এরা বেঁচে থাকুক, থাকুক বহাল তবিয়তে, থাকুক এরাই বেঁচে হে মহান রাব্বুল আলামীন তারচে আমাদের তুলে নাও, তুলে নাও অদৃশ্য হাতে তোমার ! কেনো না কসাই কাদের কিংবা সাঈদীর বিচার চেয়ে ভুল করেছি আমরা ভুল করেছি রক্তে লেখা ইতিহাসের পাতা খুলে বড়ো ভুল করেছি প্রজন্মের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ! কেনো না বোঝা উচিত ছিলো আমাদের ভুল [বিস্তারিত আমাদের তুলে নাও, তুলে নাও ‘হে রাব্বুল আলামীন’]
ক্যাটাগরি সাহিত্য
তুমি আমাকে একটা চিঠি লিখবে ? কচি ঘাসের শিশির বিন্দুর মতো দুঃখগুলো সেই চিঠির আলোয় মিলিয়ে যেতে পারে… অমন একটি চিঠি কি পেতে পারি আমি ? নিঃশব্দতার কাছে সমর্পণ করতে যাতে একটুকুও ভাবতে না হয় ! শাড়ীর আঁচলের মতো জড়িয়ে নিতে পারা যায় চিঠির লাজুক অক্ষরগুলো— চোখ নুয়ে পড়বে , কেঁপে ওঠবে ঠোঁট , এক/দু’ [বিস্তারিত নৈঃশব্দের মাঝে নিঃশ্বাস]
মধ্য আগস্টের সেই কালো রাতে অকৃতজ্ঞ মীর জাফরের দল যখন বিশ্বাস ঘাতকতার ধারালো অস্ত্রে বিদীর্ণ করলো তোমার পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইল ব্যাপ্ত বুক, অতঃপর বত্রিশ নম্বর থেকে নেমে আসা অমল রক্তের স্রোত সিক্ত করলে বাংলার দূর্বা মাটি জল, ততোক্ষণে স্বপ্নের স্বদেশে সেঁটে গেছে তোমার অমোচনীয় কলংক তিলক, সর্বনাশের আর কিইবা বাদ আছে তখন ! তোমার লাশ [বিস্তারিত হে স্বাপ্নিক, তোমাকে নিবেদিত পংক্তি মালা]
তুই ফাঁদ পেতেছিস খুলে দেই আপন আঁধার … পৃথিবীর সকল পুরুষ আদি মানব পৃথিবীর সকল নারী আদি মানবী ভালোবেসে বেসে লজ্জাগুলি খুলে খুলে নিস উন্মক্ত আবেগে কিছু স্মৃতি নিষ্ঠুরতা পাক ঈশ্বর ঈশ্বরী হই সৃষ্টি হোক তোমার আমার চুমুতে তুলে নিবো ঠোঁটের বাঁধন নিশ্চুপ নীরবতা অসহনীয় রয়ে গেছি তোরে দেখার বিভ্রমে রাত গেলে [বিস্তারিত আহ্বান]
নীলপদ্ম এবং নষ্টামির গল্প সেদিনের সে ঘটনাগুলোর কোনো এক্সকিউজ জানি হবেনা, হবেনা কখনোই ! কেনো না ক্লেদজ ফুলে উড়তে উড়তে নিজেই যে নষ্টামির পরাগ মাখে সে কী করে বোঝে অশ্রুর পেরেক বুকে কতটা রক্তক্ষরণ ঝরাতে পারে ! অথচ তোমার গোপন সৌন্দর্য চোখের কোনে বয়ে আনে যখন অসহ্য অসুখ বয়ে আনে বড় অবেলায় আজ, তাঁতে খুব [বিস্তারিত নীলপদ্ম এবং নষ্টামির গল্প]
আমি তখন ক্লাস থ্রী তে পড়িতাম। সম্ভবত গ্রীষ্মকাল। প্রচণ্ড গরম।পুকুরে সাঁতার কাটিতে খুব ভালো লাগিত। যে কারণে দুপুরে মায়ের চোখে ধুলো দিয়ে পুকুরে নামিয়া যাইতাম। শুধু আমি না, আমারা ছয় সাত জন সমবয়সী চাচাতো ভাই মিলিয়া এক সাথে পুকুরে নামিতাম। আগেই বলিয়া রাখি, আমারা ছিলাম একান্নবর্তী পরিবার, আমাদের পরিবার ছাড়াও আরো ৭ জন চাচার পরিবার [বিস্তারিত শৈশব! দুনিয়ার বেহেশত!! (মার খাওয়া এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অতঃপর মলম ট্রিটমেন্ট)]
নাম দিয়েছি ভালোবাসা যে সম্পর্কের তা যে আমাকেও অতটা কাঁদাবে ভুলেও তা ভাবিনি আমি, কসম ! ছিলোনা কিংবা আসেনি তা দূরতম ভাবনাতেও কখনো ! যে আমাকে হারানো তুমি অসম্ভব ভেবেছো সে আমাকে ফেলেই তুমি চলে যাবে কিংবা যেতে পারো দূর-বহুদূর তাতো ভাবিনি আমি কোনো দুঃস্বপ্নেও । তাই তুমি চলে গেলে আমাকে ছেড়ে হৃদয়ের দাহে জ্বলে [বিস্তারিত সৌন্দর্যের প্রস্থানে…]
