ঘটনাটা ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে... বিয়ের তিন বছর পর আমার স্ত্রীর পরিবার আমাদের প্রেমের পরিণয় মানে আমাদের বিয়ে মেনে নেয় এবং আমন্ত্রণ করে তাঁদের বাসায় যাওয়ার জন্য। আমি থাকি কুয়ালালামপুর! এখান থেকে জোহোর-বাহরু শহরে যাওয়ার জন্য নিতে এসেছিলো আমার এক মামা শশুর। সাত-আট ঘন্টার ড্রাইভিং রাস্তা তাই মামা আর আমি পালা করে ড্রাইভ করবো এই [বিস্তারিত]

এবারে আর এসো না

ছাইরাছ হেলাল ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার, ০৩:১৩:৫৫অপরাহ্ন গল্প ১০ মন্তব্য
নিয়ম-নিগড়ের আতিশয্যে গা-দুলিয়ে ফি বছরের মত এবারেও এসে জাহির দ্বোর গোঁড়ায়, উত্তপ্ত লাভা-গরল ফেলে লালা-চোখা-দৈত্য, ছিঁড়বে খুঁড়বে পিষে পিষে চিরে-ছিরে চ্যাপ্টা বানাবে, অট্ট-হাসি হাসতে হাসতে; বিভ্রম-বন্ধনে অমীমাংসিতের কাটাকুটি খেলা অনন্ত অস্পষ্টতার সিল মেরে। ক্ষয়ে যাওয়া মেঘ-দল দল ছুট হয়ে পথ হারাবে কেঁদে কেঁদে তীব্র শোকে, ঋতুমতী বর্ষা টিকা টিপ্পনী ছেড়ে-টেরে অবাক উদাস নয়নে কোন এক [বিস্তারিত]
লৌকিক না অলৌকিক' সে তর্কে যেতে চাই না। তবে জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যার আসলে কোনো উত্তর হয়না। ব্যাখ্যাও হয় না। এমন অলৌকিক অনেক ঘটনাই আমার সাথে ঘটে গেছে জীবনের বিভিন্ন সময়ে। এর ব্যাখ্যা আজও আমার অজানা। ঘটনা একঃ ছোটোবেলায় প্রচন্ড দূরন্ত প্রকৃতির ছিলাম আমি। সব বিষয়ে প্রচন্ড সাহস ছিলো আমার। কি সন্ধ্যা কি [বিস্তারিত]

মায়া’র টানে

বন্যা লিপি ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮, রবিবার, ১১:২৮:৫০অপরাহ্ন কবিতা ১৮ মন্তব্য
মায়ার টানে মাটি হলো আরো মাটি, সুবর্ন কনকে সজ্জিত গরবী আধারখানি পরিপূর্ণ। পূর্ণতায় আহ্লাদিত কনকঔজ্জল্যে প্রভাকর! কাঠিন্য সত্যে প্রদীপের তলে অন্ধকার। কাকচক্ষু দুর্মূল্যের কালো মার্বেল নিত্য পায়ের তলে। প্রতিদান, অস্থিমজ্জার বিকলাঙ্গ রুপ। চিরায়ত প্রতিশ্রুতি.....আপন আয়না লজ্জিত। সফেদ শুভ্রতা ভ্রমের মায়াজালে কারাবন্দী, চাতালে শুধুই হলুদ অলোকানন্দা গুঁড়ো গুঁড়ো সর্ষেতে হাজারে, অযুতে, নিযুতে অশরীরী ভুতের নৃত্য। কব্জিতে [বিস্তারিত]
এপ্রিলের হালকা শীতের স্নিগ্ধ সকাল। এ দেশে আমার প্রথম সকাল। ঘুম ভাঙ্গে কলিং বেলের কর্কশ শব্দে। এক চায়নিজ যুবক এলো বিশালাকার দুটি লণ্ড্রী ব্যাগ নিয়ে। আমরা যে আত্মীয়ের বাসায় উঠেছিলাম, সে বাসার অ্যান্টি এগিয়ে গেলো সদর দরজায়। ব্যাগ দুটি বুঝে নিলো। জানলাম ব্যাগ ভর্তি কাপড়। নির্দিষ্ট মাপের করে কাটা। সম্ভবত ১২ ইঞ্চি বাই ৩ ইঞ্চি [বিস্তারিত]

