এই চলে যাওয়া কোন ধরনের চলে যাওয়া বুঝতে অক্ষম আমি।এটিকে কি চলে যাওয়া বলে? কতবার চলে গেলি,আবার ফিরে এলি।আবার চলে গেলি?আসলেই কি গিয়েছিস? তোকে একদিন বলেছিলাম’ বৃথা চেষ্টা কেন করো? যেতে পারবি আমাকে ছেড়ে? জানো না তুই ‘মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত?’ = একদিন আমি মসজিদ অতিক্রম করে চলে যাবো,মসজিদ রয়ে যাবে পিছনে আমার,আমি চলে যাবো [বিস্তারিত কতদূরে যাবি তুই………]
৯২৫ সালে চান্দেল রাজ্যের রাজবংশে জেজেকাভুক্তি স্থানে আমার জন্ম। বর্তমানে যে স্থানটি ভারতের মধ্যে প্রদেশের একটি ছোট গ্রামের নাম খাজুরাহো নামে পরিচিত। চন্দ্রত্রেয় বা চন্দ্রবর্মন ছিলেন আমাদের পুর্ব পুরুষ,যিনি একজন বীর যোদ্ধা।তিনি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন, এবং তার নাম আনুযায়ী এই রাজ বংশের নাম হয় চান্দেলা। আমাদের এই রাজবংশ টিকে ছিল ১৪০০ সাল পর্যন্ত। ৯০০ থেকে [বিস্তারিত সৃষ্টির আনন্দেই স্রষ্টার আনন্দ]
ইচ্ছে করলেই উপরে ফেলা যায় না শুভ্রতাদের। হৃদয়ের আনাচে কানাচে বিচরণ তাঁদের। এদের কেউ ফুল হয়ে হাসে, কেউবা হৃদয়ের টলটলে পুকুরের জলে সাতার কাটে, পাখি হয়ে উড়তে থাকে হৃদ আকাশে। স্ফটিকের দানার মতো, মুক্তো হয়ে ঔজ্জ্বল্য ছড়ায়, আলোকিত করে দৃশ্যমান জগৎ। অতীতের স্বর্ণালী জীবনের কথা ভীর করে স্মৃতি ঘরে। স্মৃতির স্মৃতিরা কাঠঠোকরার মত শব্দ করে [বিস্তারিত প্যাঁচানো তারে রয়ে যায় ঝুলন্ত মায়ারা]
১৯৪৭ এর দেশ বিভাগের পরেও আমি পূর্ব বাংলায়ই থেকে যেতে চেয়েছিলাম। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত আমার জমিদারী, আমার প্রজারা এবং সর্বোপরি আমার নির্মিত বাড়িটির প্রতি আমার ভালোবাসা, মায়া আমাকে ভারতে নিয়ে যেতে পারেনি। প্রজারাও আমাকে যথেষ্ঠ ভালোবাসেন। হিন্দু মুসলমান সবাই কান্না কাটি করে রোজ, আমি যেন তাদেরকে পূর্বের মতই ছায়া দিয়ে রাখি, ভারতে চলে না যাই। [বিস্তারিত আমার বাড়ি]
ঠিক কবে তার হাত ধরেছিলাম হিসেব নেই,কবে থেকে এক সাথে পথ চলা শুরু তার দিন তারিখও মনে নেই।একসাথে পথ চলা বা হাত ধরার বয়স দু কুড়ি দুই বছর।হৃদয়ের পথচলা চলবে আমৃত্যু।পর জনমেও কি এই একসাথে পথ চলা থেমে যাবে?যেতে হবে যে বহুদূর। আমাকে ঘিরে থাকা মানুষের সংখ্যা কম নয়।মানুষ ভালোলাগে আমার,ঘিরে থাকার মাঝে একজন বাদে [বিস্তারিত আজ দিনটি তার]
আকাশ দেখতে মানা। আকাশে একটি লাল বাতির সিগনাল টানিয়ে দিলেই কি সবাই চোখ বুজে আকাশ দেখা বন্ধ করে দিবে? আমার ইচ্ছে আমি এখন আকাশ দেখবো। তোমার লাল বাতি যত ইচ্ছে জ্বালায়। আমার ইচ্ছেকে তুমি আটকাবে কিভাবে? কেউ কি কখনো পেড়েছে মনে দেয়াল দিতে? উঁচু সীমানা প্রাচীর তার উপর কাঁটাতারের বেড়া, উচ্চ ভোল্টের বিদ্যুতের বিদ্যুতায়িত তার। [বিস্তারিত ইচ্ছে]
সুন্দর বটে তব অঙ্গদ খানি তারায় তারায় খচিত গানটির প্রতিটি শব্দ শুনুন। এবার ভাবুন এখানে যাকে উদ্দেশ্য করে গানটি গাওয়া হচ্ছে সে হচ্ছে সোনেলা। আজকের আকাশে অনেক তারা, দিন ছিল সূর্যে ভরা, আজকের জোছনাটা আরো সুন্দর, সন্ধ্যাটা আগুন লাগা আজকের পৃথিবী তোমার জন্য ভরে থাকা ভালো লাগা মুখরিত হবে দিন গানে গানে আগামীর সম্ভাবনা……. গানের [বিস্তারিত শুভ জন্মদিন সোনেলা]
♬♬♬♬♬ পাখি- কেমন আছো জেস? জেস- ভালো, তুমি? পাখি- অন্নেক ভালো 🙂 অনেকক্ষন অপেক্ষা করেছো?ট্রেনে ক্ষুধায় কাতর, আসো এখানে বসি। জেস- এমন আনন্দময় অপেক্ষা আমি আর করিনি 🙂 পাখি – প্লাটফরম নাম্বার মনে ছিলো? জেস – হ্যা থাকবে না কেন? ঐ যে তোমার পাথার পিছনে। পাখি- রাস্তায় দুজনে হাঁটতে ভাল লাগছে খুব,তোমার হাত ধরে হাঁটবো। [বিস্তারিত প্রিয় পাখিটা: আমার প্রান পাখিটা-৮]
