তোমার রক্ত দেখে যে আতংকে কেঁপেছিল আমার গর্ভধারিনি লুটিয়ে পড়া বিলাপে গগন কাঁপিয়েছিল, সেই দৃশ্য আমি দেখিনি জন্মদাতার মুখে সে গল্প শুনেছি বহুবার ; শুনতে শুনতে একসময় মনে হয়েছে যেন তা চাক্ষুষ করেছি নিজেও শোনা শেষে ছোট্ট বুকটা চিরে বড় কটা শ্বাস বেরিয়েছে বার বার হাহাকার হয়ে ; শুকনো চোখ খরখরা । না তোমার জন্য [বিস্তারিত প্রত্যয়]
ট্যাগ কবিতা
মৃত জোনাকী তুমিও আলো দাও । সে কেউ জানেনা… কারণ আলো দেখার জন্যে অনুভূতি তো চাই , সাথে অন্ধকারও চাই , আর ঘন-সবুজ অরণ্য চাই । এই শহর-নগর ইট-কংক্রিটে ভরা— এখানে সবুজ আছে অট্টালিকার ফাঁকে ফাঁকে । মৃত জোনাকী চুপটি করে বলি তোমায় , তোমার সাথে আমার একটি মিল ; আমিও আলো দেই , কিন্তু [বিস্তারিত তারতম্য : মৃত্যু এবং শ্বাস]
শব্দের একক কোন ক্ষমতা নেই কবিতা হবার, ইচ্ছে হলেই লিখে দিতে পারি দিস্তা দিস্তা তা শুধুই শব্দ এবং বাক্য হবে কবিতা হবেনা। লিখে যেতে পারি মাইলের পর মাইল, সবুজ কালো কিংবা ধুসর, আকাশী নীল রঙের শব্দগুচ্ছ। জেনে রাখো, তা কখনো তোমায় ছোঁয়ার সাহস পাবেনা। যদি, ভালোবাসার ম্যাজিক সহ একটি মাত্র বিন্দু লিখি, কিংবা ধরো তোমায় [বিস্তারিত স্বিকারোক্তি]
তারা শুধুই ইশ্বর কে গালাগাল দেয়, ধারাজল আসেনা কেন? দাহতপ্ত প্রাণ জুড়ায় না কেন? তাদের শুধুই হাহাকার। তারাতো জানেনা প্রকৃতির অভিমান কেন, কার জন্য, তাদের কেবলই মেঘেদের দেখে ভাবনা, এমন কাজল মেঘেও কেন বাদল ঝরেনা। তারাতো জানেনা, এ কোন অভিমানের মায়াঞ্জন কেন মেঘ এসে ফিরে ফিরে যায়, কেনো সে জল হয়ে ছোঁয় না সমুদ্র। প্রিয়তমা, [বিস্তারিত আমন্ত্রন (দূরের মেঘ)]
সুখ পাখি সুখ খুঁজে আপন মনে চারিদিকে ছুটে বেড়ায় সুখের সন্ধানে যেখানেই খুঁজে পায় সুখের নীড় বুকে তার জেগে উঠে আশার তীর পরকে করে নেয় মুহূর্তেই আপন সর্বস্ব করে ত্যাগ রক্ষার্থে মন মজে থাকে কিছুদিন সেই সুখের ছলে নিজের অস্তিত্বকে যায় সে ভুলে বিধাতার এ যেন আজব খেলা সুখের সন্ধানে সে আবার ভাসায় ভেলা ফিরে [বিস্তারিত সুখ পাখি (কবিতা)]
কিছু পুরোনো অভ্যাস এখনো টানে … গভীর রাতে যেমন সবচেয়ে আপন লাগে আমার পনের বছরের পুরোনো চায়ের কাপ, কিনারে কিনারে তার এখনো কত চাপা হাসি, স্বপ্ন, টানাপোড়েন । কত নিরব দীর্ঘশ্বাসের কাহিনী বুকে চেপে দিব্যি উষ্ণতা ধরে রাখে ঠোঁটে ! স্বপ্নের অলিগলি খুব ঘিঞ্জি লাগে আজকাল, পাশকাটিয়ে চলে যাই । নিঃশব্দে … শুধু জেগে থাকে [বিস্তারিত একা নির্ঘুম রাত]
তোমার পোষাকে লেখা ছিলো, ‘মেইড বাই ব্লাড। ‘হাজার কন্ঠের আর্তনাদে কেঁপেছে আকাশ,কেঁদেছে বাতাস ! ফেলানীরা ঝুলে থাকে মানবতার কাঁটাতারের বেড়ায় বিদায় তোকে দুঃখী তেরো,চৌদ্দ তোমায় স্বাগত জানাই। পথে পথে জ্বলেছে মটর,কাবাব হয়েছে শ্রমিক পুড়েছে বাংলা, কেঁদেছে সন্তানহারা মা, গণতন্ত্রকে বলেছি না, রক্তের হলিতে গণতন্ত্র বাচাই ! বিদায় তোকে দুঃখী তেরো,চৌদ্দ তোমায় স্বাগত জানাই। স্বাধীন দেশে [বিস্তারিত বিদায় তোকে দুঃখী তেরো, চৌদ্দ তোমায় স্বাগত জানাই]
কাল সূর্য ওঠেনি আকাশে,আজও না ঘোর অন্ধকারে ঢেকে গেছে এ পৃথিবী কার অভিশাপে জানিনা এহেন নিশী, ত্রিলোকে দূর্যোগের প্রলয়ঙ্কারী ঝঞ্ঝা। কাঁপছে আকাশ, কাঁপছে বাতাস লয়ে পুরুষ ও কাপুরুষ কাঁপছে সবাই, কাঁপছে এ ধরা,মা বসুমতি নিকারে হে প্রভু,পরিত্রাণের নেইকি উপায়? হেনকালে পূব আকাশে কে দেখা দিলো? স্বপ্ন নাকি সত্যি এ সংশয়ে মোহিত ! দুঃখপ্রাতে জগদ্ধাতা, নিকেষ [বিস্তারিত আলোকপ্রাতে (সনেট)]
