বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের হৃদয় বিদারক একটি দৃশ্য ফুটে উঠেছে যশোরের আঞ্চলিক এই কবিতার মধ্য দিয়ে। কবির নাম জানা নেই ।অনুরোধ রাখছি কারো জানা থাকলে জানাবেন। শিরোণামঃ যুদ্ধ-নছিরণ আর আমি। আবৃত্তিকারঃ দেবব্রত ঘোষ। জুদ্দই যাবার সুমায় নছিরণরে পাজাড়ে ধরে কয়ে গিলাম, ফিরে আসে ওরে আমি ঘরে নেব। জুদ্দর ফাএ ফাএ আমি ওরে দেখতাম, বুহির মদ্যি মাজে মাজে [বিস্তারিত “যুদ্ধ-নছিরণ আর আমি” যশোরের আঞ্চলিক ভাষায় একটি কবিতা(অডিও সহ)]
ট্যাগ কবিতা
নর্দমা আর ডাস্টবিনের কাছে খাদ্য ভিক্ষা করেছি প্রভু- দেখি সেখানেও চলছে অভাবের ঘনঘটা, তুমিও বুঝি ক্ষুধায় রেখে করে যাচ্ছ তবুও- চৌতলার ঐ অসৎ বান্দাদের সেবা? মানবিক বিবেকের কাছে হার মেনেছি, সেইতো কবে হায় ! তুমিও প্রভু হার মেনেছো সম্পদের বিড়ম্বনায়? হায় মানুষ ! হায় ঈশ্বর ! মানব জনম বৃথা হয়ে যায়, হয়ে যায় নশ্বর ! [বিস্তারিত হায় মানুষ, হায় ঈশ্বর]
তোর বুঝি আর দুঃখ নেই? মনের কোণে বিষাদ নেই? তিক্ততারও লেষ বুঝি নেই? অনামিকার স্মৃতিটুকু ? তাও বুঝি নেই? আপন থেকে পর হলি তাই- জানতে বড় ইচ্ছে হয়; সেইতো তুই চলেই গেলি- কোন দোষেতে দুঃখ দিলি? কোন সুখে বল এই বুকেতে – দীর্ঘশ্বাসের অনল হলি? কোন মোহেতে আপন হাতে নিভিয়ে দিলি দীপাবলী? তোর বুঝি আর [বিস্তারিত তোর বুঝি আর দুঃখ নেই?]
ছোট এক পথশিশু। ঘর নেই, খাবার নেই, দিন চলে যার ক্ষুধার সাথে লড়াই করে, প্রকৃতির সাথে – নিয়তীর সাথে যুদ্ধ করে। তারও যে অনেক স্বপ্ন থাকে জেনেছি কি কখনও? তেমনই এক পথশিশুর স্বপ্নের কথা শুনাবো আজ। শিরোণামঃ আমি তোমাদেরই এক ভাই আমি তোমাদেরই এক ভাই; আমারও আছে একমুঠো স্বপ্ন- রঙিন ফ্রেম বাঁধা; অথচ দুরন্ত- ভঙ্গুর [বিস্তারিত আমি তোমাদেরই এক ভাই (এক পথশিশুর স্বপ্নের কথা)]
তোমার ঐ দুটি চোখ বিধাতার লেখা এক কাব্য; হাতছানি নয় ইশারায় ডাকে, জাগিয়ে তোলে তারুণ্য। নীল চোখে স্বপ্ন দেখাও- নীলিমায় দিবানিশি; দৃষ্টিজুড়ে গোধুলীর আভায়, একে দিলে কোন ছবি ! চঞ্চল চোখে ওগো মায়াময়ী, বাঁধিলে দৃষ্টি, জানো কি তুমি?; ও চোখে কেনো দূর্বার নেশা- জানে কি তোমার আমি? ~ নীলকন্ঠ জয়(০২/০৯/২০১৩ ইং)।
ধিক্কার তোদের অভিশাপ তোদের কুলাঙ্গারের দল- এই বাংলার জল হাওয়ার সাথে কিসের এত ছল? বোনের সম্ভ্রম,ভাইয়ের রক্ত মায়ের চোখের জল- শকুনীর চোখে দেখিস তোরা কোনসে সুখে বল? বাহান্নতে রক্ত দিলাম মাতৃভাষার তরে, একাত্তুরে বেঈমান তুই মারলি ভাইকে ধরে? ভেবে দেখেছিস তুই নরকীট- যুগ যুগান্ততরের ঝুট? নইলে কি আর বোনের সম্ভ্রম, মায়ের ইজ্জত করতি কিরে লুট? [বিস্তারিত ধিক্কার তোদের, অভিশাপ তোদের]
*** একালের খনার বচণঃ শোনরে বাপু শিল্পপতির বেটা মার্কেটের মধ্যে নতুন যেটা তাতে যদি করিস ইনভেস্টমেন্ট লাভ পাবি হান্ড্রেড পারসেন্ট। খনা বলে শুনে যাও ব্যাংক থেকে ঋণ নাও মুনাফা পাবে তাড়াতাড়ি চড়বে সুখে পাজেরো গাড়ি। *** আদি খনার বচণঃ শো্নরে বাপু চাষার বেটা মাটির মধ্যে বেলে যেটা তাতে যদি বুনিস পটল হবে তো্র আশা সফল [বিস্তারিত একালের খনার বচন – ১]
নীলিমা, তোমায় আর লিখব না, এ চিঠিই যেন শেষ চিঠি হয়। এ চিঠি ভাসিয়ে দিব জলে; শুন্যে অথবা দুরন্ত খোলা হাওয়ায়। নীলিমা, তোমায় আর ডাকবনা, এ ডাক যদি নাইবা শুনতে চাও। আমার কথাকলি ধ্বনিত হবে- তোমার কানে কানে, যে দিগন্তেই হারাও। নীলিমা, তোমায় আর ভাবব না, এ ভাবনায় দুঃখ পেতে হয়। আমার ভাবনা মুছে ফেলব- [বিস্তারিত নীলিমা]
