কাফনে মোড়ানো স্মৃতির ঘানি

কাফনে মোড়ানো স্মৃতির ঘানি এই ফাটা,এই খোঁচ,এই চিড় কোনদিনই আর জোড়া লাগবেনা ফিরে যাও ছলোছলো চোখে অযথা কেঁদোনা বুক ভেঙনা দয়ার ভালোবাসায়; করুণার কামলীলায় বুকের বামপাঁজরে আর আঘাত দিওনা,রক্তের শাখা প্রশাখায় হৃদয়ত্বের মূল থেকে উপড়ে ফেলেছি ভালবাসার সুতো দিয়ে গাঁথাতো দূর তোমার ঘৃণার চাবকও আমাকে আর ফেরাতে পারবেনা আমাতে! আমি আর আমার ধূসর বন্ধ্যা অন্ধকার [বিস্তারিত কাফনে মোড়ানো স্মৃতির ঘানি]

আমরা –

আমরা কোনোদিন প্রেমে পড়িনি একে অপরের- তবুও কি অমোঘ টান পরস্পরে ! ভালো-মন্দের ভাগাভাগি না হলে প্রাণ চলেনা । আমরা ছুঁতে চাইনি কখনো একে অপরকে তবুও, অস্পর্শের অটুট এক স্পর্শে জড়িয়ে রেখেছি অক্লান্ত নিজেদের, ছাড়াছাড়ি হলেই শ্বাসে শ্বাসে সংঘাত । আমরা ‘ভালোবাসি‘ বলিনি একবারো তারপরো এক আকাশ মমতা বুকে ধরে একে অপরের মুখে চেয়ে ভালো [বিস্তারিত আমরা –]

উদাসী মন খুঁজে তোমাকে

আজ মন আমার উদাসী হয়ে হাতছানি দিয়ে ডাকে তোমায়, সাক্ষী আছে কালো আকাশ নাম না জানা তাঁরা গুলো। তুমি সাড়া দিলে না ? জানি শত ডাকলেও সাড়া দেবে না। কোন সে অপরাধে আমায় ছেড়ে চলে গেল?? জানি না আমি। সব বাঁধন ছিড়ে চলে গেলে তোমার সুখের কাছে আর আমাকে নিঃস্ব করে রেখে গেলে। আমিতো চেয়ে [বিস্তারিত উদাসী মন খুঁজে তোমাকে]

বিজ্ঞাপন বিরতি

Mr. Mango এর “কাঁচা খেয়ে ফেলবো” শ্লোগান নিয়ে যদি বাংলাদেশের কয়েকজন জনপ্রিয় লেখক লিখতেন তাহলে এমন হতঃ কাজী আনোয়ার হোসেনঃ রাত ৯ টা ১৫ । যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুরস্ক হয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ল্যান্ড করছে বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৫০৭ এয়ারবাস । চমৎকার আবহাওয়া । শরত শেষ প্রায়, হালকা শিরশিরে বাতাস বইছে । হঠাত করেই শীত [বিস্তারিত বিজ্ঞাপন বিরতি]

মহা রাতের ঘাতক আধাঁর

মহা রাতের ঘাতক আধাঁর এভিনিউর মোড়ে মার্বেল খেলার ছলে কেটে গিয়েছিলো আমার নাবালক প্রভাত কুচকুচে সাদা ইউনিফর্মপড়া এক কিশোরীর এক্কা দোক্কা খেলা দেখার ছলে মন্ত্রমুগ্ধের মত পেরিয়ে ছিলাম উদাস দুপুর! অস্তাচলা গোধূলীর বয়স্ক বিকেলের শেষ গানে সুর মিলাতে মিলাতে কেটে গেলো আমার বিকেল! এখন অধৈর্য্যর ঘোর অন্ধকার বন্ধ হয়ে আসছে সব খুলা দ্বার দোকানির বাকী [বিস্তারিত মহা রাতের ঘাতক আধাঁর]

