আজ দিনটি তার

ঠিক কবে তার হাত ধরেছিলাম হিসেব নেই,কবে থেকে এক সাথে পথ চলা শুরু তার দিন তারিখও মনে নেই।একসাথে পথ চলা বা হাত ধরার বয়স দু কুড়ি দুই বছর।হৃদয়ের পথচলা চলবে আমৃত্যু।পর জনমেও কি এই একসাথে পথ চলা থেমে যাবে?যেতে হবে যে বহুদূর।

আমাকে ঘিরে থাকা মানুষের সংখ্যা কম নয়।মানুষ ভালোলাগে আমার,ঘিরে থাকার মাঝে একজন বাদে আর সবাই স্বার্থের জন্যই  আসেন। একজন বাদে অন্য কেউ নেই যিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে আমাকে ব্যবহার না করেছেন,আর্থিক-সামাজিক-প্রভাব এর ছিটে ফোটা না নেয়া মানুষের মাঝে তিনিই একমাত্র ব্যাতিক্রম।

তিনি, যার একমাত্র চাওয়া আমার ভালো থাকা।শুধু আমি যেন ভালো থাকি। এই চাওয়াটা কিন্তু কঠিনও বেশ।জাগতিক কোন কিছু কামনা না করে উনি সবচেয়ে কঠিন জিনিসটিই আমার কাছে চেয়ে বসলেন।আমার কাছে তিনি অর্থ,সম্পদ ,সামাজিক কোন সহযোগিতাও চাননা, যা দেয়া আমার জন্য অত্যন্ত সহজ ছিলো। বর্তমান সময়ে ভালো থাকা কি সহজ? সময়ই যেখানে ভালো নেই।আমি কিভাবে ভালো থাকি? এত কঠিন কিছু চাওয়ার কি দরকার?
আর তাই ভালো না থাকলেও হাসিমাখা মুখে সামনে গিয়ে কথা বলি।মাড়ির দাঁত উপরে ফেলার পরে আঠাশ দাঁত মেলে ধরি তার চোখের সামনে। বন্ধু ভালো আছি দেখো।
চার চোখ দিয়ে দাঁত দেখে বলে,২৮ দাতে ভালো থাকা বুঝায় না, দাঁত ফিলিং করে ৩২ টাই দেখাতে হবে। ধুস আমার আড়াল সে ধরে ফেলে।দু কুড়ি দু বছর সহজ কথা নয়।পিছন থেকে হাঁটার ভঙ্গি দেখেও যে সে বলে দিতে পারে,কেমন আছি আমি।আমিও অবশ্য পারি। আমার কথা এখানে বলা হবেনা।আজ আমি তার কথা বলতে এসেছি।

সেই কোন এককালে আমরা ভুকৈলশ দেবোত্তরের নদী পর্যন্ত নেমে যাওয়া প্রশস্ত সিঁড়ি বেয়ে উঠানামা করেছি,
জংগলে শিকার করেছি ঘুঘু ডাহুক মাছ রাঙ্গা
কবিতার মোহনায় বিচরণ করেছি জাতীয় পতাকা খামছে ধরেছে পুরানো শকুন মুখে
আর থোল্লাকান্দির রাতজাগা দিন জাগা শীত বা গরমের মাঝে নিজেকে খুঁজে ফিরেছি
বাড়ির পাশের ধানসিঁড়ির তীরে ভিজেছি প্রকৃতির স্নিগ্ধতায়
কুড়িয়ানার পেয়ারা বাগানের মাঝে হাড়িয়ে গিয়েছি
টং=ঘড়ে কাচের গ্লাসের চা।
আমরা সেই কবে হাত দিয়েছি এক শীতল পাটি বোনায়… দুজনের ভালবাসার,আস্থার,শ্রদ্ধার বিশ্বাসের বাকল দিয়ে বুনে চলেছি সে পাটি এই বিয়াল্লিশ বছর ধরে,আমৃত্যু বুনে চলবো তা।

আজ এই দিনে তুমি কিছু চাও আমার কাছে বন্ধু আমার
আমার যা কিছু আছে তা দিয়ে দেবো তোমায় প্রশ্নহীনভাবে।

