দিন-রাতের বেহিসেবী অক্ষর বুণন , আর নিঃস্বার্থ নিঃশ্বাস বড়ো অর্থহীন লাগছে এখন নিশ্চিন্তের শয্যায় রাত্রি জেগে স্বপ্ন দেখা চোখ আমাকে দেখেনা । হিসেব করে পাওয়াটুকু অসামাজিকতার ব্যবচ্ছেদ করে আর ছেঁকে যা উচ্ছিষ্ট পেয়ে যায় বেহিসেবী দেনাদার , তাতেই সাজিয়ে নেয় স্বস্তি । বোকার মতো রোজ রোজ হররোজ একইভাবে… অহর্নিশ একইভাবে… হয়তো নিরন্তর একইভাবে… হ্যামিল্টন , [বিস্তারিত নিরন্তর ব্যবচ্ছেদ]
ক্যাটাগরি সাহিত্য
ঢাকায় পোস্টিং পেলাম বেশ ক’বছর পর। এফসিপিএস পার্ট ওয়ান হয়ে গেছে। হালকা লেখালেখি করতাম। ইন্টার্নীর সময় থেকেই প্রত্যেক বইমেলায় দুটো বা তিনটা করে বই বের হতো আমার। খুব জনপ্রিয় না হলেও খুব একটা খারাপ চলে নি। এখনো লিখি। ঢাকায় পোস্টিং পাবার পর বেশ কিছু অদ্ভুত মজার ঘটনা ঘটে যায় আমার জীবনে। ডিউটির ফাঁকে একটি রেস্টুরেন্টে [বিস্তারিত ক্ষণিকা]
বেলা খানিকটা পড়ে এলে কলসী কাঁখে বাইরে বেরিয়ে আলতো পায়ে ধীরে ধীরে এগোতে থাকে সালেহা। সেই নির্জন আমগাছটা পেরিয়ে সে বাঁশঝাড়ের দিকে এগিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ামাত্র আধো-আলো, আধো-অন্ধকার থেকে বেরিয়ে লোকটা সালেহার সামনে দাঁড়ায়। তার চোখের তীব্র ঢেউ এসে কামনার মত আছড়ে পড়তে থাকে সালেহার দেহের ওপরে। মুগ্ধ বিস্ময়ে সে তাকিয়ে থাকে। মৃদু হেসে চোখের [বিস্তারিত কঙ্কাল-৪]
আমি মুক্তিযুদ্ধ কাছ থেকে দেখিনি কিন্তু শুনেছি মুক্তিযুদ্ধের জয়গাথা, পড়েছি একাত্তরের চিঠি, দেখেছি আগুনের পরশমনি,জয়যাত্রা আর গেরিলার মত চলচ্চিত্র। শুনেছি,পড়েছি,দেখেছি আর উপলব্ধি করেছি। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে অর্জিত এ স্বাধীনতা। কিন্তু, ৪২ বছর পর, আজ সেই স্বাধীনতাকে বৃথা মনে হয় যখন দেখি ভাতার অভাবে রিক্সা চালায় বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা। কেউবা তার মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট গলায় ঝুলিয়ে কান্নাজরিত [বিস্তারিত “৪২ বছর পর…..আমি চাই না এমন স্বাধীনতা”]
লোকটার কথার মধ্যেই একটা প্রচ্ছন্ন হুমকি টের পায় সালেহা। সে মাথা নিচু করে আস্তে আস্তে পা বাড়ায়। ঘরে এসে দেখে, শহীদুলের বাপ ফিরেছে। চোখের সামনে সালেহাকে দেখে মাথায় রক্ত উঠে যায় তার। এক শুষ্ক গরম অনুভূতি রক্তের মত গলগল করে তার মুখ থেকে উত্তপ্ত লাভার মত বেরিয়ে আসে, ‘কই গেছিলি এই সন্ধ্যারাইতে, তোর কোন্ ভাতারের [বিস্তারিত কঙ্কাল-৩]
অভিমানী ফিরে এসো চোখে নিয়ে মায়াবী চাহনি এইতো সেই আমি তোমার চিরকালীন তাপস্ব্যী ইন্দ্রিয়ের সামগ্রিক স্বর্ণালী বসন্তের যৌবন নিয়ে প্রতিক্ষায় ভুবনমোহিনী লাবণ্যে জন্মদিতে যুগলপ্রেম নতুন পৃথিবী! প্রিয়তমা উর্বশী ও চোখে বিরহী অশ্রুকণা মানায় না চেয়ে দেখো হৃদয় নিভৃতে ফুটে থাকা ফুল সবুজ শৈবালে অম্লান অপরুপ অনুরাগ সুখানুভূতি কেবল তোমার জন্য আকুল! হৃদয়েশ্বরী ফিরে এসো আমার [বিস্তারিত অভিমানী প্রিয়তমা উর্বশী]
আমার বাংলাদেশ সোনার মাটিতে সোনার সন্তান সকাল দুপুর আর রাত, বুকে তুলে তাকে চেপে কন্ঠে, আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি। পথের ধূলা কপালে মেখে ভাবি সোনার প্রদ্বীপ লতাপাতার মতো মাথার উপর আলোক রাশি, সেই আমার দেশের মাটি শ্রেষ্ঠ সবার প্রাণের দাবি। রূপসী এই বাংলাদেশের রূপ দেখে হই মুগ্ধ, বাতাসে দোলে মাঠের ফসল সবুজের বুক [বিস্তারিত মাতৃভূমি]
