ক্যাটাগরি সাহিত্য

অনুকাব্য

মোকসেদুল ইসলাম ২৪ জুলাই ২০১৪, বৃহস্পতিবার, ১০:০৪:৪০পূর্বাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ৭ মন্তব্য
প্রেম নয় খাল কেটে কুমির এনেছো সর্বগ্রাসী কামড় দেবে সদা প্রস্তুত থেকো । ভালোবাসা নয় রসায়নের জটিল সূত্র ঢুকে গেছে তোমার ভোঁতা মস্তিষ্কে, এবার ভৌত আসক্তিতে তোমার বাঁকী জীবনটা কেটে যাবে।

অবশেষে মিমি(পর্ব-৪)

পুষ্পবতী ২৩ জুলাই ২০১৪, বুধবার, ০৪:৫৪:৩৩অপরাহ্ন গল্প ২৬ মন্তব্য
তোমার নাম কি? আনিস, তুমি? জাহেদ। আগে কোন স্কুলে ছিলে? আমাদের গ্রামের স্কুলে। আজকে এতো লেইট করেছ কেন? আমাদের এই স্যার খুব রাগী তুমি আজ প্রথম ক্লাসে এলে তাই কিছু বলেনি। এইভাবে কথা বলতে বলতে আনিস আর জাহেদের মধ্যে ফ্রেন্ডশিপ হয়ে গেল। স্কুল ছুটির পর - মিমি কিরে দাড়িয়ে আছিস কেন? সীমা একটু দাড়া আনিস [ বিস্তারিত ]

জীবনের খরতাপ – ৩

আজিম ২৩ জুলাই ২০১৪, বুধবার, ০৪:৫৩:১১অপরাহ্ন গল্প, সাহিত্য ১৯ মন্তব্য
দেশের প্রতিটা গ্রামের মত এখানেও সবুজের সমারোহ। যতদুর চোখ যায় শস্যের ক্ষেত, মাঝে মাঝে দেখা যায় দু’একটা বিরাট গাছ। দুরের পথিক গাছের ছায়ায় বসে বিশ্রাম করে, গা’টা জুড়িয়ে নিয়ে শুরু করে আবার পথ চলা। মানুষের সাথে দু’টো কথাও হয় গাছের ছায়ায় বসে মানুষের। পরিচিতি হয়, জানাজানি হয়, হয় সম্পর্কও। হিন্দুতে হিন্দুতে হয়, হয় হিন্দু মুসলমানে [ বিস্তারিত ]

কমন স্যার এবং আহত বেদনা

শাহ আলম বাদশা ২২ জুলাই ২০১৪, মঙ্গলবার, ০১:০১:৩০অপরাহ্ন গল্প ১১ মন্তব্য
পূর্বপ্রকাশের পর    পরদিন সকালে ইস্কুলে বেরোবার পূর্বক্ষণে খাতাটা নিয়ে যায় সুমি। ফলে শিউলীর ব্যাপারটা ফের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। মনে পড়ে, জুয়েল একসন্ধ্যায় পড়তে পড়তে হঠাৎ বলে বসে–স্যার, শিউলী’পা না বলে, তোর স্যার দেখতে কেমনরে? : আর তুমি কী বললে–কৌতুহলী প্রশ্ন কায়েসেরও। : বলেছি, খুউব সুন্দর—বলামাত্রই একটা লাজুক হাসি ছড়িয়ে দেয় জুয়েল। কায়েস নিজেও লজ্জা পায় কিন্তু  সামলে নিয়ে হেসে ফেলে। আরেকদিন [ বিস্তারিত ]