আজ আমার বন্ধু ছাইরাছ হেলালের জন্মদিন
শুভ জন্মদিন বন্ধু আমার।

12087398_719001291538285_37089660_n
লক্ষ্যভেদী শিকারী সে,টার্গেটে মিস নেই।শিকার করেছিলো একটি বিশাল লাউ,
যা শিকারের পূর্বে আমি দেখিইনি
শিকারিকে শিকার করার কাজটি অবশ্য আমার।

মোট পড়েছেনঃ ১,৫৮৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৯৫টি মন্তব্য

    1. শুধু ছোট্ট একটা বাক্য লিখেই থামতে হল আমাকে। আমার প্রিয় কবি আর যে কিছুই দিতে পারলাম না। আশা করি ক্ষমা করবেন। অনেক অনেক শুভ কামনা রইল,,,,,, 🙂 -{@ (3

  1. হেলাল মামার জন্মদিনে
    লাফালাফি মিষ্টি কিনে। \|/

    শুভ জন্মদিন হেলাল মামা।
    পথ চলা হোক কঠিন শব্দের সংযোজিত কবিতার খাতায়, বাস্তব খেলায়। শুভকামনা নিরন্তর মামা এবং আবারো জন্মদিনের প্রানঢালা শুভেচ্ছা। -{@

  2. আজ দিনটি শুধু তার হবে কেন? দিনটি আমাদের সবার। লেটস রেডি ফর দ্যা পার্টি। কিন্তু পার্টি টা দিবে কে? ;?
    জিসান ভাইয়া থ্যাংক ইউ সো মাচ পোস্টের জন্য। আমি এক্টু জন্মদিন জানতে চাইছিলাম, কইলোই না। বাপ্রে বাপ এমন জম কিপ্টুসও মানুষ হয়!
    লক্ষ্যভেদী শিকারী? হা হা হা, লাউ এর বুক নাকি কান বরাবর তীর গেছে? আমরা এইসব গাজাখুরি গপ্প বিশ্বাস করিনা। ছবি তুলতে পারে তার প্রমাণ কি?
    যা কিছু চাইবে প্রশ্নহীন ভাবে দিয়ে দেবেন? আমার পোস্টে সেইদিন এই কথা বলেন নাই ক্যান? ;( দুই কুড়ি না হোক, দুই বছরের বন্ধুত্বের কি কোন দাম নাই? 🙁
    দাঁত ফিলিং করুন, বন্ধুর চাওয়া পূর্ন করুন। জয়তু বন্ধুত্ব।
    লিখতে গিয়ে খাঁটি মধু খেয়েছেন তা বোঝাই যায়, অনেক আবেগি লেখা।

    1. তার কারনেই আজ দিনটি বিশেষ দিন।
      আমি তো লিখলাম,পার্টিটা আপনিই দিন, আপনার বন্ধু না সে? কি সব লাফালাফি করে 🙂
      হ্যাঁ লক্ষ্যভেদী শিকারী, একদম লাউ এর বুক বিদ্ধ করতে পারে তীর 😀 লাউয়ের ফটো আছে তার কাছে। ফটো দিলেই বুঝবেন কি পারে সে।

      যা কিছু চাইবে প্রশ্নহীন ভাবেই দিয়ে দেবো,হাসি মুখে।যত প্রিয় আর মূল্যবান হোকনা তা আমার কাছে।
      আপনাকেও দেবো, তবে চাওয়ার মত চাইতে হবে।
      লিখতে আবেগের চাইতে কষ্ট হইছে মেলা
      নেট আসে যায়,কি করি?অবশেষে ওয়ার্ডে লিখে টেবিলের উপরে দাঁড়িয়ে পোষ্ট দিছি 🙂
      এখন এক গ্রামে,নেট আসে যায়।
      ধন্যবাদ আপনাকে।

  3. ছাইরাছ ভাইয়ো, শুভ শুভ শুভ জন্মদিন। মাত্র এক কুড়ি কেন, দোয়া করি কএক কুড়ি রানী হোক। হাতীশালে গরুর বাছুর আর ঘোড়াশালে বেড়াল ছানায় ভরে যাক সব শাল। নিদ্রাকুসুম না, অনিদ্রায় পাহারা দিয়ে কাটুক পয়মন্ত রাত্রি আপনার। রোমিও, টম ক্রুজ খেতাব জমুক শ খানা। এভাবেই লিখে লিখে ন্যাচারাল হেয়ার কালার করে দিন আমাদের চুলের গাছি। বেঁচে বর্তে থাকুন মাছেভাতে।
    শুভ জন্মদিন আবারো প্রিয় ছাইরাছ ভাইয়া। -{@