আক্ষরিক অর্থে গভীর নষ্টালজিয়ায় কুঁকড়ে যাই জীবন বড় অদ্ভুত তার খেয়াল বড় বিচিত্র নিপুণ নীলিমার নির্মেঘ দুপুরে ব্যকুল বুকে নতজানু ভালোবাসা অভিমানে কাঁদে হে কবি;তোমার অবর্তমানে বদলে গেলো যাপিত জীবনের দৃশ্যপট সদ্য কৌমার্য হারা নারীর মত আলুথালু পরিবেশ ম্রিয়মান চারপাশ,সুকরুন নিস্তব্ধতা চারদিকে তন্দ্রার মতো লেপ্টে আছে বেদনাবিধুর শোকের অন্ধকার স্বদেশে অন্তরীক্ষে,বাতাসে,প্রাকৃতির পত্র পল্লবে দূরে অদূরে [বিস্তারিত বেলা শেষ মাঝির ডাক]
বাঊন্ডুলে, আমি আমার সপ্ন হাজার চোখের তারায় মুক্ত আমি, ঊড়ে বেড়াই ধূসর সময়, পাখির ডানায়। বাঊন্ডুলে, আমি আমার খোলা আকাশ, অসীম জল স্তব্দতা আর কোলাহল। রৌ দ্র ছায়ায়, হঠাৎ বৃষ্টি দুষ্ট খেলা আমার সৃষ্টি। বাঊন্ডুলে, আমার কথা ভাবছে লোকে, লৌকিক ভাবনা আমার তাতে, কি আসে যায়, বাঊন্ডুলে, আমার সপ্ন লুটাই আমি পথের ধুলায়। দুঃখ সুখ, [বিস্তারিত বাঊন্ডুলে…;)]
১৯৭১ পিছনে কেউ তার নাম ধরে ডাকছে, পরী থমকে দাঁড়ায়। জাহিদ। পরীর চাচাতো ভাই। জাহিদ- পরী, কাল রাতের বাসে চট্টগ্রাম চলে যাবো। পরী- যাবেন, তো আমার কি ! সে বিরক্তি প্রকাশ করে । জাহিদ- কাল রাতের আগে জবাব দিস । যদি জবাব না দিস, আমি আর ফিরে আসবো না। জাহিদ ভাঁজ করা একটা [বিস্তারিত গল্প — নিরপরাধী]
১/ ঈদের পরে রাজ্জাক ভাইয়ের বাসার ঈদ পার্টিটার জন্য একরকম অপেক্ষাই করে থাকে জুবায়ের। গত ছয় সাত বছর ধরে রাজ্জাক ভাইয়ের ঘনিষ্ট বিশ পঁচিশজন বন্ধুকে নিয়ে আয়োজিত এই বিশেষ পার্টিতে জুবায়েরেরও নিমন্ত্রণ থাকে পরিবার সহ । বরাবরের মতন এবারো নিমন্ত্রণ পেয়ে যথাসময়ে এসে হাজির হয়েছে জুবায়ের স্ত্রী শাম্মি আর ছেলে জিয়াদকে নিয়ে । রাজ্জাক ভাইয়ের [বিস্তারিত শিকার ……… বন্দনা কবীর]
আজ ভরা পূর্ণিমা। সন্ধ্যার শুরুতেই বাঁশ বাগানের ফাঁক দিয়ে চাঁদের আলো চুইয়ে পড়ছে মাজেদা বেগমের উঠোনে। ছোট্ট একটা হাড়িতে ভাত চড়িয়ে চুলোর পাশে বসে আছে মাজেদা বেগম। কালো ধোঁয়ার কাছে চাঁদের আলো ম্লান। ধোঁয়ায় আছন্ন মাজেদা বেগমকে ছায়ামূর্তির মতো দেখাচ্ছে। ফুঁ দিয়ে চুলো ধরানোর ধারাবাহিক চেষ্টা করে যাচ্ছে। গলা খাকারি দিতে দিতে বাড়িতে ঢুকলো রমজান [বিস্তারিত পাগলার বউ-১]
তুমি যখন সামনে এলে বাদল দিনের মেঘলা সাজে, চারদিকে যেন রবীন্দ্রনাথ গানের সুরে উঠলো বেজে। ঘুচে যায় সব দিবসের গ্লানি আনন্দ যেন পাগল পারা – ‘মেঘের পরে মেঘ জমেছে’ – ‘গহন রাতে শ্রাবণ ধারা’
আমাকে তুই তোর মনে প্রাণে অযথা ভাবিস না সই আসলে তুই যা আশা করিছ আমার কাছে আমি তার তিলকদন্ড নই! খেয়ালে বেখেয়ালে আড়ালে আবডালে চোখের অগোচরে তুই যে এক অদ্ভুত নির্ভেজাল ভালোবাসার রাজ্য চাস আমার কাছে যার নির্মল পরশ ছোঁয়ে থাকবে তোকে আমি তার তেমন কিছু নইরে সই! বৃথাই ফরমায়েশ করিছ কারণে অকারণে হৃদয়ের গোপনে [বিস্তারিত ‘আমি তোর মনের মতো নই’]
এই সময়েই ঘরের মুলিবাঁশের বেড়ায় মড়মড় শব্দ ওঠে। মনে হয় যেন কোনও বুনো শেয়াল বেড়া ভেঙে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করছে। লোকটা চমকে পেছন দিকে তাকাতেই রামদা হাতে দু’টো লোক বেড়া খুলে মুহূর্তেই ঘরে ঢুকে পড়ে। লোকটা দৌঁড়ে দরজার দিকে ছুটে যায়। বাইরে থেকে শিকল তোলা। বেরুতে না পেরে সে স্থবির ভাস্কর্যের মত দরজার কাছেই বোকা [বিস্তারিত কঙ্কাল (শেষ পর্ব)]