দুই রঙের জল— আবৃত্তিটি শুনতে এখানে ক্লিক করুন। আবৃত্তি করেছেন মনিকা আহমেদ কী এমন ক্ষতি হতো আমার বা তোমার যদি সত্যি তোমাকে ভুলে যেতে পারতাম! আমি বলতে পারতাম, আরেকদিন এসো বলতে পারতাম, এদিকের জল-হাওয়া ভাল। তুমিও তো ফিরে যেতে যেতে বলতে পারতে, তোমাদের এদিককার আকাশটা বড় ঘন ইচ্ছে করে দু’দিন আরো জিরিয়ে নিই ঘাটলার জলে। [বিস্তারিত দুই রঙের জল]
মিছিলে মিছিলে শ্লোগানে শ্লোগানে সমবেত একগানে উন্মীলিত বুক তোর হাতে লাল আমার হাতে সবুজ অবুঝ প্রাণও সেদিন দেখেছিলো স্বপ্ন স্বাধীনতার উজ্জীবিত মুখ! অন্তযাত্রায় পথ হতে পথে রক্তে রাঙনো রঙ্গিন সরণির ধুলো কনা ধর্ষিতার আঁচলে গোঙনীর লালা রক্তমনা নগ্ন শরীরে স্বাধীনতাটাই ছিলো বোনা! রুদ্ধশ্বাসে প্রাচীরের পর প্রাচীরে অবিমুক্ত বাতাসে ছিলো মৃত্যুর আনাগোনা নদী হলো তেপান্তর বৃষ্টি [বিস্তারিত উজ্জীবিত মুখ]
পরের দিনও পানি আনতে যাবার সময় লোকটাকে একই জায়গায় একইভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তার মনে একটা আতঙ্ক এসে ভর করে। অথচ দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া লোকটার আচরণে এখন পর্যন্ত কোনও অসঙ্গতি ধরা পড়েনি। সে জন্য কাউকে কিছু বলতেও পারছে না সে। তা ছাড়া কীইবা বলবে ? নিজের মধ্যে এক ধরনের দ্বিধা এসে সঙ্কুচিত করে দেয় তাকে। [বিস্তারিত কঙ্কাল-২]
বিচিত্র আলোকে মন্দ মুখর বাতাসে চিত্তের শত বিকাশ শত সহস্র রঙ ঢং-এ প্রকাশ, গ্রন্থে পঠিত কন্ঠে উচ্চারণ জেনে না জেনে অসংখ্য কাহিনী তবুও সে আলোকিত ফুল কানন। শুধু আমি একা একাকী অশ্রুসজল নয়ন, আমি নাকি তখন হিংস্র ছিলাম দেশ, মা ও দশের শত কর্মে, আজ পলাতক শত অভিযোগে পরিহাস, অভিযোগ চলছে মন্দ গতিতে, দীর্ঘশ্বাস, চাই [বিস্তারিত এক যোদ্ধার প্রলাপ]
জন্মকুঁড়ে অন্তরটার কথা জবানবন্দি দিয়ে পারলাম না বুঝাতে জম্পেশ আড্ডায় মেতে রইলি তুই অবুঝরে নিলিনা বুঝে তোর ভাগে! আপন গ্রহে নিগৃহীত অতিশয় নিতল বুঝেনা তোর কথার নিতম্ব বা ছল নিছক নিসঙ্গতার উত্সরনে ভূগে ভূগে বিভাগী হলো চোখের নোনতা জল! জাগরুক হয়ে জাগাতে পারতি বিভ্রম বিভুইয়ের স্বপ্ন ক্ষুধা বিপ্রতীপ মনের বিভাটায়ও পারতিস টৈটুম্বর ভরে দিতে তোর [বিস্তারিত জন্মকুঁড়ে অন্তত]
“সেদিন অনেক রাত অব্দি বাঁশী বেজেছিল নবীনা’দিদের পুকুরঘাটে। আমি তো নির্বাক শ্রোতা বা দর্শক। ঝুমুরের চোখ দু’টো করমচার মতো লাল দেখেছি, বুঝেছি অনেক কিছুই। বলতে কি পেরেছি কিছু?”—-বলতে বলতে বড়’মা কাঁদছিলেন। বড়মা’র ছোট ফুফু ছিলেন এই ঝুমুর, সমবয়সী। অমন রূপবতী মেয়ে বুঝি আর হয় না, বড়’মার ভাষ্য। একানব্বুই বছর বয়েসী অশীতিপর এই বৃদ্ধা আমার মায়ের [বিস্তারিত সেই সব বনজ দিন]
লিখার জন্য ভাবছি অনেক লিখবো অনেক আজ কলম খাতা সবই আছে মাথায় পড়েছে বাজ। বিদ্যা বুদ্ধি অক্কেল জ্ঞান হারিয়ে অনেক আগে চেষ্টা করলেও ফল নেই তার জ্ঞানের অভাব হলে। ভাবছি অনেক করবো কি আর? কোথায় জ্ঞান মিলে দিবা নিশি একটু হলেও বইয়ের সাথে বসে ছেলে বুড়ো সবার শিক্ষায় জ্ঞান মিলে। ভাইটি আমার ছোট হলেও অনেক [বিস্তারিত অবুঝ]
১৫ইং ডাঃ জামিল। আমেরিকা থেকে পিএইচডি ডিগ্রী প্রাপ্ত একজন সাইকোলজিক্যাল ডাক্তার। নিজের চেম্বারে বসে আসেন। চোখে মুখে অসস্তির গাঢ় ছাপ। আসলে মাঝে মাঝে এই লাইনের ডাক্তাররা দির্ঘদিন মানসিক রোগি দেখতে দেখতে এক সময় নিজেরাই একটু কমবেশি মানসিক অস্তিরতায় ভোগেন। আর এটা তাদের কোন ব্যাপার নয়। আসলে ব্যাপারটা আজ তার বড় মেয়ের জন্মদিন। বড় মেয়েটা হয়েছে [বিস্তারিত দুঃস্বপ্ন]