    1. ইস!!! এতো অল্পতে এতো সুন্দর, অবশ্য এই অনেক। কুটি পুত্রের জননী হলেই হয়ত এমন কুড়িকুড়ি রানীর
      আশীর্বাদ করা যায়। কী আর করব বলুন রাত্রিকে ছাড়া আমার চলেই না।
      আপনারাও বাঁচুন আমাদের সাথে নিয়ে জলজঙ্গলের কথা কাব্যে। আপনাকেও শুভেচ্ছা।
      লেখা পাইনি অনেক কাল।

  4. নানা “একসাথে পথ চলা বা হাত ধরার বয়স দু কুড়ি দুই বছর।” তার মানে বয়স কতো তোমার? আচ্ছা দু’ কুড়ি দুই বছর বয়সে তোমাদের বয়স কতো ছিলো? ;?

    হায় হায় বুড়োদের আবার জন্মদিনও হয় নাকি? আর আজ ২ অক্টোবর তোমার ওখানে, আমি এখনও ১-এ পড়ে আছি। শুধু কবিভাইয়ের দিন হলে আমাদের কি গতি হবে? আমরা কি নেই? নাহ এসব বুড়োদের পাল্লায় পড়ে আমার মাথা আউলা-ঝাউলা। যাক তারপরেও জন্মদিন বলে কথা! এতো আবেগ নিয়ে লিখেছো, তাই আর কিছু বললাম না।

    বন্ধু পাওয়া অনেক কঠিন। তুমি ভাগ্যবান এমন একজন বন্ধু পেয়েছো। তবে আরেকটি কথা, তুমি আরোও বেশী ভাগ্যবান যে একজন ভালো নাত্নীও পেয়েছো। এমন নাত্নী সকলে পায়না। :p 😀

    1. বয়স জানতে চেয়ে প্রকাশ্যে লজ্জা দেয়ার মানে কি?
      বুড়া হইয়া গেছি, বয়সও ভুইল্যা গেছি,কিছুই মনে নাই।

      আমি অবশ্যই ভাগ্যবান এমন বন্ধু পেয়েছি বলে।
      আচ্ছা এমন নাতনী পেয়েছি বলে আমি ভাগ্যবান?
      আমারে জ্বালাইয়া শেষ কইর‍্যা দিল পেতনিটায়।
      তোমারও ভাগ্য ভালো এমন নানা পাইছো- এমন নানা সবাই পায়না 🙂

      1. বয়স লুকাও!!! হায় হায় ও নানা তুমি দেখি মেয়েদের মতো বয়স লুকাও। বুড়া হয়েছো সে তো জানি, কিন্তু বয়সটা কতো বলবে তুমি, নাকি আমি বলে দেবো? :p

        আমারে তুমি পেত্নী কও!!! :@ :@
        তোমার মতো নানা কত্তো পাওয়া যায়। ইস কি মনে করো নিজেরে? :@ :@

        1. এখনো ৫৩ চলিতেছে, খুবই অল্প। ৫৪ তে পড়তে অনেক দিন বাকি 🙂
          আমার মত নানা হাটে বাজারে মিলবে না
          এই নানা একপিচই 🙂
          অবশ্য সবাই এর মর্যাদা বুঝবে না, যারা পথে ঘাটে নানা পায়, তারা তো বুঝবেই না 🙂

  5. কবিভাই এটি কিন্তু ঠিক না। কি হয় জানালে? অভিমান করতে জানিনা, রাগ উঠেছে। কি হতো জানালে? :@
    ভাগ্য ভালো নানা পোষ্টটা দিয়েছিলো, নইলে তো জানতামই না। নাহ আপনার সাথে বন্ধুত্ত্ব অসম্ভব!