শীত শীতের কুসুম-রোদ

ছাইরাছ হেলাল ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার, ১০:৩০:২১পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২১ মন্তব্য
এ এক অনিঃশেষ ভাগ-দৌড় হাসফাসে প্রাণ ওষ্ঠাগত থেমে যাই হঠাৎ, ভাবি, এক-ই বৃত্তে এই আমি, প্রথম ও শেষতম; প্রসবিত সকাল সূর্য দিগন্তে উঁকি দেয় কুসুম-রোদ মেখে, মেয়েলি মায়াবী গ্রামে চাঁদ শুয়ে আছে অচঞ্চল নিশ্চলতায়, আবছা শীত ক্রমাগত ক্রমান্বয়ে জেঁকে বসে স্থাণুর মত; সময়ের অশ্বারোহী বেঁধে ফেলে বিভ্রম চোখে আষ্টেপৃষ্ঠে কালচক্রের মত; নিখুঁত ভাবে। সময়-শ্যামাঙ্গীর টানা [বিস্তারিত]

জমা//

বন্যা লিপি ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ০৯:৪০:৫৫অপরাহ্ন কবিতা ২৪ মন্তব্য
জমা আছে...........কিছু আগুনের ভাটিতে পোড়া ইট,ঢিবিকৃত বালু রাশি, আছে কিছু  ঘোলা পানি। সহজ কথার ভীড় জমতেই........ সিমেন্ট মাটি দাঁড় করিয়ে দ্যায়, দুর্ভেদ্য দেয়ালের সীমানা প্রাচীর। থাকেনা কোনো ঘুলঘুলি। থাকেনা আলো প্রবেশের.......গোপন রাস্তা। ইটের পরে ইট রেখে পৌঁছে যাওয়া....................................উঁকি দিতে মুক্ত আকাশের নিলাভ আবেগ চুরি করতে, কুয়াসার ধোঁয়াসা আচ্ছাদন সরিয়ে দৌঁড়ে ছুটতে চাইতেই,..............................................প্রাচীর গাত্রে কুষ্মান্ড কপালে [বিস্তারিত]

ইশ্বরের পাহাড় (২য় পর্ব)

তৌহিদুল ইসলাম ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ০২:৫৪:৪১অপরাহ্ন ভ্রমণ ২১ মন্তব্য
  ইশ্বরের পাহাড় (প্রথম পর্ব) মমব্রুর মা চিনিপ্রুর রান্না অসাধারন। রাতে খেতে বসে ভাঙা ভাঙা বাংলায় সে বললো - ভালোবেসে মমব্রুর বাবাকে বিয়ে করেছিলো। মমব্রু তার গর্ভে থাকা অবস্থায় সে মারা যায় ইশ্বরের পাহাড়ে। তাকিয়াপালা পাহাড়ে কেন গিয়েছিল মমব্রুর বাবা তা আজও কেউ জানেনা। মমব্রু তার শার্টের পকেটে সবসময় বাবার একটা সাদাকালো ছবি রাখে। মমব্রুর [বিস্তারিত]
জীবনে অনেক কিছুই ঘটে যায়, যার কোনো কারণ থাকেনা। আর থাকলেও সেটা খুঁজে পাওয়া যায়না। এমনই একটা সত্যিকারের ঘটনা বলতে এসেছি। আমি কানাডার নোভাস্কোশিয়া প্রদেশে আসি ২০১১ সালে। আর ২০১২ সালের জুন মাসে ওন্টারিও প্রদেশের হ্যামিল্টনে চলে আসি। এখানে এসে প্রথম দুই মাস বন্ধুর বাসায় থেকে বাসা খোঁজা শুরু করলাম। আগষ্ট মাসে স্যানফোর্ড এভিনিউর একটা [বিস্তারিত]

কথকতা::::

বন্যা লিপি ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ১০:৫৫:৪৩অপরাহ্ন কবিতা ২০ মন্তব্য
স্বচ্ছ কাঁচের বোতলে ছিপি আটকে রেখেছি কিছু চিন্তা নামক বীজ। কিছু সাদা কাগজের বুকে, কালো অক্ষরের রোজ নামচা......... কিছু ভালো মানুষীপনা, দেখেছি যত ঘাপটি মেরে থাকা কদর্যপনা, যখন তখন বেয়ারাপনায় ঔদ্ধ্যত্য প্রকাশের হম্বি তম্বি...... আস্ফালনে চেঁচিয়ে জানান দিতে উদগ্রীব উন্মূখ!!! হাতে ধরে অপেক্ষায় আছি প্রহরের পর প্রহর...... নিশ্চল পাথরের মতো জগদ্দল হয়ে। আকাশচুম্বি বাড়বাড়ন্তপনায় আপত্তি [বিস্তারিত]