একটা নিতান্তই অর্থহীন গল্প

আগুন রঙের শিমুল ২১ জুলাই ২০১৪, সোমবার, ০৮:৫৪:৪১অপরাহ্ন গল্প ১৮ মন্তব্য
ছেলেটি বারান্দায় দাড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছিলো, মেয়েটি বসেছিলো উঠোনে। বিয়ে বাড়ির কনে বিদায়ের বিষন্নতার মাঝে ডুবে। মেয়েটির চোখে এক পৃথিবী বিষাদ, শেষ গোধূলির আলোয় ইতস্তত ছড়ানো চেয়ার টেবিল আর নিস্তব্ধ তরূণী। কেমন অপার্থিব লাগে সবকিছু।   - আপনার মন খারাপ ভালো করে দিতে পারি এক মিনিটে, দেবো? - আপনি ম্যাজিক জানেন? - হু, তবে এটা কেবল [ বিস্তারিত ]

ছেলেটি কি করতে যাচ্ছে?

আর্বনীল ২১ জুলাই ২০১৪, সোমবার, ০১:১৩:২২অপরাহ্ন গল্প ১১ মন্তব্য
বাইরে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পরছে। আমি জানালায় চোখ রেখে দাঁড়িয়ে আছি। আবছায়া জানালার কাঁচে বাইরের প্রায় কিছুই দেখা যাচ্ছে না। তাও আমি তাকিয়ে আছি। তাকিয়ে থাকতে ভাল্লাগছে। জানি না! কেন যেন মনে হচ্ছে, আমি হয়তো আর এক সপ্তাহ বাঁচবো। কিংবা এক মাস। তীব্র মানুষিক আঘাতে মানুষের মাথা এলোমেলো হয়ে যায়। আমারও বোধহয় তাই হচ্ছে। তা [ বিস্তারিত ]

অবশেষে মিমি(পর্ব-৩)

পুষ্পবতী ২১ জুলাই ২০১৪, সোমবার, ১১:১৬:০৭পূর্বাহ্ন গল্প ১৬ মন্তব্য
জানিস মিমি আমাদের ক্লাসে একজন নতুন ছাত্র ভর্তি হয়েছে? কোথায় দেখলাম নাতো? এখনো ক্লাস করে নাই কিভাবে দেখবি? আমার মামাতো ভাই,পড়াশুনায় খুবই ভালো।আমাদের বাড়িতে থেকেই পড়াশুনা করবে। কথা বলতে বলতে স্কুলে চলে আসলো মিমি আর সীমা। ক্লাসে ঢুকার কিছুক্ষণের মধ্যেই স্যার চলে আসে। স্যার নাম প্রেজেন্ট করছে এমন সময় দরজায় এসে দাড়াল একটি ছেলে -স্যার [ বিস্তারিত ]
প্রখর রৌদ্রের প্রতাতে তপ্ত রাজপথ হেটে হেটে ক্লান্ত থুতনী বেয়ে টপ টপ করে গড়িয়ে পরছে কপালের ঘাম সুর্য যেন উজার করে বিলিয়ে দিচ্ছে তার সকল উত্তাপ ঘামের ফোঁটায় ঝরে পরছে ক্লান্তির হাহাকার ... ...
ভালোবাসার পরিমার্জিত সংস্করণ নিয়ে এবার এসে দাঁড়িয়েছি তোমার দুয়ারে ঘুমহীন শহরে বিরহ অঙ্গারে পুড়ে পুড়ে খাঁটি সোনায় পরিণত হয়েছে যে প্রেম এই একুশ শতকে সেই প্রেমের কাছেই তোমার সব অহংকার নুয়ে পড়বে প্রত্যাশার ভারে নিশ্চিন্তে নির্ভীক প্রেমিকের বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে যাবে। ভালোবাসা অনন্ত যৌবনা রক্তমাখা চাঁদের আলোর মত জ্বলজ্বলে আমার সত্তায়, চিন্তা-চেতনায় তুমি আসো [ বিস্তারিত ]