    জন্মদিনে আপনাকে উচ্ছের জুস, তেঁতুলের টক, কাঁচা লঙ্কার চাটনী একসাথে বানিয়ে খাওয়াবো। কোনোদিন যদি সুযোগ পাই এমন স্পেশাল খাবার আপনাকে খাওয়াবোই। শুনেছি ভালো টেনিস খেলেন। রোজ খেলতে যান মাঠে, আপনার বন্ধু আর আমার নানা বললো আমাকে। এমন স্পেশাল খাবার তো আপনার জন্যেই উদ্ভাবন করলাম 😀

    যাক আজকের দিনে যখন পৃথিবীতে এসেছেন, তখন আপনাকে শুভেচ্ছা তো জানাতেই হয়। শুভ জন্মদিন -{@ (3 \|/

    আজকের আকাশে অনেক তারা, দিন ছিল সূর্যে ভরা,
    আজকের জোছনাটা আরো সুন্দর, সন্ধ্যাটা আগুন লাগা
    আজকের পৃথিবী তোমার জন্য ভরে থাকা ভালো লাগা
    মুখরিত হবে দিন গানে গানে আগামীর সম্ভাবনা
    তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ ,
    শুভেচ্ছা তোমায়
    তাই অনাগত ক্ষণ হোক আরো সুন্দর
    উচ্ছল দিন কামনায়
    আজ জন্মদিন তোমার :c :c \|/ \|/

    https://www.youtube.com/watch?v=Wm4QAbdzEm4

    1. সুদিন-কুদিন সহায়-অসহায় এর একমাত্র বন্ধু !! এভাবে ফেলে দেবন্না যেন।
      খাবারের স্পেশাল মেনু দেখেই বুঝতে পারছি আপনি বন্ধু না শত্রু।
      এই বুড়ো হাবড়ার আবার ঘটা করে জানিয়ে শুনিয়ে জন্মদিন হয় নাকি!! ছায়া যখন পূর্বগামী।

      সত্যি আপনাদের সাথে প্রকৃত বন্ধুত্বের অমেঘ বন্ধনে জড়াচ্ছি আর জড়াচ্ছি।

      1. তা বুড়ো হাবড়ার বয়স কতো শুনি!
        আর কি বলতে চান? একটা পোষ্ট, সাথে পার্শ্বেল। কতো কিছু দিলাম। এমনকি এই যে স্পেশাল খাবার। তাও বলছেন বুঝতে পারছেন না বন্ধু নাকি শত্রু? নিকুচি করি এমন বন্ধুত্ত্বের। আমার সব গিফট এখুনি ফিরিয়ে দিন। নইলে কিন্তু আপনাদের দুই বন্ধুর খবর আছে। :@

  6. জিসান ভাইয়াকে চিনতাম অন্য কোনভাবে আগেই। প্রথম যেদিন সামনে এলেন সেদিন দুইজন মানুষ। একজনের হাতের পাশে রাখা ব্যাগ আর ২৮ দু’গুনে ৩২ দাঁতের হাসি আর অন্যজনের গলায় ঝুলানো ক্যামেরা চোখ বাদ দিয়ে নাকের উপরের চারচোখ দিয়ে তাকানো। এবং, নতুন মানুষটি অল্পকিছুক্ষণের মধ্যেই সহজ হয়ে মিশে যাওয়া।

    জিসান ভাই বলেছিলেন-নীতেশ, উনি আমার বন্ধু এবং ছবি তুলেন- বেশ মনে আছে কথাগুলো।
    কে তিনি? আর কে! সাইরাস হেলাল ভাই।
    সেদিনই প্রথম জিসান ভাইয়া সোনেলার কথা জানান আমায় আর জানানোতে উৎসাহও দিচ্ছিলেন হেলাল ভাইয়া।

    কখনো ব্লগিং করিনি আগে, বুঝি না আর বুঝতে চেষ্টাও করিনি, ব্লগিং করাতো দূর! কিন্তু সেদিনই এই দুইজন আমাকে কি করে যেন মনের মধ্যে টোকা দিয়েছিলেন জানিনা তবে সোনেলায় আমার হাত রাখার সাহস দিয়ে ফেলেছিলেন বটে।