“নাম’ই বলে দিবে আপনার চরিত্র”

মনির হোসেন মমি ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ১০:৩০:৫০পূর্বাহ্ন অন্যান্য, বিবিধ ২৬ মন্তব্য
অনেকে ভাগ্যকে বিশ্বাস করেন অনেকে আবার ভাগ্যকে বিশ্বাস করেন না।অনেকে আবার ভাগ্যকে ফিফটি ফিফটি বিশ্বাস করেন।তবে জীবনে ভাগ্য সম্পর্কে অগ্রীম জানার কৌতুহলের বশীভুত হয়ে ভাগ্য রেখা গণণায় কম বেশ জ্যোতিষির কাছে যাননি এমন সংখ্যা কম।তবে এ কথা সত্য যে যিনিই ভাগ্যের ভাল মন্দ ভবিষৎ জানতে জ্যোতিষিদের নিকট গিয়েছেন তিনিই অবাক হয়েছেন জীবনের সাথে মিলে যাওয়া [বিস্তারিত]

ইশ্বরের পাহাড় (প্রথম পর্ব)

তৌহিদুল ইসলাম ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ০৮:৫৪:১১অপরাহ্ন ভ্রমণ ২৩ মন্তব্য
পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথে হাঁটছি আমি আর মমব্রু। সে আমার আঙুল আলতো হাতে চেপে ধরে হাটছে। ছেড়ে দিচ্ছে আবার একটু পর পর এসে হাতে হাত রেখে হাঁটছে। সন্তান যেমন বাবার হাত ধরে হাটে সেরকম। এই অনুভুতিটা আমারো ভালো লাগছে বলে আমি না করিনি তাকে। আমার পিছনে স্বপন মামা সাথে লিপন ভাই। রাঙামাটি থেকে কর্ণফুলী নদীপথে আরো [বিস্তারিত]

“ভুতের সাথে এক রাত্রী”

মনির হোসেন মমি ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, ১২:৩৯:৩৩অপরাহ্ন গল্প, বিবিধ ২৪ মন্তব্য
আমি যে কেমন মানুষ আমি নিজেই জানি না।জীবনের এ পড়ন্ত বেলায় বুঝি না কোন ভাল মন্দ,বুঝি না ছল-চাতুরীঁ,মনে নেই কোন ডর-ভয়,নেই কোন বিশ্বাসে আস্তা অবিশ্বাসে ঘৃণা;কেবলি মনে হয় এ জীবন কিছুই নয়রে পাগল হবে যখন সাঙ্গ রঙ্গ এ মেলা।এ একটা বয়সে মনে হয় সবারই এমন মনে হয়,সব কিছুইতে কেবলি অসার ভাবা হয়।তবে ছোট বেলা মানে [বিস্তারিত]

আজ ভাইয়ার জন্মদিন।

রিতু জাহান ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, ০৮:২০:২৬পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৮ মন্তব্য
আমার লেখালেখির হাতেখড়ি দুচন মানুষের প্রচন্ড উৎসাহ দিয়েই শুরু। আগে লিখতাম কাগজবুকে। লিখে তা আলমারিতে পড়ে থাকতো। কিন্তু সেটাকে ঘষেমেজে বার বার উৎসাহের আলো জ্বেলে তাতে সোনার আলো ফেলেছে ভাইয়া আর রুনা ভাবি। আমি কতো যে যন্ত্রনা দিয়েছি ভাইয়াকে লেখা নিয়ে সেটা একমাত্র আমি জানি। ভাইয়া তা মনে রাখেনি কখনো। ব্লগে আরো অনেক অনেক ব্লগার [বিস্তারিত]

কালোজাদু.. অতঃপর তিনি !

রেজওয়ান ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮, রবিবার, ০১:১৭:০১অপরাহ্ন গল্প ২০ মন্তব্য
২৭ বছর বয়সে পড়াশুনার পাঠ চুকিয়ে মিঃ সিম জিং মেং পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে সবে চাকুরী পেয়েছেন। মিঃ সিম এর একটু বর্ণনা দিয়ে নেই। ছয় ফিট লম্বা এই চাইনিজ মানুষটা খুব ফর্সা, সুন্দর ও শুঠাম দেহের অধিকারী। চাইনিজ বংশভূত এমন পুরুষ খুব কম ই দেখা যায়। যে কেউ দেখেই প্রেমে পরে যাবে। কেন যে সে ফিল্ম [বিস্তারিত]

মাসের সেরা ব্লগার

আর্কাইভ