আমন্ত্রন (দূরের মেঘ)

তারা শুধুই ইশ্বর কে গালাগাল দেয়, ধারাজল আসেনা কেন?
দাহতপ্ত প্রাণ জুড়ায় না কেন? তাদের শুধুই হাহাকার।

তারাতো জানেনা প্রকৃতির অভিমান কেন, কার জন্য,
তাদের কেবলই মেঘেদের দেখে ভাবনা, এমন কাজল মেঘেও কেন বাদল ঝরেনা।
তারাতো জানেনা, এ কোন অভিমানের মায়াঞ্জন
কেন মেঘ এসে ফিরে ফিরে যায়, কেনো সে জল হয়ে ছোঁয় না সমুদ্র।

প্রিয়তমা,
আজতবে বলে দেই কাজল মেঘের অভিমানের ইতিবৃত্ত
আজ তবে বর্নিত হোক সকল প্রেম ও অপেক্ষার কথকতা।
জানেনা সাধারণে, প্রকৃতির এই বিরুপতা তোমারে লক্ষ্য করে,
তুমি নীরবতা না ভাঙলে তাপদাহ কমবেই না।

এসো তবে,
চোখে চোখ রেখে দেখ আমার ভেতরটা স্পর্শ দিয়ে আমাকে জাগাও
অতঃপর, দুজনে মিলেই তুমুল বৃষ্টি নামাই।
আসবে?

মোট পড়েছেনঃ ৭৫৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য

  1. মিছা কথা। ফুসলিয়ে ফাসলিয়ে বাগে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে তা পাঠক বুঝতে পেরেছে। এই মিষ্টি কথায় যদি প্রিয়তমা আসে তাহলে নিশ্চিত বৃষ্টির বদলে টর্নেডো বইবে। এই গেলো গোপন কথা।

    কবিতা সব্দ চয়ন অসাধারণ হয়েছে বলতেই হবে। পরিচ্ছন্ন লেখা যা পড়তে অনেক ভাল লাগে। অনেক অনেক শুভেচ্ছা শিমুল দাদা।

  2. এই তাহলে রহস্য !!! এ কিন্তু একদম ভালো হয়নি, এতো গুলো মানুষ কি কস্ট টাই না পেলো।।
    আপনাদের দুজনের জন্য কোর্ট মার্শাল এর ব্যবস্থা করার জোর দাবী জানাচ্ছি 🙂
    বর্ষাকালে দুজন দূরে থাকুন ।।

  3. কবিতাবিমুখ কাউকে কবিতা ভালোবাসতে শেখানো- কবির অনেক বড় সার্থকতা।
    কবির স্বপ্নরা বেঁচে থাক। তুমুল বৃষ্টিতে ধুয়ে যাক স্বপ্নভঙ্গের ভয়…

    1. কবির স্বপন সারথী হারতে দেবেনা কবিকে, কবি তা জেনেছে।
      এ সারথী নিবিড় মায়ায় যাযাবর কে গৃহস্থ বানাচ্ছে, কবি হারবে না।

মন্তব্য করুন