    এরপরে আবার দেখা ২০১৩ সালের সোনেলা মিলনমেলায়। সব সময় হাসিমুখে থাকা মানুষটি সবার ছবিই তুলে যাচ্ছিলেন। কিন্তু উনার ছবি কেউ তুলেন নি :p তাই বলেছিলাম আমি ছবিতে চাই আমার সাথে আপনারা। কেউ একজন তুলে দিয়েছিলেন নিশ্চিত, তাও আবার হেলাল ভাইয়ার ক্যামেরাতেই।

    কিন্তু মানুষটা এমনই যে সেই ছবির কোন প্রকারের অনুলিপি আজ পর্যন্ত দেখালেন না :@

    পরে কোন একদিন সময় করে ফেবুতে উনাকে বন্ধুত্বের অনুরোধ পাঠিয়ে সাথে সাথে সাড়া পাওয়া গেলেও আমি সাহস করে কথা বলার সাহস দেখাতে পারিনি ফেবুতে।

    এখানে এসে বুঝলাম মানুষটা হচ্ছেন চির তরুণ, যেমন তাঁর বন্ধুটি :p :D)

    কবিতা লিখেন, মন্তব্যে, জবাবে দুষ্টামি করেন, পোস্ট বুঝে পোস্ট নিয়ে কথা বলেন আর কি যে লিখেন তা উনিই ভাল জানেন কেননা উনার কবিতাগুলো পড়লে মনেই হয় না উনি এতো রোমান্টিক হয়ে যেতে পারেন :p

    ধন্যবাদ জিসান ভাইয়াকে যে সেদিন প্রথম পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন নচেৎ এই মানুষটাকে এখানে অন্যভাবে চিনতে হতো। (জিসান ভাইয়াকে ভয় পেলেও হেলাল ভাইয়াকে পাই না :p )

    শুভ জন্মদিন হেলাল ভাইয়া। আলাদা করে পোস্ট দিয়ে বলার মতো তেমন কথোপকথন বা দিন নেই আমাদের। তবে যা আছে সেটা নিয়েই এখানেই জানিয়ে দিলাম শুভেচ্ছা জানানোর পরিবর্তে।

    আপনি ও আপনারা আছেন বলেন অন্তর্জালের এই রকমের সাহিত্যের পাতায় আমাদের মতো এঁড়ে বাছুরের দল আনাগোনা করে শান্ত হয়ে :p

    আমাদের পথচলায় আপনি ও আপনাদের চাই এই কামনায় আবারো জন্মদিনের শুভেচ্ছা হেলাল ভাইয়া। (3 (3 (3 (3 (3 -{@ -{@ -{@ -{@

    পুনশ্চঃ কানাঘুষিতে শুনতে পাচ্ছি এই ডিসেম্বরে সোনেলা ব্লগ আড্ডা বা মিলনমেলা হতে যাচ্ছে। তো এই যে কয়জনের জন্মদিন গেলো উনারা সবাই সেদিন একই সাথে পার্টিটা দিচ্ছেন তা সবাই বুঝে গেলাম 😀

    1. নীতেশ কঠিন ফেসবুকার বলেই জানতাম, যদিও আমি ফেসবুকিং করি ই না সে অর্থে,
      আড্ডায় পরিচয়, যদিও নীতেশ তখন ব্লগিং প্রায় করেই না। তবে সেদিন ওর সামনে বসেই ওর
      কৃত্রিম হাসির প্রশংসা করেছিলাম, মনে করি আজ অ তা অমলিন। এ হাসি সবাই হাসতে পারে না।
      ধন্যবাদ,হাসি মুখ নীতেশ। নেহাৎ মনের আনন্দ-খুশিতে লেখালিখি করি, আর এতে করে প্রাপ্তি অনেক মানুষের
      ভালোবাসা, যা এখানে না এলে পাওয়া হত না।
      নীতেশ কে আমি অনেক পছন্দ করি তা আমাদের ভাব-চক্কর দেখলেই বোঝা যায়। জয়তু হাসিমুখ নীতেশ।

      1. আমার হাসির পেছনে দু’টো ঘটনা আছে কিন্তু!

        ২। কলেজ জীবনের শুরুতে আমাদের ঘনিষ্ট বান্ধবী বলেছিলো যে ‘তুই অমন ভিলেইন মার্কা জোরে হাসিস কেন? বিচ্ছিরি লাগে!’ সেই থেকে জোরে হাসি দিয়ে তাকে ক্ষেপানোর চেষ্টাটাই আমার জীবনের অকৃত্রিম অংশ হয়ে গেলো!

