্তব্য
আমাদের ছোট গাঁয়, প্রতিদিন বসে পাখালির মেলা বট-পাকুড়ের ছায়। সারাটা বছর মাঠে খায় দোল পাকা ফসলের সারি, সুর থাকে জেগে কাজের কাঁকালে ক্ষণিকও যায় না ছাড়ি। গোয়ালে গো-ছাগ গোলা ভরা ধান গাছে গাছে ফুল ফল, খাল বিলে করে হরেক মৎস্য দিবা নিশি খলবল। খরায় সচল মহিষের গাড়ি বরষার জলে নাও, সবুজ বৃক্ষ দেয় ক্ষণে ক্ষণে [বিস্তারিত]

সহমরণ

খাদিজাতুল কুবরা ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার, ০৪:৫৬:০৮অপরাহ্ন কবিতা ২০ মন্তব্য
  স্যাঁতস্যাঁতে ঝুপড়িতে বেড়ে ওঠা কচি আবেগ জানেনা আকাশ কত নীল! সমুদ্র কতটা সফেন আর সুনীল? আকাশ দেখবে বলে উড়ুক্কু গাঙচিলের ঝাঁকের পিছে ছুটতে গিয়ে ডানা ভেঙ্গেছে উঠোন বাড়ির শালিক। তবে কী আবেগ পাখির বেহিসেবী পালক? যত্রতত্র যখন তখন ঝরে যায়.... নির্জন দুপুরে একান্তে ডাকা ঘুঘুকে কি তাড়িয়ে দিতে হবে? চালচুলোহীন ভবঘুরের স্পর্শকাতর অনুভূতি শূন্য [বিস্তারিত]

চাই একটু আলো

ছাইরাছ হেলাল ২৬ নভেম্বর ২০২১, শুক্রবার, ০৩:৪৩:১০অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৬ মন্তব্য
  কালের যাত্রা পথে জীবনের প্রতিটি পাতা প্রতিটি ক্ষণ অপূর্ণতায় ঠাসা, অপুণ্যতে-ও; রূপকের মত অন্ধকার নেমে আসে ক্ষণে ক্ষণে ক্বচিৎ/কদাচিৎ আলোর ঝলকানি-ও, কলহ আর ভালোবাসার স্পর্শ-চিহ্ন কোথাও খুঁজে পাই না, অন্ধকারের শতাব্দীগুলো ভেসে আসে সারি বাঁধা দলবদ্ধতায় অপ্রীতিতের যন্ত্রণা নিয়ে। প্রহর-জাগা শূন্যতার ডাক যখন ত্রিরাত্রির সঙ্গী চুঁইয়ে পড়া নিদ্রাহীনতা চিক চিক করে জেগে থাকে, সবুজ [বিস্তারিত]

সুহাসিনী চান

বোরহানুল ইসলাম লিটন ২৬ নভেম্বর ২০২১, শুক্রবার, ০৭:২৮:০৫পূর্বাহ্ন কবিতা ১৩ মন্তব্য
আমার যা কিছু সুখ তোমারেই করে গেনু দান, হে বেভুলা রূপবান! তবুও গগনে থেকো হয়ে চির সুহাসিনী চান! কখনো বিরহে যদি কেঁপে উঠে নিশির অধর, ছড়ায়ে রূপালী প্রভা করো তার নিস্বার্থে কদর! যদি খুলে ঝিঁঝিঁ দ্বার জানুক তুমিও তার না হয় লুকাবো আমি ছেঁড়া বুকে ভীরু অভিমান! তবুও গগনে থেকো হয়ে চির সুহাসিনী চান! কর্কশ [বিস্তারিত]

ডাকবাক্স

তৌহিদুল ইসলাম ২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ০৭:২১:৫২অপরাহ্ন স্মৃতিকথা ১৫ মন্তব্য
ছোটবেলায় ডাকঘর এবং ডাকবাক্স আমার কাছে অদ্ভুত বিস্ময়কর এক বস্তু ছিলো। একজন মানুষ ছোট্ট টিনের বাক্সে টুক করে একটা কাগজ ফেলে দিলে সেটা কি করে আরেকজনের কাছে চলে যায় সেটি নিয়ে আমার ভাবনার অন্ত ছিলোনা। চিঠি কি তা যখন একটু একটু করে বুঝতে শিখেছি তখন জীবনের প্রথম চিরকুট আকারে চিঠি লিখেছিলাম আব্বার কাছে। ছোট্ট চিঠিগুলি [বিস্তারিত]

পাকিপ্রেমের আত্মকথা

হালিম নজরুল ২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ০৬:৫৭:৩৬অপরাহ্ন কবিতা ১২ মন্তব্য
আজ জিতেছে বাংলা স্বদেশ তবু কেন হাসো না? আসল কথা মাতৃভূমি মোটেই ভালোবাসো না। টাইগারেরা হারলে বলো "এদেশটা তো আমার না। পাকিস্তানের বিপক্ষে যাই ! আমি অমন চামার না। দাদা ছিল খোদ রাজাকার, নানা ? পাকিস্তানী সে, মামা ছিল স্বাচ্ছা গোলাম টানতো তাদের ঘানি সে। কে বাবা তা নেইকো জানা, এইটা নিয়ে 'সন্দ' কী? হোক [বিস্তারিত]

অন্তদণ্ড

আলমগীর সরকার লিটন ২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:১২:৪৯অপরাহ্ন কবিতা ৭ মন্তব্য
দেহের ভীতর অন্তদণ্ড ঝড় হাওয়া বইলে কি আর প্রেমময় সুবাস থাকে? এক বার ভাবো কি অনুরাগ? অদ্ভুত হাস্যকর, রূপালি কথাগুলো শুনলে- জেনো ঝর্ণা ধারা ক্ষত বিক্ষত মিছিল- নীরবে পদচিহ্ন লেগেই থাকে, রক্তাক্ত দাগ; হতচ্ছাড়া তবুও মন থাকে, দেহের ভাজে- ভাজে অন্তহারা, অথচ মনে হয় বিবেক বুদ্ধি শূন্য আকাশ- বল কি ভাবে পাবে একখণ্ড মাটির সুগন্ধ [বিস্তারিত]

আর্কাইভ