সুন্দরীর টানে মন

সমুদ্র আমায় ডাক দিয়েছে আয় রে তুই আয় সেই ডাকেতে আমিও খুশি জলদি দিলাম সায়। মুগ্ধ আমি  নয়ন জোড়ায় দেখে, সুন্দরীর হাতছানি বিশাল সমুদ্র  একা আমি, এ যে মনের মানহানী!   চট্রগ্রামের পানি লাগেনি তো ভালো বরিশালের মেয়েরা আমার দু’চোখ করলো আলো। ভয়ে ভয়ে উঠেছিলাম লঞ্চে, ছিল এক বন্ধুর পরার্মশ ও মোর মনু, হেই তো [বিস্তারিত সুন্দরীর টানে মন]

আমি , আমরা

আমার কলম চলে না , থেমে থেমে যায় , সময়ের সাথে সাথে মনের রঙও দিব্ব্যি উড়ে যায় কর্পূরের মতো । ধূসর বাতাস বয়ে নিয়ে বেড়ায় মরুভূমির অভিশাপ , তবুও হাসি মুখে বলে যায় , এইতো ভালো আছি । ধ্বংসযজ্ঞের সূচনা, একেবারে নাকে এসে ঠেকেছে বারুদের গন্ধ , সকলের পরিমিতিবোধ যেন শুন্যের কোঠায় । নাসারন্ধ্রে ছিপি [বিস্তারিত আমি , আমরা]

দাঁড়িয়ে যাও !

আজন্ম লালিত হে স্বপ্ন বাংলার, হে ভালোবাসা, সাধের স্বাধীনতা আমার তোমাকে যারা ক্রুরতা ও অন্ধকারের তীব্র রাইফেলে ক্ষত-বিক্ষত করে মানচিত্রে তোমার ছুটিয়েছে রক্তফোয়ারা, রোপণ করেছে হিংসার নির্দয় বধ্যভূমি যন্ত্রণার তীব্র কার্তুজে ডানে-বামে-উত্তরে-দক্ষিণে, রোপণ করেছে পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইলের আটষট্টি হাজার গ্রাম ব্যেপে- অশনাক্ত সেইসব লাশের ছিন্নভিন্ন দেহ, হাত বাঁধা, চোখ বাঁধা চিত্রনাট্য কিংবা নেড়ি কুত্তার পৈশাচিকতায় [বিস্তারিত দাঁড়িয়ে যাও !]

জেনে রেখো দিদি, আমরাও বাঙাল সহজে হবো না জব্দ

মমতা দিদি রাগ করেছেন তিস্তার পানি নিয়ে ৪৮% দিতেও উনার পিত্তি যাচ্ছে জ্বলে। মুখে বলে আমরা বাঙাল, শুধু মাঝখানে সৈনিকের ঢেরা অন্তরে আমাদের ভালবাসেন, কিন্তু উঠাবেন না মনের বেড়া! আসার কথা তোমার দিদি নতুন বার্তা নিয়ে খাওয়াবো ইলিশ, পরাবো জামদানি ইচ্ছে ছিল মনে আমরা চাষা, মজুর স্বাধীন করেছি দেশ ভুলিনি, তোমরা করেছিলে সহায়তা বেশ। দিদি [বিস্তারিত জেনে রেখো দিদি, আমরাও বাঙাল সহজে হবো না জব্দ]

নতুন টিনের চাল এবং ইউনুস ভাই এর ‘জিপিবি’ সোনেলায় আমার প্রথম পোষ্ট :D

ডাঃ ইউনুস মিয়ারে নিয়া আমি কখনই সমালোচনা করিনাই   🙂 তবে গতকাল একটা নিউজ পেপারে দেখলাম তিনি নাকি নতুন রাজনীতি দল বানাচ্ছে , আর দলের নাম ( গ্রামীণ পার্টি বাংলাদেশ ) জিপিবি ‘ তার রাজনীতিতে নামতে দেখে ‘নতুন টিনের চাল’ এর কথা মনে পড়লো । তখন সম্ভাবত ১৯৯৬-১৯৯৭ হবে , তখন আমি অনেক ছোট ,তখন আমাদের [বিস্তারিত নতুন টিনের চাল এবং ইউনুস ভাই এর ‘জিপিবি’ সোনেলায় আমার প্রথম পোষ্ট 😀]