        ১। ছোট বেলায় শুনেছিলাম জোরে হাসলে ফুসফুস ভাল থাকে, আর তাই নিজের দূর্বল ফুসফুস ঠিক রাখতেই জোরে জোরে হাসির চেষ্টা করি। বাকিটুকু তো ২ নংরেই আছে :p

        ভাইয়া, জীবনে কি হতে পেরেছি বা হইনি তার সবকিছুর সাথে আছে হাসি। হাসতেই হাসতেই পিঠে ছোরা নিয়েছি আবার হাসতেই হাসতেই বুকে। তাই হাসি ছাড়া আমি নাই 😀

        আমার সৌভাগ্য যে অল্প মন্দ ছাড়া বেশীর ভাগ ভাল মানুষের সান্নিধ্য আমি পেয়েছি যাদের জন্যই আমি মন খুলে হেসে যাই যেমন আপনাদের দেখলেই মনের হাসি চলে আসে 😀

        আবারো শুভ জন্মদিন ভাইয়া এবং জয়তু আপনাদের প্রশ্রয় :p

      2. আসলেই কঠিন ফেসবুকার ছিলাম। ২৪ ঘন্টায় উত্তর বা প্রত্যুত্তর দিতে মিনিটের বেশী সময় নিতাম না। কিন্তু প্রায় ৮ বছরের শেষে এসে দেখছি যে মুখোশের আড়ালে আসল মানুষ যাদের ভাবি তারাই অনেক বড় মুখোশধারী। তাই সেই ফেবু থেকেই বিদায় 😀

        এই বেশ ভাল আছি। সোনেলায় আছি, সোনেলার সাথেই আছি।

        1. আমি কিন্তু সারাক্ষণ ই ফেসবুকে থাকি, সারাদিনে তিন কী চারটে লাইকেই
          সীমাবদ্ধ আমার বুকিং, কিছু নোট আমার করতে হয় যা এখানেই পাই।
          আর অনেক কিছু মেকি ও মনে হয়………।
          যাক সে কথা,
          আমারা কিন্তু সামান্য ক’জন নিয়ে বেশ আছি।
          নীতেশ ও আছে আমাদের সাথে।

    2. পরিচয়ের ইতিহাসটা আবার মনে পরে গেলো।
      নীতেশ কিন্তু এখন একজন পুরোদস্তুর ব্লগার হয়ে গিয়েছে……… 🙂

      মিলন মেলার একটা কথা ভাষে বাতাসে 😀
      হলে ভালোই হয়।

  7. শুভ জন্মদিন প্রিয় ছাইরাছ হেলাল ভাইয়া -{@ আপনার উৎসাহ না পেলে সোনেলায় লেখা বহু পূর্বেই বন্ধ হয়ে যেতো। নিজকে কবর দিয়ে দিয়েছিলাম,কবর খুরে বের করে আনলেন আপনি আবার।

    দুই কুড়ি দুই বছর অর্থ ৪২ বছর বন্ধুত্বের বয়স!!এত বছর একসাথে আপনারা!অবাক হয়েছি ভাইয়ারা। বন্ধুত্বের উদাহরন তো আপনারা।শুভেচ্ছা দুজনকেই -{@

  8. “আজ এই দিনে তুমি কিছু চাও আমার কাছে বন্ধু আমার
    আমার যা কিছু আছে তা দিয়ে দেবো তোমায় প্রশ্নহীনভাবে”____

    এমন ভালোবাসা যে পেলো, তাঁহার আর কিছু চাইবার প্রয়োজন আছে কিনা জানা নাই। শুভজন্মদিন… শুভকামনা। তবে সোনেলায় না এলে জীবনে প্রথমবারের মতন একজন লাউ শিকারি’কে দেখা থেকে বঞ্চিত হতাম। শুভকামনা প্রিয় “সোনেলা” … -{@

    1. ধন্যবাদ আপনাকে।
      শুভেচ্ছা আপনাকেও -{@

      বিশাল এক লাউ শিকার করেছিলো সে
      লাউয়ের ফটোটি খুঁজে দেখতে হবে বন্ধুর ড্রাইবে 🙂