তার কিছু ছোট খাটো লেখা বেশ ভালো লাগতো। উচ্ছলতায় পরিপূর্ণ লেখাগুলো। একটু পরিচর্যা পেলে সে অবশ্যই ভালো লিখতে পারবে, এই বিশ্বাস থেকে একদিন তাঁকে বললাম- * তুই যা লিখেছিস, তা একটু বড় করে লিখতে পারো না? ## বড় করে মানে? এই লেখা বড় করে কিভাবে? * লেখার ভাব সম্প্রসারণ করবি। যা লিখেছো তা ব্যাখ্যা করবি। [বিস্তারিত বর্ষপুর্তিতে তাজ]
প্রতি বছরের এই সময়টি আমি আমার মাঝে থাকি না। আমার দেহ হতে আত্মা বের হয়ে পারলৌকিক জগতে চলে যায়। ২১ দিন ব্যাপী চলে প্রস্তুতি। প্রথম পর্যায়ে গহীন অরণ্যের মাঝে যেখানে সুর্যের আলো প্রবেশ করতে পারেনা, চব্বিশ ঘণ্টা আগুনের লেলিহান শিখা, ধোয়ার কুণ্ডলী, অভিজ্ঞ তান্ত্রিক গনের ভরাট গলায় মৃত আত্মাদের সন্তুষ্টির জন্য মন্ত্রজপ, উদ্দামতায় চলে শামান-ড্রামের বাদ্য। [বিস্তারিত তান্ত্রিক]
সরকার একটি ভালো উদ্যোগ নিয়েছেন। দেশের সমস্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েব সাইট থাকতে হবে। বিদ্যালয় সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য এই ওয়েবসাইটে থাকবে। * বিদ্যালয়ের ইতিহাস * আঞ্চলিক এবং জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যালয়ের ছাত্র এবং শিক্ষকদের অর্জন * বিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ে সব তথ্য, ভর্তির আবেদন পত্র * বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফলাফল * জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার যাবতীয় তথ্য-ফলাফল * বিদ্যালয়ের বার্ষিক [বিস্তারিত দেশের সমস্ত বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট]
তাকে দেখেই কেমন যেন চেনা চেনা লাগছিল … ভীর থেকে কিছুটা দূরে একাকী নিঃসঙ্গ অবস্থায় বসে আছেন। বটগাছের সিমেন্টের বেদীতে, দু’পায়ের উপর হাত, দু’হাত মুষ্টিবদ্ধ। উস্কখুস্ক চুল, গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। চার পাঁচ দিন সেভ করেননি। দেখে মনে হয় ঝিমুচ্ছে। কাছে যেতেই চিনে ফেললাম, আরে এতো আমাদের সোনেলার মডু ড্যাস ড্যাস ভাই 🙂 উম্মমহুউউ উম্মহুউউ [বিস্তারিত একজন মডুর সাথে কথোপকথন]
** আমি গ্রামের মুখ্য সুখ্য মানুষ, এত বড় বড় রথি মহারথীদের সাথে বিশেষ অতিথি হয়ে পাশাপাশি চেয়ারে বসে তাদের অসম্মান করা ঠিক না। আমি কবিতার কি বুঝি? # আমি এসবের কিছু শুনতে চাইনা, আমার কবিতার বই প্রকাশনী অনুষ্ঠানে তুমি থাকবে বিশেষ অতিথি হয়ে। ** তোর প্রকাশনী অনুষ্ঠান আমার কারণে অনুজ্জ্বল হয়ে যাবে। # হলে হোক, [বিস্তারিত তিনি সোনালী সে মুখ- ৫]
নোনতা বুড়ি, নানা হোটেল, নানা নুয়া, নানা তাই এমন সব নাম দেখে প্রথমবার বেশ মজাই লেগেছিল। নোনতা বুড়ি এলাকার নাম হলো কেন ব্যাংককে? কোন বুড়িকে কে খেয়েছে যে এলাকার নাম হবে নোনতা বুড়ি? নানা মনে হয় খুব প্রিয় সবার একারণে নানার ছড়াছড়ি। কেউ একজন আমাকে নানা ডাকে, কিন্তু ব্যাংককে নানা প্রিয় অনেকেরই এটা নানার আধিক্য [বিস্তারিত আমি আমি না, আমি সে ও না]
এমনটা প্রত্যাশিতই ছিল।তারপরেও কয়েকজনের ফেইসবুক ওয়াল দেখে এলাম। বিপ্লবীদের কোন কোন ওয়াল ১৯ তারিখের পর থেমে আছে। দু একজনের ওয়ালে ভিন্ন প্রসঙ্গ। ‘ প্রবীর শিকদারকে আটক করেছে এই সরকার,মুক্তি চাই’ – এমন ধরনের লেখা দিয়ে এখন ভীষণ নীরবতা। রিমান্ডে থাকা কালীন ৫৭ ধারায় আটক কোন ব্যাক্তির জামিন হওয়া এই প্রথম ঘটনা,এটি আর তাদের ওয়ালে নেই।ধারনা [বিস্তারিত তথাকথিত বিপ্লবীদের কথা:২১ আগস্ট]