চারিদিকে সবুজ বৃক্ষরাজি আর মাঝ খানে রঙ্গন ফুলের ঝোপ আর পাতা বাহারের বেড়া দিয়ে দিয়ে ঘেরা সেমিট্টি ইয়ার্ড। নীরব, নির্জন দৃষ্টিনন্দন স্থান হিসেবে এ স্থানটির অতুলনীয়। সৈনিকদের ঘুমিয়ে থাকার জন্য এর থেকে শান্তির জায়গা যেন আর হয়না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে চট্টগ্রাম থেকে বার্মা ফ্রন্টে তৎকালীন বৃটিশ ভারত, বৃটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, বার্মা, পূর্ব ও পশ্চিম আফ্রিকা,… [বিস্তারিত]
সর্বশেষ লেখা
ইচ্ছে করে আকাশের নীল মেখে প্রজাপতি, ঘাসফড়িং হয়ে বেড়াই পথে পথে, ইচ্ছে করেই রঙিন স্বপ্ন গুলো দূর আকাশে ছড়িয়ে দিতে। কখনো বা ইচ্ছে জাগে, পাখির মত ডানা মেলে পথ হারাই আকাশে সীমাহীন প্রান্তে, ইচ্ছে করে মেঘ হয়ে আকাশকে ছুঁয়ে দিতে। স্বচ্ছ আকাশে জমে মেঘের জল কনা ইচ্ছের পাপড়ি পায় না রোদ্দুর দেখা, আধারের বুকে, পথ… [বিস্তারিত]
ছোট খাটো অক্ষর কুড়িয়ে-টুকিয়ে নিয়ে খোড়া,ল্যাংড়া শব্দ সাজাতে বসি.....ভগ্নাংশের ছিটেফোঁটা অক্ষরের দৈন্যতা ভোগাতে থাকে অবিরতঃ। পঞ্চদশ পৃষ্ঠায় এসেই থমকে গ্যাছে আঙুলের যাবতীয় সাড়তা। অসাড়, নির্লিপ্ত চোখের দৃষ্টিতে শুধুই মৃত মাছের জমাট বাঁধা রক্তের ছোপ! পূর্বাপর হাজারো অক্ষরের জমিনে চাপ চাপ ভুল বানান ; দাঁড়ি,কমা,সেমিকোলন,বিরাম চিহ্ন! কেবলই হামাগুড়ি দেয়া শিশুর চার হাত পায়ের ছাপ-ছায়া, ছাড় পায়না… [বিস্তারিত]
ঘানি টানার মতো রোজ সরিষা তৈল উৎপাদন হচ্ছে খুব; ক্ষত বিক্ষত মাটির দলা যেদিন দুর্বলা ঘাসফুলের সাথে বাসর হবে; সেদিন ও এতটুুকু ঘ্রাণ পাবে না লম্বা নাকটাও আর জুরাবে না! সমস্ত উপলদ্বি ধ্বংস হবে। হৃদয় ঘানিতে মুক্তির সানাই বাজাবে নিশ্চিয়- আবার কোন এক সরিষা দানার; অথচ এক মুহুর্তের জন্যও হলো বুঝার ক্ষমতাটুকু রাখলে না- অনুশোচনা… [বিস্তারিত]
তাজা কবর দেখে থমকে যেয়ে কাছে ঘেঁসে দাঁড়াই, দেখি, লবণ-চোখ-স্বজনেরা ছুঁড়ে দিচ্ছে মুঠো মুঠো মাটি, কান্না উগড়ে, চেপে রেখেও; অশ্রুহীন আমি! ভাবি------------- রোজ ই তো কত কত কত্তজন হারিয়ে যাচ্ছে মৃত্যু-নিয়ম মেনে, অনাথ শিশু আর অকাল বৈধব্যরা ও সংখ্যা বাড়াচ্ছে; ঘাটের মরারা ও বেহদ টিকে যাচ্ছে বেপরোয়া ব্যারাম কে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের তুড়ি মেড়ে, বিরহ কাতরতার সর্বান্তকরণে;… [বিস্তারিত]
আমাদের ছোট গাঁয়, প্রতিদিন বসে পাখালির মেলা বট-পাকুড়ের ছায়। সারাটা বছর মাঠে খায় দোল পাকা ফসলের সারি, সুর থাকে জেগে কাজের কাঁকালে ক্ষণিকও যায় না ছাড়ি। গোয়ালে গো-ছাগ গোলা ভরা ধান গাছে গাছে ফুল ফল, খাল বিলে করে হরেক মৎস্য দিবা নিশি খলবল। খরায় সচল মহিষের গাড়ি বরষার জলে নাও, সবুজ বৃক্ষ দেয় ক্ষণে ক্ষণে… [বিস্তারিত]
স্যাঁতস্যাঁতে ঝুপড়িতে বেড়ে ওঠা কচি আবেগ জানেনা আকাশ কত নীল! সমুদ্র কতটা সফেন আর সুনীল? আকাশ দেখবে বলে উড়ুক্কু গাঙচিলের ঝাঁকের পিছে ছুটতে গিয়ে ডানা ভেঙ্গেছে উঠোন বাড়ির শালিক। তবে কী আবেগ পাখির বেহিসেবী পালক? যত্রতত্র যখন তখন ঝরে যায়.... নির্জন দুপুরে একান্তে ডাকা ঘুঘুকে কি তাড়িয়ে দিতে হবে? চালচুলোহীন ভবঘুরের স্পর্শকাতর অনুভূতি শূন্য হতে… [বিস্তারিত]