অর্পিতা ২২

সঞ্জয় কুমার ২০ জুলাই ২০১৪, রবিবার, ১০:১৯:১২পূর্বাহ্ন গল্প, সাহিত্য ৯ মন্তব্য
হ্যালো ভাই   আমাকে বলছেন ?   হুম । ঢাকা কোথায় যাবেন ?   মিরপুর ১২   তাহলে তো ভালোই হল আমিও ১২ তে যাব ।   কি করেন?   চাকুরী ।   বাড়ির জন্য মন খারাপ হচ্ছে তাই না ? পাঁচ বছর আগে যখন আমি প্রথম ঢাকায় যাই তখন আমারও আপনার মত মন খারাপ [ বিস্তারিত ]
সূর্যাই-রাম্বার প্রেমের প্রস্তাবনা শীতের প্রখর উদাস দুপুর। বিশাল উত্তপ্ত বালুর চর। একপাল শুয়োর চরছে। বিশাল শুনশান্ চরে একলা সূর্যাই বাঁশিতে তুলেছে করুণ সুর। রাম্বা আসে তবু সূর্যাই বাঁশি বাজিয়েই চলে। রাম্বা: সূর্যাই! সূর্যাই হচকিতে থামে। সূর্যাই: মালকিন! হিয়াপর ভরা দুপহরকে কা করতিহি? রাম্বা: তু এতনা নিমছে বাঁশি কাহে বাজাওল! সূর্যাই: ইয়ে বাঁশিখাতি বাঁচকেবানি! রাম্বা: লেকিন! [ বিস্তারিত ]

নবজাতক ও চিরকুমারকাহিনী

শাহ আলম বাদশা ১৯ জুলাই ২০১৪, শনিবার, ১০:০৮:০৫অপরাহ্ন গল্প ৭ মন্তব্য
রোজকার মতোই সদ্যজাত শিশুর ন্যায় মিষ্টিরঙ ছড়িয়ে অন্ধকার মাতৃজঠর ফুঁড়ে ধীরেধীরে উঠতে থাকে সূর্য। চারদিকের সবুজ গাছ-গাছালি, বাড়িঘর আর চলমান মানুষগুলোর মুখমন্ডলে ছড়িয়ে যায় তার মোহময় লালিমা! মানুষের শরীরে পতিত সেই গাঢ় আভা সৃষ্টি করে এক অনিন্দ্য-অনির্বচনীয় আবহ। এখন অগ্রহায়ণমাস হলেও রাত আর ভোরের দিকে কিছুটা শীতশীত লাগে। এবার হয়তো তাড়াতাড়িই নামবে শীত? ঠান্ডা আমেজে [ বিস্তারিত ]