কবিতার খেরো খাতা আজ রেখেছি তুলে মোটা লাল কাপড়ে বাঁধাই করা, যেখানে লেখা আছে ছন্দপতনের গল্পগাঁথা কাব্যে এবং ছন্দে, দ্বগ্ধ হৃদয়ের কথা বিশুদ্ধ কিন্তু গোপন রহস্যে, অপ্রকাশিত সত্যের সূক্ষ বুনন।। কবিতাকে দিয়েছি আজ দীর্ঘ ছুটি কালি আর কলমে আজ হবে না দেখা, প্রজাপতির পাখায় বিলাবোনা আজ ফুলের সুবাস, নদীতীরে আজ হবেনা যাওয়া বইবে না আজ [বিস্তারিত কবিতা তোমায় দিলাম ছুটি]
যোগেন ঠাকুরের সেই দিন নেই আর নেই সেই পূজার আয়োজন দেবালয়ে, নেই ঘন্টা কিংবা শঙ্খ ধ্বনি, নিজ ভূমে যোগেন ঠাকুর আজ পরবাসী।। গেলো বছর কার্তিক মাসে হুমকি দিলো মোল্লার ছেলে, “বাংলা ছেড়ে হিন্দুস্থান যা, যা চলে যা নেংটি ইঁদুর,মালুর ছা। এই বাংলায় নেই অধিকার, ছেড়ে দে ঐ মুর্তি পূজা। কালেমা পড়িলে,ধর্ম ছাড়িলে মাথা গুজিবার পাবি [বিস্তারিত নিজভূমে পরবাসী]
সেদিনের সেই কুয়াশা ভরা রাতে- কি নেশার জাল বুনেছিলে তুমি, আধখানি চাঁদকে সাক্ষি রেখে বলেছিলাম- ভালোবাসি, ভালোবাসি তোমায় আমি। কান পেতে শুনেছিলো- রাতের ধ্রুবতারা,মধুর বাঁশরী বাজিয়েছিলো- নির্জন রাতের বিহগ-বিহগীরা। হাসিতে তোমার ঝরেছিলো মুক্তোধারা। আজও কুয়াশা নেমেছে নির্জন রাতে, আমি আছি,নেই তুমি, নেই হাত হাতে। আধখানি চাঁদ আজ ওঠেনি,বাজেনি মধুর বাঁশরী, বদলে গেছো সেই তুমি, আমিতো [বিস্তারিত বদলে গেছো সেই তুমি]
হাজার বছরের অমরত্ব চাই।। একশো বছরের সুখে তুমি ক্লান্ত হবে, একঘেয়েমি মুখ, একঘেয়েমি চোখে, তুমি অন্য কারো ছায়া নেবে, আমি রোদ হয়ে তোমার ছায়ায় মাঝে মিলিয়ে যাবো ।। নিয়নবাতি পাল্টে যখন সলতে জ্বলা প্রদীপ হবে, টিমটিমে ঐ আলোর পাশে ধোঁয়ার আশায় মগ্ন রবো, আমি তোমার এক একটি পরিবর্তনের স্বাক্ষী হবো ।। তোমার আঙ্গুল নিয়ে অন্য [বিস্তারিত খামখেয়ালি চাওয়া——]
“সবাই চলে গেছে শুধু একটি মাধবী তুমি…………………………………” ফুরিয়ে গেছে চরকার সুতো——— বোনা হয়নি রুপকথার সেই নকশীচাঁদর। মাঝরাতে আচমকা আকাশের জানালা খুলে গেলে একটি নক্ষত্র খসে সোজা আমার স্বপ্নের ভেতরে ঢুকে পড়ে ‘খসে পড়া তারার কাছে কিছু চাইলে ইচ্ছা -পূরণ হয়’ —————-তুই বলেছিলি। তারা খসা————- তুই। কিছুতেই মনে পড়েনা কিযে চাই। গুলমোহরের লতানো ঝোপে চাঁদ নেমে [বিস্তারিত মাঝরাতের নক্ষত্র এবং সোনালী তরল]
রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা কার না প্রিয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতার প্রচুর পাঠক রয়েছেন যারা, সারা জীবন ‘শেষের কবিতা’ ভালবেসে গেছেন, যারা সময় পেলেই চোখ বুলিয়ে নেন, আবার অনেকে আছেন যারা দূরের যাত্রাতে অবশ্যই বইটি সঙ্গে রাখবেন। তাদের ভাললাগার কথা, না বলা কথা নিয়েই এই পোষ্ট। কবিতাটি আমারও ভীষণ প্রিয়। তাই শেয়ার দিলাম কবিতাটি অডিও সহ। [বিস্তারিত শেষের কবিতা (আবৃত্তি-অডিও)]
আমি জানি আমার জন্যে কেউ আবেগ নিয়ে অপেক্ষায় থাকে না তাই কোনো তাড়াও থাকেনা ঘরে ফেরার একটা দায়িত্ত্বভরা কলস আছে , ওটার ভেতর জল রাখি— আর একটা মাঝারী আকারের গাছ আছে সেই গাছে জল দেই রোজ । দিতে হয় । কারণ ওই গাছটাকে আমি-ই তো নিয়ে এসেছি । ভুলে গেছি আমার চাওয়া-পাওয়া , শুধু দেখি [বিস্তারিত শেকড়]