বলনু ডেকে বলতো খোকা দেখতে কেমন মোদের দেশের কাক? চাইলে ক্ষণিক ভাবতে পারিস চুপটি থেকে দরজা রেখে ফাঁক! বললো আমি সবই জানি কও তো আবার লাগবে কেন দেখা! কাউয়া সে তো সবুজ কালার গলায় আঁকা চিরল চিরল রেখা। পায়ের পাতা খুব খয়েরী পুচ্ছ গোছা লম্বা সটান বেশ, থাকতে পারে কিন্তু কারো হঠাৎ মাথে লম্বা ক’টা [বিস্তারিত খোকার কাক]
যতোই গোসসা করো ভিজিয়ে দুয়ার – ছাড়বো না তবু আমি তোমাকে পাবার অধিকার! যদি না হৃদয়ে বসে গাও তুমি গান, নীরবে সইবো চেপে ভীরু অভিমান! চরণে না দিলে বাস লুকাবো তাপিত শ্বাস নিজেকে অভাগা বলে দিয়ে ধিক্কার – ছাড়বো না তবু আমি তোমাকে পাবার অধিকার! রহমত যদি রাখো ঢেকে আবরণে, পুষবো তোমারি নাম গোপনে এ [বিস্তারিত ছাড়বো না তবু! (গীতিকাব্য)]
শান্তির কথা ভাবতেই পারি না! খুঁজতে গেলেও প্রখর রৌদ্রময় চৈত্রের দুপুরকে সযতনে ডেকে, মরা গাছের এক কাঠঠোকরা ঠক ঠক করে তক্তা কাটে নির্দয়ভাবে কম দামী এই বুকের গাত্র থেকে। অনেক দিন আগের কথা – সমূদ্র দেখতে গিয়েছিলাম বনানীর পরামর্শে, সৈকতে ঘুরছি আবছা সুখানুভূতি হৃদয়টা আচ্ছন্নও করলো হঠাৎ কোত্থেকে এক চক্রকার ভয়ংকর রূপী আইলা এসে লাথি [বিস্তারিত বরং]
সোনামণি সিনথীয়া গান গায় পিয়া পিয়া ধ্যান করে সকলের ভঙ্গ। জেগে সদা পাশাপাশি এই জল এই হাসি প্রিয় তার বাবা মা’র সঙ্গ। খ্যালে যদি খেলাপাতি দিনমানই থাকে মাতি শুনে শুনে পুতুলের বায়না, বেঁধে দিলে দুই ঝুঁটি হেসে হয় কুটি কুটি বারে বারে হাতে নিয়ে আয়না। খেতে দিলে মাছ ভাত বসে শুধু ধোয় হাত মুখে পেলে [বিস্তারিত সোনামণি সিনথীয়া]
চাইলে কি পাই সুখরে পাশাপাশি! ডাকতে গেলে হোঁচট লাগে ব্যথায় বুকের কাঁপন জাগে, যাচলে তবু বাদল ধারা শীত সেধে দেয় ব্যাপক সাড়া, বিজলী বিলায় রামধনুতে হাসি! চাইলে কি পাই সুখরে পাশাপাশি! খুঁজতে গেলে হিয়ার মাঝে কাউয়া ডাকে ব্যাকুল সাঁঝে, স্মৃতির ধারে গড়লে বেলা শোল ধেয়ে খায় ট্যাংরা চেলা, ভেক হতে চায় শিউলি তলার মাসী! চাইলে [বিস্তারিত চাইলে কি পাই!]
দুঃখে যদি ওই নীল আকাশ হয় গো দিশেহারা, তোমরা যতোই চুপ করে রও দেবোই আমি সাড়া! প্রাণ হারা নদ-নদীর বুকে চাইবো উঠুক ঢেউ, চষবো মেঘের হিম মাখা কেশ জানবে না তা কেউ। জ্যোৎস্না খোয়ে ফেললে গো জল নিশির ক্রোড়ে শশী, বক্ষ ভেদী শুকতারাদের বাঁধবো ঘোরে কষি। গামলা দিয়ে সেচবো একাই লাল সায়রের জল, হাসবো আড়ে [বিস্তারিত দেবোই আমি সাড়া!]
ভীষণ কাতর, অন্তরের কষ্ট তার – আগ্নেয়গিরির জ্বলন্ত লাভার মতো ধড়ফড়ে! মাটির একটা ভাঙা থালা সামনে রেখে গভীর নিশীথে বসে আছে একা আশাময় এক নির্জন প্রান্তরে জ্যোৎস্না পান করবে বলে কোজাগরীর আলো মেঘে ঢাকা বিক্ষিপ্ত ভাবনাগুলো অকূলের হাল ভাঙা তরী সয়েও ক্ষুধার্ত স্বপ্নের দৃষ্টি স্থির ওই দূর আকাশে। হঠাৎই নিষ্পলক দু’চোখ তার চকচক করে উঠলো [বিস্তারিত তার অন্তিম যাত্রা!]