সুখের আবাদ, অসুখী নীল জলে

আগুন রঙের শিমুল ১৯ জুলাই ২০১৪, শনিবার, ০৯:৪৯:২৫অপরাহ্ন কবিতা ১১ মন্তব্য
কতখানি অতলে থাকে জলের দুঃখ, কতটা গহীনে কতটা উজানে গেলে পরে পোড়ানোর উৎসব শেষ হবে, কতটা তীব্র হলে স্রোত তোমায় ছোঁবে বেনোজল, দুঃখবোধ ফুরোবে তোমার। কতটা উজাড় করে দিলে পরে বোঝা যাবে দিয়েছি সর্বস্ব কতটুকু মেঘ জমে হয় একটা আকাশ, কতখানি বৃষ্টি হলে পরে পাখি এসে পরাণ ছোঁয়াবে জলের পরাণে? একজন্ম কেটে যায় দারুণ অস্থিরতার [ বিস্তারিত ]
খবর পেয়ে কেরামত মাওলা ঢাকা থেকে গ্রামে আসেন যুদ্ধের কিছু ম্যাসেজ নিয়ে।ছেলের লাশের পাশে বসে কিছু ক্ষণ বাক রুদ্ধ এরপর নয়নের জলে ছেলের পবিত্রতার গোছল করান।পৃথিবীর সব চেয়ে ভারী বস্তু পিতার কাধে ছেলের লাশ।ধর্মীয় নীতিতে সমাধি করা হয় নিজস্ব কবর স্হানে। বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এর গ্রেফতারের পূর্বে ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।পরিকল্গপিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয়ে যায় প্রতিরোধযুদ্ধ; জীবন বাঁচাতে প্রায় এক থেকে দেড় কোটি মানুষ পার্শ্ববর্তী ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন। পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, সামরিক বাহিনীর বাঙ্গালী সদস্য এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষ দেশকে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর কব্জা থেকে মুক্ত করতে কয়েক মাসের মধ্যে গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনী। গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে মুক্তিবাহিনী সারাদেশে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্য লাভ করে। ২৬ শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর পক্ষে আওয়ামী লীগের নেতা জনাব আব্দুল হান্নান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। তার পর দিন মেজর জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র দখল করেন এবং সেখান থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।এই ঘোষণা শুনেই বাংলাদেশের সাধারণ জনতা বুঝতে পারে যে দেশ স্বাধীন এবং এখন লক্ষ্য হচ্ছে বিজয় অর্জন। দেশবাসী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।সেই মুক্তিবাহিনীর এক জন সক্রিয় সদস্য ছিলেন কেরামত মাওলা সে তার গ্রামে গড়ে তুলেন মুক্তিবাহিনী একটি দল। প্রায় হাজার খানেক গ্রামের পাশ্ববর্তী গ্রামের সহজ সরল বলবান,ভঙ্গুর ছেলেদের নিয়ে গড়ে তোলেন। আহত ছেলেটির পরিচয় জানতে চান কেরামত মাওলা।ছেলে হারানোর পর মানষিক ভাবে সে ভেঙ্গে পড়ে এখন দুশ্চিন্তা মেয়ে রোজীকে নিয়ে যে ভাবে গ্রামের পাশ্ববর্তী গ্রামের মেয়েরা রাজাকার আল বদরদের সহযোগিতায় পাকিদের মনোরঞ্জনের অন্ন হচ্ছে তাতে করে মেয়ের প্রতি এমন দুশ্চিন্তা আসবে স্বাভাবিক।তা ছাড়া কেরামত মাওলা মাওলানা হবার সুবাদে পাকিদের নজরে এখনও সে পাকিদের সহদোর হিসাবে চিহ্নিত কখন যে তার আসল পরিচয় "মুক্তিবাহিনী সংগঠিত নেতা" পরিচয় পেয়ে যান পাকিরা বলা মুসকিল।তাই কেরামত মাওলা মেয়েকে আহত ছেলেটির কাছে সপে দেবার মনে মনে চিন্তা করে ফেলেন।কিন্তু আর যাই হোক ছেলেরতো পরিচয় লাগবে।পাড়া পরশী না হউক নিজের মনকে কি বুঝ দিবেন এক জন অপরিচত ছেলের কাছে মেয়েকে তুলে দিয়েছেন।এমন লজ্জাষ্কর কথা শুনার চেয়ে আগেই পরিচয় জেনে নেন।আহত ছেলেটিকে ডাকার পূর্বে মেয়ে রোজীর সাথে কথা বলেন বাবা কেরামত মাওলা। -মা রে,আমি কিছু কথা বলব তুমি তোমার মতামত জানাবা। -কি এমন কথা যে আমার [ বিস্তারিত ]

রাত

স্বপ্নচারী ১৮ জুলাই ২০১৪, শুক্রবার, ০৫:০৮:০৮অপরাহ্ন কবিতা ১৯ মন্তব্য
শেষ হয়ে গেছে একটা করমব্যাস্ত  দিন ...। এখন বৃষ্টি ভেজা রাতে রাতজাগা পাখি হয়ে বসে আছি আমি … সামনে খোলা বই … কিন্তু পাঠ্যে আজ আমার মন নাই … আমি দেখছি রাতকে … আমার কানেকানে নিশুতি রাতের কত কথাই না শুনিয়ে যায় বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ … বোকা আমি বুঝি না কথা , আমি জানি না [ বিস্তারিত ]

মাসের সেরা ব্লগার

আর্কাইভ