কালের যাত্রা পথে জীবনের প্রতিটি পাতা প্রতিটি ক্ষণ অপূর্ণতায় ঠাসা, অপুণ্যতে-ও; রূপকের মত অন্ধকার নেমে আসে ক্ষণে ক্ষণে ক্বচিৎ/কদাচিৎ আলোর ঝলকানি-ও, কলহ আর ভালোবাসার স্পর্শ-চিহ্ন কোথাও খুঁজে পাই না, অন্ধকারের শতাব্দীগুলো ভেসে আসে সারি বাঁধা দলবদ্ধতায় অপ্রীতিতের যন্ত্রণা নিয়ে। প্রহর-জাগা শূন্যতার ডাক যখন ত্রিরাত্রির সঙ্গী চুঁইয়ে পড়া নিদ্রাহীনতা চিক চিক করে জেগে থাকে, সবুজ শিশিরের… [বিস্তারিত]
আমার যা কিছু সুখ তোমারেই করে গেনু দান, হে বেভুলা রূপবান! তবুও গগনে থেকো হয়ে চির সুহাসিনী চান! কখনো বিরহে যদি কেঁপে উঠে নিশির অধর, ছড়ায়ে রূপালী প্রভা করো তার নিস্বার্থে কদর! যদি খুলে ঝিঁঝিঁ দ্বার জানুক তুমিও তার না হয় লুকাবো আমি ছেঁড়া বুকে ভীরু অভিমান! তবুও গগনে থেকো হয়ে চির সুহাসিনী চান! কর্কশ… [বিস্তারিত]
ছোটবেলায় ডাকঘর এবং ডাকবাক্স আমার কাছে অদ্ভুত বিস্ময়কর এক বস্তু ছিলো। একজন মানুষ ছোট্ট টিনের বাক্সে টুক করে একটা কাগজ ফেলে দিলে সেটা কি করে আরেকজনের কাছে চলে যায় সেটি নিয়ে আমার ভাবনার অন্ত ছিলোনা। চিঠি কি তা যখন একটু একটু করে বুঝতে শিখেছি তখন জীবনের প্রথম চিরকুট আকারে চিঠি লিখেছিলাম আব্বার কাছে। ছোট্ট চিঠিগুলি… [বিস্তারিত]
আজ জিতেছে বাংলা স্বদেশ তবু কেন হাসো না? আসল কথা মাতৃভূমি মোটেই ভালোবাসো না। টাইগারেরা হারলে বলো "এদেশটা তো আমার না। পাকিস্তানের বিপক্ষে যাই ! আমি অমন চামার না। দাদা ছিল খোদ রাজাকার, নানা ? পাকিস্তানী সে, মামা ছিল স্বাচ্ছা গোলাম টানতো তাদের ঘানি সে। কে বাবা তা নেইকো জানা, এইটা নিয়ে 'সন্দ' কী? হোক… [বিস্তারিত]
দেহের ভীতর অন্তদণ্ড ঝড় হাওয়া বইলে কি আর প্রেমময় সুবাস থাকে? এক বার ভাবো কি অনুরাগ? অদ্ভুত হাস্যকর, রূপালি কথাগুলো শুনলে- জেনো ঝর্ণা ধারা ক্ষত বিক্ষত মিছিল- নীরবে পদচিহ্ন লেগেই থাকে, রক্তাক্ত দাগ; হতচ্ছাড়া তবুও মন থাকে, দেহের ভাজে- ভাজে অন্তহারা, অথচ মনে হয় বিবেক বুদ্ধি শূন্য আকাশ- বল কি ভাবে পাবে একখণ্ড মাটির সুগন্ধ… [বিস্তারিত]
সৃষ্টিকর্তা একশো ভাগ মায়ার মধ্যে। মাত্র এক ভাগ মায়াকে ৯৯ ভাগ করে শস্য পরিমাণ মায়া দুনিয়ায় দিয়েছেন। অথচ এই শস্য পরিমাণ মায়া পেয়েই আমরা মানবজাতি কত মায়াবী এবং দয়াশীল। একে অন্যকে ছাড়া থাকতে পারিনা। পছন্দের মানুষকে না পেলে আত্মহত্যা করি। কেউ কেউ সারাটি জীবন কাটিয়ে দেয় নির্দিষ্ট একজনের মায়ায়। দুনিয়ার শস্য পরিমাণ মায়ার মোহে পরে,… [বিস্তারিত]
কোথায় হারালে হিরামানিক সোনেলার সোনামনিগণ? কোথায় গেলে খুজে পাব সোনেলায় সোনাভাইগণ? তোমাদের পানে চেয়ে/অপেক্ষায় আছি সোনেলা পাতায় ফুটিবে ফুল, গাইবে পাখি গলা ছাড়িয়া রহ রহ পাশে সাথে। কি এতো অভিমান কি এতো চাওয়া কি বা এতো অরন্যে হন্যে থাকি? খুব কি আশা না নিরাশা এখানে কি বা চাওয়া কি নাই হেতায়? সব পাখি গাই গান… [বিস্তারিত]
কুয়াশা ভেজা হৃদয়ে ভাবনারা ভেসে আসে অতীত থেকে বর্তমান ছুঁয়ে, ঐ দূর অবধি; ছুঁয়ে যায়, ছুঁতে চায়, না-ছোঁয়া দূরত্বটুকু; তবুও দূরত্ব দূরত্বেই থেকে যায় আড়-চোখে তাকানো বরাবরের মত; এটাই নিয়ম, এটাই হয়ত নিয়তি, থাকা না-থাকার জটিল আবর্তে; পাপ পুণ্যের প্রান্ত সীমায় নেই কোন সুগন্ধ-অতীত, শুধুই অসীম অখণ্ড নীরব- লেখাজোখা, অনিন্দ্য সুখ-পাঠ বিচ্যুতির মত ঠায় দাঁড়িয়ে… [বিস্তারিত]