ব্যস্ত নাগরিক জীবনে

ব্যস্ত নাগরিক জীবনে­- প্রেম, স্নেহ, ভালবাসা অশ্রুজলে  শুধু ভাসা গেছে সব বহু দূরে স্মৃতি থেকে হারিয়ে ব্যস্ত নাগরিক জীবনে । তবু প্রেম আসে শরীরে, ক্ষণিকের রতিসুখে আবেগের জোয়ারে যেমনটি যায় দেখা খাজুরোর দেওয়ালে দেবমূতি পড়ে ঢাকা মিথুনের বাহারে ব্যস্ত নাগরিক জীবনে ।  

নারীর নিভৃত নীড়ে…(ভাঁজের কবিতা)

অর্ষা-, রুপোলী নারীশ্বরী আমার টেনে নিলে আমায়- তাঁর মধুময় চাকের কাছে গোলাপি অধরের সতৃষ্ণ তৃষ্ণায়, কেঁপে ওঠে স্নিগ্ধ মনভুমি । উষ্ণ স্তনযুগলে কিঞ্চিৎ- ভালোবাসা আঁকার সুতীব্র বাসনায় হৃদ স্পন্দন এতটাই বেড়ে যায় যেন চিরকালীন অস্তসূর্যে সমস্ত পৃথিবী তখন নিথর হলেও বিবসনা সৌন্দর্যের বৈভবে বোধহয় পাবোনা কিছুই টের ! লিপস্টিক রাঙ্গানো ওষ্ঠাধরে ওষ্ঠাধর রেখে লালসার ক্রুর [বিস্তারিত নারীর নিভৃত নীড়ে…(ভাঁজের কবিতা)]

অর্থ, শরীর এবং মন

আয়নায় হৃদি নিজেকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখে এই শাড়ীতে কি মানাচ্ছে না ! আজ তাকে পৃথিবীর সব চেয়ে সুন্দর মেয়েটি মনে হতে হবে… নীল শাড়ীটা পরবে? নাহ ! ওটা পরা যাবে না । ওটা তোলা থাক ওটা পরে সে সমুদ্রের তীরে তার হাত ধরে হেঁটে যাবে দূরে… জিয়ন আজ তাকে সকালে দেখা করতে বলেছে খুব নাকি [বিস্তারিত অর্থ, শরীর এবং মন]

স্বপ্ননদী, তোমাকে…

এ জন্মটা তোমাকেই উৎসর্গ করেছি, করেছি জন্মাধিক সত্যি প্রিয় ভালোলাগা ভালোবাসায় । হৃদয়ের কাছে শাদা নীলমনি ফুল, অনুভবে ফুটেছো তুমি সমস্ত আবেগ মিশিয়ে । আগামী কোনো জন্মে মনুষ্যজন্ম পেলে তোমার অভাবিত সুন্দরকে প্রদক্ষিন করার বরই চেয়ে নেবো আমি ; মঞ্জুরিত বসন্তদিন বরাদ্দ নাও হয় যদি । কী চাইবে তুমি ? মৃণালের শীর্ষে পদ্ম নাকি শতবর্ষী [বিস্তারিত স্বপ্ননদী, তোমাকে…]

দীর্ঘশ্বাসের ক্যানভাসে !

যাচ্ছি যাব বলতে বলতে যেদিন সত্যি সত্যিই চলে গেলে আমাকে ছেড়ে, ছাড়িয়ে নিলে শেষ দাবিটুকুও সম্পর্কের সেদিন আমি বুঝিনি, বুঝিনি ভুলেও, কসম ধমনীতে ততদিনে প্রেমের নিবিড় প্রবাহ কতটা বইয়ে গেছে ! কিংবা আমার কতটা জুড়ে বইয়ে দিয়েছো প্রবাহ তোমার বিস্তৃত শেকড় কতটুকু ভেতরে আমার বুঝতে পারিনি সেদিন এক রত্তিও ! তাই তুমি যখন চলে যেতে [বিস্তারিত দীর্ঘশ্বাসের ক্যানভাসে !]