  9. আচ্ছা সব ই তো বুঝলাম কিন্তু কি প্রমাণ আছে যে ছবিতে আপনার বন্ধু লাউ এর ক্ষেতের পাশে শুয়ে লাউয়ের ছবি তুলছেন? অন্যকিছু ও তো হতে পারে। এই যেমন,,,,,,,,,,,,
    :p

      1. আরও হতে পারে উনি ওখানে কোন গোপন দৃশ্য দেখছেন।
        হতে পারে লাউ চুরির নীল নকশা করছেন।
        হতে পারে স্ত্রীর ধোলাই থেকে বাঁচার উপায় খুঁজছেন।
        অনেক কিছুই হতে পারে ;?

        1. উনি আসলে লাউ দেখে শুয়ে শুয়ে ভাবচেনঃ লাউ দিয়ে গরুর মাংস খেলে কেমন হয়? অথবা লাউ চচ্চরি? লাউ পাতলা স্লাইস করে কেটে ইলিশ দিয়ে হলেও মন্দ হয় না আর সাথে লাউ বিচি ভাজি! হলে কিন্তু খেয়েই এমন আরাম করে উপুর হয়ে না থেকে চিত হয়ে শুয়ে রুপকথা ভাবতে পারতাম-এক যে ছিল লাউ…

          :D)

  10. আসলে দিন -তারিখ দিয়ে হিসাব-নিকাশ করে প্রকৃত বন্ধুত্বের ঠিকানা তৈরি হয় না, করাও যায় না।
    যেহেতু সময়ের কষ্টি পাথর পরীক্ষায় এ বন্ধুত্ব পরীক্ষিত তাই তা অমলিন।
    আসলে এ বয়সে জন্মদিন ঠিক যেন মানায় না। তাই এই নিভৃত্বতা।
    সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এ দিনে।

  11. প্রশ্ন হচ্ছে কততম জন্মদিন তার উল্লেখ নেই। মেয়েরা বয়স লুকায় জানি,কিন্তু পুরুষদের বয়স লুকানোর কারনটা বোধগম্য হল না।ঝাতি কততম জন্মদিন তা জানতে চায় 😀
    শুভ জন্মদিন ছাইরাছ ভাইয়া।আজকের এই দিনে এবং রাতে,মাহজাবিন,রাত্রি,রাইরা শুভেচ্ছে দিতে দিতে আপনাকে বেহুশ করে দিক :p
    আপনাদের বন্ধুত্বের ধারা অব্যাহত থাকুক।

  12. ধুর কিছু তো করতেই পারিনা
    তাঁর পরও শিখেছি ফটসপে একটু একটু লিখতে লাখলাম কিন্তু দিতে পারলাম।
    কারণ ছবি দেওয়া সম্ভব হলনা।

  13. সুখে দুঃখে আপনার মতো আমরাও জীবনের অনেকটা পথ হেটেছি…..কিছুটা বাস্তবে কিছুটা অন লাইনে।সব সময় এমন মানুষের সঙ্গ পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার যা আপনি পেয়েছেন।সেই প্রিয় মানুষটিকে কি দিয়ে শুভেচ্ছা দিব তার জন্ম দিনে তবুতো দিতে হয় :T আমন্ত্রণ।

  14. আমি সবসময়ই লেট 🙁
    শুভ জন্মদিন প্রিয়।
    ছবি দেইখা বেঁহুশ অবস্থায় আছি সাথে সবার এত বড় বড় মন্তব্য দেইখা নিজে যা লিখবো তা ও ভুলে গিয়েছি।
    দুই কুঁড়ি দুই বছর বন্ধুত্বের বয়স মাশল্লাহ!!
    আপনাদের বন্ধুত্ব থাকুক চিরদিন।
    শুভ কামনা রইল।।

  15. দারূন বন্ধুত্ব আপনাদের। আপনাদের বন্ধুত্বে মুগ্ধ আমি এবং কামনা করি আপনাদের বন্ধুত্ব চিরদিন টিকে খাকুক।

    দেরিতে হলেও ছাইরাছ হেলাল ভাইয়ার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাই। -{@

মন্তব্য করুন