রবির আলোয় জেগে উঠুক স্নিগ্ধ সতেজ ভোর, রবির আলোয় ছোট্ট সোনা প্রথম খুলুক দোর। রবির আলোয় ছড়িয়ে পড়ুক শাপলা ফুলের হাসি, রবির আলোয় গাক সবে ‘মা তোমায় ভালোবাসি’। রবির আলোয় গাছ-পালা পাক কিশলয়ের প্রাণ, রবির আলোয় শ্রমীর ও’ বুক বাঁধুক সুখের গান। রবির আলোয় ধান ক্ষেতে বাও গড়ুক সবুজ দোলা, রবির আলোয় ছাগ গরু হোক [বিস্তারিত রবির আলোয়]
তোর মুখে যদি জেগে থাকতো উত্তাল সমুদ্রের বুকে উচ্ছ্বাসে মেতে উঠা উন্মত্ত লহরীর সফেদ ফেনা – আমি ভাবতাম না! থাকতো দু’চোখে যদি ভেসে নীলিমার বক্ষে ছুটে চলা দুরন্ত মেঘের ’সৃষ্টি সুখ’ উল্লাসের দল বাঁধা স্বপ্ন – আমি ভাবতাম না! যদি বুঝতাম তোর অন্তর লকলকে ঘাসের ডগায় ঝিরঝিরে বাতাসে দোল খাওয়া লাল বরনের কোন ফড়িং এর [বিস্তারিত অ্যাডোনিসের অনিন্দ্য কুসুম]
চন্দ্র রে তোর বদনখানি করিস্ নে আর কালো – দিস্ চিরকাল আমার মাকে আলো! না জানি ঘোর আঁধার আজি গড়ছে কেমন রাতি, মা যে আমার ঘুমিয়ে থাকে নেই ও’ ঘরে বাতি! করলে রে ভয় জেগে একা আপন ভেবে দিস্ তুই দেখা নিদ হারা এই হৃদয় সঁপে বাসবো তোরে ভালো – দিস্ চিরকাল আমার মাকে আলো! [বিস্তারিত দিস্ চিরকাল আমার মাকে আলো! (গীতিকাব্য)]
আমি) ভাববো না নিরুপমা! নিন্দার ঘাতে জেগে উঠা ব্যথা শুধু রাখো তুমি জমা! নীরব নিশীথে ক্ষয়ে যাবো আমি হয়ে চাঁন্দের আলো, সত্তা বিলাতে ধুপ শিখা হবো মানুষেরে বেসে ভালো। ঘিরলে ধরার মায়া, গড়বো এ প্রাণ দ্বিধাহীনে এক পাকুড় গাছের কায়া। প্রয়োজনে দিতে চলার এ পথে তুলে যতো দাঁড়ি কমা, না করে নিজেকে ক্ষমা, আমি) ভাববো [বিস্তারিত ভাববো না নিরুপমা!]
সদ্য ফোটা সুবাসিত গোলাপ পাপড়ির মোহনীয় কোমলতা পারেনি এ হৃদয় টলাতে! পারেনি ষোড়শির আলতা রাঙা চপল দু’পায়ে আস্থার মায়াবী স্বপন গড়েও সর্বংসহা প্রকৃতি কাছে টানতে! রূপালী জ্যোৎস্নায় নেয়ে নিশুতি নদী স্রোত ও ঊর্মির গলে পালা গানের আসর বসালেও শ্রোতা হইনি! আসেনি কারোর দক্ষ হাতে সামলানো কর্মের ঝলমলে আদর্শের জ্যোতি ক্ষণকাল বাঁধতে! আরব্য রজনীর গল্প সাথী [বিস্তারিত মাতৃ বন্দনা]
গভীর নিশীথে ঝরে ধড়ফড়ে দু’চোখের জল ডাকলেই ছেঁড়া প্রীতি, হারানো দিনের কথা জানি তোর কাছে শুধুই বেসুরো আজ তাল হারা শকুনের গীতি। কেনেই হবে না বল চিত্তের চাওয়া যে তোর অসীম বৈভব, অথচ ছিলাম পাশে কতো বোকা আমি বাঁধনের বুকে সেচে হা-ভাতের ভীরু কলরব। আঘাত করলি তাই, দ্বিধাহীনে না ভেবেই থাকতেও পারে জেগে ঘর্মাক্ত ও’ [বিস্তারিত হায়াসিন্থ]
সতেজ সরষে ফুল ঢেকে বাঁকা আল, সহ্য করবে শত ফড়িং এর চাল। দোয়েল বাজায়ে শিস গাইবে অহর্নিশ এনেই সে’ হেলে পড়া সোনালী বিকাল। দেখোই না বলে তুমি ‘হাঁটবে কি কাল!’ হলেও শীতের প্রাতে ছাগ তালকানা, কুহেলী ছড়াবে ঘাসে মুক্তোর দানা। গোধূলির লাল রবি আঁকবে বকের ছবি বাঁকা চোখে দূরে ঠেলে হাঁসের কচাল! দেখোই না বলে [বিস্তারিত দেখোই না বলে তুমি!]
একটা ফুল কতো? দশ টাকা! আট টাকায় হয় না? এভাবে বেচলে বাজান খরচ উঠে কিন্তু সংসার চলে না! এই তো একটু আগে – জেদ করে একজন আট টাকাতে নিয়েই ছাড়লো! আচ্ছা ঠিক আছে দশ টাকাই নেন! আমি কি আপনাকে কিছু খাওয়াতে পারি? কেন? এই যে যত্ন করে বললেন – ’একটু আগে জেদ করে একজন আট [বিস্তারিত বিশ্বস্ততা ও সততার পুরস্কার]