বিচ্ছিন্ন জীবণ, বিচ্ছিন্ন ক্ষণ- নিস্তবতার মাঝে আমি একজন, একাকি অসহ্য প্রহর- কাটে না সময় কিংবা ঘোর। পরাজিত আমি সময়ের কাছে, জীবন নামক কাব্য ধারার কাছে। পরাজিত প্রহর ভাঙ্গা- নিস্তব্দতার কাছে, কাক ডাকা ভোরের কাছে। পরাজিত আমি বিবেক দহনে- কিংবা একমুঠো হতাশার ছলনে। পরাজিত তাই ভীড়েছি- জীবন্মৃতের দলে, পুড়ছি কুন্ডহীন অনলে। বিচ্ছিন্ন জীবণ, বিচ্ছিন্ন ক্ষণ, ভাবনাহীন [বিস্তারিত পরাজিত]
“আমিও ঝরে যাবো ঝরা পাতার মত, শুনতে পাবে বন্ধুরা সব মরমর ধ্বনি শত। আমিও হারিয়ে যাব নীল আকাশের তারার মত, নিয়ে যাব সঙ্গী করে এই পৃথিবীর ক্ষত আছে যত।আমিও হারিয়ে যাব রেখে যাব স্মৃতি, তুমি-আমি, এই পিছুটান হারাবে পূর্ণতা,গতি; আমিও হারিয়ে যাব করবো স্বীকার নতি, তোমার-আমার ব্যবধান হবে সহস্র ক্রোষ অতি। আমিও ছেড়ে যাব বন্ধু [বিস্তারিত বিদায় রাগিণী]
সীমার মাঝে, আসীম, তুমি বাজাও আপন সুর । আমার মধ্যে তোমার প্রকাশ তাই এত মধুর । কত বর্ণে কত গন্ধে, কত গানে কত ছন্দে, আরুপ, তোমার রূপের লীলায় জাগে হ্রীদয়পুর । আমার মধ্যে তোমার শোভা এমন সুমধুর । তোমায় আমায় মিলন হলে সকলি যায় খুলে- বিশ্ব সাগর ঢেউ খেলিয়ে ওঠে তখন দুলে । তোমার আলোয় [বিস্তারিত ”সীমার মাঝে”]
মধ্যরাতে, ঝড়ের সাথে, বজ্রপাতে, জানের ভয়ে ছুটছি আমি নিচ্ছি না দম তিলেক। ঐ দেখা যায় আবছা কায়ায় দখিন পাড়ায়, আশায় বসে মেয়ে আমার। সামনে শুধু বিল এক। রহিম চাচার বাড়ির মাচার ডিমের খাঁচার কয়েকটা ডিম নিলাম নাহয়, দোষ কি খুবি তাতে? কিন্তু ওরা কী বেয়াড়া! করছে তাড়া, খুব নিরীহ এই আমাকে একলা গভীর রাতে। সন্ধ্যে [বিস্তারিত চোর]
চোখ দুটোকে বললাম , অতো স্বপ্ন দেখিস কেন ? এবার একটু বাস্তবটাকে দেখ । আমার ঠোঁট দুটোকে বললাম , নিশ্চুপ থাক । চাওয়া-পাওয়ার দরজাটাকে বন্ধ করে দে । কন্ঠটাকে বললাম , আর কোনো চিৎকার নয় , ক্রোধ নয় । নীরবতা দিয়ে ঢেকে রাখ মুখ । হাত দুটোকে বললাম , ব্যথা দিসনা , আর নিজেও ব্যথা [বিস্তারিত অবাধ্য]
কেন বলিনি তোকে রাজকন্যা, চোখে মহাসাগরের অতলতা, সুধামাখা তোর হাসি, নধর ঐ অধর। মেঘ কালো তোর চুল, দুধে আলতা গা; তাই আমার নামের অভাগা তোর অচেনা! ইতিহাসেও ছিলনা-এমনই তোর ভাবখানা! নারী, বুঝতে চাসনি (নাকি তোরা বুঝিস-ই না?) সাধারণ তোকেই ভালবেসেছিলাম আমি, চেয়েছিলাম সুতীব্রভাবে, শেষ অবলম্বন ভেবে; ডুবে মরতে বসা অভাগার ফুসফুস যেভাবে কান্না করে ‘অক্সিজেন, [বিস্তারিত রাজকন্যা তুই ছিলিনা]
তুমি মরে যাচ্ছো । আমার প্রেমের বিষে ক্ষয়ে যাচ্ছো দিনের পর দিন । এরপর হঠাৎ একদিন একেবারেই মরে গেলে । আচ্ছা এই আমি বড়ো বিষাক্ত জেনেও কেনইবা ভালোবেসে ফেললে ! আচ্ছা ধরে নাও কোনো একদিন যদি এমন হয় , আমি নেই , কোথাও নেই… তখন কার বিষে নীল হবে ? জানো , যখন তুমি চোখের [বিস্তারিত ফোষ্কা……]